বাংলাদেশ   সোমবার, ৫ অক্টোবর ২০২৬  

শিরোনাম

মৃত্যুর পর নয়, জীবিত অবস্থাতেই ক্ষমা করুন

আমাদের বাংলা ডেস্ক :    |    ০৫:১৬ পিএম, ২০২৬-১০-০৪

মৃত্যুর পর নয়, জীবিত অবস্থাতেই ক্ষমা করুন

মাহাবুব রহমান দুর্জয় :
মানুষের জীবন খুবই ক্ষণস্থায়ী। অথচ এই অল্প সময়ের জীবনেই আমরা কত সম্পর্ক গড়ে তুলি, কত মানুষকে আপন করে নিই, আবার কত সামান্য কারণে সেই সম্পর্ক ভেঙেও ফেলি। কখনো একটি ভুল কথা, কখনো একটি ভুল বোঝাবুঝি, কখনো অভিমান, কখনো প্রত্যাশা পূরণ না হওয়া, আবার কখনো নিছক অহংকারের কারণে বছরের পর বছর কাছের মানুষটির সঙ্গে কথা বলা বন্ধ রাখি। মনে মনে ক্ষোভ পুষে রাখি। সুযোগ পেলেও এগিয়ে যাই না। অথচ যার প্রতি এত অভিমান, এত রাগ, এত অভিযোগ, সেই মানুষটিই হয়তো একদিন হঠাৎ আমাদের জীবন থেকে চিরতরে চলে যাবে।

তখন আমরা তার জানাজায় দাঁড়িয়ে বলি, মানুষটি ভালো ছিল। তার কোনো ভুল থাকলে ক্ষমা করে দিলাম। কেউ কেউ চোখের পানি ফেলতে ফেলতে বলেন, তার সঙ্গে আরেকটু ভালো ব্যবহার করা উচিত ছিল। কেউ আফসোস করেন, শেষবার যদি কথা বলতে পারতাম! কেউ বলেন, শেষ দেখা হওয়ার সুযোগটাও পেলাম না। তখন মনে হয়, এতদিনের রাগ, অভিমান, অভিযোগ আর ক্ষোভের আসলে কী মূল্য ছিল?

প্রশ্ন হলো, এই উপলব্ধি কি মৃত্যুর পরেই আসতে হবে?

মানুষকে ক্ষমা করার জন্য কেন তার মৃত্যুর অপেক্ষা করতে হবে? কেন জীবিত অবস্থায় আমরা একটি হাত বাড়িয়ে দিতে পারি না? কেন বলতে পারি না, ভুল হয়েছে, থাক, আর নয়? কেন বলতে পারি না, আমাদের সম্পর্কটি একটি ভুলের চেয়ে অনেক বড়? কেন আমরা মনে করি ক্ষমা করে দিলে আমরা ছোট হয়ে যাব?

বাস্তবতা হলো, ক্ষমা মানুষকে ছোট করে না। বরং ক্ষমা করার ক্ষমতা মানুষকে বড় করে। প্রতিশোধ নেওয়া সহজ, রাগ করে দূরে সরে থাকা সহজ, সম্পর্ক ছিন্ন করা সহজ। কঠিন হলো নিজের অহংকারকে পাশে সরিয়ে রেখে বলা, তোমার ভুল আমি ক্ষমা করে দিলাম। আরও কঠিন হলো নিজের ভুল স্বীকার করে বলা, আমাকে ক্ষমা করো।

আমাদের সমাজে আজ সম্পর্কের সংকট যতটা না মানুষের অভাবের কারণে, তার চেয়ে বেশি অহংকারের কারণে। মানুষ মানুষের পাশে আছে, কিন্তু হৃদয়ের দূরত্ব বেড়ে যাচ্ছে। একই পরিবারের মানুষ একসঙ্গে বসে থেকেও একে অপরের সঙ্গে কথা বলে না। ভাইয়ের সঙ্গে ভাইয়ের সম্পর্ক নষ্ট হয় সামান্য সম্পত্তির কারণে। বন্ধুত্ব ভেঙে যায় একটি কথার ভুল ব্যাখ্যায়। আত্মীয়তার সম্পর্ক নষ্ট হয় কে আগে ফোন করল, কে নিমন্ত্রণ করল, কে খোঁজ নিল না, এমন ছোটখাটো বিষয় নিয়ে। স্বামী স্ত্রী পরস্পরের প্রতি ভালোবাসা থাকা সত্ত্বেও দীর্ঘদিন কথা না বলে থাকেন। সন্তানের সঙ্গে বাবা মায়ের দূরত্ব তৈরি হয় অভিমান থেকে।

