শিরোনাম
আমাদের বাংলা ডেস্ক : | ০১:১৬ পিএম, ২০২৫-০৬-২১
বাংলাদেশে সুশাসন, সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর জবাবদিহিতা এবং আর্থিক খাতের স্থিতিশীলতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ৫০ কোটি মার্কিন ডলারের একটি নতুন উন্নয়ন সহায়তা অনুমোদন করেছে বিশ্বব্যাংক। শনিবার (২১ জুন) গণমাধ্যমে পাঠানো বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
‘গভর্নেন্স ও প্রাতিষ্ঠানিক সহনশীলতা জোরদার নীতিগত ঋণ কর্মসূচি’ শীর্ষক এই অর্থায়ন কার্যক্রমটি সরকারের গুরুত্বপূর্ণ সংস্কার উদ্যোগগুলো বাস্তবায়নে সহায়তা করবে। যার মধ্যে রয়েছে রাজস্ব আহরণ বাড়ানো, আর্থিক খাতের ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা জোরদার এবং সরকারি ব্যয়ের স্বচ্ছতা নিশ্চিতকরণ।
বিশ্বব্যাংকের অন্তর্বর্তীকালীন কান্ট্রি ডিরেক্টর গেইল মার্টিন বলেন, ‘বাংলাদেশের অর্থনীতিকে টেকসইভাবে এগিয়ে নিতে হলে সরকারি অর্থ ব্যয় ব্যবস্থাপনার উন্নতি অপরিহার্য। সরকার যেসব সংস্কারমূলক পদক্ষেপ নিচ্ছে, তা প্রাতিষ্ঠানিক জবাবদিহি ও জনসেবার মানোন্নয়নে সহায়ক হবে।’
বাংলাদেশ বর্তমানে মধ্যম আয়ের দেশগুলোর মধ্যে অন্যতম সর্বনিম্ন রাজস্ব-জিডিপি অনুপাতে রয়েছে, যা সরকারের জনগণের জন্য মানসম্মত সেবা দেওয়ার সক্ষমতাকে সীমিত করে রাখে। নতুন এই কর্মসূচির আওতায় কর প্রশাসন ও নীতিনির্ধারণ প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও দক্ষতা বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হবে। কর ছাড় প্রদানে সংসদের অনুমোদন বাধ্যতামূলক করে তোলা হবে, যা বর্তমানে খণ্ডকালীন ও অসংগঠিত পদ্ধতির পরিবর্তন ঘটাবে।
এছাড়া আর্থিক খাতে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে করপোরেট গভর্নেন্স ও ঝুঁকি ব্যবস্থাপনার কাঠামো আন্তর্জাতিক মানের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করা হবে। ব্যাংক খাতে সম্ভাব্য ঝুঁকি মোকাবিলায় বাংলাদেশ ব্যাংককে পূর্ণাঙ্গ রেজুলেশন ক্ষমতা প্রদান করা হবে।
সরকারি প্রকল্প বাস্তবায়নে স্বচ্ছতা বৃদ্ধির অংশ হিসেবে ২০২৭ সালের মধ্যে সহ প্রকল্প প্রস্তাবনা প্রকাশ বাধ্যতামূলক করা হবে। ইলেকট্রনিক সরকারি ক্রয় (ই-জিপি) ব্যবস্থা সর্বত্র বাধ্যতামূলক করা হবে, উপকারভোগীর প্রকৃত পরিচয় প্রকাশ ও দর সীমা তুলে নেওয়ার মতো উদ্যোগে প্রতিযোগিতা বাড়বে এবং দুর্নীতির ঝুঁকি কমবে। একইসঙ্গে হিসাব মহানিয়ন্ত্রকের কার্যালয়ের নিরীক্ষা সক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে, যা আর্থিক জবাবদিহিতা আরও দৃঢ় করবে।
এ ছাড়া বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর স্বাধীনতা নিশ্চিত করে ডেটা স্বচ্ছতা বাড়ানো হবে, যাতে সেবার মান উন্নত হয়। সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচিতে লক্ষ্যভিত্তিক সহায়তা নিশ্চিত করতে একটি ডায়নামিক সামাজিক নিবন্ধন পদ্ধতি চালু করা হবে।
বিশ্বব্যাংকের সিনিয়র অর্থনীতিবিদ ও প্রকল্প পরিচালক ধ্রুব শর্মা বলেন, “এই অর্থায়ন বাংলাদেশের নাগরিকদের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার প্রত্যাশার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। এতে রাজস্ব আহরণ, আর্থিক খাতের স্থিতিশীলতা এবং সরকারি সেবার মানোন্নয়নে সরকারের সংস্কার এজেন্ডা বাস্তবায়নে গতি আসবে।”
এই অর্থায়নের মাধ্যমে ২০২৫ অর্থবছরে বাংলাদেশের জন্য বিশ্বব্যাংকের মোট নতুন প্রতিশ্রুতি দাঁড়ালো ৩ দশমিক ০৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। স্বাধীনতা-পরবর্তী সময় থেকে এখন পর্যন্ত বাংলাদেশকে বিশ্বব্যাংক প্রায় ৪৬ বিলিয়ন ডলার অনুদান, সুদমুক্ত ও স্বল্পসুদে ঋণ দিয়েছে।
নিজস্ব প্রতিবেদক : গ্রাহকদের ডিজিটাল আর্থিক লেনদেনকে আরও সহজ, দ্রুত ও নিরাপদ করতে নতুন অ্যাপ চালু করেছে ডাক বিভাগের ম...বিস্তারিত
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : নারী উদ্যোক্তাদের অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন, আর্থিক অন্তর্ভুক্তি এবং টেকসই ব্যবসায়িক কার্যক্রমে উৎসাহ...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : বাংলাদেশের তৈরি পোশাক রফতানি খাতের বড় অংশজুড়েই রয়েছে মৌলিক বা ‘বেসিক’ পণ্য। টি-শার্ট, প্যান্ট, à...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : চলমান গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকটের ফলে তৈরি পোশাকের রপ্তানি আয় এবং নতুন কাজের আদেশ কমে যাওয়ায় এর নেতিবাচ...বিস্তারিত
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : ব্যয় কমানোর লক্ষ্যে নতুন গাড়ি কেনা, সরকারি কর্মকর্তাদের গাড়ি ঋণ বিতরণ, থোক বরাদ্দ থেকে ব্যয় বন্ধসহ...বিস্তারিত
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে সৌহার্দ্য, পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও আস্থার পরিবেশ à¦...বিস্তারিত
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৯ - © 2026 Dainik Amader Bangla | Developed By Muktodhara Technology Limited