চট্টগ্রাম   রবিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২১  

শিরোনাম

কারখানা খোলার বিয়ষে শিল্পপতিদের অনুরোধ রাখা যাচ্ছে না, বিধিনিষেধ চলবে ৫ আগস্ট পর্যন্তই

নিজস্ব প্রতিবেদক    |    ০৪:৪২ পিএম, ২০২১-০৭-২৭

কারখানা খোলার বিয়ষে শিল্পপতিদের অনুরোধ রাখা যাচ্ছে না, বিধিনিষেধ চলবে ৫ আগস্ট পর্যন্তই

করোনাভাইরাসের (কোভিড-১৯) সংক্রমণ রোধে চলমান সরকারঘোষিত বিধিনিষেধ আগামী ৫ আগস্ট পর্যন্তই চলবে। মঙ্গলবার (২৭ জুলাই) দুপুরে করোনা নিয়ন্ত্রণে করণীয় নিয়ে বৈঠকে বসে সরকার। সেখানেই এ সিদ্ধান্ত হয়।
মহামারি করোনাভাইরাসের সংক্রমণ উদ্বেগজনক হারে বেড়ে যাওয়ায় এখন সবচেয়ে বিপর্যস্ত অবস্থায় রয়েছে দেশ। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করা হলেও সংক্রমণ-মৃত্যু কোনোটিই কমছে না। এই পরিস্থিতিতে করণীয় ঠিক করতে গুরুত্বপূর্ণ এক সভায় বসে সরকার।
দুপুরে মন্ত্রিপরিষদ সভাকক্ষে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সভাপতিত্বে বৈঠক শুরু হয়। বৈঠকে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক, মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম, পুলিশ প্রধান, বিজিবি প্রধানসহ সংশ্লিষ্ট দফতর ও বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
বৈঠক শেষে সভার সিদ্ধান্ত নিয়ে সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি বলেন, করোনাভাইরাসজনিত পরিস্থিতি নিয়ে পর্যালোচনা এবং প্রতিরোধক টিকা কার্যক্রম নিয়ে বৈঠকে আলোচনা হয়েছে।
তিনি বলেন, বৈঠকে সিদ্ধান্ত এমন এসেছে- আমাদের যে লকডাউন চলছে তা ৫ তারিখ পর্যন্ত চলতে থাকবে। যদিও আমাদের শিল্পপতিরা এবং অনেকেই রিকোয়েস্ট করেছিলেন, আমরা সেই রিকোয়েস্ট বোধহয় গ্রহণ করতে পারছি না।
তিনি আরও বলেন, লকডাউন ৫ তারিখ পর্যন্তই চলবে। আমরা আশা করছি অন্যান্য দেশের মতো সংক্রমণ ধীরে ধীরে কমবে আসবে।
এর আগে ৩০ জুন প্রজ্ঞাপন জারি করে ১ জুলাই সকাল ৬টা থেকে ৭ জুলাই মধ্যরাত পর্যন্ত কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করে সরকার। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের প্রজ্ঞাপনে সংক্রমণ পরিস্থিতি বিবেচনায় ২১টি শর্ত যুক্ত করা হয়। এ সময়ে জরুরি সেবা দেয়া দফতর-সংস্থা ছাড়া সরকারি-বেসরকারি অফিস, যন্ত্রচালিত যানবাহন, শপিংমল-দোকানপাট বন্ধ থাকবে। খোলা থাকবে শিল্প-কারখানা, জনসমাবেশ হয় এমন কোন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা যাবে না এই সময়ে। বিধিনিষেধ বাস্তবায়নে সেনাবাহিনীর সঙ্গে অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে মাঠে নামানো হয়।
করোনা সংক্রমণ না কমায় বিধিনিষেধের (লকডাউন) মেয়াদ আরও ৭ দিন বাড়ানো হয়। ১৪ জুলাই পর্যন্ত বাড়িয়ে ৫ জুলাই মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে আদেশ জারি করা হয়। এতে বলা হয়, করোনাভাইরাসজনিত রোগ (কোভিড-১৯) সংক্রমণের বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনায় আগের সব বিধিনিষেধ ও কার্যক্রমের ধারাবাহিকতায় ৭ জুলাই মধ্যরাত থেকে ১৪ জুলাই দিবাগত রাত ১২টা পর্যন্ত বিধিনিষেধ আরোপের সময়সীমা বর্ধিত করা হলো।
এরপর পবিত্র ঈদুল আজহার কারণে বিধিনিষেধ ১৫ থেকে ২২ জুলাই শিথিল করা হয়। একই সঙ্গে ২৩ জুলাই থেকে ফের কঠোর বিধিনিষেধ জারি করা হবে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে জারি করা আদেশে উল্লেখ করা হয়।
সংক্রমণ পরিস্থিতি বিবেচনায় ২৩টি শর্ত সংযুক্ত করে ২৩ জুলাই সকাল ৬টা থেকে ৫ আগস্ট দিবাগত রাত ১২টা পর্যন্ত ফের কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।
যে ২৩ শর্তে কঠোর বিধিনিষেধ-

