চট্টগ্রাম   বুধবার, ১ ডিসেম্বর ২০২১  

শিরোনাম

খুলনা বিভাগে করোনায় মৃত্যু হাজার ছাড়ালো, শনাক্ত ১৪৬৪

খুলনা প্রতিনিধি :    |    ০৭:১০ পিএম, ২০২১-০৬-২৮

খুলনা বিভাগে করোনায় মৃত্যু হাজার ছাড়ালো, শনাক্ত ১৪৬৪

খুলনা বিভাগে করোনাভাইরাসের প্রকোপ কোনোভাবেই কমছে না। অদৃশ্য এই ভাইরাসে দিন দিন শনাক্ত আর মৃত্যুর রেকর্ড ভাঙছে। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা আক্রান্ত হয়ে বিভাগে ৩০ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ সময়ে নতুন করে রেকর্ড ১ হাজার ৪৬৪ জনের করোনা হয়েছে। এদিকে সোমবার (২৮ জুন) পর্যন্ত খুলনায় করোনায় মৃতের সংখ্যা এক হাজার ছাড়িয়েছে। একইসঙ্গে শনাক্তের সংখ্যা ৫৩ হাজার ছাড়িয়েছে। চিকিৎসকরা বলছেন, শুধু লকডাউন অথবা স্বাস্থ্যসেবা বৃদ্ধি করে করোনা সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব নয়। নিয়ন্ত্রণে প্রয়োজন সচেতনতা ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা।
খুলনা বিভাগীয় স্বাস্থ্য অধিদফতরের পরিচালক রাশেদা সুলতানা জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় বিভাগের মধ্যে কুষ্টিয়ায় সর্বোচ্চ ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ ছাড়া খুলনায় ছয়জন, মেহেরপুরে চারজন, ঝিনাইদহে চারজন, চুয়াডাঙ্গায় দুজন, বাগেরহাটে দুজন, যশোরে একজন, সাতক্ষীরার একজন এবং নড়াইলে একজন মারা গেছেন।

খুলনা বিভাগের মধ্যে প্রথম করোনা রোগী শনাক্ত হয় চুয়াডাঙ্গায় গত বছরের ১৯ মার্চ। করোনা সংক্রমণের শুরু থেকে সোমবার সকাল পর্যন্ত বিভাগের ১০ জেলায় মোট শনাক্ত হয়েছে ৫৩ হাজার ৬৩১ জন। আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ১ হাজার ১১ জন। এ সময় সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৩৬ হাজার ৯৭৮ জন।

খুলনা সিভিল সার্জন অফিসের মেডিকেল অফিসার (রোগ নিয়ন্ত্রণ) ডা. শেখ সাদিয়া মনোয়ারা ঊষা জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় খুলনা জেলার ছয়জনের মৃত্যু হয়েছে। এ ছাড়া খুলনা জেলা ও মহানগরীতে ৭৬৮টি নমুনা পরীক্ষা করে ২৯৯ জনের শরীরে করোনা শনাক্ত হয়েছে। যা মোট নমুনা পরীক্ষার ৪০ শতাংশ।

বিভাগীয় স্বাস্থ্য অধিদফতরের জেলাভিত্তিক করোনা সংক্রান্ত তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, ২৪ ঘন্টায় খুলনা জেলায় করোনা শনাক্ত হয়েছে ৩১১ জনের। এ পর্যন্ত মোট করোনা শনাক্ত হয়েছে ১৪ হাজার ৯৪৩ জনের। এ সময় মারা গেছেন ২৪৬ জন এবং সুস্থ হয়েছেন ১০ হাজার ৬১১ জন।

এদিকে সোমবার (২৮ জুন) সকাল ৮ টা পর্যন্ত আগের ২৪ ঘন্টায় খুলনা জেলার তিনটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরও ১১ জনের মৃত্যু হয়েছে। এরমধ্যে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের করোনা ডেডিকেটেড ইউনিটে ছয়জন ও বেসরকারি গাজী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে।

