চট্টগ্রাম   বুধবার, ২৮ জুলাই ২০২১  

শিরোনাম

খুলনা বিভাগে রেকর্ড ৪৬ জনের মৃত্যু, শনাক্ত ৬০ হাজার ছাড়াল

খুলনা প্রতিনিধি :    |    ০৬:২৪ পিএম, ২০২১-০৭-০৪

খুলনা বিভাগে রেকর্ড ৪৬ জনের মৃত্যু, শনাক্ত ৬০ হাজার ছাড়াল

সব রেকর্ড ভেঙে খুলনা বিভাগে ২৪ ঘন্টায় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে সর্বোচ্চ ৪৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। এই সময়ে নতুন করে ১ হাজার ৩০৪ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। শনাক্তের সংখ্যা ৬০ হাজার ছাড়িয়েছে। এর আগে বৃহস্পতিবার (১ জুলাই) খুলনা বিভাগে সর্বোচ্চ ৩৯ জনের মৃত্যু হয়েছিল।
খুলনা বিভাগীয় স্বাস্থ্য অধিদফতরের পরিচালক রাশেদা সুলতানা জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় বিভাগের মধ্যে খুলনায় ১৫ জন, কুষ্টিয়ায় ১৫ জন, যশোরে সাতজন, ঝিনাইদহ, মাগুরা ও চুয়াডাঙ্গায় দু’জন করে এবং বাগেরহাট, সাতক্ষীরা ও মেহেরপুরে একজন করে মারা গেছেন।
খুলনা বিভাগের মধ্যে প্রথম করোনা রোগী শনাক্ত হয় চুয়াডাঙ্গায় গত বছরের ১৯ মার্চ। করোনা সংক্রমণের শুরু থেকে রোববার সকাল পর্যন্ত বিভাগের ১০ জেলায় মোট শনাক্ত হয়েছে ৬০ হাজার ৫৬৪ জন। আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ১ হাজার ২১৪ জন। এ সময় সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৪০ হাজার ২১৮ জন।
খুলনা সিভিল সার্জন অফিসের মেডিকেল অফিসার (রোগ নিয়ন্ত্রণ) ডা. শেখ সাদিয়া মনোয়ারা ঊষা জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় খুলনায় ১৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে জেলার ১০জন রয়েছেন। একইসময়ে ৪৩৬টি নমুনা পরীক্ষা করে ১৫০ জনের শরীরে করোনা শনাক্ত হয়েছে। যা মোট নমুনা পরীক্ষার ৩৪ শতাংশ।
বিভাগীয় স্বাস্থ্য অধিদফতরের জেলাভিত্তিক করোনা সংক্রান্ত তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, গত ২৪ ঘণ্টায় খুলনায় করোনা শনাক্ত হয়েছে ১৫০ জনের। এ পর্যন্ত খুলনা জেলায় করোনা শনাক্ত হয়েছে ১৬ হাজার ৩৮৭ জনের। এ সময় মারা গেছেন ৩০০ জন এবং সুস্থ হয়েছেন ১১ হাজার ৩৫২ জন।
এদিকে রোববার (৪ জুলাই) সকাল ৮ টা পর্যন্ত আগের ২৪ ঘণ্টায় প্রাণঘাতী করোনায় আক্রান্ত ও উপসর্গে নিয়ে খুলনার পৃথক তিনটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। মারা যাওয়া ১৫ জনের মধ্যে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের করোনা ডেডিকেটেড হাসপাতালে ৭ জন, খুলনা জেনারেল হাসপাতালের করোনা ইউনিটে ২ ও বেসরকারি গাজী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ৬ জনের মৃত্যু হয়েছে।
