শিরোনাম
নিজস্ব প্রতিবেদক | ০৪:০৪ পিএম, ২০২৫-১০-২৮
রাজধানীর বাজারগুলোতে শুরু হয়েছে ইলিশের সরবরাহ। টানা ২২ দিন ইলিশ ধরায় নিষেধাজ্ঞা শেষে ২৫ অক্টোবর মধ্যরাত থেকে সাগর ও নদীতে নামেন জেলেরা। অনেকে ইলিশ নিয়ে ফিরেছেন ঘাটে। ফলে বাজারে ইলিশের সরবরাহ শুরু হয়েছে।
দীর্ঘদিন পর সবাই আশা করেছিলেন বাজারে টাটকা ইলিশ পাওয়া যাবে। কিন্তু হাটবাজারগুলোতে যে ইলিশ আসছে তা হিমায়িত। ডিমভরা এসব ইলিশ দেখে সহজেই বোঝা যায়, এগুলো দীর্ঘসময় বরফে সংরক্ষিত ছিল। ফলে এর স্বাদ ও গুণগত মান নিয়ে ক্রেতাদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। একই সঙ্গে দাম বেশি হওয়ায় ইলিশ ক্রেতাও কমেছে।
মঙ্গলবার (২৮ অক্টোবর) রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, রূপালি ইলিশের দেখা মিললেও চাহিদা অনুযায়ী সরবরাহ কম থাকায় দাম ছিল চড়া। দাম বেশি হওয়ায় ক্রেতার সংখ্যা তুলনামূলক কম।
বাজারগুলোতে গিয়ে দেখা যায়, ইলিশ বিক্রিতে ব্যস্ত খুচরা ব্যবসায়ীরা। চলছে মাছ ব্যবসায়ীদের হাঁকডাক ও ক্রেতাদের দরকষাকষি। বড় আকারের এক কেজি সাইজের ইলিশের দাম ২২০০ থেকে ২৫০০ টাকা, ৭০০-৮০০ গ্রাম ওজনের ইলিশের কেজি ১৮০০ থেকে ২০০০ টাকা, ৫০০-৬০০ গ্রাম ওজনের ইলিশের কেজি ১১০০ থেকে ১২০০ টাকা। এর চেয়ে ছোট ৩৫০-৫০০ গ্রাম ওজনের ইলিশ বিক্রি হচ্ছে কেজি প্রতি ৬০০ থেকে ৮০০ টাকায়।
তবে ডিমভরা ইলিশ ধরা পড়ায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন ক্রেতা ও বিক্রেতা উভয়েই।
তারা বলেন, বাজারে ইলিশের সরবরাহ চাহিদার তুলনায় কম। ২২ দিন নিষেধাজ্ঞা থাকার পরও যদি ডিমভরা ইলিশ বিক্রি হয়, তাহলে এই বন্ধের সুফল কোথায়? ক্রেতারা বলছেন, ২২ দিন পর ভেবেছিলাম টাটকা ইলিশ খাবো, কিন্তু বাজারে টাটকা নয়, বরফে রাখা ও ডিমওয়ালা ইলিশেই ভরা। সঠিক পরিকল্পনা থাকলে অবশ্যই ভালো ফল পাওয়া যেত।
নয়াবাজারে বাজার করতে আসা ক্রেতা রফিকুল শেখ বাংলানিউজকে বলেন, অনেক দিন পর বাজারে ইলিশ এসেছে। তবে ছোট ও মাঝারি আকারের মাছই বেশি। বেশিরভাগই ডিমওয়ালা বা বরফে রাখা ইলিশ। এতদিন অপেক্ষার পরও যদি এমন ইলিশ পাই, তাহলে লাভ কী? দামও নাগালের বাইরে। এখন ইলিশ আসলে নিম্ন ও মধ্যবিত্তের নয় বরং উচ্চবিত্তের মাছ হয়ে গেছে।
নয়াবাজারের ইলিশ বিক্রেতা রতন বর্মণ বাংলানিউজকে বলেন, বাজারে ইলিশের সরবরাহ শুরু হয়েছে দুই দিন ধরে। জেলেদের জালে পর্যাপ্ত মাছ পড়লে সরবরাহ বাড়বে। এখন যে ইলিশ আসছে, তার বেশিরভাগই ডিমভরা এবং বরফে রাখা। ফলে চাহিদা কম, কিন্তু দাম আগের মতোই রয়ে গেছে।
