শিরোনাম
নিজস্ব প্রতিবেদক | ০৬:৩৯ পিএম, ২০২৬-০১-২০
প্রায় সোয়া তিন কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) সাবেক গাড়িচালক সৈয়দ আবেদ আলী জীবনের ছেলে সৈয়দ সোহানুর রহমানকে গ্রেপ্তার করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) দুদক জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. আক্তারুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। ২০২৫ সালের ৫ জানুয়ারি ৫ কোটি ৩৭ লাখ টাকার অবৈধ সম্পদ ও প্রায় ৪৫ কোটি টাকার অস্বাভাবিক লেনদেনের অভিযোগে সৈয়দ আবেদ আলী জীবন, তার স্ত্রী শাহরিন আক্তার শিল্পী ও ছেলে সৈয়দ সোহানুর রহমান সিয়ামের নামে পৃথক তিনটি মামলা করেছিল দুদক। ওই মামলায় আজ সিয়ামকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, পিএসসির আলোচিত গাড়িচালক সৈয়দ আবেদ আলী জীবনের ১২টি ব্যাংক অ্যাকাউন্টে ২০ কোটি ৮৮ লাখ ১৬ হাজার ৯৭১ টাকা জমা ও ২০ কোটি ৪১ লাখ ৩ হাজার ৭৪১ টাকা উত্তোলনের মাধ্যমে মোট ৪১ কোটি ২৯ লাখ টাকার সন্দেহজনক লেনদেনের অভিযোগ আনা হয়েছে। এ ছাড়া তার বিরুদ্ধে ৩ কোটি ৭২ লাখ ৯৯ হাজার ৯৯৭ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের তথ্য পাওয়া গেছে। অন্যদিকে, তার স্ত্রী শাহরিন আক্তার শিল্পীর বিরুদ্ধে ১ কোটি ২৬ লাখ ৬৩ হাজার টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগ রয়েছে। তার দুটি ব্যাংক হিসেবে ১ কোটি ৭৮ লাখ ৭৬ হাজার ৬৩৬ টাকা জমা ও ১ কোটি ৭৭ লাখ ৬৪ হাজার ৯৫ টাকা উত্তোলনসহ মোট ৩ কোটি ৫৬ লাখ ৪০ হাজার ৭৩১ টাকার সন্দেহজনক লেনদেনের অভিযোগ আনা হয়। আবেদ আলীর ছেলে ও সাবেক ছাত্রলীগ নেতা সৈয়দ সোহানুর রহমান সিয়ামের বিরুদ্ধে ৩ কোটি ৩০ লাখ টাকার জ্ঞাত আয়ের উৎস বহির্ভূত সম্পদ অর্জন করার অভিযোগ আনা হয়েছে। আসামিদের বিরুদ্ধে মানিলন্ডারিংয়ের সম্পৃক্ত অপরাধ ‘দুর্নীতি ও ঘুষ’ সংঘটনের মাধ্যমে প্রাপ্ত অর্থ বা সম্পত্তির অবৈধ উৎস গোপন বা আড়াল করার উদ্দেশ্যে রূপান্তর, স্থানান্তর ও হস্তান্তরের দায়ে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর ২৭(১) ধারা এবং মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২-এর ৪(২) ও ৪(৩) ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে। ২০২৪ সালের জুলাই মাসে পিএসসির প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় সাবেক চেয়ারম্যানের গাড়িচালক সৈয়দ আবেদ আলীসহ ১৭ জনকে গ্রেপ্তার করেছিল পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। সেই সময় তার বিরুদ্ধে অনুসন্ধানে নামে দুদক। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, ২০১৪ সালে প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় চাকরি থেকে বরখাস্ত হয়েছিলেন আবেদ আলী। ওই বছরের ২২ এপ্রিল অনুষ্ঠিত নন-ক্যাডারে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সহকারী মেইনটেন্যান্স ইঞ্জিনিয়ার পদের লিখিত পরীক্ষায় এক পরীক্ষার্থীকে সংশ্লিষ্ট প্রশ্নের অবৈধ উত্তরসহ হাতেনাতে আটকের ঘটনায় তার সক্রিয় সম্পৃক্ততা পাওয়া গিয়েছিল। এক সময় কুলির কাজ করা আবেদ আলী গাড়ি চালানো শিখে পিএসসিতে চাকরি নেন। এরপর প্রশ্ন ফাঁস চক্রের মাধ্যমে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়ে নিজ এলাকায় শিল্পপতি হয়ে ওঠেন। উল্লেখ্য, এর আগে বাংলাদেশ রেলওয়ের উপ-সহকারী প্রকৌশলী পদে নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস চক্রে জড়িত থাকার অভিযোগে আবেদ আলী ও তার ছেলে সোহানুর রহমানকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল।
নিজস্ব প্রতিবেদক : সিলেট প্রতিনিধি : সিলেটের হযরত শাহজালাল (রহ.) মাজারের দানবাক্সের টাকা গণনা শেষে চতুর্থ দফায় পাওয়া গ...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : ঋণের ‘উচ্চঝুঁকি’র দিকে ধাবিত হচ্ছে বাংলাদেশ। বিপুল পরিমাণ অভ্যন্তরীণ ও বৈদেশিক ঋণের সুদ পরিশ...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : জুলাই আন্দোলনের সময় যাত্রাবাড়ী থানায় দায়ের করা দুই হত্যা মামলায় তদন্ত শেষে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : গ্রামীণ অর্থনীতিতে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয় প্রাণচাঞ্চল্য এনেছে বলে মন্তব্য করেছেন দুর্...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : দিনাজপুরের বাজারে গবাদি পশু, হাঁস-মুরগি ও মাছের খাবার হিসেবে ব্যবহৃত সব ধরনের ফিডের দাম বেড়েছে। গত...বিস্তারিত
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : দেশের চলমান গ্যাস ও জ্বালানি সংকট সরকারের নীতিগত ব্যর্থতার কারণে সৃষ্টি হয়নি বলে দাবি করেছেন বিএ...বিস্তারিত
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৯ - © 2026 Dainik Amader Bangla | Developed By Muktodhara Technology Limited