চট্টগ্রাম   শুক্রবার, ২১ জানুয়ারী ২০২২  

শিরোনাম

ওমিক্রনের সংক্রমণকালে জন্ডিস রোগীর সমস্যার প্রতিকার

বিশেষ সম্পাদকীয়    |    ০৭:২৫ পিএম, ২০২১-১২-০৪

ওমিক্রনের সংক্রমণকালে জন্ডিস রোগীর সমস্যার প্রতিকার

ডা.মুহাম্মাদ মাহতাব হোসাইন মাজেদ 

সারাবিশ্বে বর্তমানে করোনা ও ওমিক্রনের সংক্রমণ ভাইরাস আতষ্ক বিরাজ করছে,ওমিক্রনের সংক্রমণ ইতিমধ্যে এশিয়া, আফ্রিকা, আমেরিকা, মধ্যপ্রাচ্য ও ইউরোপের ২৫টির বেশি দেশে শনাক্ত হয়েছে।আর প্রথম শনাক্ত হওয়া দক্ষিণ আফ্রিকার ৯টি প্রদেশের মধ্যে ৭টিতেই এই ধরনটিতে আক্রান্ত রোগীর সন্ধান পাওয়া গেছে। সংক্রমণের লাগাম টেনে ধরার চেষ্টায় অনেক দেশের সরকার ভ্রমণসংক্রান্ত বিধিনিষেধ আরো কড়াকড়ি করেছে।আর করোনা জন্ডিসের সমস্যার সঙ্গে করোনা আক্রান্তের এক উল্লেখযোগ্য যোগসূত্র আছে।জন্ডিস একটি মারাত্মক ব্যাধি জন্ডিসের কথা শুনলে অনেকে ভাবেন, এ আর এমন কী; হরহামেশাই হচ্ছে, আবার টোটকা বা মামুলি কবিরাজি চিকিৎসায় ভালো হয়ে যাচ্ছে। কিন্তু চিকিৎসক হিসেবে আমরা জন্ডিস হলে একটু চিন্তিতই হই বেশি। জন্ডিস যে ধরনের বা যে কারণেই হোক, এটি সব সময়ই একটি গুরুতর উপসর্গ। জন্ডিস নিজে কোনো রোগ নয়, বরং অন্য কোনো রোগের লক্ষণ। ভাইরাস সংক্রমণ থেকে শুরু করে সিরোসিস বা ক্যানসারের মতো রোগের প্রাথমিক লক্ষণ হিসেবে দেখা দিতে পারে এই জন্ডিস। তাই জন্ডিস হলে অবহেলা করতে নেই।আজকের বিষয় নিয়ে কলাম লিখেছেন বাংলাদেশের বিশিষ্ট হোমিও গবেষক ডা. এম এম মাজেদ তাঁর কলামে লিখেন... জন্ডিস’ যদিও ইংরেজি শব্দ। তবুও এটা বর্তমান বাংলা শব্দের সাথে সংযুক্ত হয়ে গেছে। জন্ডিস বলতে আমরা বুঝি, লিভারের যেকোনো জটিলতার কারণে চোখ হলুদ হওয়া, প্রস্রাব হলুদ হওয়া, খাওয়ায় অরুচি, মুখগহ্বর হলুদ হওয়া এবং কারো কারোর ক্ষেত্রে চামড়া প্রযন্ত হলুদ হয়ে যাওয়া। এটাকে আমরা জন্ডিসের লক্ষণ হিসেবেও বলে থাকি। তবে জন্ডিস হওয়া মানে আমরা ধরে নেই লিভার কোনা কোনাভাবে ক্ষতিগ্রস্ত বা আক্রান্ত।আগে জানা দরকার জন্ডিস বলতে আমরা কী বুঝি। মানুষের রক্তে অনেক উপাদানের মধ্যে বিলিরুবিন একটি। এই বিলিরুবিনের উৎপত্তি রক্তের লোহিত কণিকা থেকে। রক্তের লোহিত কণিকা যখন স্বাভাবিক বা অস্বাভাবিকভাবে ধ্বংসপ্রাপ্ত হয়, তখনই লিভারে এই বিলিরুবিন তৈরি হয় এবং পরবর্তী সময়ে রক্তে প্রবাহিত হয়ে মল ও প্রস্রাবের সঙ্গে বের হয়ে যায়। এই বিলিরুবিনের মাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি হলে এটি জমা হতে থাকে শরীরের বিভিন্ন কোষকলায়। আর তখন কোষকলার স্বাভাবিক রং পরিবর্তন হয়ে হলুদাভ হয়ে যায়। ত্বক ও চোখের ঝিল্লি হলুদ রং ধারণ করলে তা দৃশ্যমান হয় এবং জন্ডিস হয়েছে বলে শনাক্ত করা হয়।জন্ডিস অনেক কারণে হয়ে থাকে। প্রথমত, যদি রক্তের লোহিত কণিকা অতিমাত্রায় ধ্বংসপ্রাপ্ত হয়ে বেশি মাত্রায় বিলিরুবিন তৈরি হয়। যেমন থ্যালাসেমিয়া নামের রক্তরোগ। দ্বিতীয়ত, বিলিরুবিন তৈরির কারখানা তথা লিভারে কোনো সমস্যা দেখা দিলে জন্ডিস হবে। যেমন ভাইরাল হেপাটাইটিস, লিভার সিরোসিস, ক্যানসার। তৃতীয়ত, বিলিরুবিন যদি কোনো কারণে লিভার থেকে বের হতে না পারে, বাধাপ্রাপ্ত হলে জন্ডিস হয়। যেমন পিত্তনালির পাথর বা টিউমার।