খুলনা করোনা ডেডিকেটেড হাসপাতালের ফোকাল পার্সন ডা. সুহাস রঞ্জন হালদার জানান, খুলনা করোনা ডেডিকেট হাসপাতালে গত ২৪ ঘন্টায় আরো ৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। তারা হলেন, খুলনার খানজাহান আলী থানা এলাকার আকলিমা (৩৫), সাতক্ষীরার তালার মো. সিফাতুল্লাহ্ (৮৫), খুলনার মৌলভীপাড়ার ফেরদৌসী ইসলাম (৫৮) ও নাইলী (৬৭), খুলনার ডুমুরিয়ার আম্বিয়া (৩৫) এবং বাগেরহাটের মংলার প্রদীপ কুমার (৬৩)। এছাড়া ১৩০ শয্যার হাসপাতালটিতে সকাল পর্যন্ত ১৬৯জন চিকিৎসাধীন ছিলেন। এরমধ্যে রেড জোনে ৯৯জন, ইয়ালো জোনে ২৫জন, আইসিইউতে ১৯জন এবং এইচডিইউতে ২০ জন। গত ২৪ ঘন্টায় নতুন করে ভর্তি হয়েছেন ৪১জন। আর সুস্থ্য হয়ে বাড়ী ফিরেছেন ৩৪ জন।

গাজী মেডিকেল হাসপাতালের স্বত্তাধিকারী ডা. গাজী মিজানুর রহমান জানান, ২৪ ঘন্টায় হাসপাতালের করোনা ইউনিটে আরও পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে। তারা হলেন- বাগেরহাট সদরের লাউপোল এলাকার নারায়ন (৭১), খুলনার বটিয়াঘাটার জেবুন্নেসা (৬৭), নড়াইল লোহাগড়ার কতাকল এলাকার আব্দুর রহমান (৬০), গোপালগঞ্জের আড়পাড়ার সুফিয়া বেগম (৪৫), খুলনার হরিণটানা এলাকার এমএ হাশেম (৬৮)। এছাড়া হাসপাতালের করোনা ইউনিটে ৯৮ জন রোগী চিকিৎসাধীন ছিলেন। গত ২৪ ঘন্টায় ভর্তি হয়েছেন ২৬ জন আর সুস্থ্য হয়ে বাড়ী ফিরেছেন ১৩জন। আইসিইউতে রয়েছেন চারজন আর এইচডিইউতে আছেন ৯জন।

খুলনা জেনারেল হাসপাতালের করোনা ইউনিটের মুখপাত্র ডা. কাজী আবু রাশেদ জানান, গত ২৪ ঘন্টায় হাসপাতালে কোনো রোগীর মৃত্যু হয়নি। চিকিৎসাধীন রয়েছেন ৬৭জন, তার মধ্যে ৩৩জন পুরুষ ও ৩৪জন মহিলা। গত ২৪ ঘন্টায় ভর্তি হয়েছেন ৯জন।

খুলনা মেডিকেল কলেজের উপাধ্যক্ষ ডা. মেহেদী নেওয়াজ জানান, রোববার (২৭ জুন) রাতে খুমেকের পিসিআর মেশিনে মোট ৪৬৪ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়। এর মধ্যে ১৮৪ জনের করোনা রিপোর্ট পজিটিভ শনাক্ত হয়। যা পরীক্ষা বিবেচনায় শনাক্তের হার প্রায় ৪০ শতাংশ। যার মধ্যে খুলনার ৩৩০ জনের নমুনা পরীক্ষায় নতুন করে ১৩২ জনের শরীরে করোনা শনাক্ত হয়। এছাড়া বাগেরহাটে ৪০ জন, যশোরে ৩ জন, সাতক্ষীরায় ৩ জন, নড়াইলের ১ জন, পিরোজপুরের ১ জন, গোপালগঞ্জ ৩ জন ও ঢাকার ১ জনের করোনা শনাক্ত হয়।

এদিকে করোনাকালীন অক্সিজেনের তীব্র সংকটে সংগঠনটি খুলনার অসুস্থ রোগীদের অন্যতম ভরসাস্থলে পরিণত হয়েছে। প্রতিদিনই আক্রান্ত সদস্যদের অক্সিজেনের জন্য সংগঠনটির কার্যালয়ে ভিড় করছেন মানুষ। খুলনা মহানগরীর শেখপাড়া কাসেমুল উলুম মাদরাসা সড়কে খুলনা অক্সিজেন ব্যাংকের কার্যালয়। করোনা সংক্রমণ শুরুর পর গতবছরের ৭ এপ্রিল থেকে অক্সিজেন ব্যাংক কাজ শুরু করে। প্রথমে ৫টি সিলিন্ডার দিয়ে কার্যক্রম শুরু। বর্তমানে সিলিন্ডারের সংখ্যা ১৪২টি। মোট ৩০ জন স্বেচ্ছাসেবক ২৪ ঘণ্টা পালা করে কাজ করছেন। এদের বেশিরভাগই ছাত্র। স্বেচ্ছাসেবকদের মধ্যে একজন পুলিশ সদস্য রয়েছেন। যিনি ৮ ঘণ্টা অফিসে দায়িত্ব পালন করেন, বাকিটা সময় স্বেচ্ছাসেবকদের সঙ্গে সিলিন্ডার পৌঁছে দেন রোগীদের বাড়িতে। ফেসবুকে সংগঠনটির তৎপরতা দেখে বিভিন্ন মানুষ সহায়তার হাত বাড়াচ্ছেন। মানুষের আর্থিক সহযোগিতা দিয়েই সিলিন্ডারসহ প্রয়োজনীয় যন্ত্রাংশ কেনা ও সংগঠনের কার্যক্রম চলছে।

