শিরোনাম
নিজস্ব প্রতিবেদক | ০৪:৩৮ পিএম, ২০২৬-০১-১৯
দীর্ঘদিন ধরে সরকারি কোষাগার থেকে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে বাংলাদেশ বন গবেষণা ইনস্টিটিউটের চার কর্মচারী এবং তাদের চাকরি স্থায়ীকরণে সহায়তাকারী চার পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। সোমবার (১৯ জানুয়ারি) দুদক চট্টগ্রাম কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক সাঈদ মোহাম্মদ ইমরান হোসেন বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন। দুদক চট্টগ্রামের উপপরিচালক সুবেল আহমেদ মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। অভিযুক্ত কর্মচারীরা হলেন, বাংলাদেশ বন গবেষণা ইনস্টিটিউটের ড্রাইভার মো. খালেদ মোশাররফ রিয়াজ, সুইপার স্বপন সরকার, দারোয়ান মোহাম্মদ ফরিদ আহমদ ও দারোয়ান মো. আলমগীর হোসাইন। তারা সবাই ভুয়া বা জাল ৮ম শ্রেণি পাশের প্রত্যয়নপত্র ব্যবহার করে সরকারি চাকরিতে নিয়োগ পান। চট্টগ্রামে প্রায় কোটি টাকার মাদকসহ আটক ২
এছাড়া অভিযুক্ত পুলিশ কর্মকর্তারা হলেন, লক্ষ্মীপুর জেলার সাবেক এসআই মোহাম্মদ রফিক, চট্টগ্রাম জেলা বিশেষ শাখার সাবেক এএসআই মো. মনির হোসেন, খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলার সাবেক এসআই (নিরস্ত্র) মো. আব্দুল বাতেন এবং গাইবান্ধা জেলা বিশেষ শাখার সাবেক ডিআইও মো. আতিকুর রহমান। বর্তমানে তারা বিভিন্ন জেলায় কর্মরত রয়েছেন। দুদকের অনুসন্ধানে দেখা যায়, নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে নির্ধারিত ন্যূনতম শিক্ষাগত যোগ্যতা অনুযায়ী আবেদনকালে তারা বিভিন্ন বিদ্যালয়ের নামে প্রত্যয়নপত্র দাখিল করেন। পরবর্তীতে সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ লিখিতভাবে জানায় যে, এসব প্রত্যয়নপত্র ভুয়া এবং তাদের বিদ্যালয় থেকে ওই ব্যক্তিরা কখনো ৮ম শ্রেণি পাশ করেননি। এজাহারে উল্লেখ করা হয়, চাকরিতে নিয়োগের পর পুলিশ ভেরিফিকেশনের মাধ্যমে এসব কর্মচারীর চাকরি স্থায়ী করা হয়। তবে ভেরিফিকেশনকারী পুলিশ কর্মকর্তারা দায়িত্বে অবহেলা ও ক্ষমতার অপব্যবহার করে ভুয়া সনদগুলোকে সঠিক উল্লেখ করে প্রতিবেদন দেন। দুদক জানায়, ভুয়া শিক্ষাগত সনদের মাধ্যমে চাকরি লাভ করে ২০২৫ সালের ২৯ জুন পর্যন্ত বেতন-ভাতা বাবদ মো. খালেদ মোশাররফ রিয়াজ ২৩ লাখ ৬২ হাজার ১৪৯ টাকা ৮০ পয়সা এবং অপর তিন কর্মচারী প্রত্যেকে ২১ লাখ ৩০ হাজার ৯৫৮ টাকা করে সরকারি কোষাগার থেকে গ্রহণ করেন। অভিযুক্ত কর্মচারী ও পুলিশ কর্মকর্তারা পরস্পর যোগসাজশে প্রতারণা, জাল দলিল ব্যবহার এবং সরকারি অর্থ আত্মসাতের মাধ্যমে দণ্ডবিধির ৪২০, ৪৬৭, ৪৬৮, ৪৭১ ও ১০৯ ধারায় এবং ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ করেছেন। বর্তমানে মামলাটি তদন্তাধীন রয়েছে। তদন্তকালে নতুন কোনো তথ্য বা অন্য কোনো ব্যক্তির সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেলে আইনানুগভাবে তাদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
নিজস্ব প্রতিবেদক : সিলেট প্রতিনিধি : সিলেটের হযরত শাহজালাল (রহ.) মাজারের দানবাক্সের টাকা গণনা শেষে চতুর্থ দফায় পাওয়া গ...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : ঋণের ‘উচ্চঝুঁকি’র দিকে ধাবিত হচ্ছে বাংলাদেশ। বিপুল পরিমাণ অভ্যন্তরীণ ও বৈদেশিক ঋণের সুদ পরিশ...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : জুলাই আন্দোলনের সময় যাত্রাবাড়ী থানায় দায়ের করা দুই হত্যা মামলায় তদন্ত শেষে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : গ্রামীণ অর্থনীতিতে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয় প্রাণচাঞ্চল্য এনেছে বলে মন্তব্য করেছেন দুর্...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : দিনাজপুরের বাজারে গবাদি পশু, হাঁস-মুরগি ও মাছের খাবার হিসেবে ব্যবহৃত সব ধরনের ফিডের দাম বেড়েছে। গত...বিস্তারিত
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : দেশের চলমান গ্যাস ও জ্বালানি সংকট সরকারের নীতিগত ব্যর্থতার কারণে সৃষ্টি হয়নি বলে দাবি করেছেন বিএ...বিস্তারিত
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৯ - © 2026 Dainik Amader Bangla | Developed By Muktodhara Technology Limited