শিরোনাম
সংবাদদাতা, সুনামগঞ্জ : | ০৬:১৯ পিএম, ২০২০-০৯-১৭
কর্মকর্তা ওয়াহিদা খানমকে হত্যা চেষ্টা মামলায় নিজের দোষ স্বীকার করে উপজেলা
পরিষদের সাময়িক বরখাস্তে থাকা মালি রবিউল ইসলাম বিচারকের নিকট কার্যবিধি ১৬৪
ধারায় জবানবন্দি প্রদান করেছেন।
দিনাজপুর কোর্ট পুলিশ পরিদর্শক মোঃ আব্দুল মজিদ জানান, গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুর
আড়াই টায় এই চাঞ্চল্যকর মামলার গ্রেফতারকৃত আসামী ঘোড়াঘাট উপজেলা পরিষদের
সাময়িক বরখাস্তে থাকা মালি রবিউল ইসলাম কে কড়া পুলিশ পাহাড়ায় আদালতে হাজির
করা হয়। গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেল সাড়ে ৩টায় আসামী রবিউলকে সিনিয়র
জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আঞ্জুমনোয়ারা বেগম এর নিকট সোপর্দ করা হয়। বিচারক
তার খাসকামড়ায় জবানবন্দি গ্রহনের পূর্বে আইনগত বিধি অনুযায়ী আসামী
রবিউলকে দোষ স্বীকারে ভালোমন্দ দিকগুলো বুঝিয়ে বলেন এবং দেড় ঘন্টা বুঝার জন্য সময়
দেন। এরপর গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেল ৫টায় রবিউল স্বেচ্ছায় স্বীকারোক্তি মূলক
জবানবন্দি প্রদানে সম্মত হলে তার জবানবন্দি ম্যাজিষ্ট্রেট লিপিবদ্ধ শুরু করেন। সুত্রটি
জানায়, প্রায় দেড় ঘন্টা ব্যাপী সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা পর্যন্ত আসামী রবিউলের স্বীকারোক্তি
মূলক জবানবন্দি ঘটনার শুরু থেকে এ পর্যন্ত তার দেয়া বর্ণনা লিপিবদ্ধ করে বিচারক
তাকে পাঠ করে শুনান। রবিউলের কথা মত জবানবন্দি লেখা হয় ওই স্বীকারোক্তি মূলক
জবানবন্দিতে রবিউল ও উপস্থিত স্বাক্ষী হিসেবে বিচারের নিজেস্ব একজন পিওনের স্বাক্ষর
নেয়া হয়। জবানবন্দি শেষে রাত সাড়ে ৭টায় রবিউলকে পুলিশ পাহাড়ায় দিনাজপুর জেল
কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে।
পুলিশের সুত্রটি জানায়, রবিউল সহ এপর্যন্ত আরও ৪ জনকে এই মামলায় গ্রেফতার করা
হয়েছে। গ্রেফতারকৃত ৪ জন আসামী দিনাজপুর জেল কারাগারে রয়েছে। রবিউলকে গত
১২ সেপ্টেম্বর আদালত থেকে ৬ দিনের রিমান্ডে নিয়ে তদন্তকারী কর্মকর্তা ডিবি পুলিশ
পরিদর্শক আবু ইমাম জাফর তার হেফাজতে ঘটনার বিষয় নীবিড় জিজ্ঞাসাবাদ করেন।
জিজ্ঞাসাবাদ চলাকালে ৩ জন সাক্ষীকে আদালতে বিচারকের নিকট জবানবন্দি প্রদান করা
হয়। ঘটনাস্থল থেকে ইউএনওকে নির্যাতনের হাতুড়ি তার বাসার চাবির ঝোপা, মই এবং
অন্যান্য উপকরন আলামত হিসেবে জব্দ করা হয়। সিআইডির একটি বিশেষজ্ঞ টিম এই
সময়ের মধ্যে রবিউলের হাত ও পায়ের ফিঙ্গার প্রিন্ট গ্রহন করেন।
উল্লেখ্য যে, গত ২ সেপ্টেম্বর ঘোড়াঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ওয়াহিদা খানম ও
তার পিতা ওমর আলী শেখকে দুস্কৃতিকারী হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে গুরুতর জখম করে।
ওয়াহিদা খানম ও তার পিতা ঢাকা নিউরোসায়েন্স হাসপাতালে চিকিৎসকদের নীবিড়
পর্যাবেক্ষনে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এই ঘটনাটি সারাদেশে বিসিএস, সিভিল
প্রশাসন সর্বমহলে আলোড়ন সৃষ্টি করেছে।
গ্রেফতারকৃত রবিউল গত জানুয়ারী মাসে একটি চুরির ঘটনার অভিযোগে তাকে
ঘোড়াঘাট উপজেলা পরিষদের মালির চাকুরী থেকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। তার
বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা চলমান রয়েছে। রবিউল দিনাজপুর বিরল উপজেলার ভীমপুর গ্রামের খতিবউদ্দিন আহম্মেদের পুত্র।
নিজস্ব প্রতিবেদক : অপরাধমুক্ত সমাজ ও রাষ্ট্র গঠনে ক্রাইম রিপোর্টারদের দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানিয়ে স্...বিস্তারিত
শফকত সাদিয়া আহমেদ : মালয়েশিয়ায় বন্ধ থাকা শ্রমবাজারকে অগ্রাধিকার দিয়ে সম্পূর্ণ স্বচ্ছ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে পুনর...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : চলমান গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকটের ফলে তৈরি পোশাকের রপ্তানি আয় এবং নতুন কাজের আদেশ কমে যাওয়ায় এর নেতিবাচ...বিস্তারিত
আমাদের বাংলা : : বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি : ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে নিরাপত্তা জোরদার ও অপরাধী শনাক্তকরণ...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে নিয়োগ, বদলি ও পদায়নে কোটি কোটি টাকা লেনদেন ...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : তথ্য গোপনের অভিযোগে এক আইনজীবীকে ৫ লাখ টাকা জরিমানা করাকে কেন্দ্র করে শুনানিতে প্রধান বিচারপতি জ...বিস্তারিত
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৯ - © 2026 Dainik Amader Bangla | Developed By Muktodhara Technology Limited