কীভাবে বুঝবেন আপনার কোন ধরনের জন্ডিস হয়েছে? রোগের ইতিহাস ও লক্ষণ বিবেচনা করে কারণ অনেকাংশে শনাক্ত করা যায়। অল্প বয়স, জন্ডিসের সঙ্গে রক্তশূন্যতা থাকলে বুঝতে হবে লোহিত কণিকার মাত্রাতিরিক্ত ধ্বংস হয়ে যাওয়া থেকেই এর উৎপত্তি, যাকে মেডিকেলের পরিভাষায় হিমোলাইটিক জন্ডিস বলে। জ্বর, পেটের ডান দিকে ব্যথা, ক্ষুধামন্দা, বমি বা বমি ভাব হওয়ার পর চোখ ও জিব হলুদ হয়ে গেলে সাধারণত তাকে লিভারের প্রদাহ বা হেপাটাইটিস মনে করা হয়। জন্ডিসের মাত্রা যদি অনেক বাড়তে থাকে, আর সঙ্গে পেটব্যথা, কাঁপুনি দিয়ে জ্বর, শরীরে চুলকানি থাকে, তখন পিত্তনালি বন্ধ হয়ে গিয়ে অবস্ট্রাকটিভ জন্ডিস হয়েছে বলে ধারণা করা হয়। এতে এলোপ্যাথি পদ্ধতিতে  সার্জারি লাগে বলে এর আরেক নাম সার্জিক্যাল জন্ডিস।আমাদের দেশে সব বয়সের মানুষের অ্যাকিউট ভাইরাল হেপাটাইটিস বা ভাইরাসজনিত লিভারের প্রদাহ হওয়ার হার সবচেয়ে বেশি। করোনাভাইরাসের এই সময়ে ভাইরাস সবার কাছে একটি আতঙ্কের নাম। হেপাটাইটিস ভাইরাসের জন্যও এ কথা প্রযোজ্য। ইংরেজি অক্ষর দিয়ে এই ভাইরাসগুলোর নামকরণ করা হয়ে থাকে, যেমন এ, বি, সি, ডি এবং ই ভাইরাস। আমাদের দেশে প্রাপ্তবয়স্কদের মধ্যে ই ভাইরাসের সংক্রমণ সবচেয়ে বেশি। এ এবং ই ভাইরাস খাদ্য বা পানিবাহিত রোগ, অর্থাৎ দূষিত খাবার বা খাওয়ার পানির মাধ্যমে এই ভাইরাস ছড়ায় এবং সাধারণত কোনো দীর্ঘমেয়াদি সংক্রমণ তৈরি করে না। তবে কখনো কখনো মারাত্মক জটিলতা সৃষ্টি করতে পারে। বি, সি এবং ডি ভাইরাস রক্তবাহিত, যা দূষিত রক্তের সংস্পর্শের কারণে হয়ে থাকে। এই ভাইরাসগুলোতে জটিলতাগুলো বেশি হয় এবং দীর্ঘমেয়াদি সংক্রমণ হতে পারে, যা থেকে সিরোসিস, ক্যানসারসহ নানা জটিল পরিণতির দিকে যেতে পারে। জন্ডিস হলে বিলম্ব না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি। রোগীর লক্ষণ শুনে এবং কিছু পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে নিশ্চিতভাবে এর কারণ নির্ণয় করা যায়। তারপর কারণ অনুযায়ী ব্যবস্থা। স্বল্পমেয়াদি ভাইরাল হেপাটাইটিসের চিকিৎসা নিয়ে আমাদের দেশে অপচিকিৎসা হয় অনেক। ঝাড়ানো, মালা পড়া, নানান রকমের কবিরাজি ওষুধ বা লতাপাতা খাওয়া আমাদের সমাজে একশ্রেণির মানুষের কাছে জনপ্রিয়। জন্ডিস চিকিৎসায় এগুলোর কোনো বৈজ্ঞানিক ভিত্তি নেই। উপরন্তু এসব কবিরাজি লতাপাতা-শিকড় অনেক সময় লিভারের মারাত্মক ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়ায় এবং চিকিৎসা বিলম্বিত হওয়ারও কারণ হয়ে দাঁড়ায়।