আর আশ্চর্যের বিষয় হলো, এসব সম্পর্কের অধিকাংশই ভাঙার মতো বড় কোনো কারণ থাকে না। বড় কোনো অপরাধ নয়, বড় কোনো বিশ্বাসঘাতকতা নয়। অনেক সময় সম্পর্ক নষ্ট হয় ক্ষুদ্র একটি ঘটনাকে বড় করে দেখার কারণে।

আমরা ভুলে যাই, মানুষ মাত্রই ভুল করে। কেউই সম্পূর্ণ নির্ভুল নয়। আজ যে মানুষটির ভুল নিয়ে আমরা ক্ষুব্ধ, কাল হয়তো সেই মানুষটির জায়গায় আমাদেরও দাঁড়াতে হতে পারে। আজ আমরা যে অপরাধকে ক্ষমার অযোগ্য মনে করছি, অন্য কোনো সময়ে আমাদের ভুলের জন্যও হয়তো কারও ক্ষমা প্রয়োজন হবে।

মহান আল্লাহ ক্ষমাশীল। ইসলামের অন্যতম বড় শিক্ষা হলো ক্ষমা, দয়া এবং মানুষের প্রতি সহমর্মিতা। আমরা যখন আল্লাহর কাছে নিজেদের ভুলের জন্য ক্ষমা চাই, তখন প্রত্যাশা করি তিনি আমাদের ক্ষমা করবেন। কিন্তু একই সঙ্গে আমরা নিজেরাই যদি অন্যের সামান্য ভুল ক্ষমা করতে না পারি, তাহলে আমাদের নিজেদের অবস্থান নিয়ে একবার ভাবা প্রয়োজন।

আমরা আল্লাহর বান্দা। তাহলে আমাদের হৃদয়ে এত অহংকার কেন? এত হিংসা কেন? এত বিদ্বেষ কেন? অন্যের ভুল মনে রাখার প্রবণতা এত বেশি কেন? মানুষটি একবার কষ্ট দিয়েছে বলে তার দেওয়া শত ভালোবাসা কেন আমরা ভুলে যাই? একটি ভুলকে কেন তার পুরো চরিত্রের পরিচয় বানিয়ে ফেলি?

মানুষের ভুলকে ভুল হিসেবে দেখার মানসিকতা আমাদের হারিয়ে যাচ্ছে। আমরা ভুলের বিচার করি, কিন্তু ভুলের পেছনের মানুষটিকে দেখি না। আমরা কথাটি শুনি, কিন্তু কথার পেছনের কষ্টটি বোঝার চেষ্টা করি না। আমরা আচরণ দেখি, কিন্তু আচরণের কারণ খুঁজে দেখি না।

একজন মানুষ হয়তো কঠিন একটি সময়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছিল। হয়তো সে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত ছিল। হয়তো তার কথাটি ঠিক ছিল না, কিন্তু তার উদ্দেশ্য খারাপ ছিল না। আবার এমনও হতে পারে, সত্যিই সে ভুল করেছে। কিন্তু ভুল করার পরও কি তার সংশোধনের সুযোগ নেই?

আমরা যদি প্রত্যেক মানুষের প্রতিটি ভুলের জন্য সম্পর্ক ছিন্ন করতে থাকি, তাহলে শেষ পর্যন্ত আমাদের পাশে মানুষ থাকবে না। কারণ মানুষ ভুল করবে। কখনো সচেতনভাবে, কখনো অসচেতনভাবে। কখনো কথায়, কখনো কাজে। কখনো রাগের মাথায়, কখনো পরিস্থিতির চাপে। মানুষের সৌন্দর্য তার ভুল না করায় নয়, বরং ভুলের পর নিজেকে সংশোধন করার মধ্যেও রয়েছে।

ক্ষমা মানে অন্যায়ের সমর্থন নয়। ক্ষমা মানে অপরাধকে বৈধতা দেওয়া নয়। ক্ষমা মানে নিজের হৃদয়কে বিষমুক্ত করা। যে মানুষ অন্যায় করেছে, তার অন্যায়কে অন্যায় বলেই স্বীকার করা যায়। প্রয়োজনে দূরত্বও রাখা যায়। কিন্তু সারাজীবন ঘৃণা পুষে রেখে নিজের মনকে ভারী করে রাখার কোনো প্রয়োজন নেই।

