শিরোনাম
আ.ন.ম. তাজওয়ার আলম | ০৭:২০ পিএম, ২০২৫-১১-২২
চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের উপ–সংরক্ষক এবং বর্তমানে পায়রা বন্দর সংযুক্ত কর্মকর্তা ক্যাপ্টেন মো. ফরিদুল আলমকে ঘিরে উদ্দেশ্যমূলক অপপ্রচার চলছে বলে জানা গেছে। দীর্ঘ ২৩ বছরের সফল কর্মজীবন ও অসামান্য অবদান থাকা সত্ত্বেও একটি স্বার্থান্বেষী মহল মিথ্যা তথ্য প্রচার করে এই সৎ ও মেধাবী পোর্ট বিশেষজ্ঞকে সামাজিকভাবে হেয় করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে।
বাংলাদেশসহ আন্তর্জাতিক শিপিং সেক্টরে পরিচিত ক্যাপ্টেন ফরিদ শুধু একজন অভিজ্ঞ মাস্টার মেরিনার নন, অর্থনীতি, ফিন্যান্স, আইন ও হাইড্রোডিনামিক্সে প্রথম শ্রেণীর স্নাতকোত্তর ডিগ্রিধারী একজন বহুগুণসম্পন্ন কর্মকর্তা। চট্টগ্রাম বন্দরে যোগদানের আগে তিনি ব্রিটিশ পেট্রোলিয়ামের ফ্লিটে ক্যাপ্টেনসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে বীরত্বের সাথে দায়িত্ব পালন করেন।
চট্টগ্রাম বন্দরে তাঁর যুগান্তকারী অবদান:
২০২৪ সালে আন্তর্জাতিক বন্দর নিরাপত্তা কোড বাস্তবায়ন করে চট্টগ্রাম বন্দরকে জলদস্যুতার কালো তালিকা থেকে মুক্ত করেন। তাঁর রচিত “ISPS Handbook” মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের US Coast Guard কর্তৃক স্বীকৃত আদর্শ নিরাপত্তা নির্দেশিকা। তিনি সহকারী হারবার মাস্টার হিসেবে ১৭টি স্যালভেজ অপারেশন সফলভাবে সম্পন্ন করেন। হারবার মাস্টার থাকাকালে চট্টগ্রাম বন্দর চ্যানেলের ড্রাফট ৮.৫ মিটার থেকে ১০ মিটারে উন্নীত করেন এবং বার্থিং সক্ষমতা ১৮৬ মিটার থেকে ২০০ মিটার করেন। ডেপুটি কনজারভেটর থাকাকালে জাহাজ বার্থিংয়ে কোনো বিলম্ব কিংবা বাতিল হয়নি এবং বন্দরের সব জলযান শতভাগ সচল ছিল।
যেসব অভিযোগ মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত:
MV GLADYS দুর্ঘটনায় চট্টগ্রাম বন্দর তাকে দায়ী করেনি, অথচ তাকে দায়ী করার অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। MV EXPRESS SUEZ ঘটনার সময় তিনি চট্টগ্রাম বন্দরে কর্মরত ছিলেনই না, তবুও অভিযোগ তার বিরুদ্ধে। অযোগ্য পাইলট নিয়োগের অভিযোগ ভুল, কারণ চবকের নীতিমালা অনুযায়ী পাইলট নিয়োগে যোগ্যতা হলো Certificate of Competency—এ নিয়ম অনুযায়ীই সুপারিশ করা হয়েছে। বরং অতীতে সনদবিহীন ব্যক্তির বেআইনি নিয়োগের দায় তাঁর ওপর চাপানোর অপচেষ্টা হচ্ছে।
সবচেয়ে কম দরদাতাকে বাদ দিয়ে নিজস্ব ঠিকাদারকে কাজ দেয়ার অভিযোগ তিনি সম্পূর্ণ বানোয়াট ও মনগড়া বলেছেন।
দুদকের দুই দফা তদন্তে ‘নির্দোষ ঘোষণা’:
বেনামী অভিযোগের ভিত্তিতে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) ২০২২ এবং ২০২৪ সালে দুইবার তদন্ত শেষে ক্যাপ্টেন ফরিদকে নির্দোষ হিসেবে ছাড়পত্র দিয়েছে। এরপরও একটি চক্র তাঁর বিরুদ্ধে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে অপপ্রচার চালিয়ে যাচ্ছে।
যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও পদোন্নতি আটকে দেওয়ার অভিযোগ:
নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় ২০২২ সালে ক্যাপ্টেন ফরিদকে চট্টগ্রাম বন্দরের সদস্য পদে পদোন্নতির সুপারিশ করে চবক চেয়ারম্যানকে চিঠি পাঠায়। কিন্তু সভায় পদোন্নতির বিষয়টি আলোচিত হওয়া সত্ত্বেও রহস্যজনকভাবে ও পরবর্তীতে মিথ্যা অভিযোগের মাধ্যমে পদোন্নতি আটকে দেওয়া হয়। সংশ্লিষ্ট মহলের দাবি—বন্দর পরিচালনায় দক্ষ ও পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তাকে বাদ দিয়ে স্বার্থান্বেষী মহল সুবিধা ভোগ করছে।
বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, একটি জাতীয় সম্পদের গুরুত্বপূর্ণ বন্দর পরিচালনায় পক্ষপাতদুষ্ট মহলের অপপ্রচার শুধু একজন কর্মকর্তাকে নয়, দেশের সামুদ্রিক বাণিজ্য নিরাপত্তা ও উন্নয়নকে ঝুঁকির মুখে ফেলছে।
নিজস্ব প্রতিবেদক : রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। আগামী ১৩ আগস্ট মনোনয়নপত্র দাখিলের ...বিস্তারিত
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : চট্টগ্রামের কিশোরী সুপর্বা সুধা বিশ্বাস। ১৩ বছর বয়সী অষ্টম শ্রেণির এই শিক্ষার্থীর ঝুলিতে ইতোমধ্...বিস্তারিত
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : বাংলাদেশ এডিটরস্ ফোরাম গভীর উদ্বেগের সঙ্গে লক্ষ্য করছে যে, সম্প্রতি চট্টগ্রামের একটি দৈনিক পত্রি...বিস্তারিত
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : নোবিপ্রবি প্রতিনিধি : জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি ও শহীদদের স্মরণে বাংলাদেশ ইসলাম...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : বিয়ের প্রতিশ্রুতিতে শারীরিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে শুধু পুরুষের শাস্তির বিধান কেন অবৈধ নয়, তা জানতে ...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : জুলাই গণঅভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলাগুলোর বিচার অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে এগোচ্...বিস্তারিত
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৯ - © 2026 Dainik Amader Bangla | Developed By Muktodhara Technology Limited