১. সব সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি অফিস বন্ধ থাকবে।

২. সড়ক, রেল ও নৌপথে গণপরিবহন (অভ্যন্তরীণ বিমানসহ) ও সব প্রকার যানবাহন চলাচল বন্ধ থাকবে।

৩. শপিংমল/মার্কেটসহ সব দোকানপাট বন্ধ থাকবে।

৪. সব পর্যটন কেন্দ্র, রিসোর্ট, কমিউনিটি সেন্টার ও বিনোদন কেন্দ্র বন্ধ থাকবে।

৫. সব ধরনের শিল্প-কলকারখানা বন্ধ থাকবে।

৬. জনসমাবেশ হয় এ ধরনের সামাজিক (বিবাহোত্তর অনুষ্ঠান, ওয়ালিমা), জন্মদিন, পিকনিক, পার্টি ইত্যাদি) রাজনৈতিক ও ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান বন্ধ থাকবে।

৭. বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট আদালতসমূহের বিষয়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা জারি করবে।

৮. ব্যাংকিং/বীমা/আর্থিক প্রতিষ্ঠানের সেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে বাংলাদেশ ব্যাংক/আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ প্রয়োজনীয় নির্দেশনা জারি করবে।

৯. সরকারি কর্মচারীরা নিজ নিজ কর্মস্থলে অবস্থান করবেন এবং দাফতরিক কাজ ভার্চুয়ালি (ই-নথি, ই-টেন্ডারিং, ই-মেইল, এসএমএস, হোয়াটসঅ্যাপসহ অন্যান্য মাধ্যম) সম্পন্ন করবেন।

১০. আইনশৃঙ্খলা এবং জরুরি পরিষেবা, যেমন- কৃষি পণ্য ও উপকরণ (সার, বীজ, কীটনাশক, কৃষি যন্ত্রপাতি), খাদ্যশস্য ও খাদ্যদ্রব্য পরিবহন/বিক্রয়, ত্রাণ বিতরণ, স্বাস্থ্য সেবা, কোভিড-১৯ টিকা প্রদান, জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) প্রদান কার্যক্রম, রাজস্ব আদায় সম্পর্কিত কার্যাবলি, বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস/জ্বালানি, ফায়ার সার্ভিস, টেলিফোন ও ইন্টারনেট (সরকারি-বেসরকারি), গণমাধ্যম (প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়া), বেসরকারি নিরাপত্তা ব্যবস্থা, ডাক সেবা, ব্যাংক, ভিসা সংক্রান্ত কার্যক্রম, সিটি করপোরেশন/পৌরসভা (পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা, সড়কের বাতি ব্যবস্থাপনা ইত্যাদি কার্যক্রম), সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি, ফার্মেসি ও ফার্মাসিউটিক্যালসসহ অন্যান্য জরুরি/অত্যাবশ্যকীয় পণ্য ও সেবার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অফিসসমূহের কর্মচারী ও যানবাহন প্রাতিষ্ঠানিক পরিচয়পত্র প্রদর্শন সাপেক্ষে যাতায়াত করতে পারবে।

১১. বিভাগীয়, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তার কার্যালয় খোলা রাখার বিষয়ে অর্থ বিভাগ প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করবে।

