শিরোনাম
আমাদের বাংলা ডেস্ক : | ০৭:৩৩ পিএম, ২০২৬-০৯-০৫
কলকাতা প্রতিনিধি :
কলকাতার প্রাণকেন্দ্র ফ্রি স্কুল স্ট্রিটের ঘটনার পর পুরো এলাকা এখনো থমথমে। চিকিৎসা ও ব্যবসার কারণে বহু বাংলাদেশি সেখানে আছেন। কিন্তু পরিস্থিতি এখনো স্বাভাবিক হয়নি। উল্টো মানুষের ভোগান্তি আরো বেড়েছে। নিউমার্কেট এলাকায় হোটেলে অগ্নিকাণ্ডের পর বাংলাদেশি রোগী ও তাদের স্বজনরা সবচেয়ে বেশি বিপদে পড়েছেন। অনেক ক্যান্সার রোগীকে নিয়ে তাদের স্বজনরা এখন কলকাতার ফুটপাতেই রাত কাটাচ্ছেন। শুধু বাংলাদেশিরাই নন, পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা মানুষজনও একই সমস্যায় পড়েছেন। তাদেরও বাধ্য হয়ে খোলা আকাশের নিচে থাকতে হচ্ছে।
গত ১৮ আগস্ট মির্জা গালিব স্ট্রিটের ‘শিখা ইন’ হোটেলে এক ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। ওই ঘটনায় সাতজন বাংলাদেশি ও দুজন ভারতীয় মারা যান। এরপর প্রশাসন কঠোর পদক্ষেপ নেয়। কলকাতা পুরসভা শহরের ৭০০টির বেশি হোটেল ও গেস্টহাউসকে নোটিশ পাঠিয়েছে। নিয়ম না মানায় প্রশাসন এসব হোটেল খালি করার নির্দেশ দিয়েছে। সেখানে নতুন অতিথি রাখাও নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এর ফলে থাকার জায়গা পাচ্ছেন না দুই বাংলার মানুষ। গত কয়েক দিন ধরে ঠাকুরপুকুর ক্যান্সার হাসপাতাল চত্বরে রোগী ও স্বজনদের ভিড় দেখা যাচ্ছে। অনেকেই বৃষ্টির মধ্যে লাগেজ নিয়ে রাস্তার পাশে রাত কাটাচ্ছেন।
হোটেল না পেয়ে চরম হতাশায় ভুগছেন বাংলাদেশিরা। এই বিপদের সুযোগ নিচ্ছে কিছু অসাধু ব্যবসায়ী। ঢাকার একজন বাসিন্দা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, হোটেলওয়ালারা সুযোগ পেয়ে টাকা লুটে নিচ্ছে, আর কোনোদিন কলকাতায় আসব না। অন্য এক রোগীর স্বজন বলেন, ক্যান্সার একটি জটিল রোগ। কেমোথেরাপি নেওয়া রোগীদের হাসপাতালের কাছে থাকা জরুরি। কিন্তু এখন হোটেল না পেয়ে তারা খুব কষ্টে আছেন। আরেক বাংলাদেশি জানান, তারা সঠিক নিয়ম মেনে ভিসা ও ট্যাক্স দিয়ে এসেছেন। কলকাতায় এমন সমস্যা থাকলে তাদের আগে জানানো উচিত ছিল। এক মহিলা জানান, তার রোগী হাসপাতালে ভর্তি, আর তিনি রাস্তায় রাস্তায় ঘুরছেন। এলাকায় কোনো শৌচালয় না থাকায় তাদের কষ্ট আরো বেড়েছে।
আরেকজন বাংলাদেশি অভিযোগ করেন, তাকে হঠাৎ করেই হোটেল থেকে বের করে দেওয়া হয়েছে। স্থানীয় থানাকে জানিয়েও কোনো সাহায্য পাওয়া যায়নি। রোগীকে ছেড়ে দেশে ফেরাও সম্ভব নয়। ঠাকুরপুকুর হাসপাতালে তুলনামূলক কম খরচে চিকিৎসা হয়। আশপাশের গেস্টহাউসগুলোতেও খরচ কম। কিন্তু এখন সেখান থেকে বের করে দেওয়ায় রোগীরা বিপাকে পড়েছেন। প্রতিদিন ৩ থেকে ৪ হাজার রুপি দিয়ে বড় হোটেলে থাকা অনেকের পক্ষেই সম্ভব নয়।
ঠাকুরপুকুরের এক গেস্টহাউস মালিক জয়ন্ত সাউ জানান, ইচ্ছা থাকলেও মুমূর্ষু রোগীদের তারা জায়গা দিতে পারছেন না। তিনি বলেন, ঘূর্ণিঝড়ের সময় যেমন মানুষকে সরিয়ে ত্রাণশিবিরে রাখা হয়, এখানেও সরকারের তেমন অস্থায়ী ব্যবস্থা করা উচিত। এরই মধ্যে মানবিকতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছে ঠাকুরপুকুর ক্যান্সার রিসার্চ সেন্টার। তাদের জায়গা সীমিত হলেও, তারা সর্বোচ্চ ৫৫ জনকে হাসপাতালের ভেতরে থাকার ব্যবস্থা করে দিয়েছে। তবে ভারত ও বাংলাদেশের আরো শতাধিক মানুষ এখনো রাস্তায় দিন কাটাচ্ছেন। তারা না পারছেন রোগীকে নিয়ে দেশে ফিরতে, না পাচ্ছেন থাকার মতো কোনো হোটেল। নিউমার্কেটের ঘটনার পর প্রশাসনের পদক্ষেপে চিকিৎসার জন্য আসা এই অসহায় মানুষগুলোর ভোগান্তি এখন চরমে পৌঁছেছে।
নিজস্ব প্রতিবেদক : বাংলাদেশকে একটি আঞ্চলিক এভিয়েশন হাবে রূপান্তরের লক্ষ্যে জাপানের সার্বিক সহযোগিতা চেয়েছে সরকার।...বিস্তারিত
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশের ‘খুব উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ’ রয়েছে বলে অভিমত ব্যক্à...বিস্তারিত
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : শিলচর, ( আসাম) : কাজী নজরুল ইসলামের ৫০তম প্রয়াণ দিবস উপলক্ষে প্রতিবেশী রাস্ট্র ভারতের অসম রাজ্যের  ...বিস্তারিত
আন্তর্জাতিক ডেস্ক : : ভারতের মুম্বাইয়ের ছত্রপতি শিবাজি মহারাজ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে প্রায় ১১ কোটি রুপি মূল্যের ৬ দশà...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক বিশেষ দূত সার্জিও গর জানিয়েছে, বা...বিস্তারিত
আন্তর্জাতিক ডেস্ক : : নেপালের তিব্বত সীমান্তবর্তী রাসুয়া জেলায় ভয়াবহ আকস্মিক বন্যায় নিহত বেড়ে ২৮৯ জনে পৌঁছেছে। এছাড়া এ...বিস্তারিত
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৯ - © 2026 Dainik Amader Bangla | Developed By Muktodhara Technology Limited