শিরোনাম
মোঃ জহির উদ্দিন, কক্সবাজার : | ০৯:২০ পিএম, ২০২৬-০৩-১৫
কক্সবাজারের উখিয়া ও টেকনাফের বিভিন্ন আশ্রয়শিবিরে অবস্থানরত রোহিঙ্গারা আশা করেছিলেন, এবারের ঈদ তারা নিজ দেশ করবেন। সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের এমন আশ্বাসে তারা আশ্বস্তও হয়েছিলেন। তবে শেষ পর্যন্ত ঈদের আগে একজন রোহিঙ্গাও নিজ দেশে ফিরতে পারেননি। ক্যাম্পে বসবাসরত রোহিঙ্গাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে নিজ দেশে ফিরে যাওয়ার অপেক্ষায় রয়েছেন। তবে অপেক্ষা যেন হতাশায় ডুবে যাচ্ছে। গত ২০২৫ সালের ১৪ মার্চ জাতিসংঘের মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেস এবং অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস কক্সবাজারের উখিয়া রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শনকালে আশাব্যঞ্জক বক্তব্য দেন। সে সময় ড. ইউনূস বলেন, আগামী বছর (২০২৬ সালে) তারা মিয়ানমারে ফিরে ঈদ করতে পারবেন। কিন্তু এবারের ঈদের বাকি আর মাত্র চারদিন। তবে এখনো পর্যন্ত একজন রোহিঙ্গাও রাখাইনে ফিরতে পারেননি। ফলে কবে নিজ দেশে ফিরবেন সে আশায় দিন কাটাচ্ছেন ক্যাম্পে বসবাসরত রোহিঙ্গারা। উখিয়ার বালুখালি ক্যাম্পের রোহিঙ্গা হাফেজ আহমেদ বলেন, অনেক দিন ধরে অপেক্ষা করছিলাম। হয়তো এবারে ঈদের আগেই দেশে ফিরতে পারবো। কিন্তু এখনো পর্যন্ত সুযোগ পাইনি। আমরা দেশে ফিরতে চাই। থাইংখালি ক্যাম্পের রোহিঙ্গা নুর আহমেদ বলেন, ড. মুহাম্মদ ইউনূস গত বছর ক্যাম্পে এসে বলেছিলেন, শিগগিরই দেশে ফেরার ব্যবস্থা হবে। আমরা আশা করেছিলাম এবারের ঈদটা হয়তো দেশেই করতে পারবো। কিন্তু এখনো পর্যন্ত কেউই ফিরতে পারিনি। বালুখালি ক্যাম্পের রোহিঙ্গা নারী রাশেদা বেগম বলেন, ক্যাম্পের ঝুপড়ি ঘরে আর থাকতে চাই না। গত ৯ বছর ধরে আশ্রয়শিবিরে আছি। রাখাইনে বড় ঘরবাড়ি সব ছিল। কিন্তু জান্তা সরকারের নির্যাতনের কারণে পালিয়ে এসেছিলাম। আমরা নিরাপদভাবে ফিরে যেতে চাই। টেকনাফ নয়াপাড়া ক্যাম্পের নুর আলম বলেন, মনে হয়েছিল হয়তো এবার দেশে ফেরার খবর পাবো। কিন্তু এখনো কোনো পরিবর্তন হয়নি। বছরের পর বছর ক্যাম্পেই কাটাচ্ছি। আমরা চাই দ্রুত দেশ ফিরে যেতে। উখিয়ার পালংখালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন সংগ্রাম জাতীয় কমিটির নেতা এম. গফুর উদ্দিন চৌধুরী বলেন, রোহিঙ্গা সংকট দীর্ঘদিন ধরে বড় একটি মানবিক ও নিরাপত্তাজনিত চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। মানবিক বিবেচনায় বাংলাদেশ সরকার তাদের আশ্রয় দিয়েছে। কিন্তু এত বিপুলসংখ্যক মানুষের চাপ স্থানীয় জনগণ, পরিবেশ ও অর্থনীতির ওপর বিরূপ প্রভাব ফেলছে। সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনুস রোহিঙ্গা ক্যাম্পে সফরে এসে যে আশার কথা বলেছিলেন, তাতে রোহিঙ্গাদের মধ্যে প্রত্যাবাসন নিয়ে নতুন আশা তৈরি হয়েছিল। কিন্তু এখনো কোনো অগ্রগতি দেখা যাচ্ছে না। তাই দ্রুত ও নিরাপদ প্রত্যাবাসনের জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে আরও কার্যকর উদ্যোগ নিতে হবে। যাতে রোহিঙ্গারা মর্যাদা ও নিরাপত্তার সঙ্গে ফিরে যেতে পারে। কক্সবাজার শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার মিজানুর রহমান জানান, প্রত্যাবাসনের উদ্যোগ নেওয়া হলেও এখনো পযর্ন্ত কোনো রোহিঙ্গা ফিরতে পারেনি। তবে ক্যাম্পে রোহিঙ্গাদের নিরাপত্তা ও মানবিক সহায়তা অব্যাহত রয়েছে।
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : মোঃ ছলিম উল্লাহ :গফরগাঁও ময়মনসিংহ দেশের সরকারি ও এমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, সরকারি স্বাস্থ্...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : নিজস্ব প্রতিবেদক, গফরগাঁও (ময়মনসিংহ): ময়মনসিংহের গফরগাঁও উপজেলার রৌহা গ্রামে অবস্থিত ডাক্তার খোক...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : কক্সবাজারের ঝিলংজা মৌজায় চলমান বিডিএস জরিপের তসদিক কার্যক্রম নিয়ে সম্প্রতি বিভিন্ন মাধ্যমে নান...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : সিলেট প্রতিনিধি : সিলেটের হযরত শাহজালাল (রহ.) মাজারের দানবাক্সের টাকা গণনা শেষে চতুর্থ দফায় পাওয়া গ...বিস্তারিত
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি: দেশব্যাপী ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযানের অংশ হিসেবে পরিষ্কার-পরিচ...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : বৃষ্টিপাত বেড়ে নদ-নদীর পানি সতর্কসীমায় পৌঁছালে দেশের পাঁচ জেলার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হতে পারে। শনি...বিস্তারিত
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৯ - © 2026 Dainik Amader Bangla | Developed By Muktodhara Technology Limited