সবচেয়ে বড় কথা, ক্ষমা করার সুযোগ জীবিত অবস্থাতেই সবচেয়ে মূল্যবান।

একজন মানুষ যখন আমাদের সামনে আছে, তখন তাকে ক্ষমা করার অর্থ হলো তাকে নতুন করে বাঁচার সুযোগ দেওয়া। সম্পর্ককে নতুন করে গড়ে তোলার সুযোগ দেওয়া। নিজের হৃদয়কেও শান্ত করার সুযোগ দেওয়া। কিন্তু মানুষটি চলে যাওয়ার পর তার কবরের পাশে দাঁড়িয়ে ক্ষমা চাওয়া কিংবা জানাজায় দাঁড়িয়ে বলা যে তাকে ক্ষমা করে দিলাম, তখন আর সেই ক্ষমার উষ্ণতা তার কাছে পৌঁছায় না।

মৃত মানুষকে ক্ষমা করা সহজ। কারণ সে আর উত্তর দিতে পারে না, ফিরে এসে সম্পর্কটি নতুন করে গড়তে পারে না। কিন্তু জীবিত একজন মানুষকে ক্ষমা করা কঠিন। কারণ সেখানে নিজের অহংকারকে হারাতে হয়। নিজের অভিমানকে নিয়ন্ত্রণ করতে হয়। প্রথমে ফোন করার সাহস করতে হয়। বলতে হয়, যা হয়েছে তা ভুলে যাই।

কখনো কখনো একটি ফোন একটি পরিবারকে বাঁচাতে পারে। একটি বার্তা দুই বন্ধুর সম্পর্ক ফিরিয়ে দিতে পারে। একটি আন্তরিক ক্ষমা চাওয়া বহু বছরের দূরত্ব কমিয়ে দিতে পারে। একটি ছোট্ট আলিঙ্গন অনেক জমে থাকা কষ্টকে মুছে দিতে পারে।

কিন্তু আমরা সেই সুযোগগুলো নষ্ট করি।

আমরা ভাবি, আগে সে ফোন করুক। আগে সে ক্ষমা চাইুক। আগে সে এগিয়ে আসুক। আগে সে নিজের ভুল স্বীকার করুক। এই আগে আগে করতে করতে কখন যে সময় শেষ হয়ে যায়, আমরা বুঝতেও পারি না।

জীবন কাউকে অপেক্ষা করে না। আজ যে মানুষটি আমাদের পাশে আছে, কাল সে থাকবে কি না আমরা জানি না। আজ যে বাবার সঙ্গে অভিমান করে কথা বলছি না, কাল হয়তো তার কণ্ঠ আর শুনতে পাব না। আজ যে ভাইয়ের সঙ্গে সম্পর্ক নেই, কাল হয়তো তার জানাজায় দাঁড়াতে হবে। আজ যে বন্ধুকে একটি কথার জন্য ক্ষমা করছি না, কাল হয়তো তার স্মৃতিই আমাদের চোখে পানি এনে দেবে।

তখন আফসোস হবে। কিন্তু আফসোস দিয়ে হারানো মানুষ ফিরে আসে না।

তাই ক্ষমা করার সময় এখনই। ভালোবাসার সময় এখনই। সম্পর্ক মেরামতের সময় এখনই। যাকে নিয়ে মনে কষ্ট আছে, সম্ভব হলে তার সঙ্গে কথা বলুন। ভুল বোঝাবুঝি থাকলে পরিষ্কার করুন। নিজের ভুল থাকলে ক্ষমা চান। অন্যের ভুল থাকলে ক্ষমা করে দিন। সব সম্পর্ক আগের জায়গায় ফিরবে না, সব মানুষও বদলে যাবে না। তবু নিজের হৃদয়কে ঘৃণার ভার থেকে মুক্ত করা সম্ভব।

আমাদের সমাজে শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য বড় বড় বক্তব্যের পাশাপাশি ছোট ছোট মানবিক উদ্যোগ প্রয়োজন। ক্ষমা সেই উদ্যোগগুলোর একটি। পরিবারে ক্ষমা দরকার, বন্ধুত্বে ক্ষমা দরকার, কর্মক্ষেত্রে ক্ষমা দরকার, প্রতিবেশীর সঙ্গে সম্পর্কে ক্ষমা দরকার। রাষ্ট্রীয় ও সামাজিক সম্পর্কেও সহনশীলতা দরকার।

