বাংলাদেশ   মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬  

শিরোনাম

ভালো নির্বাচনের জন্য সবার সহযোগিতা লাগবে : সিইসি

নিজস্ব প্রতিবেদক    |    ০১:১৩ পিএম, ২০২৫-১১-২৫

ভালো নির্বাচনের জন্য সবার সহযোগিতা লাগবে : সিইসি

আগামী জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে দেশীয় পর্যবেক্ষক সংস্থাগুলোর প্রতিনিধিদের সঙ্গে দিনব্যাপী সংলাপে বসেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। 
মঙ্গলবার (২৫ নভেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টায় নির্বাচন ভবনে এই সংলাপ শুরু হয়। সংলাপে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন পর্যবেক্ষকদের ইসির সহযোগী হিসেবে কাজ করার আহ্বান জানান।
সংলাপের উদ্বোধনী বক্তব্যে সিইসি এ এম এম নাসির উদ্দিন জাতিকে একটি সুষ্ঠু, সুন্দর ও বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচন উপহার দেওয়ার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। তিনি স্বীকার করেন, অতীতের ভুল-ভ্রান্তি থেকে শিক্ষা নিয়ে কমিশন সামনের দিকে এগিয়ে যেতে চায়। আমাদের এজেন্ডা একটাই, একটি ক্রেডিবল ইলেকশন জাতিকে উপহার দেওয়া। একটি ভালো নির্বাচন আয়োজন আমাদের দায়িত্ব। ভালো নির্বাচনের জন্য সবার সহযোগিতা লাগবে বলে জানান তিনি।
সিইসি পর্যবেক্ষকদের ভোটের মাঠের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে সক্রিয় সহযোগিতা চেয়েছেন। পর্যবেক্ষক সংস্থাগুলোর প্রতি তিনি দুটি বিষয়ে বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন।
সিইসি বলেন, যারা নতুন পর্যবেক্ষক সংস্থা, তাদের প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ দিতে হবে। পর্যবেক্ষণের জন্য যাদের নিয়োগ দেওয়া হবে, তারা যেন রাজনীতি ও কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যুক্ত না থাকেন, সে বিষয়ে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান তিনি।

