বাংলাদেশ   বৃহস্পতিবার, ৬ আগস্ট ২০২৬  

শিরোনাম

টাউট বাটপার ও দালালদের হাতে জিম্মি হয়ে পড়েছে অর্থনীতি ও সামাজিকতা

আমাদের বাংলা ডেস্ক :    |    ০৯:৩০ পিএম, ২০২৪-০৬-২৬

টাউট বাটপার ও দালালদের হাতে জিম্মি হয়ে পড়েছে অর্থনীতি ও সামাজিকতা

শিবুকান্তি দাশ,(ঢাকা): দেশ এগিয়ে চলছে। বিশ্বে বাংলাদেশ এখন মডেল। কিন্তু দেশের অর্থনীতি নিয়ে নানা প্রশ্ন। সরকারের এত উন্নয়নের মাঝেও সাধারণ মানুষের মনে স্বস্তি নেই। বাজার ব্যবস্থার বেহাল দশা গ্রামীন জনপদে প্রকট হয়ে উঠছে। ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের অবস্থা খুবই নাজুক। করপোরেট ব্যবসায়ীরা মুড়ি চনাচুরের ব্যবসাও কেড়ে নিচ্ছে। তার উপর তৃণমূলেটাউট-দালাল-বাটপারদের কারণে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে সাধারণ মানুষের জীবন। ভুক্তভোগীরা প্রশাসনের ধারস্থ হয়েও প্রতিকারবিহীন খালি হাতে বাড়ি ফিরছে। কোথাও যেনো দেখার কেউ নেই। কিশোর গ্যংয়ের হাতে খুন হচ্ছে মানুষ।

দেশের অর্থনীতি, বাণিজ্য, বিনিয়োগ কুক্ষিগত হয়ে পড়েছে। ফলে বাড়ছে ঝুঁকি। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, প্রবৃদ্ধির সুফল সবার ঘরে পৌঁছে দিতে এই জিম্মি পরিস্থিতি ভাঙতে হবে। অন্যথায় অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির সুফল কেবল হাতেগোনা কিছু মানুষই পাবে। আর এর ফলে প্রকট হবে আয় বৈষম্য।

বিশ্লেষণে দেখা গেছে, দেশের অর্থনীতি নিয়ন্ত্রণ করছেন গুটিকয়েক ব্যক্তি। তাদের হাতে অর্থনীতির মেরুদ- ব্যাংক খাত যেমন রয়েছে, তেমনি রয়েছে ব্যবসা-বাণিজ্য। ফলে তুলনামূলকভাবে ছোট ব্যবসায়ী ও উদ্যোক্তারা পিছিয়ে পড়ছেন। দিন দিন তাদের ব্যবসায়িক কার্যক্রম রুগ্ন হয়ে পড়ছে।

মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) প্রবৃদ্ধি ৮ শতাংশ ছাড়িয়ে গেছে। সরকারের পরিকল্পনা আগামী ৫ বছরের মধ্যেই জিডিপি প্রবৃদ্ধি দুই অঙ্কের ঘরে পৌঁছাবে। মাথাপিছু আয় বাড়ছে প্রতি বছর। রপ্তানি আয় ভালো। বড় হচ্ছে স্থানীয় বাজার। এ রকম এক সুসময়েও বেসরকারি খাতকে আরো ছড়িয়ে দিতে পারলে বিনিয়োগ বাড়বে। কর্মসংস্থান তৈরি হবে। কমবে অর্থনৈতিক ঝুঁকি।

তথ্য পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, এখন ছোট ছোট ব্যবসায়ও আসছে বড় করপোরেটগুলো। এমনকি বেকারির ব্যবসায় পুঁজি বিনিয়োগ করছেন তারা, যা এক সময় ক্ষুদ্র উদ্যোক্তারা করত। কিন্তু এখন বেকারির পণ্য উৎপাদন করছে দেশের নামকরা করপোরেট। এতে ব্যবসা গুটিয়ে নিতে হচ্ছে ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের।