আমরা যদি প্রতিটি ভুলের জবাব আরেকটি ভুল দিয়ে দিতে থাকি, তাহলে বিরোধ কখনো শেষ হবে না। একজনের রাগ আরেকজনের রাগকে বাড়াবে। একজনের প্রতিশোধ আরেকজনের প্রতিশোধের জন্ম দেবে। কিন্তু কেউ যদি এক জায়গায় দাঁড়িয়ে বলে, আর নয়, এখানেই শেষ, আমি ক্ষমা করলাম, তখনই একটি বিরোধের সমাপ্তি হতে পারে।

ক্ষমা দুর্বলতার পরিচয় নয়। ক্ষমা হলো আত্মসংযমের শক্তি। যে মানুষ প্রতিশোধ নেওয়ার সুযোগ পেয়েও ক্ষমা করতে পারে, সে নিজের আবেগের ওপর নিয়ন্ত্রণ রাখতে পারে। সে জানে, জীবন এত ছোট যে ঘৃণা করার জন্য সময় নষ্ট করার মতো সময় আমাদের হাতে নেই।

আমাদের প্রত্যেকেরই জীবনে এমন মানুষ আছে, যাদের সঙ্গে কোনো না কোনো কারণে দূরত্ব তৈরি হয়েছে। হয়তো সেই মানুষটি খুব কাছের। হয়তো বহুদিন কথা নেই। হয়তো মনে হচ্ছে, আগে সে আসুক। কিন্তু একটু ভেবে দেখুন, সম্পর্কটি যদি সত্যিই মূল্যবান হয়, তাহলে শুধু অহংকারের কারণে তাকে হারিয়ে ফেলা কি বুদ্ধিমানের কাজ?

একদিন হয়তো আমরা সবাই চলে যাব। তখন আমাদের সম্পদ থাকবে, ঘর থাকবে, ছবি থাকবে, স্মৃতি থাকবে। কিন্তু আমরা থাকব না। তখন মানুষ আমাদের সম্পর্কে কী বলবে, সেটিই হয়তো গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে। মানুষ যেন বলতে পারে, তিনি মানুষকে ভালোবাসতেন। তিনি ক্ষমা করতে জানতেন। তিনি সম্পর্ক ধরে রাখতে চেষ্টা করতেন। তিনি কারও ভুলকে সারাজীবনের শাস্তি বানিয়ে দেননি।

মৃত্যুর পর জানাজায় দাঁড়িয়ে কাউকে ক্ষমা করার চেয়ে জীবিত অবস্থায় তার হাত ধরে বলা অনেক বেশি সুন্দর, তোমাকে ক্ষমা করে দিলাম। তোমার সঙ্গে আমার কোনো অভিযোগ নেই। চল, আবার শুরু করি।

হয়তো সেই একটি বাক্য একটি মানুষের জীবন বদলে দিতে পারে। হয়তো একটি পরিবারে শান্তি ফিরিয়ে আনতে পারে। হয়তো একটি বন্ধুত্ব বাঁচাতে পারে। হয়তো একটি সন্তানের সঙ্গে বাবার দূরত্ব কমাতে পারে। হয়তো দুই ভাইকে আবার পাশাপাশি বসাতে পারে।

আমরা জানি না, আমাদের হাতে কতটা সময় আছে। তাই সম্পর্ক নষ্ট করে সময় পার করার কোনো অর্থ নেই। ক্ষুদ্র বিষয়কে বড় করে দেখার কোনো প্রয়োজন নেই। প্রতিটি কথার হিসাব রাখা, প্রতিটি কষ্টের প্রতিশোধ নেওয়া, প্রতিটি ভুল মনে রাখা জীবনের উদ্দেশ্য হতে পারে না।

মনে রাখা দরকার, মানুষকে একদিন মরতেই হবে। কিন্তু তার আগে মানুষ হিসেবে আমাদের বেঁচে থাকতে হবে। সেই বেঁচে থাকায় যদি ভালোবাসা থাকে, ক্ষমা থাকে, সহমর্মিতা থাকে, তাহলে আমাদের চারপাশটাও একটু সুন্দর হবে।

তাই কারও ভুলে তাকে সারাজীবনের জন্য হারিয়ে ফেলবেন না। সম্ভব হলে আজই ক্ষমা করে দিন। সম্ভব হলে আজই কথা বলুন। সম্ভব হলে আজই অভিমান ভাঙান। কারণ আগামীকাল হয়তো সুযোগটি আর থাকবে না।

মৃত্যুর পর ক্ষমা করার জন্য অপেক্ষা না করে জীবিত অবস্থাতেই ক্ষমা করি। মানুষের ভুলকে মানবিক চোখে দেখি। অহংকারের দেয়াল ভেঙে সম্পর্ককে আরেকটি সুযোগ দিই। কারণ শেষ পর্যন্ত মানুষ তার সম্পদ, ক্ষমতা কিংবা অহংকার দিয়ে নয়, তার ভালোবাসা, ক্ষমা এবং মানবিকতা দিয়েই মানুষের হৃদয়ে বেঁচে থাকে।

