শিরোনাম
মুহাম্মদ ওসমান বিন হাসান, ককসবাজার : | ০৫:০১ পিএম, ২০২৫-০৫-১২
টানা ৯ মাস ধরে ৩০ জন চিকিৎসক ও ১৩০ জন কর্মী বিনা বেতনে সেবা দিয়ে বিভাগটি চালু রাখলেও শেষ পর্যন্ত তা আর ধরে রাখা সম্ভব হয়নি। ফলে বৃহস্পতিবার (৮ মে) আনুষ্ঠানিকভাবে সিসিইউ বন্ধ ঘোষণা করা হয়।
হাসপাতালের একাধিক সূত্র জানিয়েছে, একই কারণে যে কোনো সময় বন্ধ হতে পারে আইসিইউ বিভাগটিও।
হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. মং টিং ঞো ৫ মে এক চিঠির মাধ্যমে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে সিসিইউ বন্ধের বিষয়টি অবহিত করেন। তিনি জানান, প্রকল্পের পর একটি আন্তর্জাতিক সংস্থা আইএসও-এর পক্ষ থেকে নতুন প্রকল্পের আশ্বাস দেওয়া হয়েছিল। সেই আশ্বাসে ভিত্তি করে চিকিৎসক ও কর্মীদের সাথে আলোচনা করে বিশেষায়িত বিভাগগুলো চালু রাখা হয়েছিল।
২০১৯ সাল থেকে রোহিঙ্গা সংকটে স্থানীয় জনগণের জন্য বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ও দেশীয় এনজিও জেলার হাসপাতাল ও ইউনিয়ন পর্যায়ের স্বাস্থ্যকেন্দ্রে সহায়তা কার্যক্রম চালু করে। এর আওতায় কক্সবাজার সদর হাসপাতালে চালু হয় আইসিইউ, সিসিইউ, জরুরি প্রসূতি এবং শিশু সুরক্ষা সেবা।
সিভিল সার্জন কার্যালয় ও সদর হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, বিশ্বব্যাংকের ‘স্বাস্থ্য ও জেন্ডার সাপোর্ট প্রকল্প’ (এইচজিএসপি)-এর আওতায় এনজিওগুলোর মাধ্যমে এসব কার্যক্রম পরিচালিত হয়। এতে কক্সবাজার স্বাস্থ্য বিভাগে সরকারি জনবল ছাড়াও সদর হাসপাতালে ১৯৯ জন কর্মকর্তা-কর্মচারী নিযুক্ত হন।
তবে প্রকল্পটির মেয়াদ ২০২৪ সালের জুনে শেষ হয়ে যায়। এরপর গণমাধ্যমে প্রতিবেদন প্রকাশ ও সরকারি হস্তক্ষেপে মেয়াদ তিন মাস বাড়িয়ে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত করা হয়।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক শীর্ষ কর্মকর্তা বলেন, বিশেষায়িত ইউনিটগুলো সরাসরি সরকারি ২৫০ শয্যার সদর হাসপাতালের আওতায় নয়। এগুলো এনজিও নির্ভর। প্রকল্প শেষ হয়ে যাওয়ার পর অনেকে চাকরি ছেড়ে দিয়েছেন। সিসিইউ চিকিৎসক সংকটে বন্ধ হয়ে গেছে। আইসিইউ এখনো চলছে, তবে সেটিও ঝুঁকিতে রয়েছে।
চিকিৎসকরা জানান, কক্সবাজারের প্রায় ২৫ লাখ মানুষের পাশাপাশি ২০১৭ সালে আশ্রয় নেওয়া ১২ লাখ রোহিঙ্গা ও প্রতিবছর আগত কয়েক লাখ পর্যটকের জন্য ২৫০ শয্যার এই সদর হাসপাতালই আধুনিক চিকিৎসার একমাত্র ভরসা। অথচ ৩২৮টি অনুমোদিত পদের মধ্যে ৭৬টিই শূন্য।
জরুরি বিভাগে প্রতিদিন গড়ে ৫০০ রোগী আসেন, যেখানে মাত্র তিনজন চিকিৎসক সেবা দিচ্ছেন। যদিও সেখানে কমপক্ষে ১২ জন চিকিৎসক দরকার। হাসপাতালের ইন্ডোরে প্রতিদিন গড়ে ৮০০–৯০০ রোগী ভর্তি থাকেন, যা শয্যাসংখ্যার প্রায় তিনগুণ।
নিজস্ব প্রতিবেদক : পোশাকশ্রমিকদের নতুন ন্যূনতম মজুরি ডিসেম্বর থেকে কার্যকর এবং জানুয়ারি মাসে বর্ধিত বেতন দেওয়ার বà¦...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে ফ্যাসিবাদের পতন ঘটলেও তরুণ প্রজন্মের রাষ্ট্র মেরামতের আকাঙ্ক্ষà¦...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : রাজধানীর মুগদা থানার সাইফুল হত্যা মামলায় তথ্য গোপন করে নিম্ন আদালতের একই আদেশের বিপরীতে তিনবার à¦...বিস্তারিত
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : মোঃ মিজানুর রহমান, কুড়িগ্রাম :: সরকারি দাপ্তরিক কার্যক্রম পরিচালনার জন্য নির্ধারিত কুড়িগ্রাম জেà...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম বলেছেন, বাংলাদেশ ও কসোভোর মধ্যে অভিন্à¦...বিস্তারিত
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : মোঃ নাজিম উদ্দীন হাটহাজারী : ৩/১১/২০২৬ খ্রিস্টাব্দ (১৮ই কার্তিক) রোজ মঙ্গলবার বিকাল ৩টায় চট্টগ্রà...বিস্তারিত
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৯ - © 2026 Dainik Amader Bangla | Developed By Muktodhara Technology Limited