১২. জরুরি পণ্য পরিবহনে নিয়োজিত ট্রাক/লরি/কাভার্ড ভ্যান/নৌযান/পণ্যবাহী রেল/ফেরি এ নিষেধাজ্ঞার আওতাবহির্ভূত থাকবে।

২৩. বন্দরসমূহ (বিমান, সমুদ্র, নৌ ও স্থল) এবং এ সংশ্লিষ্ট অফিসসমূহ এ নিষেধাজ্ঞার আওতাবহির্ভূত থাকবে।

১৪. কাঁচাবাজার এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত স্বাস্থ্যবিধি মেনে ক্রয়-বিক্রয় করা যাবে। সংশ্লিষ্ট বাণিজ্য সংগঠন, বাজার কর্তৃপক্ষ ও স্থানীয় প্রশাসন বিষয়টি নিশ্চিত করবে।

১৫. অতি জরুরি প্রয়োজন ছাড়া (ওষুধ ও নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি ক্রয়, চিকিৎসা সেবা, মৃতদেহ দাফন/সৎকার ইত্যাদি) কোনোভাবেই বাড়ির বাইরে বের হওয়া যাবে না। নির্দেশনা অমান্যকারীর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

১৬. টিকা কার্ড প্রদর্শন সাপেক্ষে টিকা গ্রহণের জন্য যাতায়াত করা যাবে।

১৭. খাবারের দোকান, হোটেল-রেস্তোরাঁ সকাল ৮টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত খাবার বিক্রয় (অনলাইন/টেকওয়ে) করতে পারবে।

১৮. আন্তর্জাতিক ফ্লাইট চালু থাকবে এবং বিদেশগামী যাত্রীরা তাদের আন্তর্জাতিক ভ্রমণের টিকিট/প্রমাণক প্রদর্শন করে গাড়ি ব্যবহার করে যাতায়াত করতে পারবেন।

১৯. স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করে মসজিদে নামাজের বিষয়ে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় নির্দেশনা প্রদান করবে।

২০. ‘আর্মি ইন এইড টু সিভিল পাওয়ার’ বিধানের আওতায় মাঠ পর্যায়ে কার্যকর টহল নিশ্চিত করার জন্য সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ প্রয়োজনীয় সংখ্যক সেনা মোতায়েন করবে। জেলা ম্যাজিস্ট্রেট স্থানীয় সেনা কমান্ডারের সঙ্গে যোগাযোগ করে বিষয়টি নিশ্চিত করবেন।

২১. জেলা ম্যাজিস্ট্রেট জেলা পর্যায়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নিয়ে সমন্বয় সভা করে সেনাবাহিনী, বিজিবি/কোস্টগার্ড, পুলিশ, র‌্যাব ও আনসার নিয়োগ ও টহলের অধিক্ষেত্র, পদ্ধতি ও সময় নির্ধারণ করবেন। সেই সঙ্গে স্থানীয়ভাবে বিশেষ কোনো কার্যক্রমের প্রয়োজন হলে সে বিষয়ে পদক্ষেপ নেবেন। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়/বিভাগ এ বিষয়ে মাঠ পর্যায়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করবে।

২২. জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় মাঠ পর্যায়ে প্রয়োজনীয় সংখ্যক নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগের বিষয়টি নিশ্চিত করবে।

২৩. ‘সংক্রামক রোগ (প্রতিরোধ, নিয়ন্ত্রণ ও নির্মূল) আইন, ২০১৮’ এর আওতায় স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক ব্যবস্থা নিতে জেলা প্রশাসন ও পুলিশ বাহিনীকে আইনানুগ কার্যক্রম গ্রহণের প্রয়োজনীয় ক্ষমতা প্রদান করবেন।

রিটেলেড নিউজ

চিকিৎসার জন্য জার্মানির উদ্দেশ্যে রাষ্ট্রপতির ঢাকা ত্যাগ

চিকিৎসার জন্য জার্মানির উদ্দেশ্যে রাষ্ট্রপতির ঢাকা ত্যাগ

নিজস্ব প্রতিবেদক :   স্বাস্থ্য পরীক্ষা এবং চোখের চিকিৎসার জন্য ১২ দিনের জার্মানি ও যুক্তরাজ্য সফরের উদ্দেশ্যে আজ ...বিস্তারিত