করোনা হাসপাতালের ফোকালপারসন ডা. সুহাস রঞ্জন হালদার জানান, হাসপাতালে গত ২৪ ঘণ্টায় ৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। তারা হলেন- খুলনার দৌলতপুরের বেগম (৫০), খানজাহান আলী রোডের শেখ ওহিদুজ্জামান (৬৮), দোলখোলা এলাকার আনোয়ারা (৬২), খুলনা সদরের সরদার হায়বাদ আলী (৫৫), বাগেরহাটের ফুনিয়াবাই এলাকার জাহাঙ্গীর (৫২) ও বাগেরহাটের ডাকবাংলো এলাকার ইলিয়াস ফকির (৬০) ও হাসপাতালের ইয়েলো জোনে উপসর্গ নিয়ে একজনের মৃত্যু হয়েছে। হাসপাতালটিতে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ১৯৭ জন। যারমধ্যে রেড জোনে ১০২ জন, ইয়ালো জোনে ৪১ জন, আইসিইউতে ২০ জন ও এইচডিসিতে ২০ জন রয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় ভর্তি হয়েছেন ৩৮ জন এবং সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৫০ জন।
বেসরকারী গাজী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের স্বত্ত্বাধিকারী ডা. গাজী মিজানুর রহমান জানান, হাসপাতালের করোনা ইউনিটে ২৪ ঘণ্টায় ৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। তারা হলেন- ডুমুরিয়ার জাকির হোসেন (৫০) ও সালেহা বেগম (৬৭), বাগেরহাটের কাজী আহাদ (২৬), খুলনার বানিয়াখামার আফতাব হোসেন (৭৬), নড়াইলের হালিমা (৫৫) ও মিন্টু বিশ্বাস (৮১)। হাসপাতালটিতে চিকিৎসাধীন রয়েছেন আরও ১১৫ জন, এরমধ্যে এইচডিইউতে আছেন ৮ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় ভর্তি হয়েছেন ২৩ জন, আর সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ২২ জন।
খুলনা জেনারেল হাসপাতালের করোনা ইউনিটের মুখপাত্র ডা. কাজী আবু রাশেদ জানান, খুলনার ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের করোনা ইউনিটে টুটপাড়ার জহুরুল হক (৬৫) ও ডুমুরিয়ার জাহানারা বেগম (৬০)  নামের দুই রোগীর মৃত্যু হয়েছে। হাসপাতালটিতে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ৬৫ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় ভর্তি হয়েছেন ১৫ জন, আর সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ১৮ জন।
শহীদ শেখ আবু নাসের বিশেষায়িত হাসপাতালে ফোকালপারসন ডা. প্রকাশ দেবনাথ জানান, করোনা ইউনিট খোলার প্রথম ২৪ ঘণ্টায় ২৪ জন রোগী ভর্তি হয়েছেন, তবে কেউ মারা যাননি।
খুলনা মেডিকেলের করোনা ডেডিকেটেড হাসপাতাল, খুলনা জেনারেল হাসপাতাল ও বেসরকারি গাজী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল রোগীর চাপ সামলাতে হিমশিম খাওয়ায় শনিবার শহীদ শেখ আবু নাসের বিশেষায়িত হাসপাতালে করোনা ইউনিট চালু করা হয়েছে।
এদিকে করোনার প্রাদুর্ভাব কমিয়ে আনতে খুলনায় দফায় দফায় বিধিনিষেধ ও ‘লকডাউন’ দিয়েও করোনা সংক্রমণ ঠেকানো যাচ্ছে না। করোনার হটস্পট হয়ে উঠেছে খুলনা বিভাগের ১০ জেলা। ঈদ উল ফিতর পরবর্তী সংক্রমণ বাড়ার যে শঙ্কা ছিল, সেটিই সত্যি হয়েছে। করোনা পরিস্থিতি এতটাই ভয়াবহ হয়ে পড়েছে যে অক্সিজেন সিলিন্ডার কে আগে নেবেন-তা নিয়ে করোনা রোগীর স্বজনদের মধ্যে রীতিমতো কাড়াকাড়ি চলে খুলনায়। সময়মতো অক্সিজেন না পেয়ে রোগী মৃত্যুর অভিযোগও রয়েছে। আর যারা বাসাবাড়িতে