শিরোনাম
ফুলবাড়ী (দিনাজপুর) প্রতিনিধি: | ০৮:১৩ পিএম, ২০২১-০৬-২২
বৃষ্টি এলেই বেড়ে যায় ছাতার কদর,তাই ক্রুটিযুক্ত ছাতা মেরামত করতে ভাসমান কারিগরদের কাছে ভিড় জমায় লোকজন। এখন বর্ষাকাল বছরের অন্য সময়ের তুলনায় বর্ষার সময় ছাতার ব্যবহার বেড়ে যায়। তাই এসময়ে ছাতা কারিগরদের কর্মব্যস্ততাও বাড়ে। দিনাজপুরের ফুলবাড়ীর ছাতার কারিগররাও এর ব্যতিক্রম নয়। এদিকে বর্ষার কারণে ফুলবাড়ী উপজেলার বিভিন্ন স্থানে বসেছে ভ্রাম্যমান ছাতা কারিগর। ত্রুটিযুক্ত ছাতা মেরামত করতে ওই কারিগরদের কাছে ভিড় করছে বিভিন্ন এলাকার মানুষ। তাই বর্তমানে মৌসুমি ছাতা কারিগরদের কদর বেড়েছে। বর্তমানে করোনার প্রাদুর্ভাবের সময় অন্য ব্যবসায়ীরা অলস সময় পার করলেও ব্যস্ত সময় পার করছে ছাতা কারিগররা। বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে,অন্য সময়ের তুলনায় ছাতা কারিগরদের ব্যস্ততা চোখে পড়ার মত। তারা নাওয়া-খাওয়া ভুলে রাত-দিন কাজ করে যাচ্ছেন। কারিগররা শহরের বিভিন্ন এলাকায় বাক্স নিয়ে রাস্তার পাশে কেউ অন্যের বারান্দায় বসে ছাতা মেরামতের বিভিন্ন যন্ত্রপাতি নিয়ে দিনভর হরেকরকমের ভাঙ্গা ছাতা মেরামত করছে কারিগররা। আর কাজ বুঝে প্রতিটি ছাতা মেরামতের টাকা নিচ্ছে তারা। বৃষ্টির প্রভাব বেড়ে যাওয়ার সাথে সাথে কাজের চাপও বেড়ে যায় তাদের। আর বৃষ্টির হাতথেকে স্বস্তি পেতে বর্ষার অক্রিতিম বন্ধু ছাতাকে মেরামত করতে যেন ভুলছেনা কেউ। রাজারামপুর ঘাট পাড়া গ্রামের ছাতা কারিগর শহিদুল ইসলাম জানান,তার বাবা ছহির উদ্দিনের আগে এ পেশায় ছিলেন তার দাদা বংশগত পরম্পরায় তার বাবার হাত ধরে তিনি প্রায় ১৫ বছর ধরে এ পেশার সঙ্গে জড়িত। বছরের ছয় মাস তিনি এ পেশায় থাকেন আর বাকি মাসগুলো অন্য পেশায় জীবিকা নির্বাহ করেন। তিনি দৈনিক ১০ থেকে ১৫টি ছাতা মেরামত করে থাকেন। দৈনিক ৪শ থেকে ৫শ টাকা আয় করেন তিনি। এবার করোনার কারণে কাজ একটু কম বলে জানান শহিদুল। আরেক ছাতা কারিগর ফারুক হোসেন বলেন,আমি এ পেশায় ২০-২৫ বছর ধরে আছি। বছরের এ সময়ে আয় বেশি হতো। কিন্তু এখন করোনার কারণে মানুষ ঘর থেকে বের হচ্ছে কম। তাই এবার রোজগার কিছুটা কম হচ্ছে। বছরে ছয় মাস আমি এ পেশায় থাকি বাকি ছয় মাস ত্রুটিযুক্ত তালা ভালো করে সংসার চালাই। কথা হয় ছাতা মেরামত করতে আসা বকুলের সাথে তিনি বলেন তার একটি ছাতা বাড়ীতে পড়ে ছিলো তাই মেরামত করতে এসেছেন নতুন ছাতা কেনার চেয়ে অল্প টাকায় পুরোনোটাই মেরামত করা ভালো এতে কিছুটা সাশ্রয় হবে। ছাতা মেরামত করতে আসা বুলবুল বলেন,একটি ভালো ছাতা ক্রয় করতে ২৫০-৫০০ টাকা প্রয়োজন। এর চেয়ে পুরোনো ছাতাটি মেরামত করে নিলেই চলে। এখনকার যে ছাতা, সবে মাত্র ২ মাস হল ছাতাটা কিনেছি,এখনই মেরামত করতে আসা লাগল। পৌর শহরের ননিগোপাল মোড়ের ছাতা কারিগর ইউসুফ এর সাথে আলাপকালে তিনি বলেন,বছরের অন্যান মৌসুমে তেমন কোন কাজ থাকেনা। শুধু মাত্র বর্ষার অপেক্ষায় থাকি। বর্ষা এলেই বাড়ি থেকে যন্ত্রপাতি নিয়ে বেড়িয়ে পড়ি ছাতা মেরামতের জন্য। আর বর্ষা এলেই আমাদের আয়ও বহুগুণে বেড়ে যায়।
আ.ন.ম. তাজওয়ার আলম : বাংলাদেশের নিবন্ধন অধিদপ্তর ও দেশের বিভিন্ন রেজিস্ট্রি অফিসে এখনো একটি প্রভাবশালী সিন্ডিকেট সক...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : আব্দুল হালিম সরদার: বাংলাদেশে নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত ড. জালিল রাহিমি জাহানাবাদির সঙ্গে লিবার...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : মো. ইমরুল কায়েস: চট্টগ্রাম সমিতি-ঢাকার ২০২৪-২০২৫ অর্থবছরের বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) মঙ্গলবার (২...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক :: : কবি নজরুল কলেজ প্রতিনিধি: নিষিদ্ধ ঘোষিত বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠন ছাত্রলীগের দেশবি...বিস্তারিত
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : ময়মনসিংহের গফরগাঁওয়ে স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার গুণগত মান উন...বিস্তারিত
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : পটিয়াস্থ সৃজনশীল সাহিত্য গোষ্ঠী মালঞ্চ’র চার যুগপূর্তি উপলক্ষে সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক প্রতিয...বিস্তারিত
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৯ - © 2026 Dainik Amader Bangla | Developed By Muktodhara Technology Limited