এই ভাইরাসগুলোর একটি ভালো দিক হলো, অধিকাংশ ক্ষেত্রেই আক্রান্ত ব্যক্তি কয়েক সপ্তাহের মধ্যে নিজে থেকেই সেরে ওঠেন। রোগীর পূর্ণ বিশ্রাম, স্বাভাবিক সুষম পুষ্টিকর খাবারের সঙ্গে উপসর্গ অনুযায়ী কদাচিৎ ওষুধ দেওয়া হয়।  খাবার সহজপাচ্য, স্বাস্থ্যকর ও বিশুদ্ধ হতে হবে। কয়েক সপ্তাহের মধ্যে ভালো না হলে বা কোনো রকম অস্বাভাবিকতা দেখা দিলে বিলম্ব না করে বিশেষজ্ঞ হোমিও চিকিৎসকের চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি। এই অস্বাভাবিকতা হতে পারে চেতনা কমে যাওয়া (এনকেফালোপ্যাথি), রক্তবমি বা কালো পায়খানা, অতিরিক্ত দুর্বলতা, অস্বাভাবিক আচরণ ইত্যাদি।অন্যান্য অনেক রোগের মতো ভাইরাস হেপাটাইটিস প্রতিরোধযোগ্য। কিছু সাধারণ স্বাস্থ্যবিধি, যেমন ব্যক্তিগত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা, স্বাস্থ্যসম্মত খাবার, বিশুদ্ধ খাওয়ার পানি গ্রহণ, আক্রান্ত ব্যক্তির রক্ত গ্রহণ না করা বা অন্যের ব্যবহৃত ব্লেড, সিরিঞ্জ ইত্যাদি ব্যবহার না করাই হলো প্রতিরোধ করার অন্যতম উপায়। এ এবং বি ভাইরাসের এলোপ্যাথি  টিকা আছে, যা দেয়ার পরে ও অনেকে আক্রান্ত হয়েছে সঠিক চিকিৎসা আছে হোমিওপ্যাথিতে  উপদেশানুযায়ী সবারই উচিত অভিজ্ঞ 
হোমিও চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া।
★নবজাতকের জন্ডিসঃ-সব ঠিকঠাক থাকলেও জন্মের পর শতকরা ৭০ থেকে ৮০ ভাগ নবজাতকের জন্ডিস হতে পারে। জন্ডিস আক্রান্ত শিশুর প্রায় ৫০ শতাংশের বেলায় একে বলে স্বাভাবিক জন্ডিস। শিশুর যকৃৎ পুরোপুরি কর্মক্ষম হয়ে উঠতে একটু দেরি হলে রক্তে বিলিরুবিনের মাত্রা  বেড়ে গিয়ে এই জন্ডিস হয়। এ সময়ে কোনো  অবস্থায়ই নবজাতককে বুকের দুধ খাওয়ানো থেকে বিরত রাখা যাবে না। স্বাভাবিক জন্ডিস সাত দিনের মধ্যেই সেরে ওঠার কথা। তবে জন্মের ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই জন্ডিস দেখা দিলে, সাত বা দশ দিনের পরও না সারলে, শিশু খাওয়া বন্ধ করে দিলে বা কমিয়ে দিলে, জ্বর বা সংক্রমণের লক্ষণ থাকলে, বিলিরুবিনের মাত্রা দ্রুত বাড়তে থাকলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ গ্রহণ করতে হবে।
★জন্ডিস রোগীর সহজলভ্য পথ্যঃ-
 জন্ডিস হলে এমন খাবার খাওয়া উচিত, যাতে যকৃৎ কিংবা পিত্তথলির ওপর কোনো চাপ না পড়ে। অল্প করে একটু পরপর সঠিক খাবার খেলে এবং পূর্ণ বিশ্রামে থাকলে এমনিতেই জন্ডিস সেরে যায়।নিম্নে তালিকা দেওয়া হয়েছে...
★জন্ডিস হলে যা খাবেনঃ-
* গোটা শস্যঃ- কার্বোহাইড্রেটের চাহিদা পূরণে বাদামি চাল, রুটি, ওট্স খেতে পারেন। গোটা শস্যে প্রচুর আঁশ, ভিটামিন থাকে, যা ক্ষতিকর টক্সিন বের 
করে দেয়।
* প্রোটিনঃ- খাদ্যতালিকায় প্রতিদিন মাছ, মুরগির মাংস, ডাল পরিমাণমতো থাকতে হবে। না হলে রোগী দুর্বল হয়ে পড়বে। অনেকে মনে করেন, জন্ডিসে আক্রান্ত রোগী মাছ-মাংসজাতীয় খাবার খেতে পারবেন না। এটা আসলে ভুল ধারণা।
