শিরোনাম
চৌধুরী মনি :: | ০৮:১৩ পিএম, ২০২১-১০-০৯
অবৈধ সিএনজি টেক্সী ও টেম্পুর ন্যায় চট্টগ্রামে কার, মাইক্রো ও হাইব্রিড গাড়ীও রাস্তায় বীরদর্পে চলাচল করছে টিআই- সার্জেন্টের কথিত কেইস স্লিপে। এসব গাড়ীতে কেইস স্লিপ সরবরাহ করে প্রতি মাসে লক্ষ লক্ষ টাকা পকেট ভর্তি করছেন দুর্নীতিবাজ টিআই ও সার্জেন্টরা। এই অনিয়মের কারণে সরকার হারাচ্ছে কোটি কোটি টাকা রাজস্ব। সংশ্লিষ্ট নির্ভরযোগ্য সূত্র জানিয়েছেন, গত এক যুগে কয়েক দফা গাড়ীর বার্ষিক টেক্স টুকেন ও ফিটনেস খরচ বৃদ্ধি পাওয়ায় অনেক গাড়ী ব্যবহারী লোকজন বার্ষিক বিআরটিএ ফি পরিশোধ থেকে পিছিয়ে পড়েন। গত কয়েক বছর ধরে এর হার জ্যামিতিক হারে বাড়তে থাকে। ফলে প্রতি বছর কম বেশী বাড়ছে ডকুমেন্ট ফেল করা কার, মাইক্রো ও হাইব্রিড গাড়ীর সংখ্যা। এর মধ্যে বন্দর নগরী চট্টগ্রামে চলাচল করা কার, মাইক্রো ও হাইব্রিড গাড়ী রাস্তায় চলাচল করছে টিআই, সার্জেন্টদের টুকেন ও কেইস স্লিপ দিয়ে। নগরীর বড় লোকদের গাড়ী পার্কিংয়ে একাধিক বিভিন্ন ব্র্যান্ডের গাড়ী পড়ে থাকে। এদের সন্তানরাও গাড়ী ব্যবহার করেন। বড় লোকের ছেলেদের মধ্যে অনেকে নিজের গাড়ীর ডকুমেন্ট যথাসময়ে আপডুডেট করেন না। এসব গাড়ী নিজেরা ব্যবহার করে ডকুমেন্ট ফেল অবস্থায়। তবে প্রতি মাসে টিআই অথবা সার্জেন্টের কাছ থেকে একটি টুকেন অথবা ভূয়া কেইস স্লিপ সংগ্রহ করে নেন গাড়ী ব্যবহারকারীরা। রাস্তায় যে কোন টিআই অথবা সার্জেন্ট এসব গাড়ী সিগন্যাল দিলেও পরে এই টুকেন অথবা কেইস স্লিপ দেখে ছেড়ে দেন। যদি কোথাও ম্যাজিষ্ট্রেট মোবাইল কোর্ট বসালে সেখান থেকে পার পাওয়া যায়না সহজে। তাই ডকুসেন্ট ফেল করা গাড়ী রাস্তায় বের করার সময় রাস্তায় সব ঠিকটাক থাকলেই তারা গাড়ী বের করেন। অন্যতায় নিরাপদ সড়ক বাছাই করেই ডকুমেন্ট ফেল করা গাড়ী রাস্তায় চলাচল করে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। টিআই- সার্জেন্টদের ডকুমেন্ট ফেল করা কার মাইক্রো ও হাইব্রিড গাড়ীর জন্য কেইস স্লিপ এবং টুকেন সংগ্রহ করতে হয় প্রতি মাসে ১০০০ টাকা করে। অর্থাৎ একটি কার, মাইক্রো ও হাইব্রিড গাড়ীর জন্য টুকেন অথবা কেইস স্লিপের জন্য ব্যয় করতে হয় ১০০০ টাকা করে। সূত্র জানিয়েছেন, বন্দর নগরী চট্টগ্রামে ডকুমেন্ট ফেল কার, মাইক্রো ও হাইব্রিড গাড়ীর সংখ্যা দুই হাজারেরও বেশী রয়েছে। এর মধ্যে পাজেরো গাড়ীও রয়েছে শতাধিকের চেয়ে বেশী। রাস্তায় নানা অজুহাতে ট্রাফিক পুলিশের নানামুখী হয়রানি থাকায় অনেকে ইচ্ছে করেই গাড়ীর ডকুমেন্ট আপডুডেট না করেই রাস্তায় চলাচল করতে বাধ্য হচ্ছেন বলে ভুক্তভোগীরা। গাড়ীর ডকুমেন্ট আপডুডেট থাকার পরও গাড়ীর রং, বাম্পারসহ বিভিন্ন ধরনের অভিযোগ তুলে ট্রাফিক পুলিশ রাস্তায় গাড়ীর চালক ও মালিককে হয়রানি করে থাকেন। যেহেতু ডকুমেন্ট আপডুডেট করার পরও ট্রাফিক পুলিশ রাস্তায় নানা অজুহাতে গাড়ীর মালিক ও চালককে হয়রানি করে থাকেন, সেহেতু ডকুমেন্ট অপডুডেট করে সরকারকে রাজস্ব দেয়ার কি দরকার। বছর শেষে সরকারকে ডকুমেন্ট আপডু ডেট করে প্রায় অর্ধ লক্ষ টাকা রাজস্ব দেয়ার পরও রাস্তায় পুলিশের হাতে নাজেহাল হতে হয়, তাহলে এত টাকা