শিরোনাম
আনোয়ারা প্রতিনিধি: | ০৭:৫৭ পিএম, ২০২৩-০৩-০৪
২০২১ খৃষ্টাব্দের ৭ মার্চ শুরু ঘটনার সূত্রপাত। দুবছর পার হয়ে গেলেও অবসান ঘটেনি শত্রুতার! শত্রুতার হেতু জায়গা- জমি সংক্রান্ত হলেও পরবর্তীতে রূপ নেয় নানামুখি ঝামেলার। আইনের হাতের শক্তিরও যেন পরীক্ষার প্রয়োজনের সময় এসেছে। এমনি একটি ঘটনার কাহিনী আনোয়ারার বারখাইন পূর্ব মাইজপাড়া গ্রামের সন্তোষ মজুমদার পুত্র সুব্রত মজুমদারের দায়ের করা আনোয়ারা থানা এজহার থেকে জানা যায়। আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজে দুইদিন চিকিৎসা শেষে চিকিৎসাপত্রের যাবতীয় কাগজপত্র থানায় নিয়ে এসে বিবাদীগণের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেছে সুব্রত, অভিযোগে উল্লেখ করেন বিবাদীগণ আমার প্রতিবেশি, দলভূক্ত হায়েনারূপী,অত্যাচারী, জুলুম- দাঙ্গাবাজ, লাঠিয়াল বাহিনী ও এলাকার জঘন্য খারাপ প্রকৃতির লোক। এবং জখমী সাক্ষী আমার পিতা-মাতা, আমার চাচাতো ভাই, সাক্ষী আমার ভাই, চাচী, ফুফা এবং অন্যান্য সাক্ষীগণ ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী এলাকার নিরপেক্ষ লোক। বিবাদীগনের সাথে ঘটনার আগে থেকেই মামলা মোকাদ্দমার জের ধরে মতানৈক্যের জেরে বিবাদীরা আমাদের প্রতি চরম প্রতিহিংসা পরায়ন হয়ে গভীর শত্রুতার মনোভাব প্রকাশ করে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়। বিভিন্ন সময় আমাদেরকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে, প্রাণনাশের হুমকি-ধামকিও প্রদান করে। এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তিদের অবহিত করেলে তারা তাদের কর্মকান্ড থেকে বিরত থাকার জন্য বলে। কিন্তু তারা স্থানীয় লোকজনদের কথায় কর্ণপাত না করে পরিকল্পনা হাসিলের অভিপ্রায়ে আমাদেরকে হুমকি দিতে থাকে। ঘটনার পূর্বে সামান্য ঘটনাকে কেন্দ্র করে সকল বিবাদীরা একত্রিত হয়ে গোপন বৈঠকে মিলিত হয়। পরস্পর যোগসাজসে বে-আইনীজনতাবদ্ধে ধারালো রাম দা, লোহার রড লোহার সাবল, হকিস্টিক, লাঠি-সোঠাসহ দেশিয় প্রাণঘাতি অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে ২৮ ফেব্রুয়ারি দুপুরে আমাদের বাড়ির উঠানে ঢুকে খুন- খারাপি করার হুমকি দিয়ে ঘর থেকে বের হওয়ার জন্য ডাকাডাকি করতে থাকে, জখমী সাক্ষীগন ঘর থেকে বের হয়ে তাদের কর্মকান্ডের প্রতিবাদ করলে বিবাদীরা সাক্ষীগনের ওপর আক্রমন করে এবং মারপিট শুরু করে।
তাদের হাতে থাকা ধারালো দা দিয়ে হত্যার উদ্দেশ্যে সাক্ষীর মাথার মধ্যভাগে স্বজোরে কুপ মেরে গুরুতর জখম করে, লোহার রড দিয়ে হত্যার উদ্দেশ্যে তার মাথা বরাবর উপর্যপুরি বারি মারতে থাকে।