শুধু তাই নয়, দেশের ব্যাংকিং খাত জিম্মি হয়ে পড়েছে কয়েকটি পরিবারের কাছে। বিশেষ করে চট্টগ্রামভিত্তিক একটি ব্যবসায়ী গোষ্ঠীর কব্জায় রয়েছে বেশ কিছু বেসরকারি ব্যাংক। এছাড়া বেশ কয়েকটি আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও বিমান কোম্পানির মালিকাও ওই গ্রুপটি। ফলে পুরো আর্থিক খাত ঝুঁকিতে রয়েছে। গ্রুপটির বিরুদ্ধে বিভিন্ন দেশে অর্থপাচারের অভিযোগ রয়েছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অর্থনীতিতে এখন যে কয়টা বড় চিন্তার বিষয় রয়েছে, তার মধ্যে বেসরকারি বিনিয়োগ অন্যতম। সাধারণত সরকারি বিনিয়োগের সঙ্গে তাল মিলিয়ে বেসরকারি বিনিয়োগ বাড়তে থাকে। তবে বাংলাদেশে হচ্ছে উল্টোটা। সরকারি বিনিয়োগ দ্রুত হারে বাড়লেও বেসরকারি বিনিয়োগ সেই হারে বাড়ছে না। তাছাড়া নতুন বিনিয়োগকারী তৈরি হচ্ছে না। কিছু লোক এখন সব ব্যবসায় নেতৃত্ব দিয়ে যাচ্ছে। বেসরকারি বিনিয়োগের সঙ্গে যোগ রয়েছে কর্মসংস্থানের। কারখানা বাড়লে মানুষের কাজের সুযোগ বাড়ে। কাজ পেলে আয় বাড়ে, সেই সঙ্গে বাড়ে জীবনযাত্রার মান। কিন্তু দেশে পর্যাপ্ত কর্মসংস্থান না হওয়ায় প্রবৃদ্ধির সুফল সবার ঘরে পৌঁছাচ্ছে কি না, সেই প্রশ্নও রয়েছে।

তাদের মতে, বিনিয়োগের হার একটা ফাঁদে আটকে গেছে। বিনিয়োগ যদি উল্লেখযোগ্য হারে না বাড়ে, তাহলে কর্মসংস্থান হয় না। প্রকৃত মজুরি বাড়ে না। এতে স্থানীয় বাজার বড় হয় না। আবার স্থানীয় বাজারনির্ভর শিল্পেরও বিকাশ ঘটে না।২০২৩-২৪ অর্থবছরে বাংলাদেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধি হবে পাঁচ দশমিক ৬ শতাংশ। এটি করোনার আগের দশকের প্রবৃদ্ধির হার ছয় দশমিক ছয় শতাংশের চেয়ে কম।

বিনিয়োগ জিডিপির ২৭-২৮ শতাংশে উন্নীত করতে হলে এবং সেটা বছর বছর ধরে রাখতে হলে অনেককে বিনিয়োগে এগিয়ে আসতে হবে। বাংলাদেশে বিনিয়োগ নির্দিষ্ট কিছু গোষ্ঠীর মধ্যে সীমাবদ্ধ হয়ে যাওয়া, কিছু ধনী ও প্রভাবশালীর মধ্যে সবকিছু ধরে রাখার এক ধরনের একটা প্রবণতা দেখা যাচ্ছে।

সরকারি তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে এই শঙ্কার প্রমাণ। ২০১১-১২ অর্থবছরে মেয়াদি ঋণের ৬২ শতাংশ ছিল বড় শিল্পে। সর্বশেষ অর্থবছরে সেটা ৭৪ শতাংশে উন্নীত হয়েছে। বিপরীতে এ ক্ষেত্রে মাঝারি শিল্পের অংশ ৩১ থেকে কমে ১৪ শতাংশে নেমেছে। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) উৎপাদনমুখী শিল্প জরিপ বলছে, গত ছয় বছরে মাঝারি কারখানার সংখ্যা অর্ধেকে নেমেছে, ক্ষুদ্র শিল্প বেড়েছে। দেশের প্রত্যেকটি খাত এখন বড়দের দখলে চলে গেছে।