চিকিৎসা নিচ্ছেন তাদের স্বজনদের ভিড় সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানে। চিকিৎসকরা বলছেন, খুলনাঞ্চলে করোনা পরিস্থিতি যেভাবে ভয়াবহ হচ্ছে তাতে অক্সিজেন যেন সোনার হরিণ হয়ে উঠেছে। বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে খুলনা বিভাগে করোনায় মৃত্যু ও সংক্রমণের হার বেড়ে যাওয়ার পেছনে একাধিক কারণ পাওয়া গেছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে, শীতকালে সংক্রমণ তেমন না বাড়ার কারণে সামাজিক অনুষ্ঠানের আয়োজন ও অংশগ্রহণ, এবং সামাজিক দূরত্ব মেনে চলার বিষয়ে উদাসীনতা, বিয়ে-সাদি, ওয়াজ মাহফিল, ভ্রমণ করোনা ছড়িয়ে পড়ার উপযুক্ত পরিবেশ পেয়েছে। সর্দি জ্বরের সিজন হওয়ায় শহর ও গ্রামের অনেকে এটা অবহেলা করছে। কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের সনদ প্রাপ্তদের দিয়ে খুলনার ১৩০ শয্যা ডেডিকেটেড হাসপাতালে করোনার নমুনা সংগ্রহ ও পিসিআর ল্যাবে পরীক্ষা চলছিল। অনভিজ্ঞদের দিয়ে নমুনা সংগ্রহ ও পরীক্ষার ফলে পজিটিভ-নেগেটিভ একীভূত হয়ে যাওয়ায় গত বুধবার (৩০জুন) রাতে খুলনা মেডিকেল কলেজের ল্যাবে ৫শ’ রোগীর নমুনাই পজিটিভ আসে। আর একারণে ল্যাবটি আপাতত বন্ধ করতে বাধ্য হয়েছে কর্তৃপক্ষ। 
প্রথম ডোজ টিকা দেওয়ার পর অনেকের মনে একটা ভুল ধারণা সৃষ্টি হয়েছিলো তিনি করোনার ঝুঁকিমুক্ত। তাই আর স্বাস্থ্যবিধি না মানলেও চলবে। রাস্তাঘাট, বাজার, শপিংমলে খুব কম মানুষ মাস্ক ব্যবহার করতেন। সামাজিক অনুষ্ঠানে মাস্ক পরেনি অধিকাংশই। ফলে করোনার সংক্রমণ বেড়েছে। ভারতফেরত পাসপোর্ট যাত্রীদের কোয়ারেন্টিনে রাখা হয়েছিল, কিন্তু তারা অনেকে পালিয়ে বাড়িতে এসেছিলেন। এতে ভারতীয় ভ্যারিয়েন্ট ছড়িয়ে পড়েছে। আবার কেউ কোয়ারেন্টিনে থাকেনি। ভারতের সীমান্তবর্তী খুলনার জেলাগুলোতে করোনার সংক্রমণরোধে বিধিনিষেধ আরোপের যে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল তা সঠিকভাবে বাস্তবায়ন হয়নি। ঈদের সময় সরকারের বিধিনিষেধ না মেনে ঢাকা থেকে গ্রামের বাড়ি যাওয়ার ঘটনায় সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়েছে। কেউ কেউ বলছেন, ঘূর্ণিঝড় ইয়াসের সময় খুলনার উপকূলীয় উপজেলায় সাইক্লোন সেন্টারে গাদাগাদি হয়ে মানুষ থাকার কারণে ওই এলাকায় করোনার সংক্রমণ বেড়েছে।
খুলনা সিভিল সার্জন অফিসের মেডিকেল অফিসার (রোগ নিয়ন্ত্রণ) ডা. শেখ সাদিয়া মনোয়ারা ঊষা বলেন, গত বছর কিন্তু এই সময়ে করোনা বেড়েছিলো এ বছরও ঠিক সেই সময়ে বেড়েছে। এবার বেশি হওয়ার কারণ ভ্যারিয়েন্টের তীব্রতা। করোনায় আক্রান্তদের যে সংখ্যাটা আসছে এর বাইরেও প্রতিটি পরিবারে কারও না কারও করোনার লক্ষণ রয়েছে। সর্দি জ্বরের সিজন হওয়ায় অনেকে এটা অবহেলা করেছে। এর কারণে করোনা বেড়ে গেছে। হাসপাতালে যারা মারা যাচ্ছে তারা অধিকাংশ ৬০-৭০ বছর বয়সের। এদের যখন হাসপাতালে নিয়ে আসা হয় তখন আর আইসিইউতে নিয়েও কিছু করার থাকে না। এছাড়া শত চেষ্টার পরও সচেতনা তৈরি করতে পারিনি আমরা। মাস্কের ওউপর কোনোটাকেই অগ্রাধিকার দেওয়া হয়নি। 
