শিরোনাম
কাজী হুমায়ুন কবির | ০৫:৩৭ পিএম, ২০২৬-০৪-২৬
* তদন্ত রিপোর্টে কর্মকর্তারা দোষী হলেও নেয়া হয়না ব্যবস্হা
* বছরের পর বছর ভোগান্তির শেষ নেই সেবা গ্রহিতাদের
কাজী হুমায়ুন কবির
সিডিএতে অভিযোগ রয়েছে অনেক সেবা গ্রহিতাদের নিজের জায়গায় ইমারত নির্মাণে এলইউসি ও নকসা অনুমোদন পেতে মাস থেকে বছর কেটে যায়, আবার অনেকে টাকার জোড়ে সম্পর্ক বাড়িয়ে এলইউসি ও নকশা পেতে কোন বেগ পেতে হয়না, সরু রাস্তায় বিধি মোতাবেক না হলেও ফাকফোকরে অনেকে ১০ তলা, ১৩তলা, ১৫ তলা নকশা অনুমোদন পেয়ে যায়। পুরো নগরজুড়ে এমন ঘটনা ও নকশা বহির্ভূত ভবন নির্মানসহ অসংখ্য অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে। গণ মাধ্যমে সংবাদ প্রকাশ হলেও এসব অনিয়মগুলো সিডিএর কর্মকর্তারা যথাযথ আমলে নেয়না। এমন নকশা বর্হিভুত ঝুকিপূর্ন ইমারত রয়েছে নগরজুড়ে। জানা যায়, সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সাতপাঁচ বুঝ পেয়ে নিরব থাকে উপরের কতৃপক্ষ। বিগত আমলগুলোতে যেসব কর্মকর্তা এসব অনিয়মগুলোর সাথে জড়িয়ে রয়েছে তারা এখনো বহাল তবিয়তে রয়েছে। সিডিএর চেয়ারম্যান এবং সচীব পরিবর্তন হলেও সেবা গ্রহিতার স্বার্থে তেমন কোন পরিবর্তন আসেনি। নগরে ইমারত নির্মানকারীরা ভুলতথ্য বা মিথ্যা তথ্য পরিবেশন করলেও প্রশ্ন উঠে আসে পরিদর্শক ও এটিপি ও সহকারী অথোরাইজ অফিসারদের উপর। তারা সাইট পরিদর্শন না করেতো এলইউসি বা নকশা অনুমোদনে রিপোর্ট দেননা। তাহলে কিভাবে বিধিহীন ভুলতথ্যে বা মিথ্যা তথ্যের উপর প্ল্যান বা নকসা অনুমোদন হয়ে যায়। কেন এসব কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে সিডিএ কতৃপক্ষ ব্যবস্হা না নিয়ে সেবা গ্রহিতাকে বছরের পর বছর ইমারত নির্মানে বাধা দিয়ে সেবা গ্রহিতাকে কস্ট দেন। এলইউসি ও নকশা অনুমোদন পেয়েও কাজ করতে গেলে বেরিয়ে আসে শত অনিয়ম। এনিয়ে অনেক সেবা গ্রহিতাদের বছরের বছর কাজ বন্ধ হয়ে যায়, অসংখ্য মালিক বা আবেদনকারীরা কস্ট পেতে থাকে। কোন ব্যবস্থা নেয়া হয়না এসবের সাথে জড়িত কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে।
জানা যায়, বাকলিয়া এক্সেস রোড এলাকায় রোড হওয়ার পর এসব এলাকাগুলোর জায়গা অনেক মুল্যমান হয়ে উঠে। রাস্তার আশে পাশে ইমারত নির্মাণের হিড়িক পড়ে যায়। সেই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে সিডিএর সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা দেদারসে দিয়ে দিচ্ছে এলইউসি, নকশা অনুমোদন। সেবা গ্রহিতারাও বিধিহীন অবৈধ সুযোগে মনের আনন্দে নির্মান কাজ শুরু করে, একপর্যায়ে গনমাধ্যমের নজরে আসলে বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশ হলে নিজেদের পরিস্কার দেখানোর জন্য কর্মকর্তারা অবৈধ নির্মানে সেবা গ্রহিতাকে ভুল তথ্য বা মিথ্যা তথ্য দেয়ার অজুহাতে কাজ বন্ধ করে দিয়ে শাস্তির আওতার আনে, ইমারত নির্মান বন্ধ করে দেয়। কিন্তু তাদের দেয়া এলইউসি ও নকশা অনুমোদনে সিডিএর জড়িত কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে কোন শাস্তিমুলক ব্যবস্থা নেয়া হয়না বছরের পর বছর। জড়িত কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে অনেক দুর্নীতির তথ্য উঠে আসে প্রতিবেদকের হাতে। এসব কর্মকর্তারা চেয়ারম্যান ও সচীবকে সাত পাঁচ বুঝিয়ে দোষটা গ্রাহকের উপর দিয়ে নিজের পদবীতে বহাল তবিয়তে থাকেন। এ যেন সব দোষ সেবা গ্রহিতার, কর্মকর্তারা ধোয়া তুলশী পাতা।