বিনিয়োগের ক্ষেত্রে অবকাঠামো ঘাটতি, বিকল্প অর্থায়নের অভাব, নিয়মনীতির অনিশ্চয়তা ইত্যাদি পুরনো সমস্যাও রয়েছে। বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের সর্বশেষ প্রতিযোগিতা সক্ষমতা প্রতিবেদনে ব্যবসা করার ক্ষেত্রে বাধা হিসেবে দুর্নীতি, অদক্ষ আমলাতন্ত্র ও অবকাঠামো ঘাটতিকে তিনটি শীর্ষ সমস্যা হিসেবে দায়ী করা হয়েছে।

অবশ্য ব্যবসা সহজ করতে সরকারের সংস্কার কার্যক্রম চলমান। এজন্য কাজ করছে বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের আওতায় পরিচালিত হচ্ছে সংস্থাটি। বেসরকারি বিনিয়োগে শৃঙ্খলা আনতে এবার একজন উপদেষ্টাও নিয়োগ দিয়েছেন সরকারপ্রধান। বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ উপদেষ্টা করা হয়েছে বিশিষ্ট শিল্পপতি ও ব্যবসায়ী সালমান এফ রহমানকে।

সাবেক গভনর ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ বলেন, দেশের পুরো অর্থনীতি একটি সংঘবদ্ধচক্রের কাছে জিম্মি। এই জিম্মিদশা থেকে অর্থনীতিকে উদ্ধার করতে হবে। সেটি না করা গেলে আগামী দিনে অর্থনীতি একটি গভীর খাদে চলে যাবে। সেখান থেকে ঘুরে দাঁড়ানো কঠিন হবে আমাদের।

উদ্বেগের বিষয় হলো, তরুণদের বেকারত্বের হার সাত বছরে দ্বিগুণ হয়েছে। ২০১৭ সালে এ হার ১২ দশমিক ৮-এ দাঁড়িয়েছে। তরুণদের একটা বড় অংশ আবার নিষ্ক্রিয়, যারা শিক্ষায় নেই, প্রশিক্ষণ নিচ্ছে না, আবার কর্মসংস্থানও খুঁজছে না। দেশে এমন তরুণের হার ২৭ দশমিক ৪ শতাংশ। শ্রমবাজার জরিপ-২০১৭ মোতাবেক, ২০১৩-১৪ ও ২০১৫-১৬ দুই বছরে মোট কর্মসংস্থান বেড়েছে মাত্র ১৪ লাখ। অর্থাৎ বছরে ৭ লাখ করে।

এদিকে বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, ছোট ব্যবসায়ীরা ব্যাংকের দায় পরিশোধে এগিয়ে। বড় ব্যবসায়ীরা প্রভাব খাটিয়ে ব্যাংক থেকে অর্থ বের করে নেন। কিন্তু সঠিকভাবে পরিশোধ করেন না। ফলে প্রতি বছরই বাড়ছে খেলাপি ঋণ। সর্বশেষ হিসাবমতে, দেশে খেলাপি ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে এক লাখ ১১ হাজার কোটি টাকা।

অর্থনীতির দায়িত্বশীল একজন ব্যক্তি বলেছেন, অর্থনীতি ও বাজার এই দুই জায়গাতেই সিন্ডিকেট তৈরি হয়েছে। যার কারণে ক্ষুদ্র উদ্যোক্তারা ঝরে পড়ছেন এবং পণ্যের মূল্য বেড়ে বাজারে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। মানুষ বাজার করতে গিয়ে এখন কাঁদছেন। এই সিন্ডিকেট ধরতে না পারলে এবং ভাঙতে না পারলে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীদের দায়িত্বে থাকা উচিত না। তিনি বলেন, আমরা দেখছি যে ব্যক্তি লুটপাট করে বড়লোক হচ্ছে, তাকে আরও সুযোগ দেওয়া হচ্ছে। ফলে কিছু ব্যক্তির কাছে ব্যাংক থেকে শুরু করে পুরো অর্থনীতি জিম্মি হয়ে পড়েছে।