* সবজিঃ-মিষ্টিকুমড়া, মিষ্টি আলু, মুলা, বিট, গাজর, টমেটো, ব্রকলি, ফুলকপি, বাঁধাকপি ও পালংশাক জন্ডিস রোগীর জন্য খুব ভালো।
* ফলঃ-বেরিস, পেঁপে, তরমুজ, আনারস, পাকা আম, কলা, কমলা, জলপাই, অ্যাভোকাডো, আঙুরের মতো সহজপাচ্য ফল প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় থাকতে হবে।
* দুগ্ধজাতীয় খাবারঃ- জন্ডিস হলে ফুল ক্রিম দুধ বা দই, পনির খাওয়া ঠিক নয়। এতে স্যাচুরেটেড ফ্যাট বেশি থাকে, যা যকৃতের জন্য ক্ষতিকর।
* অ্যান্টি-অক্সিডেন্টযুক্ত খাবারঃ-লেবু, বাতাবি লেবুর শরবত জন্ডিস রোগীর জন্য খুবই ভালো। এগুলো শরীরে পানির চাহিদা পূরণের পাশাপাশি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। এ ছাড়া প্রতিদিন বাদামও পরিমাণমতো খেতে পারেন। সামান্য আদা কুচি বা রসুন কুচি, আদার রস বা আদা-চা খাওয়া যেতে পারে দিনে দু-একবার। এগুলো যকৃতের জন্য ভালো।
*পানি:-প্রতিদিন পর্যাপ্ত পরিমাণ পানি (দৈনিক অন্তত আট গ্লাস) পান করতে হবে। তবে অতিরিক্ত পানি পানের প্রয়োজন নেই। পানি শরীর থেকে ক্ষতিকর টক্সিন বের করে দেয়। আখের রস, ডাবের পানিও শরীরে পানির চাহিদা পূরণ করে। তবে রাস্তার পাশের আখের শরবত না পান করে ঘরে তৈরি শরবত খেতে হবে।
★যা খাওয়া যাবে নাঃ-
চিনি বা অতিরিক্ত মিষ্টিজাতীয় খাবার, কাঁচা লবণ, অতিরিক্ত তেল-মসলাযুক্ত খাবার, রেড মিট (গরু, মহিষ, ছাগলের মাংস), অ্যালকোহল, ট্রান্স ফ্যাট ও স্যাচুরেটেড ফ্যাটযুক্ত খাবার খাওয়া যাবে না।
★হোমিওপ্রতিকারঃ-
রোগ নয় রোগীকে চিকিৎসা করা হয় এই জন্য একজন অভিজ্ঞ চিকিৎসক কে ডা.হানেমানের নির্দেশিত হোমিওপ্যাথিক নিয়মনীতি অনুসারে জন্ডিস সহ  যে কোন  জটিল কঠিন রোগের চিকিৎসা ব্যক্তি স্বাতন্ত্র্য ভিওিক লক্ষণ সমষ্টি নির্ভর ও ধাতুগত ভাবে চিকিৎসা দিলে আল্লাহর রহমতে চিকিৎসা দেয়া সম্ভব।চিকিৎসা বিজ্ঞানে চিরন্তন সত্য বলে কিছুই নেই । কেননা একসময় আমরা শুনতাম যক্ষা হলে রক্ষা নেই ,বর্তমানে শুনতে পাই যক্ষা ভাল হয়। এ সবকিছু বিজ্ঞানের অগ্রগতি ও উন্নয়নের ফসল । জন্ডিস চিকিৎসা হোমিওপ্যাথিতে সবচেয়ে জনপ্রিয় চিকিৎসা পদ্ধতি। সামগ্রিক উপসর্গের ভিত্তিতে ওষুধ নির্বাচনের মাধ্যমে হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা করা হয়। এটিই একমাত্র চিকিৎসা পদ্ধতি যার মাধ্যমে রোগীর কষ্টের সমস্ত চিহ্ন এবং উপসর্গগুলি দূর করে সম্পূর্ণ স্বাস্থ্যের অবস্থা পুনরুদ্ধার করা যায়। বিবিসি নিউজের ২০১৬ তথ্য মতে, দেশের প্রায় ৪০ শতাংশ রোগী হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা গ্রহণ করে আরোগ্য লাভ করে, আবার ইদানিং অনেক নামদারি হোমিও চিকিৎসক বের হইছে,তাঁরা জন্ডিস রোগীকে পেটেন্ট টনিক,দিয়ে চিকিৎসা দিয়ে থাকে তাদের কে ডা.হানেমান শংকর জাতের হোমিওপ্যাথ বলে থাকেন,রোগীদের কে মনে রাখতে হবে, জন্ডিস  কোন সাধারণ রোগ না, তাই সঠিক চিকিৎসা পাইতে হইলে অভিজ্ঞ চিকিৎকের পরামর্শ নিন।  

