শিরোনাম
আমাদের বাংলা ডেস্ক : | ০৭:৫৫ পিএম, ২০২৫-১২-০৩
--নবীন চাণক্য সেন
বেগম খালেদা জিয়া এখন জীবন মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে আছেন। একমাত্র আল্লাহ জানেন ওনি সুস্থ হয়ে ফিরে আসবেন, নাকি আল্লাহর জিম্মায় ফিরে যাবেন। আল্লাহ ওনাকে রহম করুন!
সারা দেশের সব শ্রেণীর মানুষ এখন ওনার জন্য উদগ্রীব হয়ে আছেন, ধর্ম, বর্ণ , গোত্র নির্বিশেষে সবাই ওনার জন্য দোয়া করছেন। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এবং বেগম খালেদা জিয়াকে যাঁরা সত্যিকার অর্থে ভালোবাসেন ওনার অসুস্থতায় তাঁদের স্বাভাবিক জীবন যাপন বদলে গেছে, অগুনিত মানুষ চোখের পানিতে সর্বশক্তিমান আল্লাহর কাছে ওনার জন্য দোয়া করছেন।
বিএনপি পরিবারের সাথে সারা দেশের মানুষ যখন বেগম খালেদা জিয়ার জন্য উদ্বিগ্ন সময় কাটাচ্ছেন, ঠিক তখন দেখলাম ঢাকায় মীর্জা আব্বাস সাহেব বিশাল নির্বাচনী শোডাউন করেছেন।১লা ডিসেম্বরে দেখলাম সালাউদ্দিন আহমেদ সাহেব বিএনপির অফিসিয়াল পেইজে বিস্তারিত সফরসূচি প্রকাশ করে গতকাল হতে ওনার নির্বাচনী এলাকায় অসংখ্য তোরণ নির্মাণ করিয়ে কক্সবাজার বিমানবন্দর হতে শুরু করে বিশাল শোডাউনের মাধ্যমে হাসিমুখে নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করেছেন। যাঁরা বেগম খালেদা জিয়াকে ভালোবাসেন, যাঁরা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আদর্শের বিএনপিকে ভালোবাসেন তাঁদের কাছে এধরনের হাসি ভালো লাগার কথা না। এখনো নির্বাচনের তফসিল পর্যন্ত ঘোষিত হয়নি। বেগম খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্যের এরকম অবস্থায় জনাব সালাউদ্দিন আহমেদ সাহেবের নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করাটা কি জরুরি ছিল? তাছাড়া ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমানের দেশে ফেরাটাও নিশ্চিত না। সালাউদ্দিন আহমেদ সাহেব কি নির্বাচনী প্রচারণার মাধ্যমে কাউকে ইঙ্গিত দিয়েছেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের পরিবারকে ছাড়াই ওনারা বিএনপিকে নিজেদের মতো করে চালিয়ে নিতে সক্ষম?
ওদিকে গতকাল আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর কাছে জনাব তারেক রহমানের দেশে ফেরা সম্পর্কে জানতে চাইলে ওনি বললেন, এটা নাকি তারেক রহমান সাহেবের একান্ত ব্যক্তিগত ও পারিবারিক ব্যাপার। ওনি না আসলেও নাকি নির্বাচনে কোনো প্রভাব পড়বে না। রাজনীতির ভাষায় এটাকে কি ধরে নেয়া যায় না যে, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীরা চাননা, জনাব তারেক রহমান সাহেব দেশে ফিরে আসুন।
মীর্জা আব্বাস, সালাউদ্দিন আহমেদ এবং আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীরা কি এতোটাই নিশ্চিত হয়ে গেছেন , বিএনপি এখন ওনাদের ব্যক্তিগত সম্পদ?
বিএনপির বেচাকেনা নিজেরা নিজেরা সেরে ফেলেছেন।নাকি উনারা এটাকে মিরাস ভেবে বসে আছেন?