এ সময় প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘দেশ এগিয়ে চলেছে, বাংলাদেশ আজ উন্নয়নের রোল মডেল। কিন্তু তার পরও দেশে আজকে যে অরাজকতা ও নৈরাজ্য সৃষ্টি হয়েছে, ব্যবসার নামে আজকে যে লুটপাট হচ্ছে, মানুষের পকেট কাটা হচ্ছে এগুলোকে থাকাতে হবে।

‘আমরা যখন বাজারে যাই তখন দেখি দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি, কেন ঊর্ধ্বগতি? আমাদের কিন্তু কোনো কিছুর অভাব নেই, আমরা প্রত্যেকটা ক্ষেত্রে স্বয়ংসম্পূর্ণ। চাল, ডাল, তরিতরকারি, মাছ-মাংস থেকে শুরু করে সবকিছুতেই স্বয়ংসম্পূর্ণ। তার পরও সিন্ডিকেটের কারণে দেশের এ অবস্থা বিরাজ করছে।’

অবাক লাগে বাংলাদেশের মতো একটি উন্নয়নশীল দেশে লাখ লাখ বেকার, ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের ঋণ কিন্তু মওকুফ করা হয় না। কাদের ঋণ মওকুফ করা হচ্ছে? যারা ব্যাংক থেকে লাখো কোটি টাকা নিয়ে খেলাপি হয়েছে তাদেরটাই বারবার মওকুফ করা হচ্ছে। তারা মওকুফ পেয়ে আবার ঋণ নিচ্ছে। বড় খেলাপিদের এই ঋণগুলো যদি এসএমই ফাউন্ডেশনসহ ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প উদ্যোক্তাদের দেওয়া হতো তবে তাদের ব্যবসা আরও সমৃদ্ধিশালী হতো। কিন্তু সেটা করা হচ্ছে না।

একজন রাজনৈতিক বিশ্লেষক বলেন,  আমার ঢাকা শহরে রাজনীতির বয়স ৫০ বছর, আমি দেখেছি অনেকে ব্রিফকেস নিয়ে ঘুরত, অনেকের কাছে টাকা ছিল না, অন্যের কাছে সিগারেট চেয়ে খেত। আজকে তারা ব্যাংকের মালিক। তারা সরকারি ব্যাংক থেকে টাকা নিয়ে বেসরকারি ব্যাংকের মালিক হয়েছে।’

‘আমি মনে করি, যারা সরকারি ব্যাংক থেকে টাকা নিয়ে বেসরকারি ব্যাংকের মালিক হয়েছেন অর্থ মন্ত্রণালয়ের উচিত তাদের নামগুলো প্রকাশ করা। কেন তারা করেন না, আমি জানি না, এটা একটা বড় প্রশ্ন।’

তিনি দৃঢ়ভাবে বলেন, বাংলাদেশের অর্থনীতিতে যেভাবে সিন্ডিকেট গড়ে উঠেছে, এই সিন্ডিকেট যদি আমরা ধরতে না পারি, এই সিন্ডিকেট যদি আমরা ভাঙতে না পারি, দেশের ১৭ কোটি মানুষের যে দুঃখ-কষ্ট যদি লাঘব না করতে পারি তবে আমার মনে হয়, আমাদের মতো লোকের মন্ত্রী থাকা উচিত না।

একইভাবে আমাদের এসএমই খাতের ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের যারা মুড়ি-চানাচুর বিক্রি করে চলত, সেখানেও দেশের বড় কোম্পানিগুলো হাত বাড়িয়েছে। যার কারণে ক্ষুদ্র প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে পারছে না। ফলে দেশের তরুণ সমাজ অনৈতিক কাজে জড়িয়ে পড়ছে। পাড়া মহল্লায় গড়ে উঠছে কিশোর গ্যং। তাদের হাতে জিম্মি সাধারণ মানুষ।্ এসব কিছু নিয়ন্ত্রন করা না গেলে দেশ যতই উন্নত হোক, মানুষের মসে স্বস্তির সুবাতাস বয়বে না।

 

 

