শিরোনাম
আমাদের বাংলা ডেস্ক : | ০৬:২৪ পিএম, ২০২৬-১০-৩১
টেকনাফ প্রতিনিধি:
কক্সবাজারের উখিয়া ও টেকনাফ উপজেলায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। আওয়ামীলীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ, সেচ্ছাসেবক লীগের গোপন বৈঠক, অস্ত্রের মজুত, অপহরণ, মাদক কারবার এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গুজব ছড়ানোর অভিযোগ ঘিরে স্থানীয় পর্যায়ে আলোচনা চলছে। এসব কর্মকাণ্ডের সঙ্গে আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের কিছু নেতাকর্মীর সংশ্লিষ্টতা রয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
এরই মধ্যে টেকনাফের হ্নীলা ইউনিয়নের লেদা এলাকায় পুলিশের অভিযানে বিদেশি পিস্তল, গুলি ও ধারালো অস্ত্রসহ চারজন গ্রেপ্তার হয়েছেন। এ ঘটনায় এলাকায় নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, বুধবার (২৮ অক্টোবর) রাত সাড়ে ১০টার দিকে টেকনাফ-কক্সবাজার সড়কের লেদা এলাকায় অস্থায়ী চেকপোস্টে একটি নোহা গাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় একটি বিদেশি পিস্তল, চার রাউন্ড গুলি, একটি ধারালো কিরিচ এবং গাড়িটি জব্দ করা হয়। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা ও গ্রেপ্তারি পরোয়ানা থাকার কথাও পুলিশ জানিয়েছে। পরে তাঁদের আদালতে পাঠানো হয়।
নেপথ্যের আওয়ামী লীগ যুবলীগ ছাত্র লীগের নির্দেশদাতাদের শনাক্তের দাবি
স্থানীয় পর্যায়ে অভিযোগ উঠেছে, উখিয়া-টেকনাফ এলাকায় আওয়ামী লীগের একটি মহল পরিকল্পিতভাবে অস্থিতিশীল পরিবেশ তৈরির চেষ্টা করছে। রাজনৈতিকভাবে সরকারকে বিব্রত করতে গুজব ও অপপ্রচার চালানো, গোপন বৈঠক এবং বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টির অভিযোগও রয়েছে।
তবে এসব কর্মকাণ্ডের সঙ্গে আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীদের সংশ্লিষ্টতা কিংবা সরকারের বিরুদ্ধে পরিকল্পিত ষড়যন্ত্র।
হোয়াইক্যংয়ে গোলাগুলির ঘটনায় উদ্বেগ
টেকনাফের হোয়াইক্যং মিনাবাজার এলাকায় গোলাগুলির ঘটনার কথাও স্থানীয় সূত্রে উল্লেখ করা হয়েছে।
তদন্তের দাবি
স্থানীয়দের প্রত্যাশা, লেদায় অস্ত্রসহ আওয়ামী লীগের আস্তানা থেকে গ্রেপ্তারের ঘটনায় অস্ত্রের উৎস, সম্ভাব্য সহযোগী এবং ঘটনার সঙ্গে আওয়ামী লীগ যুবলীগ ছাত্র লীগের কারা কারা জড়িত, তা তদন্ত করে দেখা উচিত। একই সঙ্গে অপহরণ, মাদক কারবার, অবৈধ অস্ত্রের ব্যবহার এবং সরকারের বিরুদ্ধে গুজব ছড়ানোর অভিযোগগুলো নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে প্রকৃত অপরাধীদের আইনের আওতায় আনার দাবি উঠেছে।
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে প্রশাসনের নিয়মিত নজরদারি, নিরপেক্ষ তদন্ত এবং যাচাই করা তথ্যের ভিত্তিতে জনসচেতনতা বাড়ানো জরুরি বলে মনে করছেন স্থানীয় সচেতন মহল।
এ বিষয়ে টেকনাফ মডেল থানার ওসি সাইফুল ইসলাম জানান, এদের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : শেখ মোঃ এনামুল হক,সিরাজগঞ্জ : সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার খোকশাবাড়ী ইউনিয়নের চন্দ্রকণায় অগ্নিকাণ্ডে ভà¦...বিস্তারিত
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : আবদুস সালাম, বরুড়া: কুমিল্লার বরুড়ায় সাংবাদিকদের পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধি, আধুনিক প্রযুক্তির সঠিক ব্à...বিস্তারিত
মো. আরফান উদ্দীন : ২০২৬ সালের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলে দেশের ১১টি শিক্ষা বোর্ডের মধ্যে সামগ্রিকভাবে তৃতীয় অবস্থ...বিস্তারিত
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : মোঃ সাইফুর রহমান, কুড়িগ্রাম : কুড়িগ্রামের বিভিন্ন সীমান্ত এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে ৩ লাখ ২২ হà¦...বিস্তারিত
মাহাদী বিন সুলতান, রাঙ্গামাটি: : ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে বিশ্ব শান্তি কামনা ও নির্বান লাভের আশায় রাঙ্গামাটির নানিয়ারচরে à...বিস্তারিত
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : আব্দুল হালিম, গফরগাঁও : ময়মনসিংহের দক্ষিণ গফরগাঁওয়ের লংগাইর ইউনিয়নের চাইরবাড়ীয়া বাজারে ইয়াবা ও গà...বিস্তারিত
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৯ - © 2026 Dainik Amader Bangla | Developed By Muktodhara Technology Limited