শিরোনাম
নিজস্ব প্রতিবেদক | ০৬:৪১ পিএম, ২০২৫-১২-২৩
আসন্ন ২০২৬ সালের জাতীয় নির্বাচনকে ঘিরে একটি সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টিতে বদ্ধপরিকর বলে জানিয়েছেন বিভাগীয় কমিশনার ও রেঞ্জ ডিআইজিরা। নির্বাচনের সময় আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, সীমান্ত নিরাপত্তা জোরদার এবং প্রযুক্তির অপব্যবহার রোধে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণের কথা জানিয়েছেন তারা। একইসঙ্গে চিহ্নিত অপরাধীদের জামিন রোধ ও অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে কঠোর পদক্ষেপের ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। সেইসঙ্গে একটি ‘মডেল নির্বাচন’ উপহার দিয়ে ইতিহাসের পাতায় দৃষ্টান্ত স্থাপন করাই এখন প্রশাসনের মূল লক্ষ্য বলে জানান তারা। মঙ্গলবার (২৩ ডিসেম্বর) সকালে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনের অডিটোরিয়ামে ডিসি-এসপি, সব রেঞ্জের ডিআইজি, বিভাগীয় কমিশনার ও আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তাদের সঙ্গে সম্মেলনে তারা এসব কথা বলেন। ঢাকা রেঞ্জ ডিআইজি বলেন, আমরা সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠানে বদ্ধপরিকর। আইজিপি নির্দেশে দেশের পরিস্থিতি বর্তমানে স্বাভাবিক রয়েছে। দলমত-নির্বিশেষে আমরা অন্যায়ভাবে কাউকে কিছু করতে দেব না। বাংলাদেশে একটি উৎসবমুখর পরিবেশে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এই নির্বাচন ইতিহাসের সাক্ষী হয়ে থাকবে। চট্টগ্রাম রেঞ্জ ডিআইজি বলেন, প্রেস মিডিয়ায় যা দেখছি তাতে মনে হয় সিরিয়া-লিবিয়ায় বসবাস করছি। সাংবাদিকদের দেশের মানুষের কথা ভেবে রিপোর্ট করলে ভালো হয়। আমরা বর্তমানে কারো নিকট থেকে সাহায্য-সহযোগিতা পাচ্ছি না। আমরা যাদেরকে গ্রেপ্তার করি তাদেরকে ছাড়াতে দিনে বক্তব্য দেওয়া রাজনৈতিক নেতারা রাতে তদবির করেন। প্রিজাইডিং অফিসারদের হাতে-কলমে শিক্ষা দেওয়ার ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। আমাদের বাসনা এই ২৬’ সালের নির্বাচনকে ৩১’ এবং ৩৬’ সালে মানুষ যেন মনে করেন। সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার বলেন, আমাদের কাজ নির্বাচনের পরিবেশ সৃষ্টি করা, সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তার করা, অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার করা ও বৈধ অস্ত্র জমা করা। নির্বাচনের বাজেটটা যেন সময়মতো পাই। নির্বাচনকালীন সোশ্যাল মিডিয়ায় যে সকল গুজব ছড়ানো হয় এটা বন্ধ করতে হবে। ইনশাআল্লাহ আমাদের খরচের মধ্যে মনোবল বৃদ্ধির জন্য কাজ করছি। আশা করছি ২০২৬ সালে একটি মডেল নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। রাজশাহী পুলিশ কমিশনার বলেন, আমরা সকল স্টেকহোল্ডারদের সঙ্গে সমন্বয় করছি। এআই জেনারেটেড যেকোনো ছবি বা ভিডিও বন্ধ করার জন্য বিটিআরসিকে জানাচ্ছি। নির্বাচনের আচরণবিধি লঙ্ঘনের পরে যদি সাজা দেওয়া হয় তাহলে এটা দেখে অন্য কেউ করার সাহস পাবে না। ২০২৬ সালের নির্বাচন ইতিহাসের পাতায় স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে বলে জানান তিনি। খুলনা বিভাগীয় কমিশনার বলেন, কুষ্টিয়া দৌলতপুরে কালু এবং কাঁকন– এই দুটি গ্রুপের সঙ্গে কেউ পারছে না। তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন। কিছু কিছু ক্ষেত্রে ড্রোন প্রয়োজন হতে পারে। উপজেলা বা জেলা পর্যায়ে আমরা যদি যৌথভাবে মহড়া দিই তাহলে আশা করি কেউ অন্যায় কিছু করতে পারবে না। ময়মনসিংহ বিভাগীয় কমিশনার বলেন, নির্বাচন কমিশনের নির্দেশে সব কাজ তাৎক্ষণিকভাবে করা হবে। অপরাধীদের ঢালাও জামিন বন্ধের বিষয়ে বিচার বিভাগের সঙ্গে সমন্বয় করতে হবে। সিলেট বিভাগীয় কমিশনার বলেন, বিজিবি ডেপ্লয়মেন্ট খুব জরুরি। বর্ডার দিয়ে অস্ত্র আসে, অপরাধী আসা-যাওয়া করে, তাই বর্ডার সংলগ্ন কেন্দ্রগুলোকে বিবেচনা করে কেন্দ্রের নিরাপত্তা বাড়ানো প্রয়োজন। ক্রিমিনালদের মুভমেন্ট ট্র্যাক করা প্রয়োজন। জেলখানার ভেতর থেকে অনেকে ক্রাইম করে ফেলছে, এটা দেখা উচিত। যারা চিহ্নিত অপরাধী তারা যেন কোনোভাবেই জামিন না পায়। যারা ষড়যন্ত্রকারী তারা সব সময়ই একটি অস্থিরতা সৃষ্টি করার চেষ্টা করবে। আমরা ইতিহাসের সাক্ষী হতে চাই। ২০২৬ এর নির্বাচন ইতিহাসে মাইলফলক হয়ে থাকবে– এই প্রত্যাশা করেন তিনি।