পর্যবেক্ষকদের চোখ দিয়েই নির্বাচন দেখতে চাই : সিইসি
প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন বলেছেন, নির্বাচন পর্যবেক্ষক সংস্থাগুলোকে নির্বাচন কমিশনের সহযোগী। আমরা একটি সুষ্ঠু, সুন্দর ও বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচন উপহার দিতে পর্যবেক্ষকদের চোখ দিয়েই পুরো নির্বাচন প্রক্রিয়াটি দেখতে চাই। একইসঙ্গে সংস্থাগুলোর নিয়োগ করা মাঠকর্মীরা যাতে কোনো ধরনের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে বা প্রচারণায় যুক্ত না হন, সে বিষয়ে কঠোর নির্দেশনা দিয়েছেন তিনি।
মঙ্গলবার (২৫ নভেম্বর) স্থানীয় পর্যবেক্ষক সংস্থাগুলোর সঙ্গে এক পরিচিতিমূলক সভায় প্রধান নির্বাচন কমিশনার এসব কথা বলেন।
সিইসি বলেন, জাতিকে একটি বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচন উপহার দেওয়ার যে ওয়াদা নির্বাচন কমিশন দিয়েছে, তা কমিশনের একার পক্ষে সম্ভব নয়। সবাই মিলে এই জাতীয় দায়িত্ব পালন করতে হবে। আমরা আপনাদের চোখ দিয়েও এই ইলেকশনটা দেখতে চাই। কারণ আপনাদের চোখ যদি দুষ্ট হয়, প্রপার না হয়, আমাদের নির্বাচনের দেখাটাও কিন্তু সঠিক হবে না।
প্রশিক্ষণের তাগিদ দিয়ে সিইসি বলেন, পর্যবেক্ষণের জন্য যাদের নিয়োগ দেওয়া হবে, বিশেষত নতুনদের, তাদের অবিলম্বে নির্বাচন ও নির্বাচনী ব্যবস্থা সম্পর্কে ওরিয়েন্টেশন এবং প্রশিক্ষণ দিতে হবে। মাঠকর্মীদের কর্মকাণ্ডই সংস্থার সুনাম (গুডউইল) এবং নির্বাচন কমিশনের কাছে তাদের ভাবমূর্তিকে প্রভাবিত করবে। এছাড়া রিটার্নিং অফিসার, পুলিশ অফিসারসহ সংশ্লিষ্টদের পারফরম্যান্স আইন অনুযায়ী হচ্ছে কি না, নির্বাচনী আচরণবিধি মানা হচ্ছে কি না—এসব বিষয়ে মাঠের বাস্তবতার ভিত্তিতে (Real Ground Realities) রিপোর্ট দিতে হবে।
সিইসি জানান, যদি কোনো ম্যানেজমেন্ট বা প্রসিডিউরাল ল্যাপস থাকে, তবে পর্যবেক্ষকদের দেওয়া সুপারিশ ভবিষ্যতে নির্বাচন প্রক্রিয়াকে সংস্কার ও উন্নত করতে সহায়ক হবে। পর্যবেক্ষকদের নিরপেক্ষতার ওপর সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিতে হবে। পর্যবেক্ষণের কাজে নিয়োজিত ব্যক্তিরা রাজনীতিতে জড়িয়ে পড়লে সবকিছু ড্যামেজ হয়ে যাবে।
তিনি সংস্থাগুলোর প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, আপনারা যাদের এঙ্গেজ করবেন, তারা কোনো রাজনীতির সঙ্গে, কোনো পার্টির সঙ্গে জড়িত আছে কিনা, লিংক আছে কিনা, মিছিল-মিটিংয়ে গিয়েছে বা জড়িত আছে—এরকম কাউকে দয়া করে নিয়োগ দেবেন না। পর্যবেক্ষকের দায়িত্ব হবে ‘টু অবজার্ভ, নট টু ইন্টারভেন’ (পর্যবেক্ষণ করা, হস্তক্ষেপ না করা)। কোনো অনিয়ম হলে তা বন্ধ করা তার কাজ নয় বরং রিপোর্ট করাই তার প্রধান দায়িত্ব।
বাংলাদেশের বাস্তবতার প্রতি খেয়াল রাখার অনুরোধ জানিয়ে সিইসি বলেন, যেহেতু সব পর্যবেক্ষকই বাংলাদেশি, তাই বাংলাদেশের বাস্তবতার নিরিখে রিপোর্ট করতে হবে। বিদেশি প্রেক্ষাপটে দেশের নির্বাচনকে বিবেচনা করে রিপোর্ট না করতে অনুরোধ করেন। তিনি প্রত্যাশা করেন, তাদের রিপোর্টিং যেন স্মার্ট, ইমপ্লিমেন্টেবল এবং বাস্তবসম্মত হয়।
সিসি ক্যামেরা ও সাংবাদিকরাই কমিশনের চোখ 
বক্তব্যের শেষে সিইসি জানান, তার সিসি ক্যামেরা হলো পর্যবেক্ষক এবং তার সিসি ক্যামেরা হলো সাংবাদিকরা। সবার সম্মিলিত সহযোগিতায় একটি সুন্দর নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে এবং পর্যবেক্ষকদের এখানে একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে বলে জানান তিনি।

রিটেলেড নিউজ

গাছের শিকড়ে বন্দি সরকারি গাড়ি

গাছের শিকড়ে বন্দি সরকারি গাড়ি

মোঃ আরফান উদ্দীন : দূর থেকে দেখলে মনে হবে ছোট্ট কোনো ঝোপঝাড়ে ঢাকা পরিত্যক্ত বনভূমি। কাছে গেলেই চোখে পড়ে মরিচা ধরা গাড়...বিস্তারিত


