শিরোনাম
নিজস্ব প্রতিবেদক | ০৬:৪০ পিএম, ২০২৫-১২-২৩
দেশীয় শিল্প প্রতিষ্ঠান নাভানার ব্যবসায়িক ক্ষতির পেছনে ভারতীয় বংশোদ্ভূত টয়োটা বাংলাদেশের নির্বাহী প্রেমিত সিংসহ ৩ জনের বিরুদ্ধে করা প্রতারণার মামলার সত্যতা পেয়েছে তদন্ত সংস্থা পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। সম্প্রতি ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জুয়েল রানার আদালত এ মামলার প্রতিবেদন জমা দেয় পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। এই মামলার আসামিরা হলেন ভারতীয় বংশোদ্ভূত মালয়েশীয় নাগরিক টয়োটা বাংলাদেশ লিমিটেড নামে নবগঠিত প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রেমিত সিং, জাপানি নাগরিক টয়োটা টুশো এশিয়া প্যাসিফিকের ভাইস প্রেসিডেন্ট আকিও ওগাওয়া এবং টয়োটা টুশো কর্পোরেশনের জেনারেল ম্যানেজার আসিফ রহমান। তদন্ত প্রতিবেদনে পিবিআই জানায়, তদন্তে ৩ আসামির বিরুদ্ধে বিশ্বাসভঙ্গ, প্রতারণা এবং অভিন্ন উদ্দেশ্যে ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে নাভানার ব্যবসায়িক স্বার্থ ক্ষুণ্ন করার অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে। মামলারটির তদন্ত কর্মকর্তা ছিলেন পিবিআই-এর পুলিশ পরিদর্শক সৈয়দ সাজেদুর রহমান। তদন্তের তদারকি অফিসার হিসেবে দায়িত্বে ছিলেন পিবিআইয়ের ঢাকা মেট্রো উত্তরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. আজিজুল হক। চলতি বছরের জুলাই মাসে নাভালা লিমিটেড ওই ৩ জনের বিরুদ্ধে এ মামলাটি দায়ের করে। মামলার এজাহারে অভিযোগ করা হয়েছে, বাংলাদেশে জাপানি গাড়ির প্রতিষ্ঠান টয়োটা টুশো কর্পোরেশনের ব্যবসায়িক পার্টনার নাভানা লিমিটেড। নাভানা দীর্ঘদিন ধরে টয়োটা টুশো করপোরেশনের সঙ্গে বাংলাদেশের জন্য টয়োটা ব্র্যান্ডের একক ডিস্ট্রিবিউটর হিসেবে ব্যবসা পরিচালনা করে আসছে। তবে অভিযুক্তরা এই একক ডিস্ট্রিবিউটরশিপ ব্যবস্থা দুর্বল করার উদ্দেশ্যে পরিকল্পিতভাবে নাভানা লিমিটেডের বিরুদ্ধে মিথ্যা এবং পক্ষপাতদুষ্ট বাজার পরিস্থিতি ও কর্মদক্ষতা সংক্রান্ত প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন। এর মাধ্যমে নাভানার সঙ্গে টয়োটার ব্যবসায়িক সক্ষমতা ও ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়। তদন্তে পিবিআই জানিয়েছে, অভিযুক্তরা গ্রাহকদের অর্ডার করা যানবাহনের উৎপাদন ইচ্ছাকৃতভাবে বিলম্বিত করেন। পাশাপাশি কাস্টমস ক্লিয়ারেন্সের জন্য বাধ্যতামূলক ‘ম্যানুফ্যাকচারার ইনভয়েস’ সরবরাহ না করে নাভানার স্বাভাবিক আমদানি ও সরবরাহ প্রক্রিয়া ব্যাহত করা হয়। এসব কর্মকাণ্ডের ফলে নাভানা লিমিটেড আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ে এবং প্রতিষ্ঠানের সুনাম ক্ষুণ্ন হয়। একই সঙ্গে কাস্টমস সংক্রান্ত জটিলতা ও জরিমানার ঝুঁকিতে পড়ে প্রতিষ্ঠানটি। পিবিআইয়ের তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অভিযুক্তরা পরস্পর যোগসাজশে নাভানার ব্যবসায়িক স্বার্থ ক্ষুণ্ন করতে পরিকল্পিতভাবে প্রতারণামূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিলেন। তদন্ত প্রতিবেদনের শেষাংশে পিবিআই জানায়, এই ৩ আসামির বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৪০৬ ধারা (বিশ্বাসভঙ্গ), ৪১৭ ধারা (প্রতারণা) ও ৩৪ ধারা (অভিন্ন উদ্দেশ্য) অনুযায়ী মামলা গঠনের মতো প্রাথমিক প্রমাণ পাওয়া গেছে। তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের পর আদালত মামলাটির পরবর্তী শুনানির জন্য আগামী ৩০ ডিসেম্বর নির্ধারণ করেছেন। ওই দিন আদালত অভিযোগগুলো আনুষ্ঠানিকভাবে আমলে নিয়ে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ফৌজদারি কার্যক্রম শুরু করা হবে কি না, সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত দেবেন।
নিজস্ব প্রতিবেদক : সাহাবুদ্দিন আহাম্মদ চৌধুরী (এমরান) দীর্ঘ প্রতীক্ষার বাঁধ ভেঙ্গে শত বাধাঁকে উপেক্ষা করে ১২ই ফ...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : ১৪৪৭ হিজরি সনের পবিত্র রমজান মাসের চাঁদ দেখা এবং এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণের লক্ষ্যে আগামীকাল জাতী...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : বিএনপির নতুন মন্ত্রিসভার সদস্য হিসেবে চট্টগ্রাম বিভাগ থেকে সর্বোচ্চ ১২ জনকে নেওয়া হয়েছে। এর মধ্য...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত গণভোটের বৈধতা চ্যালেঞ্জ এবং ১৩ ফেব্রুয়ারি ঘোষিত গণভোটের ফল বাতিল চেয়ে ...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : সংসদ সদস্যদের শপথ অনুষ্ঠানের পরপরই নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যদের আমন্ত্রণ জানানো শুরু করেছে মন্ত্র...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানসহ শপথ নিয়েছেন মন্ত্রিষদের সদস্যরা। মঙ্গলবার বিকেলে জাতীয় সংসদ ভবনের ...বিস্তারিত
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৯ - © 2026 Dainik Amader Bangla | Developed By Muktodhara Technology Limited