শিরোনাম
নিজস্ব প্রতিবেদক | ০৩:৫৬ পিএম, ২০২৬-০৫-২৬
বৃষ্টির বাধা উপেক্ষা করে নাড়ির টানে বাড়ি ফেরা মানুষের স্রোত যেন থামছেই না। মাঝরাত থেকে ঢাকায় থেমে থেমে বৃষ্টি হচ্ছে।
এই বৈরী আবহাওয়া উপেক্ষা করেই বাস কাউন্টারগুলো ভিড় করছে মানুষ। পথের কষ্ট আর অপেক্ষার প্রহর গুনতে হলেও ঘরমুখো মানুষের চোখে-মুখে দেখা যাচ্ছে প্রিয়জনদের কাছে ফেরার আনন্দ।
সোমবার (২৬ মে) রাজধানীর কল্যাণপুর ও গাবতলী বাস কাউন্টার ও টার্মিনাল ঘুরে এমন দৃশ্য দেখা গেছে।
কল্যাণপুর ও গাবতলী এলাকা ঘুরে দেখা যায়, সকাল থেকেই যাত্রীদের চাপ ক্রমাগত বাড়ছে।
বৃষ্টির কারণে ফুটপাথ ও কাউন্টারগুলোর সামনের রাস্তায় পানি জমে যাওয়ায় যাত্রীরা বেশ বিপাকে পড়েছেন। নারী, শিশুসহ সবাই ব্যাগ-লাগেজ হাতে বৃষ্টিতে ভিজেই কাউন্টারের দিকে ছুটছেন।
ঢাকায় একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেন আরিফুল ইসলাম। তিনি বলেন, বৃষ্টির কারণে রাস্তায় রিকশা বা সিএনজি পাওয়া কঠিন ছিল, তার ওপর গুনতে হয়েছে বাড়তি ভাড়া। কোনোমতে কাউন্টারে এসে পৌঁছেছি, কিন্তু এখন শুনছি বাস আসতে আরও ঘণ্টাখানেক দেরি হবে। আরিফুল আরও বলেন, কষ্ট হচ্ছে ঠিকই, কিন্তু বাড়ি গিয়ে স্বজনদের মুখ দেখলে সব কষ্ট ভুলে যাব।
বৃষ্টি ও গাবতলীতে বসা পশুর হাটের কারণে ঢাকা-আরিচা মহাসড়ক ও গাবতলী-আমিনবাজার ব্রিজের ওপর যানবাহনের গতি কমে গেছে। ফলে দূরপাল্লার বাসগুলো সঠিক সময়ে ঢাকায় পৌঁছাতে পারছে না। সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, এর প্রভাব পড়েছে কাউন্টারগুলোর নির্ধারিত সময়সূচিতে।
বৃষ্টি উপেক্ষা করে বাস কাউন্টারগুলোতে ঘরমুখো মানুষের ভিড়
কল্যাণপুরের শাহ ফতেহ আলী পরিবহনের কাউন্টার মাস্টার হিরু বলেন, বৃষ্টির কারণে রাস্তায় গাড়ির গতি অনেক কম। এর পাশাপাশি কোরবানির পশুবাহী গাড়ি ঢাকায় প্রবেশ করছে। সাভার ও নবীনগর অংশে হালকা যানজটের কারণে গাড়িগুলো ২০ থেকে ৩০ মিনিট দেরিতে পৌঁছাচ্ছে। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন, আজ থেকে বাসের সময়সূচিতে বিপর্যয় দেখা দিতে পারে।
পরিবহন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সন্ধ্যার পর যাত্রীদের এই চাপ কয়েকগুণ বেড়ে যেতে পারে। বৃষ্টি অব্যাহত থাকলে রাতের ট্রিপগুলোতে সময়সূচি বিপর্যয়ের আশঙ্কা আরও বাড়ছে।
এদিকে ভিড়ের সুযোগ নিয়ে কিছু লোকাল ও ফিটনেসবিহীন দূরপাল্লার বাসে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগ করেছেন যাত্রীরা। তারা জানান, কাউন্টারে নির্ধারিত মূল্যে টিকিট বিক্রি হলেও কাউন্টারের বাইরে দাঁড়িয়ে থাকা কিছু বাসে ২০০ থেকে ৩০০ টাকা পর্যন্ত বাড়তি ভাড়া চাওয়া হচ্ছে।
তবে টার্মিনাল এলাকায় শৃঙ্খলা রক্ষা ও অতিরিক্ত ভাড়া আদায় বন্ধে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে তৎপর দেখা গেছে। যাত্রীদের নিরাপত্তা ও ট্রাফিক ব্যবস্থা সচল রাখতে বৃষ্টি উপেক্ষা করেও পুলিশ সদস্যরা সড়কে কাজ করছেন। দায়িত্বরত কর্মকর্তারা জানান, কোনো কাউন্টার বা পরিবহন যদি অতিরিক্ত ভাড়া দাবি করে, তবে সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
ঝুম বৃষ্টি, কর্দমাক্ত রাস্তা আর বাসের বিলম্ব– সব নেতিবাচক পরিস্থিতিকে হার মানিয়েছে পরিবারের সঙ্গে মিলিত হওয়ার অদম্য ইচ্ছা। সব বাধা উপেক্ষা করে নাড়ির টানে বাড়ি ফেরা কল্যাণপুর ও গাবতলীর এই জনস্রোতই তার প্রমাণ।
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : চট্টগ্রামের কিশোরী সুপর্বা সুধা বিশ্বাস। ১৩ বছর বয়সী অষ্টম শ্রেণির এই শিক্ষার্থীর ঝুলিতে ইতোমধ্...বিস্তারিত
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : বাংলাদেশ এডিটরস্ ফোরাম গভীর উদ্বেগের সঙ্গে লক্ষ্য করছে যে, সম্প্রতি চট্টগ্রামের একটি দৈনিক পত্রি...বিস্তারিত
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : নোবিপ্রবি প্রতিনিধি : জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি ও শহীদদের স্মরণে বাংলাদেশ ইসলাম...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : বিয়ের প্রতিশ্রুতিতে শারীরিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে শুধু পুরুষের শাস্তির বিধান কেন অবৈধ নয়, তা জানতে ...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : জুলাই গণঅভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলাগুলোর বিচার অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে এগোচ্...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ মো. নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘শিক্ষা প্রতি...বিস্তারিত
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৯ - © 2026 Dainik Amader Bangla | Developed By Muktodhara Technology Limited