খুন-ছিনতাই-অপরাধে বাড়ছে উদ্বেগ, নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন

খুন-ছিনতাই-অপরাধে বাড়ছে উদ্বেগ, নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন

নিজস্ব প্রতিবেদক : একদিকে কুমিল্লায় ছবি তুলতে বেরিয়ে নিখোঁজ ১৩ বছরের স্কুলছাত্রের মরদেহ উদ্ধার, অন্যদিকে খুলনায় ‘...বিস্তারিত


ইঞ্জিন সংকটে চট্টগ্রামের পণ্যবাহী ট্রেন, রাজস্ব হারাচ্ছে রেলওয়ে

ইঞ্জিন সংকটে চট্টগ্রামের পণ্যবাহী ট্রেন, রাজস্ব হারাচ্ছে রেলওয়ে

নিজস্ব প্রতিবেদক : ইঞ্জিন সংকটে চট্টগ্রাম থেকে দেশের বিভিন্ন গন্তব্যে পণ্যবাহী ট্রেন চলাচল অনেকটা কমে গেছে। একসময় চ...বিস্তারিত


ইসির নিরপেক্ষতা নিয়ে চিন্তিত এনসিপি, ভোট নিয়ে নতুন সংশয়

ইসির নিরপেক্ষতা নিয়ে চিন্তিত এনসিপি, ভোট নিয়ে নতুন সংশয়

নিজস্ব প্রতিবেদক : স্থানীয় সরকার নির্বাচনের সময়সূচি ঘোষণা নিয়ে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সঙ্গে সরকারের সমন্বয়হীনতার ...বিস্তারিত


চতুর্থবারের মতো খোলা হলো শাহজালাল মাজারের দানবাক্স, মিলল প্রায় ৮৯ লাখ টাকা

চতুর্থবারের মতো খোলা হলো শাহজালাল মাজারের দানবাক্স, মিলল প্রায় ৮৯ লাখ টাকা

নিজস্ব প্রতিবেদক : সিলেট প্রতিনিধি : সিলেটের হযরত শাহজালাল (রহ.) মাজারের দানবাক্সের টাকা গণনা শেষে চতুর্থ দফায় পাওয়া গ...বিস্তারিত


অর্থনৈতিক ঝুঁকিতে দেশ, ঋণ ১১৩ বিলিয়ন ডলার

অর্থনৈতিক ঝুঁকিতে দেশ, ঋণ ১১৩ বিলিয়ন ডলার

নিজস্ব প্রতিবেদক : ঋণের ‘উচ্চঝুঁকি’র দিকে ধাবিত হচ্ছে বাংলাদেশ। বিপুল পরিমাণ অভ্যন্তরীণ ও বৈদেশিক ঋণের সুদ পরিশ...বিস্তারিত



সর্বপঠিত খবর

দশম শ্রেণির ছাত্রীকে গণধর্ষণ করে ভিডিও ধারণ, গ্রেফতার ২

দশম শ্রেণির ছাত্রীকে গণধর্ষণ করে ভিডিও ধারণ, গ্রেফতার ২

নোয়াখালী প্রতিনিধি : : নোয়াখালীর বেগমগঞ্জের দশম শ্রেণির এক স্কুলছাত্রী (১৭) গণধর্ষণের শিকার হয়েছে। এ ঘটনায় সম্পৃক্তার অ...বিস্তারিত


সৌদি আরবে  গাড়ির নির্দিষ্ট গতি  অমান্য করলে  ২ হাজার রিয়াল জরিমানা 

সৌদি আরবে  গাড়ির নির্দিষ্ট গতি  অমান্য করলে  ২ হাজার রিয়াল জরিমানা 

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : : সৌদি ট্রাফিক কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে যে, স্পীড লিমিট এর চাইতে অধিক গতিতে যানবাহন চালানো ব্যক্তিদের উপ...বিস্তারিত



সর্বশেষ খবর