রিটেলেড নিউজ

যেও ভালোবেসে

যেও ভালোবেসে

আমাদের বাংলা ডেস্ক : :   আলেয়া মান্নান   প্রিয়, তুমি একটি বার ভালোবেসে যেও।   ব্যস্ততার পরে একবার অবসর করে আসিও...বিস্তারিত


যখন রাজনীতির অস্ত্র ভাইরাল ভিডিয়ো

যখন রাজনীতির অস্ত্র ভাইরাল ভিডিয়ো

আবদুল্লাহ মজুমদার : : আবদুল্লাহ মজুমদার  ডিজিটাল যুগে একটি ভিডিও কখনো কখনো হাজার বক্তৃতার চেয়েও বেশি প্রভাব ফেলে। কয়...বিস্তারিত


যেখানে রাত্রি লিখে সময়ের ইতিহাস সারাফ নাওয়ার -এর রাত্রির ভাটলিপি 

যেখানে রাত্রি লিখে সময়ের ইতিহাস সারাফ নাওয়ার -এর রাত্রির ভাটলিপি 

আবদুল্লাহ মজুমদার : : সমকালীন বাংলা কবিতায় এমন কিছু কাব্যগ্রন্থ প্রকাশিত হয়, যেগুলো কেবল কবিতার সংকলন নয়; বরং সময়, স...বিস্তারিত


ম্যান্ডেলার শিক্ষা: বাংলাদেশের রাজনীতির জন্যও এক অনিবার্য পাঠ

ম্যান্ডেলার শিক্ষা: বাংলাদেশের রাজনীতির জন্যও এক অনিবার্য পাঠ

আবদুল্লাহ মজুমদার : : ইতিহাসে কিছু মানুষ জন্ম নেন একটি দেশকে বদলে দিতে, আবার কিছু মানুষ তাঁদের জীবন ও আদর্শ দিয়ে সমগ্র ব...বিস্তারিত


একটি চাকরিতে আর সংসার চলে না: মূল্যস্ফীতি, কর্মসংকট ও নতুন দারিদ্র্যের অশনিসংকেত

একটি চাকরিতে আর সংসার চলে না: মূল্যস্ফীতি, কর্মসংকট ও নতুন দারিদ্র্যের অশনিসংকেত

আবদুল্লাহ মজুমদার : : একসময় একটি চাকরি মানেই ছিল একটি পরিবারের অর্থনৈতিক নিরাপত্তা, স্বস্তি ও ভবিষ্যতের নিশ্চয়তা। মাস ...বিস্তারিত


ত্রাণ বিতরণে নৈতিকতার প্রশ্ন

ত্রাণ বিতরণে নৈতিকতার প্রশ্ন

আবদুল্লাহ মজুমদার : : প্রাকৃতিক দুর্যোগ মানুষের সক্ষমতার সীমাবদ্ধতাকে যেমন প্রকাশ করে, তেমনি মানুষের মানবিকতা, রাষ্ট্...বিস্তারিত



সর্বপঠিত খবর

দশম শ্রেণির ছাত্রীকে গণধর্ষণ করে ভিডিও ধারণ, গ্রেফতার ২

দশম শ্রেণির ছাত্রীকে গণধর্ষণ করে ভিডিও ধারণ, গ্রেফতার ২

নোয়াখালী প্রতিনিধি : : নোয়াখালীর বেগমগঞ্জের দশম শ্রেণির এক স্কুলছাত্রী (১৭) গণধর্ষণের শিকার হয়েছে। এ ঘটনায় সম্পৃক্তার অ...বিস্তারিত


সৌদি আরবে  গাড়ির নির্দিষ্ট গতি  অমান্য করলে  ২ হাজার রিয়াল জরিমানা 

সৌদি আরবে  গাড়ির নির্দিষ্ট গতি  অমান্য করলে  ২ হাজার রিয়াল জরিমানা 

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : : সৌদি ট্রাফিক কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে যে, স্পীড লিমিট এর চাইতে অধিক গতিতে যানবাহন চালানো ব্যক্তিদের উপ...বিস্তারিত



সর্বশেষ খবর