শিরোনাম
আমাদের বাংলা ডেস্ক : | ০৫:৪৬ পিএম, ২০২৬-১০-২৪
খোরশেদ আলম,বাঘাইছড়ি প্রতিনিধি:
পার্বত্য জেলা রাঙামাটির জনপ্রিয় পর্যটন অঞ্চল সাজেকের চাইল্যাতলী এলাকায় আঞ্চলিক সশস্ত্র সন্ত্রাসী সংগঠন ইউপিডিএফ (প্রসীত) এবং জেএসএস (সন্তু)-এর মধ্যে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে ঘটে যাওয়া রক্তক্ষয়ী সংঘাতের জেরে পুরো এলাকায় চরম উত্তেজনা ও থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে।
গত ২৯ সেপ্টেম্বর (মঙ্গলবার) দুপুরে দুই পক্ষের মধ্যে শুরু হওয়া রক্তক্ষয়ী সংঘাত চলাকালে ৭ বছরের নিষ্পাপ শিশু সঞ্জিতা ত্রিপুরা গুলিবিদ্ধ হয়। এই সংঘর্ষের পর দীর্ঘদিন ধরে ইউপিডিএফের নিয়ন্ত্রণে থাকা সাজেকের মাচলং, থালকুম্ভো, চিল্ল্যাতুলি কুটির, নোয়াপাড়া, লাম্বাবাক ও ভুয়োছড়িসহ বিভিন্ন এলাকা ছেড়ে দিতে বাধ্য হয় সংগঠনটি। সেখানে শক্তিমত্তা জানান দিয়ে সক্রিয় অবস্থান নেয় পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি (জেএসএস-সন্তু গ্রুপ)। এতে আতঙ্কে শতাধিক স্থানীয় বাসিন্দা বাড়িঘর ছেড়ে নিরাপদ আশ্রয়ে চলে যান।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সাজেক কারবারী অ্যাসোসিয়েশন ও সাজেক গণ অধিকার রক্ষা কমিটি যৌথ সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জেএসএস সন্ত্রাসীদের দখল করা এলাকা ছাড়ার দাবি জানায় এবং ১১ অক্টোবর থেকে ২১ অক্টোবর পর্যন্ত সাজেকে অবরোধের ডাক দেয়।
এমতাবস্থায় পর্যটকদের সুরক্ষার কথা বিবেচনা করে রাঙামাটি জেলা প্রশাসক নাজমা আশরাফি অননির্দিষ্ট সময়ের জন্য সাজেক ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা জারি করেন এবং অবস্থানরত পর্যটকদের নিজ নিজ গন্তব্যে ফিরে যাওয়ার নির্দেশ দেন। পরবর্তীতে সেনাবাহিনীর প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে প্রায় ২,৯৩৩ জন পর্যটককে নিরাপদে সরিয়ে নেওয়া হয়।
পরবর্তীতে সাজেক মাচালং বাজার দুর্গাপূজা উদযাপন কমিটির অনুরোধ ও ধর্মীয় উৎসবের প্রতি সম্মান জানিয়ে সাজেক কার্বারি অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি নতুন জয় চাকমা এবং সাজেক গণঅধিকার রক্ষা কমিটির আহ্বায়ক বাবুধন চাকমা যৌথ বিবৃতিতে অবরোধ কিছুটা শিথিল করেন। তবে ২২ অক্টোবর আবারও নতুন করে অবরোধের ডাক দেওয়া হয়। সেসময় সাজেকে আটকে পড়া পর্যটকদের সরিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করা হলে সশস্ত্র অবরোধকারীরা বাধা দেয় এবং সেনা সদস্য ও পর্যটকদের লক্ষ্য করে গুলিবর্ষণ শুরু করে। সেনাবাহিনীও পাল্টা গুলি ছুড়ে নিরাপদে পর্যটকদের সরিয়ে আনে।
এরই ধারাবাহিকতায় আজ ২৪ অক্টোবর (শনিবার) 'ছাত্র-জনতার সংগ্রাম পরিষদ'-এর ব্যানারে রাঙামাটি ও খাগড়াছড়ি জেলায় আধাবেলা শান্তিপূর্ণ সড়ক ও নৌপথ অবরোধ কর্মসূচি পালিত হচ্ছে।
অবরোধ চলাকালে সাজেক, রাঙামাটি ও খাগড়াছড়ির বিভিন্ন নির্জন সড়কে গাছের গুঁড়িতে আগুন জ্বালিয়ে পিকেটারদের অবস্থান নিতে দেখা গেছে। এর ফলে বাঘাইছড়ি, দীঘিনালা, বাঘাইহাট এবং খাগড়াছড়ি থেকে দূরপাল্লার সব ধরনের যানবাহন চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ রয়েছে।
অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে এবং সার্বিক আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে এলাকায় পুলিশ, বিজিবি ও সেনাবাহিনীর টহল জোরদার করা হয়েছে। নিরাপত্তা বাহিনীর টহল জোরদার হতে দেখে অবরোধকারীরা সটে পড়ে। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত কোথাও বড় ধরনের কোনো সহিংসতার ঘটনা ঘটেনি।
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : অভিজ্ঞ ব্যাংকার মিজ মেহের সুলতানা পদোন্নতি পেয়ে বাংলাদেশ হাউজ বিল্ডিং ফাইনান্স কর্পোরেশনের (বিএà...বিস্তারিত
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : ১৯৪৭ সালের ১৫ আগস্ট। সারা ভারত যখন স্বাধীনতার আনন্দে মেতে উঠেছে, তখন মুর্শিদাবাদের মানুষের কাছে সà...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক :: : ইসলামী ব্যাংককে ঘিরে অস্থিরতা কোনোভাবেই কমছে না। গত রোববার আবারও ইসলামী ব্যাংকের প্রধান কার্যালà...বিস্তারিত
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : কুড়িগ্রাম জেলা প্রতিনিধি : কুড়িগ্রাম ব্যাটালিয়ন (২২ বিজিবি) সীমান্ত এলাকায় পরিচালিত বিশেষ à...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : অ্যাডহক কমিটির সভাপতি হিসেবে দুই মাস দায়িত্ব পালনের পর এবার বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের নির্বাচিত স...বিস্তারিত
চট্টগ্রাম ব্যুরো : : চট্টগ্রাম নগরের ফয়’স লেক চিড়িয়াখানার প্রবেশমুখে অবস্থিত একটি আবাসিক হোটেল থেকে মোহাম্মদ রিপন ও...বিস্তারিত
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৯ - © 2026 Dainik Amader Bangla | Developed By Muktodhara Technology Limited