আর বিএনপি যদি মিরাস হয়েও থাকে, তবে আপনারা এর সুবিধাভোগী মিসকিন পার্টি,মালিক নন। মনে রাখবেন-সত্যিকার উত্তরাধিকার জিয়ার ছেলে তারেক জিয়া।আপনাদেরকে মানুষ মানবে না।
বিএনপির নেতা হিসাবে তারেক জিয়া আপনাদের সাথে মাঝেমধ্যে কথা বলে, আর একটু গণে।এজন্য মানুষ আপনাদের সালাম- কালাম দেয়। একটু সমীহ করে।সম্মান করে।
তারেক জিয়া আপনাদের কারো উপর একটু বিরক্ত। শুধু এইটুকু জানলেও নেতাকর্মীরা এবং সাধারণ সমর্থকরা আপনাদেরকে
উল্টিয়েও দেখবে না।
ম্যাডাম আছেন জীবন মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে, Ventilator-এ। এ অবস্থায় ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মানসিক ভাবে কোন সিদ্ধান্ত দেয়ার মতো অবস্থায় থাকার কথা না। ওনিওতো মানুষ। বাবাকে হারিয়েছেন নাবালক অবস্থায়। একমাত্র ভাইকেও হারিয়েছেন। স্ত্রী, কন্যা, ভাইয়ের বউ, ভাতিজি ছাড়া কোন পুরুষ সদস্য নেই। বাবার বা মায়ের দিকেও উল্লেখযোগ্য কোনো অভিভাবক নেই বললেই চলে। সেনাবাহিনীতে যারা ওনাকে আঘাত করে মেরুদন্ড ভেঙ্গে দিয়েছিল তারা এখনো বহাল তবিয়তে আছে। দলের ভেতর অনেক বিশ্বাসঘাতক মোনাফেক লুকিয়ে আছে। ওনার আশেপাশের লোকজন, এমনকি ওনার এপিএসদের সবাই লোভী, টাকার বিনিময়ে ওনাকে বিক্রি করে দিচ্ছে। ওনার অসহায়ত্ব কতোটা একবার ভেবে দেখুন।
তার উপর এসব স্বার্থপর নেতাদের অপতৎপরতা তো আছেই। এদেশের সাধারণ মানুষ এসব নেতাদের জন্য বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলকে ভালোবাসে না, বরং তাঁরা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এবং বেগম খালেদা জিয়াকে ভালোবেসে বলেই বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলকে ভালোবাসে। জনাব তারেক রহমান সাহেবের সাথে কেউ বিশ্বাসঘাতকতা করার অপচেষ্টা করলে এদেশের মানুষ ঐ বিশ্বাসঘাতকদের উপযুক্ত শিক্ষা দেয়ার ব্যবস্থা নেবেন। এদেশের মানুষের বিশ্বাস এবং ভালোবাসা সবসময় জনাব তারেক রহমানের সাথেই থাকবে, যতোক্ষণ না ওনি মানুষের বিশ্বাস ভঙ্গের কারণ না হোন। আল্লাহ আমাদের সবাইকে হেফাজত করুন!বিশ্বাসঘাতকতার দু:সাহস দেখাবেন না মি. সালাউদ্দিন ও মি খসরু গংরা ।হাজারো লক্ষ সালাউদ্দিন আর খসরু এদেশে ঘুরে বেড়ায়।কেউ গুণে না।জিয়া পরিবারের আলো পড়েছে বলেই আপনারা আজ ' গুরুত্বপূর্ণ আপনারা"।প্লিজ, জিয়া পরিবারের প্রতি অডাসিটি দেখাবেন না।মুখের ভাষা আর বডি ল্যাংগুয়েজ ঠিক করুন।নাকি নিশ্চিত হয়ে গেছেন- বেগম জিয়া আর ফিরছেন না। আল্লাহ না করুন, আমরা সাধারণ মানুষ তো জানি না, হয়তো বেগম জিয়া মারাই গেছেন। তাই যদি সত্যি হয়,তবে কি ধরে নিব- খুব দ্রুতই বিশ্বাসঘাতকতার দু:সাহস দেখাচ্ছেন। আর জায়গামত মেসেজ দিচ্ছেন- দূর তারেক জিয়া কোন ছাই! আমি-আমরা রেডি টু টেকওভার। জনাবরা, সাবধান! এত্ত সোজা না। এদেশের মানুষ হিসাব নেওয়ার জন্য অপেক্ষা করছে- সিরিয়াস অসুস্থ মানুষটাকে কারা এবং কি উদ্দেশ্যে সেদিন
সশস্ত্র বাহিনীর অনুষ্ঠানে নিয়ে গেল।(?!)
যত যুক্তিই দেখাক,জাতি ওটা সাধারণ ভুল হিসাবে মেনে নিবে না।এটাকে ষড়যন্ত্র হিসাবে দেখবে।আর না দেখার কোন কারণ নেই।
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : চট্টগ্রামের কিশোরী সুপর্বা সুধা বিশ্বাস। ১৩ বছর বয়সী অষ্টম শ্রেণির এই শিক্ষার্থীর ঝুলিতে ইতোমধ্...বিস্তারিত
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : বাংলাদেশ এডিটরস্ ফোরাম গভীর উদ্বেগের সঙ্গে লক্ষ্য করছে যে, সম্প্রতি চট্টগ্রামের একটি দৈনিক পত্রি...বিস্তারিত
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : নোবিপ্রবি প্রতিনিধি : জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি ও শহীদদের স্মরণে বাংলাদেশ ইসলাম...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : বিয়ের প্রতিশ্রুতিতে শারীরিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে শুধু পুরুষের শাস্তির বিধান কেন অবৈধ নয়, তা জানতে ...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : জুলাই গণঅভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলাগুলোর বিচার অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে এগোচ্...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ মো. নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘শিক্ষা প্রতি...বিস্তারিত
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৯ - © 2026 Dainik Amader Bangla | Developed By Muktodhara Technology Limited