শিরোনাম
নিজস্ব প্রতিবেদক | ০৫:২৩ পিএম, ২০২৫-১১-১১
মালয়েশিয়া পাঠানোর নামে চুক্তি বহির্ভূত কর্মকাণ্ড করে সরকারের এজেন্ট হিসেবে অবৈধভাবে ১৮ হাজার ৫৬৩ জনের পাসপোর্ট, স্বাস্থ্য পরীক্ষা এবং নির্ধারিত ফির অতিরিক্ত অর্থসহ মোট ৩১০ কোটি ৯৩ লাখ ২ হাজার ৫০০ টাকা নিয়ে আত্মসাতের অভিযোগে চার রিক্রুটিং এজেন্সির পাঁচ মালিকের বিরুদ্ধে পৃথক চারটি মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। মঙ্গলবার (১১ নভেম্বর) দুদকের ঢাকা সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে সংস্থাটির সহকারী পরিচালক মিনহাজ বিন ইসলাম বাদী হয়ে মামলাগুলো দায়ের করেছেন বলে জানা গেছে। দুদকের সহকারী পরিচালক মো. তানজির আহমেদ বিষয়টি জানিয়েছেন। প্রথম মামলার আসামিরা হলেন– সেলিব্রেটি ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেডের চেয়ারম্যান ফরিদা বানু, ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আব্দুল হাই। ওই মামলার এজাহারে বলা হয়, আসামিরা পরস্পর যোগসাজশ ও ক্ষমতার অপব্যবহার করে বায়রার বিভিন্ন পদে দায়িত্ব পালনকালে সিন্ডিকেট করে বিএমইটি ও বায়রার রেজিস্ট্রেশনের শর্ত ভঙ্গ করে মালয়েশিয়া পাঠাতে সরকার কর্তৃক নির্ধারিত ৭৮ হাজার ৯৯০ টাকার চেয়ে অতিরিক্ত টাকা গ্রহণ করেছে। চুক্তি বহির্ভূত কর্মকাণ্ড করে সরকারের এজেন্ট হিসেবে অবৈধ পারিতোষিক গ্রহণ করে ৩ হাজার ৪৮৬ জনকে মালয়েশিয়ায় পাঠানোর নামে পাসপোর্ট, স্বাস্থ্য পরীক্ষা এবং প্রতি কর্মীর কাছ থেকে নির্ধারিত ফির অতিরিক্ত অর্থসহ মোট ৫৮ কোটি ৩৯ লাখ ৫ হাজার টাকা নিয়ে আত্মসাৎ করেছেন। একই প্রক্রিয়ায় দ্বিতীয় মামলায় ৩ হাজার ৮৫২ জন মালয়েশিয়ায় প্রেরিত কর্মীর কাছ থেকে পাসপোর্ট, স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও নির্ধারিত ফির অতিরিক্ত অর্থসহ ৬৪ কোটি ৫২ লাখ ১০ হাজার টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ আনা হয়েছে। এ মামলায় অদিতী ইন্টারন্যাশনালের মালিক বিশ্বজিৎ সাহাকে আসামি করা হয়েছে। যেখানে সরকার কর্তৃক নির্ধারিত ৭৮ হাজার ৯৯০ টাকার চেয়ে অতিরিক্ত টাকা গ্রহণ করে দণ্ডবিধির ১২০(বি)/১৬১/১৬২/১৬৩/১৬৪/১৬৫(ক)/৪২০/৪০৯ ধারা ও মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইনে অপরাধ করার অভিযোগ আনা হয়েছে।
তৃতীয় মামলার আসামি হলেন– রাব্বি ইন্টারন্যাশনালের মালিক মোহাম্মদ বশির। তার বিরুদ্ধেও সরকার নির্ধারিত ৭৮ হাজার ৯৯০ টাকার চেয়ে অতিরিক্ত টাকা গ্রহণ করে মালয়েশিয়ায় পাঠানোর নামে ৩ হাজার ১৪৮ জন শ্রমিকের কাছ থেকে চুক্তি বহির্ভূত কর্মকাণ্ড করে বিভিন্ন ফি বাবদ ৫২ কোটি ৭২ লাখ ৯০ হাজার টাকা আত্মসাতের অভিযোগ আনা হয়েছে। অন্যদিকে, চতুর্থ মামলায় মোহাম্মদ লুৎফর রহমানের মালিক হেফজুল বারীকে আসামি করা হয়েছে। একই প্রক্রিয়ায় আসামি চুক্তি বহির্ভূত কর্মকাণ্ড করে সরকারের এজেন্ট হিসেবে অবৈধ পারিতোষিক গ্রহণ করে ৮ হাজার ৭৭ জন মালয়েশিয়ায় পাঠানো কর্মীর কাছ থেকে পাসপোর্ট, স্বাস্থ্য পরীক্ষা এবং নির্ধারিত ফির অতিরিক্ত অর্থসহ ১৩৫ কোটি ২৮ লাখ ৯৭ হাজার ৫০০ টাকা গ্রহণপূর্বক আত্মসাৎ করেছেন। ২০২১ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে আসামিরা এমন অপরাধের সঙ্গে সম্পৃক্ত হয়েছেন বলে মামলায় অভিযোগ আনা হয়েছে।
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : চট্টগ্রামের কিশোরী সুপর্বা সুধা বিশ্বাস। ১৩ বছর বয়সী অষ্টম শ্রেণির এই শিক্ষার্থীর ঝুলিতে ইতোমধ্...বিস্তারিত
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : বাংলাদেশ এডিটরস্ ফোরাম গভীর উদ্বেগের সঙ্গে লক্ষ্য করছে যে, সম্প্রতি চট্টগ্রামের একটি দৈনিক পত্রি...বিস্তারিত
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : নোবিপ্রবি প্রতিনিধি : জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি ও শহীদদের স্মরণে বাংলাদেশ ইসলাম...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : বিয়ের প্রতিশ্রুতিতে শারীরিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে শুধু পুরুষের শাস্তির বিধান কেন অবৈধ নয়, তা জানতে ...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : জুলাই গণঅভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলাগুলোর বিচার অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে এগোচ্...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ মো. নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘শিক্ষা প্রতি...বিস্তারিত
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৯ - © 2026 Dainik Amader Bangla | Developed By Muktodhara Technology Limited