ব্যয় করার কি দরকার। টেক্স টুকেন ও ফিটনেস পরিশোধ করে যেসব গাড়ী রাস্তায় চলাচল করে থাকে তাতে পুলিশের কোন রকম হয়রানি যাতে না চলে, সেই বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের নিশ্চয়তা প্রদান করতে হবে বলে জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা। ডকুমেন্ট আপডুডেট থাকা গাড়ীর চালক ও মালিকদের উপর পুলিশের হয়রানি বাড়লে, প্রতি বছরই ডকুমেন্ট ফেল গাড়ীর সংখ্যা অবশ্যই জ্যামিতিক হারে বাড়বে বলে জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা। গাড়ীর ডকুমেন্ট আপডুডেট থাকা মানেই সরকারের লাভ। এছাড়া পুলিশের নানা ধরনের তুচ্ছ অভিযোগে রাস্তায় কার, মাইক্রো ও হাইব্রিড গাড়ীর চালক ও মালিককে হয়রানি করা মানে রাস্তায় এক ধরনের বিশৃংখলা সৃষ্টি করা। পুলিশকে এসব বিষয়ে সজাগ দৃষ্টি রাখা প্রয়োজন বলে মনে করেছেন সংশ্লিষ্টরা। ডকুমেন্ট আপডুডেট থাকা গাড়ী গুলোকে রাস্তায় অহেতুক হয়রানি না করলে প্রতি বছর সরকারের রাজস্ব আয়ের হার বাড়বে। একই সাথে বাড়বে ডকুমেন্ট আপডুডেট করা গাড়ীর সংখ্যাও। ডকুমেন্ট আপডুডেট করা গাড়ীর সংখ্যা বেড়ে গেলেই ট্রাফিক পুলিশের কেইস স্লিপ ও টুকেন বানিজ্য বন্ধ হয়ে যাবে। ফিরে আসবে রাস্তায় যানবাহন চলাচলে শৃংখলা। সিএমপির ট্রাফিক বিভাগের একজন উর্ধ্বতন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, কার, মাইক্রো ও হাইব্রিড গাড়ী ডকুমেন্ট ফেল অবস্থায় রাস্তায় চলাচল করা কোন ভাবেই কাম্য নয়। এসব গাড়ী ডকুমেন্ট আপডুডেট অবস্থায় রাস্তায় চলাচল করলে পুলিশের কোন ধরনের হয়রানি করা কোন ভাবেই উচিত নয়। ডকুমেন্ট আপডুডেট থাকলে কার, মাইক্রোসহ বিভিন্ন প্রাইভেট গাড়ীকে অন্য তুচ্ছ বিষয় না দেখায় পুলিশের উচিত। এতে প্রাইভেট গাড়ী ব্যবহারে লোকজন উৎসাহী হবে। ডকুমেন্ট আপডুডেট করা কার, মাইক্রোসহ বিভিন্ন প্রাইভেট গাড়ী বাড়লেই সরকার বিপুল পরিমাণ রাজস্ব আয়ের সুযোগ পাবে।
নিজস্ব প্রতিবেদক : ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের নির্বাচিত সদস্যদের ঘোষিত মোট দায় বা ঋণ পরিমাণ ১১ হাজার ৩৫৬ কোটি টাকা বলে জানি...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের গেজেট প্রকাশ করা হয়েছে। শুক্রবার (১৩ ফেব্রু...বিস্তারিত
আন্তর্জাতিক ডেস্ক : : বাংলাদেশের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ চলছে আজ বৃহস্পতিবার। এ দিন স্থানীয় সময় সকাল ৮ট...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : চলমান ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট ২০২৬ উপলক্ষ্যে দেশের ৪৮৬টি কেন্দ্রে বিশৃঙ্খলার ঘটনা ঘট...বিস্তারিত
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি : চাঁপাইনবাবগঞ্জে উৎসবমুখর ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোটগ্রহণ চলছে। বৃহস...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শুরুর আগেই রাজধানীর ঢাকা-৮ আসনে চোখে পড়ার মতো ভোটারদের উপ...বিস্তারিত
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৯ - © 2026 Dainik Amader Bangla | Developed By Muktodhara Technology Limited