শিরোনাম
আমাদের বাংলা ডেস্ক : | ০২:২৮ পিএম, ২০২৩-০৩-১১
আমাদের বাংলা নিউজ ডেস্কঃরাজধানীর ব্যস্ততম এলাকা নতুন বাজারের ফুটপাতে সন্তান জন্ম দিয়েছেন এক মা। বর্তমানে মা ও শিশু দুজনই ভালো আছেন। রাস্তায় হঠাৎ প্রসব বেদনা ওঠায় ওই নারী অসহায় বোধ করেন। তখন যেন চোখে অন্ধকার দেখছিলেন তিনি। তবে এমন অবস্থায় তার পাশে দাঁড়ান এক নারী পুলিশ সদস্য। তিনি ডিএমপির গুলশান ট্রাফিক বিভাগের সার্জেন্ট মোর্শেদা।খবর পেয়েই অন্য এক নারী কনস্টেবলকে সঙ্গে নিয়ে ছুটে যান প্রসব বেদনায় কাতর নারীর কাছে। এরপর বাসের টিকিট কাউন্টারের ছাতা নিয়ে ওই রাস্তার এক পাশে গড়ে তোলেন নিরাপদ বেষ্টনী। কিছু সময় পর স্বাভাবিকভাবেই জন্ম নেয় ফুটফুটে এক শিশু।
শুধু তাই নয়, সন্তান জন্ম নেওয়ার পর নাড়ি কাটা নিয়ে জটিলতা দেখা দিলে এই সার্জেন্ট হাসপাতালে যোগাযোগ করেন। এরপর ওই নারীকে সন্তানসহ চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে পাঠান।শুক্রবার (১০ মার্চ) বিকেলে রাজধানীর নতুন বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। পুলিশের গুলশান ট্রাফিক বিভাগের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (এডিসি) হাফিজুর রহমান রিয়েল তার ফেসবুক আইডিতে কয়েকটি ছবিসহ এমন তথ্য পোস্ট করেন। মুহূর্তেই তা ভাইরাল হয়ে যায়। একজন মায়ের পাশে এভাবে ছুটে যাওয়ার জন্য সার্জেন্ট মোর্শেদাকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন সবাই।
এডিসি হাফিজুর রহমান রিয়েল তার পোস্টে লিখেছেন, ‘প্রতিদিনের মতো ট্রাফিক ডিউটি করছিলেন সার্জেন্ট মোর্শেদা। দায়িত্বরত অবস্থায় ঢাকার চাকা পরিবহন কাউন্টারের একজন স্টাফ তাকে বলেন, পাশেই একজন নারী অসুস্থ হয়ে পড়েছেন`।‘এ কথা শোনার পর একটুও দেরি না করে তিনি দ্রুত ট্রাফিক কনস্টেবল তানিয়াকে সঙ্গে নিয়ে ফুটওভার ব্রিজ পার হয়ে ঘটনাস্থলে যান। সেখানে গিয়ে দেখতে পান, সেই নারীর প্রসব ব্যথা উঠেছে। তিনি অসহ্য যন্ত্রণা নিয়ে রাস্তার পাশে মাটিতে শুয়ে কাতরাচ্ছেন।’
এডিসি হাফিজুর রহমান রিয়েল আরও লেখেন, ‘আশপাশে কোনো ভবনও ছিল না যন্ত্রণাকাতর ওই নারীকে নেওয়ার মতো। এ অবস্থা দেখে সার্জেন্ট মোর্শেদা ও কনস্টেবল তানিয়া দ্রুত বাস কাউন্টার থেকে কয়েকটি ছাতা নিয়ে আসেন। এ সময় চারপাশ ঘিরে দিয়ে এবং ওই নারীকে বাচ্চা প্রসবে সহযোগিতা করেন। কিছুক্ষণ পর একটা ফুটফুটে বাচ্চা জন্ম নেয়।’
তিনি লেখেন, ‘কিন্তু তখনো নবজাতকের নাড়ি কাটা হয়নি। সার্জেন্ট মোর্শেদা জাতীয় জরুরি সেবা-৯৯৯ এ কল করে দ্রুত জরুরি অ্যাম্বুলেন্স এনে নবজাতকসহ প্রসূতি মাকে নিকটস্থ হাসপাতালে পাঠিয়ে দেন। বর্তমানে ওই হাসপাতালে নবজাতক ও মা দুজনই সুস্থ আছেন।’
হাফিজুর রহমান রিয়েল বলেন, এরকম মহানুভবতা ও ভালো কাজের জন্য সার্জেন্ট মোর্শেদা ও কনস্টেবল তানিয়াকে ধন্যবাদ জানাই।এ বিষয়ে সার্জেন্ট মোর্শেদা বলেন, আমি সড়কের যানজট কমানো নিয়ে ব্যস্ত ছিলাম। এর মধ্যে এক ব্যক্তি এসে জানান নতুন বাজারে ফুটওভার ব্রিজের নিচে একজন নারী অসুস্থ হয়ে পড়ে আছেন। আমি দ্রুত ফুটওভার ব্রিজ পার হয়ে তার কাছে যাই। যাওয়ার পর তাকে আগলে ধরি। এক পথচারী নারীকে সহায়তা করতে অনুরোধ করি। অল্প সময়ের মধ্যেই সন্তান প্রসব হয়।তিনি বলেন, পরে আমি অ্যাম্বুলেন্স কল করে পাশের উপশম হেলথ পয়েন্টে পাঠাই। মোটরসাইকেলে চেপে আমিও অ্যাম্বুলেন্সের পেছনে যাই। বর্তমানে মা ও শিশু দুজনই সুস্থ।
আবদুল্লাহ মজুমদার : : জাতীয় পরিচয়পত্র একজন নাগরিকের রাষ্ট্রীয় পরিচয়ের অন্যতম প্রধান দলিল। এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে তাঁর নাগর...বিস্তারিত
আবদুল্লাহ মজুমদার : : ভাত আমাদের খুব আপন। প্রতিদিনের খাবারের তালিকায় তার উপস্থিতি এত স্বাভাবিক যে, ভাত নিয়ে আলাদা করে ভা...বিস্তারিত
আবদুল্লাহ মজুমদার : : আবদুল্লাহ মজুমদার রাত গভীর। চারপাশ নিস্তব্ধ। হঠাৎ দরজায় কড়া নাড়ার শব্দ। ঘুম ভেঙে দরজা খুললেন মা। ...বিস্তারিত
আবদুল্লাহ মজুমদার : : ১৯৭৬ সালের ২৯ আগস্ট। ঢাকার মাটিতে থেমে গেল কাজী নজরুল ইসলামের জীবনের পথচলা। যে কবি একদিন অন্যায়ের ...বিস্তারিত
আবদুল্লাহ মজুমদার : : কোনো কোনো কণ্ঠ শুধু গান গায় না, একটি সময়কে ধারণ করে। আবদুর রহমান বয়াতীর কণ্ঠ ছিল তেমনই—মাটির গন্ধ...বিস্তারিত
আবদুল্লাহ মজুমদার : : ফল প্রকাশের পর মোবাইলের পর্দায় ভেসে ওঠে কয়েকটি সংখ্যা। কারও জন্য সেই সংখ্যা আনন্দের, কারও জন্য হতা...বিস্তারিত
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৯ - © 2026 Dainik Amader Bangla | Developed By Muktodhara Technology Limited