দীপু হত্যার মতো আরও অনেক ঘটনা ঘটার শঙ্কা সিইসির
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সম্প্রতি ময়মনসিংহে ঘটে যাওয়া দীপু হত্যার মতো আরও অনেক ঘটনা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন। মঙ্গলবার (২৩ ডিসেম্বর) সকালে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনের অডিটোরিয়ামে ডিসি-এসপি, সব রেঞ্জের ডিআইজি, বিভাগীয় কমিশনার ও আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তাদের সঙ্গে সম্মেলনে এ কথা বলেন সিইসি। সিইসি বলেন, ময়মনসিংহে একজন হিন্দুকে পুড়িয়ে মেরেছে। এ ধরনের ঘটনা আরও হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এ ধরনের ঘটনা যাতে না ঘটে সে ব্যবস্থা নিতে হবে। সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি যাতে অটুট থাকে তা নিশ্চিত করতে হবে। গত ১৮ ডিসেম্বর ভালুকায় ধর্ম অবমাননার অভিযোগ তুলে দীপু চন্দ্র দাশকে মব ভায়োলেন্সের মাধ্যমে হত্যা করে গাছে ঝুলিয়ে আগুনে পোড়ানো হয়। বিষয়টি নিয়ে পরবর্তীতে র্যাব জানায়, কোথায় কবে ধর্ম অবমাননা করেছে দীপু, তার কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি। সভায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ডিসি-এসপিদের আশ্বাসের কথা তুলে ধরে সিইসি বলেন, তাদের কথা শুনে আমার বুকের জোর বেড়েছে। আমার একমাত্র অ্যাজেন্ডা দেশ ও জাতির জন্য। আপনাদের সহযোগিতা পেলে তা সফল করতে পারব। কোনো রকম পক্ষপাতদুষ্ট হয়ে কাজ করবেন না। তিনি বলেন, দুজন ব্যক্তি আমাদের কাছে ভিভিআইপি। আইন থাকলে এখনই ঘোষণা করে দিতাম— একজন রিটার্নিং কর্মকর্তা ও অন্যজন সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা। নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের বিষয়টি উল্লেখ করে প্রার্থীদের উদ্দেশ্যে প্রধান নির্বাচন কমিশনার বলেন, আমরা দেখেছি ঢাকা শহর পোস্টারে ছেয়ে গেছে। কিন্তু আপনারা যে সরাচ্ছেন তা কিন্তু দেখছি না। তিনি আরও বলেন, ইসি এখন অভিযোগ দাখিলের দপ্তর হয়ে গেছে। মানুষকে জানাতে হবে কোথায় অভিযোগ করবে। অভিযোগ দায়েরের জন্য সেন্টার করতে হবে এবং ওই সেন্টার থেকে অভিযোগ ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে পাঠাতে হবে।
নিজস্ব প্রতিবেদক : সাহাবুদ্দিন আহাম্মদ চৌধুরী (এমরান) দীর্ঘ প্রতীক্ষার বাঁধ ভেঙ্গে শত বাধাঁকে উপেক্ষা করে ১২ই ফ...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : ১৪৪৭ হিজরি সনের পবিত্র রমজান মাসের চাঁদ দেখা এবং এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণের লক্ষ্যে আগামীকাল জাতী...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : বিএনপির নতুন মন্ত্রিসভার সদস্য হিসেবে চট্টগ্রাম বিভাগ থেকে সর্বোচ্চ ১২ জনকে নেওয়া হয়েছে। এর মধ্য...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত গণভোটের বৈধতা চ্যালেঞ্জ এবং ১৩ ফেব্রুয়ারি ঘোষিত গণভোটের ফল বাতিল চেয়ে ...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : সংসদ সদস্যদের শপথ অনুষ্ঠানের পরপরই নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যদের আমন্ত্রণ জানানো শুরু করেছে মন্ত্র...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানসহ শপথ নিয়েছেন মন্ত্রিষদের সদস্যরা। মঙ্গলবার বিকেলে জাতীয় সংসদ ভবনের ...বিস্তারিত
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৯ - © 2026 Dainik Amader Bangla | Developed By Muktodhara Technology Limited