শিরোনাম
নিজস্ব প্রতিবেদক | ০৬:০১ পিএম, ২০২৬-০৮-১৭
গ্যাস-বিদ্যুতের সংকটে শিল্প উৎপাদন ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি বন্ধ হচ্ছে অনেক কারখানা। এতে কর্মসংস্থান ও রপ্তানি খাতও চাপে পড়েছে। এমন পরিস্থিতির মধ্যেই দীর্ঘদিন বন্ধ থাকা শিল্পপ্রতিষ্ঠান চালু ও অর্থনীতিতে গতি ফেরাতে ৬০ হাজার কোটি টাকার প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এ তহবিলে ৪১ হাজার কোটি টাকা দিতে প্রাথমিকভাবে সম্মতি জানিয়েছে ১৭টি ব্যাংক।
চলতি সপ্তাহে এসব ব্যাংকের সঙ্গে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের চুক্তি হওয়ার কথা রয়েছে।
এরই মধ্যে প্রণোদনা তহবিল থেকে ঋণ বিতরণে ৩৭টি ব্যাংক বাংলাদেশ ব্যাংকের সঙ্গে চুক্তি করেছে। তবে শিল্প উদ্যোক্তাদের প্রশ্ন, জ্বালানি সংকটের সমাধান না করে বন্ধ কারখানায় অর্থায়ন কতটা কার্যকর হবে। কারণ গ্যাস ও বিদ্যুতের অভাবে চালু প্রতিষ্ঠানগুলোই যেখানে উৎপাদন ধরে রাখতে পারছে না, সেখানে বছরের পর বছর বন্ধ থাকা কারখানা সচল করে উৎপাদন অব্যাহত রাখা কঠিন হতে পারে।
উদ্যোক্তারা বলছেন, দীর্ঘদিন বন্ধ থাকা কারখানার পরিবর্তে বর্তমানে সচল থাকলেও সংকটে পড়া প্রতিষ্ঠানগুলোকে আগে সহায়তা দেওয়া প্রয়োজন। অন্যথায় নতুন করে ঋণখেলাপি ও ব্যাংক ঝুঁকি বাড়তে পারে। বিকেএমইএর সদস্য প্রতিষ্ঠান প্রায় ২ হাজার থেকে কমে বর্তমানে ৮০০-এর মতো সক্রিয় রয়েছে। দীর্ঘদিন বন্ধ থাকা ‘গ্রিন সোয়েটার’ নামের একটি প্রতিষ্ঠান গত এক বছরেও চালু করা সম্ভব হয়নি বলেও জানান সংশ্লিষ্টরা।
অর্থনীতিবিদদের মতে, কম সুদের ঋণের মাধ্যমে বন্ধ শিল্পপ্রতিষ্ঠান পুনরুজ্জীবিত করা গেলে অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে। তবে ঋণ দেওয়ার আগে প্রতিষ্ঠান যাচাই, অর্থের সঠিক ব্যবহার ও কঠোর তদারকি নিশ্চিত করতে হবে। একই সঙ্গে শিল্পে নিরবচ্ছিন্ন গ্যাস ও বিদ্যুৎ সরবরাহের বিষয়টিও গুরুত্ব দিতে হবে।
প্রণোদনা প্যাকেজে অর্থ দিতে সম্মত ১৭ ব্যাংক হলো- সোনালী, অগ্রণী, রূপালী, ব্র্যাক, সিটি, যমুনা, ডাচ্-বাংলা, মিউচুয়াল ট্রাস্ট, উত্তরা, প্রাইম, ব্যাংক এশিয়া, এনসিসি, পূবালী, ইস্টার্ন, মার্কেন্টাইল, ট্রাস্ট ও সাউথইস্ট ব্যাংক।
এর মধ্যে সোনালী ব্যাংক ২০ হাজার কোটি, অগ্রণী ও রূপালী ব্যাংক ২ হাজার কোটি টাকা করে দেওয়ার কথা জানিয়েছে। তবে চলমান সংকটের কারণে অনেক ব্যাংক তহবিলে অর্থ দিতে অনাগ্রহী হলেও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পক্ষ থেকে চাপ প্রয়োগের অভিযোগ রয়েছে।
ব্যাংক কর্মকর্তারা বলেন, বিনিয়োগ বাড়াতে গ্যাসের সহজলভ্যতা, আইনশৃঙ্খলা ও রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা জরুরি। গ্যাস না থাকলে কম সুদের ঋণ দিয়েও কারখানা চালানো সম্ভব নয়।
গত ২৩ মে বন্ধ কলকারখানা চালু ও স্থবির অর্থনীতিকে সচল করতে ৬০ হাজার কোটি টাকার প্যাকেজ ঘোষণা করে বাংলাদেশ ব্যাংক। এর মধ্যে ৪১ হাজার কোটি টাকা দেবে বাণিজ্যিক ব্যাংক এবং ১৯ হাজার কোটি টাকা আসবে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পুনঃঅর্থায়ন তহবিল থেকে। প্যাকেজের ২০ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে বন্ধ কারখানা চালুর জন্য। এ তহবিল থেকে বেসরকারি খাত গড়ে সাড়ে ৭ শতাংশ সুদে ঋণ পাবে।
নিজস্ব প্রতিবেদক : ছাত্র জনতার গণঅভ্যুত্থানে দেশ ছেড়ে পালানোর সময় শেখ হাসিনাকে ভারতে নিতে সে দেশের সেনাবাহিনী বা বিà¦...বিস্তারিত
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : চলতি মাসে বঙ্গোপসাগরে ঘূর্ণিঝড় সৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। পাশাপাশি মাসের প্র...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, দু-একটি অঘট...বিস্তারিত
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : ময়মনসিংহ প্রতিনিধি : ময়মনসিংহ নগরের রহমতপুর বাইপাস সড়কে রাজীব পরিবহনের বাসের সঙ্গে সিএনজিচালিত à¦...বিস্তারিত
চট্টগ্রাম ব্যুরো : : চট্টগ্রাম বন্দরের নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল (এনসিটি) ও এর ওভারফ্লো কনটেইনার ইয়ার্ড পরিচালনায় আ...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেছেন, কাঁচা পাট রপ্তানি করে নয়, পাটকে উচ্চমূল্যের à...বিস্তারিত
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৯ - © 2026 Dainik Amader Bangla | Developed By Muktodhara Technology Limited