মুহিবুল্লাহ হত্যার ঘটনা অনাকাঙ্ক্ষিত: পররাষ্ট্র সচিব

মুহিবুল্লাহ হত্যার ঘটনা অনাকাঙ্ক্ষিত: পররাষ্ট্র সচিব

কক্সবাজার, প্রতিনিধি : :   রোহিঙ্গাদের শীর্ষ নেতা মুহিবুল্লাহ হত্যাকাণ্ড অনাকাঙ্ক্ষিত উল্লেখ করে পররাষ্ট্র সচিব মাসুদ...বিস্তারিত


জাপা মহাসচিব জিয়াউদ্দিন বাবলু আর নেই

জাপা মহাসচিব জিয়াউদ্দিন বাবলু আর নেই

নিজস্ব প্রতিবেদক :   জাতীয় পার্টি মহাসচিব জিয়াউদ্দিন আহমেদ বাবলু আর নেই। শনিবার (২ অক্টোবর) সকাল ৯টা ১২ মিনিটে রাজধ...বিস্তারিত


অবহেলার দায় নিতে চায় না কেউ

অবহেলার দায় নিতে চায় না কেউ

চৌধুরী মনি :: : নালায় পড়ে মৃত্যু হয় আন্তর্জাতিক ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রী সাদিয়ার। রাত পোহানোর আগেই ঘটনাস্থল...বিস্তারিত


‘রাঙ্গামাটি-খাগড়াছড়ি-বান্দরবানেও ট্রেন যাবে’

‘রাঙ্গামাটি-খাগড়াছড়ি-বান্দরবানেও ট্রেন যাবে’

চট্টগ্রাম ব্যুরো : : রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবানের মতো পার্বত্য জেলাগুলোতেও ট্রেন চলাচল করবে বলে মন্তব্য করেছেন ...বিস্তারিত


দুর্নীতিবাজ মাফিয়া সিন্ডিকেটের  বিরুদ্ধে লাভ বাংলাদেশ দুর্বার আন্দোলন গড়ে তুলবে : মিজানুর রহমান চৌধুরী

দুর্নীতিবাজ মাফিয়া সিন্ডিকেটের  বিরুদ্ধে লাভ বাংলাদেশ দুর্বার আন্দোলন গড়ে তুলবে : মিজানুর রহমান চৌধুরী

চট্টগ্রাম ব্যুরো : : দেশপ্রেমিক মানবাধিকার সংগঠন লাভ বাংলাদেশ ফাউন্ডেশন চট্টগ্রাম মহানগর শাখার উদ্যােগে  ১৬ সেপ্টে...বিস্তারিত



সর্বপঠিত খবর

পার্বত্য ভিক্ষসংঘু ও পার্বত্য ত্রাণ ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে দরিদ্র ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের মাঝে বিনামূল্যে বই বিতরণ 

পার্বত্য ভিক্ষসংঘু ও পার্বত্য ত্রাণ ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে দরিদ্র ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের মাঝে বিনামূল্যে বই বিতরণ 

বিহারী চাকমা, রাঙামাটি : :   রাঙ্গামাটির লংগদু কলেজে পার্বত্য ভিক্ষুসংঘ ও পার্বত্য ত্রাণ ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে দরিদ্র ও ম...বিস্তারিত


“ হিন্দুরা বাংলার দেশপ্রেমি নবাব সিরাজউদ্দৌলাকে আখ্যায়িত করে অশুর আর বাংলার দুশমন ক্লাইভকে আখ্যায়িত করে মা দূর্গা! ”

“ হিন্দুরা বাংলার দেশপ্রেমি নবাব সিরাজউদ্দৌলাকে আখ্যায়িত করে অশুর আর বাংলার দুশমন ক্লাইভকে আখ্যায়িত করে মা দূর্গা! ”

নবাবজাদা আলি আব্বাসউদ্দৌলা :- :   নবাবজাদা আলি আব্বাসউদ্দৌলা :- পলাশী একটি বিশ্বাসঘাতকতার ইতিহাস। এই ষড়যন্ত্রের শিকার হয়েছিল...বিস্তারিত



সর্বশেষ খবর