অক্সিজেন ব্যাংকের স্বেচ্ছাসেবক নগরীর হাজী মহসীন কলেজের অর্থনীতি প্রথম বর্ষের ছাত্র তুহিন হোসেন জানান, প্রথম দিকে নগরীর ভেতরেই অক্সিজেন সেবা দেওয়া হতো। বর্তমানে পাশের জেলা বাগেরহাট ও যশোর থেকেও অক্সিজেনের জন্য ফোন আসছে। ওই দুটি জেলায় রোগীদের বাড়িতে এখনও তাদের সিলিন্ডার রয়েছে। চাহিদা বেশি থাকায় সাতক্ষীরায় পৃথক অফিস খুলতে হয়েছে।

বিএল কলেজের ¯œাতকোত্তর শেষ করেছেন সাফায়াতে সরদার। করোনার শুরু থেকেই সংগঠনটির হয়ে অক্সিজেন সেবা পৌঁছে দিচ্ছেন তিনি। জানালেন, চলতি জুন মাসে রোগীর চাপ বেড়েছে সবচেয়ে বেশি। প্রতিদিনই ভোর থেকে গভীর রাত পর্যন্ত সিলিন্ডার নিয়ে দৌড়াতে হচ্ছে। সংগঠনটির প্রতিষ্ঠাতাদের মধ্যে সালাউদ্দিন সবুজ ও আসাদ শেখ সারারাত করোনা হাসপাতালে স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে কাজ করছেন।

স্বেচ্ছাসেবক জাহিদুর রহমান এবার বিএল কলেজ থেকে মাস্টার্স শেষ করেছেন। তিনি জানান, গত একবছরের বেশি সময় ধরে কাজ করতে করতে আমাদের করোনার ভয় চলে গেছে। অসুস্থ মানুষের পাশে দাঁড়ালে এখন মানসিক শান্তি লাগে। কাজে তেমন কষ্ট হয় না, তবে অক্সিজেন দেওয়ার পরও কেউ মারা গেলে খুব কষ্ট হয়। ওই রাতে আর ঘুম আসে না।

করোনা রোগীদের সঙ্গে কাজ করতে গিয়ে তাদের অনেকেই আক্রান্ত হচ্ছেন। এ পর্যন্ত ৫/৬ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। সুস্থ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে কাজে ঝাপিয়ে পড়ছেন।

সেচ্ছাসেবক মাসুদ রানা জানান, তার শরীরে করোনা শনাক্ত হয় গত ৫ জুন। ১৫ জুন তার রিপোর্ট তার রিপোর্ট নেগেটিভ আসে। দু’দিন পর তিনি আবারও কাজে যোগ দেন। ওই দিন অক্সিজেন সিলিন্ডার পৌঁছে দিতে ফুলবাড়ি গেটে যাচ্ছিলেন।

সেচ্ছাসেবক হিসেবে কাজ করছেন খুলনার বেসরকারি বিশ্ববিদ্যলয় নর্থ ওয়েস্টার্ন থেকে বিবিএ শেষ করা শেখ তাহাজ্জাদ ইসলাম। তিনি বলেন, গত ১৪ মাসে কাজ করতে গিয়ে অদ্ভুত কিছু সমস্যার মুখোমুখি হই। দেখা যায়, রোগী সুস্থ হয়ে যাওয়ার পরও অনেকে সিলিন্ডার ফেরত দিতে চান না। ভবিষ্যতে যদি প্রয়োজন হয়-এই ভেবে। আমাদের তো সিলিন্ডার কম, সুস্থ রোগীদের বাড়িতে সিলিন্ডার রাখলে আমরা এতো সিলিন্ডার কোথায় পাব ? আবার দেখা যায়, ৫/৬ তলায় রোগী রয়েছেন। আমরা স্বজনদের বলি আপনারা একটু নিচে এসে নিয়ে যান। তারা সহযোগিতা করেন না। অনেকটা কর্মচারীর মতো ব্যবহার করেন।