লেখক : মানবাধিকার সংগঠক, গ্রন্থকার ও কলামিস্ট 

রিটেলেড নিউজ

পুরুষের কুরুচি, নারীর অপমান: যে দৃষ্টির কারণে ভাঙে সংসার

পুরুষের কুরুচি, নারীর অপমান: যে দৃষ্টির কারণে ভাঙে সংসার

আমাদের বাংলা ডেস্ক : : মাহাবুব রহমান দুর্জয় : সমাজে কিছু আচরণ আছে, যেগুলোকে আমরা এতদিন ধরে স্বাভাবিক বলে মেনে নিতে নিতে à...বিস্তারিত


ম্যান্ডেলার শিক্ষা: বাংলাদেশের রাজনীতির জন্যও এক অনিবার্য পাঠ

ম্যান্ডেলার শিক্ষা: বাংলাদেশের রাজনীতির জন্যও এক অনিবার্য পাঠ

আবদুল্লাহ মজুমদার : : ইতিহাসে কিছু মানুষ জন্ম নেন একটি দেশকে বদলে দিতে, আবার কিছু মানুষ তাঁদের জীবন ও আদর্শ দিয়ে সমগ্র বà...বিস্তারিত


সশস্ত্র বাহিনীতে দুই দশকের নীরব অবিচার

সশস্ত্র বাহিনীতে দুই দশকের নীরব অবিচার

আমাদের বাংলা ডেস্ক : : মে. জে. (অব.) এইচআরএম রোকন উদ্দিন প্রায় দুই দশক ধরে বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনীর ভেতরে একটি নীরব যন্ত্à...বিস্তারিত


বাংলাদেশের জন্য সুবর্ণ সুযোগ

বাংলাদেশের জন্য সুবর্ণ সুযোগ

আমাদের বাংলা ডেস্ক : : মেজর (অব.) মনজুর কাদের সম্রাট নেপোলিয়ন বলেছিলেন, ‘চীনকে ঘুমাতে দাও; যখন সে জেগে উঠবে, সে বিশ্বকে কাà¦...বিস্তারিত


বন্ধ শিল্প পুনরুজ্জীবন কৌশল

বন্ধ শিল্প পুনরুজ্জীবন কৌশল

আমাদের বাংলা ডেস্ক : : কাজী আব্দুল্লাহ আল বোরহান রিজভী বাংলাদেশ গত এক দশকে অবকাঠামো উন্নয়ন, রপ্তানি প্রবৃদ্ধি এবং সামাজà...বিস্তারিত


মানুষের ভিড়ে সব অমানুষ! বিবেকের মৃত্যু হলে সভ্যতা শুধু নামেই টিকে থাকে

মানুষের ভিড়ে সব অমানুষ! বিবেকের মৃত্যু হলে সভ্যতা শুধু নামেই টিকে থাকে

আমাদের বাংলা ডেস্ক : : জাহাঙ্গীর আলম, সাংবাদিক ও কলামিস্ট আমরা এমন এক সময়ে বাস করছি, যেখানে মানুষের সংখ্যা বাড়ছে, কিন্তà...বিস্তারিত



সর্বপঠিত খবর

দশম শ্রেণির ছাত্রীকে গণধর্ষণ করে ভিডিও ধারণ, গ্রেফতার ২

দশম শ্রেণির ছাত্রীকে গণধর্ষণ করে ভিডিও ধারণ, গ্রেফতার ২

নোয়াখালী প্রতিনিধি : : নোয়াখালীর বেগমগঞ্জের দশম শ্রেণির এক স্কুলছাত্রী (১৭) গণধর্ষণের শিকার হয়েছে। এ ঘটনায় সম্পৃক্তার অà¦...বিস্তারিত


সৌদি আরবে  গাড়ির নির্দিষ্ট গতি  অমান্য করলে  ২ হাজার রিয়াল জরিমানা 

সৌদি আরবে  গাড়ির নির্দিষ্ট গতি  অমান্য করলে  ২ হাজার রিয়াল জরিমানা 

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : : সৌদি ট্রাফিক কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে যে, স্পীড লিমিট এর চাইতে অধিক গতিতে যানবাহন চালানো ব্যক্তিদের উপà¦...বিস্তারিত



সর্বশেষ খবর