রায়সাহেব বাজারের বিক্রেতা বিজয় চন্দ্র বর্মণ বাংলানিউজকে বলেন, ইলিশ বিক্রি শুরু হয়েছে, তবে ক্রেতা কম। সরবরাহ বাড়লে দাম কমবে। এখন বাজারে চট্টগ্রামের হিমায়িত ইলিশই বেশি। কয়েক দিন পর থেকে টাটকা ইলিশ পাওয়া যাবে।
তিনি আরও বলেন, এখন ছোট সাইজের ইলিশই বেশি আসছে। এটা প্রকৃতির বিষয়। নদীতে বড় ইলিশ থাকলে কিছুটা ধরা পড়বেই। হয়তো সামনের সিজনে বড় ইলিশের দেখা মিলবে।
সূত্রাপুর খুচরা বাজারের বিক্রেতা হরিপদ বাংলানিউজকে বলেন, ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞায় সব ইলিশ ডিম ছাড়ে—এমন নয়। তবে এই সময়টাতেই বেশি ইলিশ ডিম ছাড়ে। কত শতাংশ ইলিশ ডিম ছেড়েছে তা জানতে গবেষণা চলছে। গবেষণা শেষ হলে বিষয়টি স্পষ্ট হবে।
প্রসঙ্গত, মা ইলিশ সংরক্ষণে প্রজনন মৌসুমে সরকার গত ৩ অক্টোবর রাত ১২টা থেকে ২৫ অক্টোবর রাত ১২টা পর্যন্ত মোট ২২ দিন মাছ ধরা নিষিদ্ধ করে। এ সময়ে ‘মৎস্য সংরক্ষণ আইন ১৯৯০’ অনুযায়ী ইলিশ আহরণ, ক্রয়-বিক্রয়, পরিবহন, মজুত ও বিনিময় নিষিদ্ধ ছিল।
মৎস্য অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা জানান, জাতীয় মাছ ইলিশের প্রধান প্রজনন মৌসুমে মা ইলিশ সংরক্ষণে এবার নিষেধাজ্ঞা কঠোরভাবে বাস্তবায়নের চেষ্টা করা হয়েছে। ফলে গত বছরের তুলনায় এ বছর ইলিশ উৎপাদন বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : ব্যয় কমানোর লক্ষ্যে নতুন গাড়ি কেনা, সরকারি কর্মকর্তাদের গাড়ি ঋণ বিতরণ, থোক বরাদ্দ থেকে ব্যয় বন্ধসহ...বিস্তারিত
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে সৌহার্দ্য, পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও আস্থার পরিবেশ ...বিস্তারিত
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : সঞ্চয়পত্রের মেয়াদ শেষ হওয়ার পর ছয় বছরের মধ্যে আসল টাকা বা মুনাফা দাবি না করলে তা তামাদি (Time-barred) হিসেব...বিস্তারিত
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : বুধবার রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে রাজউক ও রিহ্যাবের উচ্চ পর্যায়ের মতবিনিময়সভা হ...বিস্তারিত
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : স্থানীয় বাজারে তেজাবি সোনা-রুপার (পাকা সোনা) দাম কমার পরিপ্রেক্ষিতে দেশের বাজারে সোনা- রুপার দাম ...বিস্তারিত
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : ডাইরেক্ট লিস্টিংয়ের মাধ্যমে দ্রুত সময়ের মধ্যে পু্ঁজিবাজারে নতুন কোম্পানি তালিকাভূক্ত করা হবে ব...বিস্তারিত
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৯ - © 2026 Dainik Amader Bangla | Developed By Muktodhara Technology Limited