লেখক,
সম্পাদক ও প্রকাশক, দৈনিক স্বাস্থ্য তথ্য     
প্রতিষ্ঠাতা,বাংলাদেশ রোগী কল্যাণ সোসাইটি 
ইমেইল,drmazed96@gmail.com


 

রিটেলেড নিউজ

ভিলেজ পলিটিক্সের কবলে বাংলাদেশ, রাজনীতির পদ-পদবী নিয়ে থানার দালালী ওদের পেশা

ভিলেজ পলিটিক্সের কবলে বাংলাদেশ, রাজনীতির পদ-পদবী নিয়ে থানার দালালী ওদের পেশা

আমাদের বাংলা ডেস্ক : : মিজানুর রহমান চৌধুরী : আমাদের গ্রামীন জনপদে ভিলেজ পলিটিক্স নামে একটা কথা প্রচলিত আছে। যাঁরা গ্রা...বিস্তারিত


বড় অসময়ে চলে গেল মুজাহিদুল 

বড় অসময়ে চলে গেল মুজাহিদুল 

আমাদের বাংলা ডেস্ক : : মিজানুর রহমান চৌধুরী :: হ্যা মৃত্যু অবধারিত একথা সত্য। মৃত্যু যেমন অপরিহার্য, তেমন অনিশ্চিত তার সম...বিস্তারিত


মাফিয়া নিয়ন্ত্রিত সংবাদপত্র ও সাংবাদিকতা সমাজ বিকাশে প্রধান অন্তরায়

মাফিয়া নিয়ন্ত্রিত সংবাদপত্র ও সাংবাদিকতা সমাজ বিকাশে প্রধান অন্তরায়

বিশেষ সম্পাদকীয় : মিজানুর রহমান চৌধুরী : খবর জানার আগ্রহ মানুষের অন্যতম আদিম প্রবৃত্তি। বছরের পর বছর জেলেরা নদীতে ম...বিস্তারিত



সর্বপঠিত খবর

“ হিন্দুরা বাংলার দেশপ্রেমি নবাব সিরাজউদ্দৌলাকে আখ্যায়িত করে অশুর আর বাংলার দুশমন ক্লাইভকে আখ্যায়িত করে মা দূর্গা! ”

“ হিন্দুরা বাংলার দেশপ্রেমি নবাব সিরাজউদ্দৌলাকে আখ্যায়িত করে অশুর আর বাংলার দুশমন ক্লাইভকে আখ্যায়িত করে মা দূর্গা! ”

নবাবজাদা আলি আব্বাসউদ্দৌলা :- :   নবাবজাদা আলি আব্বাসউদ্দৌলা :- পলাশী একটি বিশ্বাসঘাতকতার ইতিহাস। এই ষড়যন্ত্রের শিকার হয়েছিল...বিস্তারিত


পার্বত্য ভিক্ষসংঘু ও পার্বত্য ত্রাণ ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে দরিদ্র ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের মাঝে বিনামূল্যে বই বিতরণ 

পার্বত্য ভিক্ষসংঘু ও পার্বত্য ত্রাণ ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে দরিদ্র ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের মাঝে বিনামূল্যে বই বিতরণ 

বিহারী চাকমা, রাঙামাটি : :   রাঙ্গামাটির লংগদু কলেজে পার্বত্য ভিক্ষুসংঘ ও পার্বত্য ত্রাণ ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে দরিদ্র ও ম...বিস্তারিত



সর্বশেষ খবর