জখমী সাক্ষীর দুই হাতে মারাত্মক হাড় ভাংগা জখম হয় । হাতে থাকা লোহার রড দিয়ে সাক্ষীর মাথা বরাবরে স্বজোরে বারি মারায় মাথা ফেটে গুরুতর রক্তাক্ত হয় । বাকিরা একযোগে চাষাদের হাতে থাকা লোহার বড় লাঠি সোঠা দিয়ে জখমী সাক্ষীকে এলোপাথাড়ি আক্রমন করতে থাকে। এবং স্বাক্ষীর হলা চিপে হত্যাচেষ্টা করেও ক্লান্ত হয়নি, কেড়ে নেয় ৭৫০০০/ পচাত্তর হাজার টাকা দামের ১ ভরি ওজনের সর্ণের চেইন
যাহা লাউ- তাহাই কদু! যেমন, চোর না শোনে ধর্মের কাহিনী! রাজনীতির প্রভাব খাটিয়ে একের পর এক যেন নিত্যনতুন গল্পের সৃষ্টির উল্লাসে মাতে অপরাধিরা। বেপরোয়া জীবন যাপনে অভ্যস্ত হয়ে পড়ে- আর এসব অপরাধী চক্রের সদস্য বা ঘটনার মদদদাতা, হামলাকারীরা হলেন বারখাইন পূর্ব মাইজপাড়া গ্রামের নৃত্য মজুমদারের পুত্র সুমন্ত মজুমদার, দীপংকর মজুমদার, অনংক মজুমদার, জয়ন্ত মজুমদার,সুপংক মজুমদার ও একই পরিবারের সন্তান রুপংক মজুমদার, জয়ন্ত মজুমদার পুত্র রুমেন মজুমদার, নৃত্য মজুমদারের স্ত্রী রাধা মজুমদার ও অনংক মজুমদারের স্ত্রী ডলি মজুমদার।
সাক্ষীদাতারা হলেন একই গ্রামের গৌরাঙ্গ মজুমদারের পুত্র সন্তোষ মজুমদার,, সন্তোষ মজুমদারের স্ত্রী লাকী মজুমদার ও পুত্র সুকান্ত মজুমদার, মনু মজুমদারের স্ত্রী সবিতা মজুমদার ও পুত্র সাগর মজুমদার, সুধাংশু গুপ্তের পুত্র বিদুর গুপ্ত ও রমনী মোহন মজুমদারের কন্যা রত্না মজুমদার।
বছরের পর বছর যায়, না শেষ হয় মামলা! না শেষ হয় শত্রুতা। আইনের তোয়াক্কা না করে এগিয়ে চলা রাজনৈতিক পরিচয় বহনকারী মাফিয়াদের কবল থেকে রাষ্ট্র যতদিন না মুক্ত হচ্ছে - এ যুদ্ধও ততদিন শেষ হবার নয়।
আ.ন.ম. তাজওয়ার আলম : বাংলাদেশের নিবন্ধন অধিদপ্তর ও দেশের বিভিন্ন রেজিস্ট্রি অফিসে এখনো একটি প্রভাবশালী সিন্ডিকেট সক...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : আব্দুল হালিম সরদার: বাংলাদেশে নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত ড. জালিল রাহিমি জাহানাবাদির সঙ্গে লিবার...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : মো. ইমরুল কায়েস: চট্টগ্রাম সমিতি-ঢাকার ২০২৪-২০২৫ অর্থবছরের বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) মঙ্গলবার (২...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক :: : কবি নজরুল কলেজ প্রতিনিধি: নিষিদ্ধ ঘোষিত বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠন ছাত্রলীগের দেশবি...বিস্তারিত
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : ময়মনসিংহের গফরগাঁওয়ে স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার গুণগত মান উন...বিস্তারিত
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : পটিয়াস্থ সৃজনশীল সাহিত্য গোষ্ঠী মালঞ্চ’র চার যুগপূর্তি উপলক্ষে সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক প্রতিয...বিস্তারিত
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৯ - © 2026 Dainik Amader Bangla | Developed By Muktodhara Technology Limited