গত বছর মানুষ আতঙ্কে ঘর থেকে বের হননি কিন্তু এ বছর তেমন দেখা যাচ্ছে না এর কারণ কী? জানতে চাইলে তিনি বলেন, সয়ে গেছে সবার। ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট ও খুলনার মৃত্যুর হারটা দিয়ে চলমান লকডাউনে মানুষকে একটু আটকে রাখা যাচ্ছে। এই দুইটা দিয়ে খুলনাবাসীকে একটু সচেতন করা গেছে। তা না হলে মানুষদের আটকানো যেতো না। এছাড়া সেনাবাহিনী দিয়ে একটু আটকানো যাচ্ছে। এটা যদি আর একটু আগে করা হতো তাহলে হয়তো এত ভয়াবহ পরিস্থিতি হতো না। সবাইকে পরামর্শ দিয়ে ঊষা বলেন, মাস্ক, মাস্ক এবং মাস্ক। মাস্কই পারে সব ধরনের ভ্যারিয়েন্ট থেকে রক্ষা করতে।
খুলনায় এতো করোনায় আক্রান্ত হওয়ার কারণ কী? এমন প্রশ্নের জবাবে খুলনার সিভিল সার্জন ডা. নিয়াজ মোহাম্মদ বলেন, শুধু খুলনায় নয় অনেক জেলাতেই ভয়াবহ অবস্থা। খুলনার মানুষজন স্বাস্থ্যবিধি মানছে না। এটা তো সংক্রমিত রোগ। এক জন থেকে অন্যজনে ছড়ায়। স্বাস্থ্যবিধি মানার কথা থাকলেও কেউ মানছেন না। মাস্ক পড়ছেন না। ভ্রাম্যমাণ আদালত জরিমানা করলেও মাস্ক পরছে না অনেকে। সংক্রমণ হওয়ার আর কোনো রাস্তা তো দেখি না আমরা। এটাই মূলত এক নাম্বার কারণ।
সিভিল সার্জন বলেন, সরকার থেকে শুরু করে মিডিয়াসহ আমরাও সচেতনতার কথা বলছি কিন্তু চোরে শোনে না ধর্মের কাহিনী। সবাই ভাবে কিছু তো হয় না। কিন্তু হচ্ছে তো। যার হচ্ছে তার পরিবার বুঝছে কি হচ্ছে। যার চলে যাচ্ছে তার পরিবারই বুঝছে কি ভুল তারা করেছে। স্বাস্থ্যবিধি না মানার কারণেই সরকার বাধ্য হলো লকডাউন দিতে। লকডাউন মানে কি মানুষকে বাসায় আটকানো। নিশ্চয় স্বাস্থ্যবিধি মানছে না সে জন্যই বাসায় আটকানোর চিন্তা করে সরকার লকডাউন দিয়েছে।
খুলনাঞ্চলের করোনা কি ভারতীয় ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট কিনা? জানতে চাইলে তিনি বলেন, না আমরা তো সেরকম কিছু দেখি না। ইন্ডিয়ান ভ্যারিয়েন্ট দিয়ে সয়লাব হয়ে গেছে এমন রিপোর্ট তো আসে না। যশোর, সাতক্ষীরার দিকে কিছু আছে। আমাদের এখানে কোনোটার আধিক্য তেমন নেই।
খুলনায় করোনা এত বেশি হওয়ার কারণ কী? জানতে চাইলে বিভাগীয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক রাশেদা সুলতানা বলেন, সব জায়গাই তো বেড়েছে সে হিসেবে খুলনাতে তোও বেড়েছে। মৃত্যুর হার খুলনায় একটু বেশি। সাধারণ সর্দি জ্বর ভেবে একটু দেড়িতে চিকিৎসকের কাছে আসছেন রোগীরা। এখনের যে ভ্যারিয়েন্ট তা আগে থেকে বোঝাও যাচ্ছে না। রোগীও বুঝতে পারে না তিনি কতটা অসুস্থ হয়ে পড়ছেন।
তিনি রোগীদের পরামর্শ দিয়ে বলেন, একটু আগে আগে চিকিৎসকের কাছে আসার জন্য বলবো। আগে আসলে তার অবস্থা বুঝে চিকিৎসা করা গেলে সেভ করা সম্ভব হতে পারে। বিশেষ করে গ্রামের মানুষদের বলা হচ্ছে স্বাস্থ্যকেন্দ্রে এসে সেবা নিতে।