অনেক সময় দেখা যায়, জরুরী ফোন পেয়ে সিলিন্ডার নিয়ে রোগীর বাড়িতে গিয়ে দেখি অক্সিজেনের প্রয়োজন নেই। অক্সিজেন লেভেল অনেক ভালো। তখন সিলিন্ডার ফিরিয়ে আনতে তারা বাধা দেন। দেখা যাচ্ছে, তার কারণে অসুস্থ অনেক রোগী জরুরী অক্সিজেন সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। এমন না করতে রোগীর স্বজনদের প্রতি অনুরোধ জানান তিনি। সেই সঙ্গে উচ্চবিত্তরা যারা প্রয়োজনে সিলিন্ডার নেন, খালি সিলিন্ডার ফেরত দেন। আমার ফেরত দেবার সময় সিলিন্ডার রিচার্জ করে দিতে বলি। রিচার্জে ১২০ টাকা খরচ হয়। এই সামান্যটুকু অনেকে দেন না।

অক্সিজেন ব্যাংকের সভাপতি সালাহ উদ্দিন সবুজ বলেন, আমাদের আরও ৩০০ অক্সিজেন সিলিন্ডার প্রয়োজন। আর এগুলো পৌঁছে দিতে যানবাহন। সিলিন্ডারের সঙ্গে ক্যানোলা, ফ্লো মিটার, মাস্ক, অক্সিমিটারও খুব জরুরি।

তিনি বলেন, গুরুতর রোগীদের হাসপাতালে নেওয়ার বিকল্প থাকে না। করোনা রোগীদের সাধারণ এ্যাম্বুলেন্স নিতে চায় না। আমাদের একটা এ্যাম্বুলেন্স থাকলে কারও মুখাপেক্ষী হওয়া লাগতো না। একটি এ্যাম্বুলেন্স ও সিলিন্ডারের জন্য সবার সহযোগিতা প্রয়োজন।

এদিকে গণপরিবহন বন্ধের সুযোগ নিচ্ছে রিক্সাওয়ালারা। স্বাভাবিক সময়ের থেকে তারা যাত্রীদের নিকট থেকে দ্বিগুণ বা তিনগুণ ভাড়া আদায় করছেন। ভাড়া দেওয়া নিয়ে প্রায়ই যাত্রী ও চালকদের মধ্যে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে হাতাহাতি পর্যন্ত হচ্ছে।

মো. আশরাফ। থাকেন মৌলভীপাড়ায়। নিয়মিত মায়ের ঔষধ ক্রয় করেন ময়লাপোতা মোড় থেকে। রিক্সা ভাড়া তার জানা। ভাড়া চুক্তি না করে রিক্সায় উঠে পড়ায় বাঁধে এ বিবাদ। সেখানে তাকে গুনতে হয়েছে অতিরিক্ত অর্থ।

তিনি জানান, স্বাভাবিক সময়ে ওই স্থান থেকে ময়লাপোতা পর্যন্ত ভাড়া বিশ টাকা। গন্তব্য পৌঁছানোর পর বিবাদের সৃষ্টি হয়। যাত্রী বলেন, ভাড়া বিশ টাকা আর চালক দাবি করে চল্লিশ টাকা। এ নিয়ে শোরগোল সৃষ্টি হলে ওই এলাকার উপস্থিত মানুষ এসে বিষয়টি মিমাংসার চেষ্টা করে। একপর্যায়ে যাত্রীকে দিতে হয় চল্লিশ টাকা।

রূপসার নৈহাটী গ্রামের মনিরা খাতুন রূপসাঘাট থেকে পিকচার প্যালেস মোড়ে এসেছিলেন। চালক তার কাছে ১শ’ টাকা দাবি করলে সেখানেও শুরু হয় মতবিরোধ।

রিক্সাচালক সলেমান এর আগে ব্যাটারী চালিত রিক্সা চালাতেন। স্বল্প সময়ে তার অধিক আয় ছিল । ইঞ্জিনচালিত রিক্সা বন্ধ হওয়ার পর এখন অধিক পরিশ্রমে তেমন আয় করতে পারেন না। করোনা নিয়ন্ত্রণে চলছে লকডাউন। কাঙ্খিত আয় না থাকায় বাড়তি ভাড়া নিতে হচ্ছে বলে তিনি জানান।

রিটেলেড নিউজ

সিরাজগঞ্জে ১৩০ টাকা খরচে নিয়োগ পেলো ৬৫ জন কনস্টেবল!

