শিরোনাম
খুলনা প্রতিনিধি : | ০৫:১৬ পিএম, ২০২২-০৮-০২
সুন্দরবনে বাঘ, হরিণ ও বন্য শুকর গণনার কার্যক্রম আগামী মাসে শুরু হচ্ছে। প্রকল্পের মেয়াদ তিন বছরের। নামকরণ করা হয়েছে বাঘ সংরক্ষণ প্রকল্প। তৃতীয়বারের মত ক্যামেরা ট্র্যাপিংয়ের মাধ্যমে গণনার জন্য ২শ’ বিশেষ ক্যাটাগরির ক্যামেরা, ব্যাটারী এসডি কার্ড সংগ্রহ হয়েছে। সর্বশেষ বাঘ গণনা হয় ২০১৮ সালে। তখনকার ফলাফলে ১১৪টি বাঘের হদিস পাওয়া যায়। সুন্দরবনে বাঘ গণনার জন্য লোকালয় সংলগ্ন ৬০ কিলোমিটার এলাকায় নাইলনের ফেন্সিং বা বেস্টনী তৈরীসহ বাঘ সংরক্ষণ ও গবেষণা সংক্রান্ত বিভিন্ন কার্যক্রম এমাসেই শেষ হবে। এ অবস্থায় ক্যামেরা ট্র্যাপিংয়ের মাধ্যমে আগামী অক্টোবর-নবেম্বর থেকে সুন্দরবনে বাঘ জরিপ শুরু হচ্ছে। চলমান জরিপ শেষে ২০২৫ সাল নাগাদ সুন্দরবনে বসবাসকারী বাঘের সংখ্যা প্রকাশ করা হবে। সুন্দরবনে কেওড়া, বাইন, সুন্দরী, পশুর কাঠ ও গোলপাতা উজাড় হওয়ায় পাশাপাশি চোরা শিকারীদের হাতে নিহত হওয়ার পর বাঘের সংখ্যা আশংকাজনকভাবে কমে যায়। বাঘ সংরক্ষণের জন্য স্থলভাগের চার হাজার বর্গকিলোমিটার এলাকা চিহ্নিত করা হয়েছে। এই প্রথমবারের মত হরিণ ও শুকর গণনার আওতায় আসবে। ২০০১ সাল থেকে ২০২২ সালের এপ্রিল পর্যন্ত ৪৬ বাঘের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে বার্ধক্যজনিত কারণে মৃত্যু হয় ৮ বাঘের। ২০০৯ সালের সিডরে একটি বাঘের মৃত্যু হয়। বাকিগুলো গণপিটুনি ও শিকারীদের হাতে নিহত হয়। এবারের বাঘ শুমারী প্রকল্পের জন্য ৩৬ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। সুন্দরবন করমজল বণ্য প্রাণী প্রজনন কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আজাদ কবির জানিয়েছেন, বনপ্রহরীদের তথ্য অনুযায়ী বনের বিভিন্ন অংশে বাঘের তৎপরতা পরিলক্ষিত হচ্ছে। বনকর্মচারীরা বিভিন্ন সময় বাঘের পায়ের চিহ্ন দেখতে পায়। সুন্দরবন পূর্ব বন বিভাগের ডিএফও মো. বেলায়েত হোসেন জানান, বন বিভাগ বাঘ রক্ষায় কাজ শুরু করেছে। বাঘ ইচ্ছামত বিচরণ করতে পারছে। প্রজনন স্বাভাবিক হচ্ছে। তাতে মনে হচ্ছে বাঘের সংখ্যা বেড়েছে। তিনি বলেন, বাঘ সংরক্ষণে সুন্দরবনে টহল জোরদার করা হয়েছে। উল্লেখ্য, ২০১৫ সালের জরিপে বাঘের সংখ্যা ছিল ১০৬টি। ২০০৭ সালের সিডর, ২০০৯ সালে আয়লা ও ২০২১ সালে ইয়াসের জলোচ্ছাসে সুন্দরবনের বিস্তীর্ণ এলাকা তলিয়ে যায়। বন্য প্রাণীর জীবন বাঁচাতে লোকালয়ে আশ্রয় নেয়। প্রাকৃতিক দূর্যোগের কবল থেকে রক্ষা করার জন্য বন বিভাগ ১২টি মাটির কেল্লা স্থাপনের উদ্যোগ নিয়েছে। গত ৩১ মার্চ খুলনাস্থ বন ভবনে এক সাংবাদিক সম্মেলনে বন কর্মকর্তারা বলেন, বাঘ ও হরিণ শিকার বন্ধ, প্রজনন সুবিধা সুন্দরবনে বাঘ স্থানান্তর অন্ততঃ দুটি বাঘের স্যাটেলাইট কলার স্থাপন, মনিটরিং ও বাঘের পরজীবি সংক্রমণ নির্ণয় করা হবে। একই সাথে ৬০ কিলোমিটার এলাকার বাঘ ও মানুষের দ্বন্দ নিরসনের উদ্যোগ নেয়া হবে। এদিকে সুন্দরবন থেকে লোকালয়ে এসে মানুষের বাড়ীঘরে উৎপাত করতে থাকা বানরটিকে উদ্ধার বনে ফেরত পাঠিয়েছে বনবিভাগ। পূর্ব সুন্দরবন বিভাগের চাঁদপাই রেঞ্জের জিউধারা ষ্টেশন কর্মকর্তা মো. শাহজাহান জানান, রোববার সকাল ১০ টার দিকে সুন্দরবন সংলগ্ন মোংলার দক্ষিণ বাজিকরখন্ড এলাকায় ঢুকে পড়ে এ বানরটি। পরে বানরটি ওই এলাকার দক্ষিণ বাজিকরখন্ড সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ আশপাশের বাড়ীতে ঢুকে উৎপাত শুরু করে। এরপর স্থানীয় বাসিন্দাদের দেয়া খবরে আমরা সেখান থেকে বানরটি উদ্ধার করি। পরে বেলা ১১টার দিকে বানরটিকে জিউধারা ফরেস্ট অফিস সংলগ্ন বনে ছেড়ে দেয়া হয়েছে। এটি ৭/৮ বছর বসয়ের একটি বড় বানর ছিলো। তিনি বলেন, গত দুই মাসে (জুন-জুলাই) মোংলা ও মোরেলগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন জায়গা থেকে ৬টি অজগর, ২টি কেউটে সাপ, ৪টি বানর, ১টি কচ্ছপ ও ১টি তক্ষক উদ্ধার করা হয়। এ প্রাণীগুলো নানা সময়ে লোকালয়ে চলে যায়। পরে সেগুলোকে উদ্ধার করে আবারো বনে ফেরত পাঠানো হয়েছে।
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : মাহমুদুর রহমান মাসুদ, ভালুকা প্রতিনিধি: ময়মনসিংহের ভালুকায় 'ময়মনসিংহ জেলার গ্রামীণ অবকাঠামো...বিস্তারিত
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : মাহমুদুর রহমান মাসুদ, ভালুকা প্রতিনিধি: ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতন দিবসের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি উদযাপন ...বিস্তারিত
রাঙ্গামাটি প্রতিনিধি : : রাঙামাটির কেন্দ্রীয় কবরস্থানে জায়গা সংকটের অভিযোগ, সম্প্রসারণ ও রিটেইনিং ওয়াল নির্মাণের প্রস্ত...বিস্তারিত
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : সিরাজগঞ্জ ব্যুরো : সিরাজগঞ্জ জেলা প্রশাসন ও ইসলামিক ফাউণ্ডেশন সিরাজগঞ্জের উদ্যোগে জুলাই গণঅ...বিস্তারিত
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : রাজশাহী প্রতিনিধি : রাজশাহীতে গণমাধ্যমকর্মীদের সাথে সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদের সম্পৃক্ততা বৃদ...বিস্তারিত
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি : কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলার নুনখাওয়া ইউনিয়নের চরকাটগিরাই এলাকায় অবস্থ...বিস্তারিত
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৯ - © 2026 Dainik Amader Bangla | Developed By Muktodhara Technology Limited