জানা যায়, এমনই অনেক অনিয়মের ঘটনা ঘটেছে বাকলিয়া এক্সেসরোড এলাকায় "ইসলামী ব্যাংক টাওয়ার"। ভিসি কেইস নং ৬১৮/০১/২০২১, ১৫ তলা বিশিষ্ট । যার আবেদনকারী ছিল মুসলিম উদ্দিন ও আব্দুল্লা আল জাহেদ। শাহ সৈয়দ রোডে "আইডিয়েল পার্ক বা প্রফেসরস টাওয়ার" ভিসি কেইস নং ৯৯২/০১/২০২১, ১৩তলা বিশিষ্ট। শাহ আমানত আবাসিক এলাকায় ২০২৩-২৪ সালে "এভারগ্রীন হাইটস" এন ও সি ১৮২৮/২৩-২৪, ১৫ তালা বিশিষ্ট । যার আবেদনকারী ইউনুস ও ইউসুফ গংরা এবং এলিট পার্কের বিষয়ে এলইউসি ও নকশা অনিমোদন পাওয়ার পর তাদের অনেক অনিয়ম বেরিয়ে এসেছে। তাদের ইমারত নির্মান কাজ বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। গ্রাহকরা আজো সিডিএতে ধর্না দিচ্ছেন। অনুমতি মিলছে না। পরবর্তীতে এসব ফাইলগুলোতে অভিযোগ এলে এলইউসি ও নকশা অনুমোদন বিধি মোতাবেক দেয়া হয়েছে কিনা তত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মোঃ আশরাফুল ইসলামকে প্রধান করে ৫ সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। তদন্ত রিপোর্টে ইমারত নির্মানকারী সেবা গ্রহিতা ও কর্মকর্তাদের জড়িত থাকার অনেক অনিয়ম ও অবৈধ লেনদেনের অভিযোগ উঠে এসেছে। এসব বিধিহীন অনুমোদনে সেবা গ্রহিতারা কষ্ট পেলেও সংশ্লিষ্ট জড়িত কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে আজ অবধি কোন ব্যবস্হা নেয়া হয়নি বলে জানা যায়।
এনিয়ে ইনিক চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সেলিমকে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, অনিয়ম অনুমোদন হলে সিডিএর কর্মকর্তাদের দোষ নেই তা বলবনা। আমরা চেষ্টা করছি বিধি মেনেই প্ল্যান বা নকশা অনুমোদন দেয়ার জন্য। এক্ষেত্রে কর্মকর্তারা জড়িত থাকলে তাদের বিরুদ্ধে অবশ্যই সিডিএ কতৃপক্ষ ব্যবস্থা নিবেন।
তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী আশরাফুল ইসলামকে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, অভিযোগের ৪টা ফাইলের বিষয়ে তদন্তভার পেয়ে যথেষ্ট সতর্কতার সাথে অনুসন্ধান করেছি। আমি ২০২৪ সালের মধ্যেই এসব অভিযোগের তদন্ত প্রতিবেদন কতৃপক্ষ বরাবর জমা দিয়েছি। আমরা এসব ফাইলগুলোতে কর্মকর্তাদের ও সেবা গ্রহিতাদেরও অনেক অনিয়ম পেয়েছি। তাদের বিষয়ে কর্তৃপক্ষ ব্যবস্থা নিবে। জড়িত কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে কিনা এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এই বিষয় আমার জানা নাই।
নিজস্ব প্রতিবেদক : রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। আগামী ১৩ আগস্ট মনোনয়নপত্র দাখিলের ...বিস্তারিত
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : চট্টগ্রামের কিশোরী সুপর্বা সুধা বিশ্বাস। ১৩ বছর বয়সী অষ্টম শ্রেণির এই শিক্ষার্থীর ঝুলিতে ইতোমধ্...বিস্তারিত
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : বাংলাদেশ এডিটরস্ ফোরাম গভীর উদ্বেগের সঙ্গে লক্ষ্য করছে যে, সম্প্রতি চট্টগ্রামের একটি দৈনিক পত্রি...বিস্তারিত
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : নোবিপ্রবি প্রতিনিধি : জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি ও শহীদদের স্মরণে বাংলাদেশ ইসলাম...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : বিয়ের প্রতিশ্রুতিতে শারীরিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে শুধু পুরুষের শাস্তির বিধান কেন অবৈধ নয়, তা জানতে ...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : জুলাই গণঅভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলাগুলোর বিচার অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে এগোচ্...বিস্তারিত
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৯ - © 2026 Dainik Amader Bangla | Developed By Muktodhara Technology Limited