সিরাজগঞ্জে ১৩০ টাকা খরচে নিয়োগ পেলো ৬৫ জন কনস্টেবল!

সংকাদদাতা, সিরাজগঞ্জ: :   সম্পূর্ণ স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় সিরাজগঞ্জে ট্রেইনি রিক্রুট কনস্টেবল টিআরসি পদে ৬৫ জনকে নিয়োগ প্র...বিস্তারিত


আবরার হত্যা মামলার রায় রোববার

আবরার হত্যা মামলার রায় রোববার

নিজস্ব প্রতিবেদক :   বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদ হত্যা মামলার রায় দেওয়া হবে র...বিস্তারিত


কক্সবাজারের উখিয়া থেকে সপ্তম দফায় ভাসানচরের উদ্দেশ্যে রওনা হলো আরও ২৫৭ রোহিঙ্গা

কক্সবাজারের উখিয়া থেকে সপ্তম দফায় ভাসানচরের উদ্দেশ্যে রওনা হলো আরও ২৫৭ রোহিঙ্গা

কক্সবাজার, প্রতিনিধি : :   সপ্তম দফায় (প্রথম দল) কক্সবাজারের উখিয়া থেকে ভাসানচরের উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করেছে রোহিঙ্গার...বিস্তারিত


জবির ছাত্রী লাঞ্চিত ও শিক্ষার্থী আটকের প্রতিবাদে, রাস্তা অবরোধ, বিক্ষোভ  

জবির ছাত্রী লাঞ্চিত ও শিক্ষার্থী আটকের প্রতিবাদে, রাস্তা অবরোধ, বিক্ষোভ  

জবি প্রতিনিধি :   জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবির) ১৫ তম ব্যাচের  প্রাণিবিদ্যা বিভাগের শিক্ষার্থী আব্দুল্লাহ আল ফ...বিস্তারিত


জবিতে শিক্ষক সমিতির উদ্যোগে বঙ্গবন্ধু কর্নার স্থাপন 

জবিতে শিক্ষক সমিতির উদ্যোগে বঙ্গবন্ধু কর্নার স্থাপন 

জবি প্রতিনিধি :   জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবিতে) জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকীকে স্মরণ করে সাবেক  শিক্ষ...বিস্তারিত


রাজবাড়ীর দাদশী‌তে ১ মাদক ব্যবসায়ী‌ আটক       

রাজবাড়ীর দাদশী‌তে ১ মাদক ব্যবসায়ী‌ আটক       

রাজবাড়ী, প্রতিনিধি :: :   রাজবাড়ীর সদর উপ‌জেলার দাদশী ইউ‌নিয়‌নের আগমারাই গ্রা‌মে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অ‌ভিযান ...বিস্তারিত



সর্বপঠিত খবর

পার্বত্য ভিক্ষসংঘু ও পার্বত্য ত্রাণ ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে দরিদ্র ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের মাঝে বিনামূল্যে বই বিতরণ 

পার্বত্য ভিক্ষসংঘু ও পার্বত্য ত্রাণ ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে দরিদ্র ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের মাঝে বিনামূল্যে বই বিতরণ 

বিহারী চাকমা, রাঙামাটি : :   রাঙ্গামাটির লংগদু কলেজে পার্বত্য ভিক্ষুসংঘ ও পার্বত্য ত্রাণ ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে দরিদ্র ও ম...বিস্তারিত


“ হিন্দুরা বাংলার দেশপ্রেমি নবাব সিরাজউদ্দৌলাকে আখ্যায়িত করে অশুর আর বাংলার দুশমন ক্লাইভকে আখ্যায়িত করে মা দূর্গা! ”

“ হিন্দুরা বাংলার দেশপ্রেমি নবাব সিরাজউদ্দৌলাকে আখ্যায়িত করে অশুর আর বাংলার দুশমন ক্লাইভকে আখ্যায়িত করে মা দূর্গা! ”

নবাবজাদা আলি আব্বাসউদ্দৌলা :- :   নবাবজাদা আলি আব্বাসউদ্দৌলা :- পলাশী একটি বিশ্বাসঘাতকতার ইতিহাস। এই ষড়যন্ত্রের শিকার হয়েছিল...বিস্তারিত



সর্বশেষ খবর