রিটেলেড নিউজ

যশোরে র‌্যাব-৬ এর হাতে ৪০লিটার চোলাই মদসহ বিক্রেতা গ্রেফতার

যশোরে র‌্যাব-৬ এর হাতে ৪০লিটার চোলাই মদসহ বিক্রেতা গ্রেফতার

সংবাদদাতা, যশোর : : র‌্যাব-৬ যশোর ক্যাম্পের সদস্যরা সোমবার রাতে যশোরের অভয়নগর উপজেলার নওয়াপাড়া সুপারী পট্টি বাজারস...বিস্তারিত


চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা হাসপাতালে এফবিসিসিআই’র  চিকিৎসা সামগ্রী  প্রদান

চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা হাসপাতালে এফবিসিসিআই’র  চিকিৎসা সামগ্রী  প্রদান

চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি : : আব্দুল্লাহ আল মামুন : চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা আধুনিক সদর হাসপাতালে ৬টি অক্সিজেন সিলিন্ডার, ১টি হাইফ্...বিস্তারিত


ভারতীয় চোরাই মোবাইল ধ্বংস

ভারতীয় চোরাই মোবাইল ধ্বংস

চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি : : চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জে বিভিন্ন সময়ে ৫৯ বিজিবি’র আটককৃত প্রায় ৩২ লক্ষ ৬০ হাজার টাকার মুল্যের...বিস্তারিত


রাজবাড়ীতে অটোরিকসার চাপায় এক শিশু নিহত, চালক খায়রুল আটক

রাজবাড়ীতে অটোরিকসার চাপায় এক শিশু নিহত, চালক খায়রুল আটক

রাজবাড়ী প্রতিনিধি : : রাজবাড়ীতে অটোরিকশা চাপায় নুসরাত প্রামাণিক (৭) নামে এক শিশু ঘটনাস্থ‌লেই  নিহত হয়েছে। এ ঘটনায় আ‌...বিস্তারিত


রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দিতে দু,টি ক্লিনিক ও ডায়াগনষ্টিক সেন্টারকে ৬০ জরিমানা

রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দিতে দু,টি ক্লিনিক ও ডায়াগনষ্টিক সেন্টারকে ৬০ জরিমানা

রাজবাড়ী প্রতিনিধি : : রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দিতে দু্ই‌টি ক্লি‌নিক‌কে অ‌ভিযান চা‌লি‌য়ে‌ছে জেলা ভোক্তা অ‌ধিকার...বিস্তারিত


পাকুন্দিয়া প্রেস ক্লাবের নতুন কমিটির দায়িত্ব গ্রহণ

পাকুন্দিয়া প্রেস ক্লাবের নতুন কমিটির দায়িত্ব গ্রহণ

কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি : : কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া প্রেস ক্লাবের নব-গঠিত কার্যনির্বাহী পরিষদ দায়িত্বভার গ্রহণ করেছে। মঙ্গল...বিস্তারিত



সর্বপঠিত খবর

পার্বত্য ভিক্ষসংঘু ও পার্বত্য ত্রাণ ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে দরিদ্র ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের মাঝে বিনামূল্যে বই বিতরণ 

পার্বত্য ভিক্ষসংঘু ও পার্বত্য ত্রাণ ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে দরিদ্র ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের মাঝে বিনামূল্যে বই বিতরণ 

বিহারী চাকমা, রাঙামাটি : :   রাঙ্গামাটির লংগদু কলেজে পার্বত্য ভিক্ষুসংঘ ও পার্বত্য ত্রাণ ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে দরিদ্র ও ম...বিস্তারিত


“ হিন্দুরা বাংলার দেশপ্রেমি নবাব সিরাজউদ্দৌলাকে আখ্যায়িত করে অশুর আর বাংলার দুশমন ক্লাইভকে আখ্যায়িত করে মা দূর্গা! ”

“ হিন্দুরা বাংলার দেশপ্রেমি নবাব সিরাজউদ্দৌলাকে আখ্যায়িত করে অশুর আর বাংলার দুশমন ক্লাইভকে আখ্যায়িত করে মা দূর্গা! ”

নবাবজাদা আলি আব্বাসউদ্দৌলা :- :   নবাবজাদা আলি আব্বাসউদ্দৌলা :- পলাশী একটি বিশ্বাসঘাতকতার ইতিহাস। এই ষড়যন্ত্রের শিকার হয়েছিল...বিস্তারিত



সর্বশেষ খবর