বাংলাদেশ   বুধবার, ১৯ আগস্ট ২০২৬  

শিরোনাম

১৫ আগস্টে পাকিস্তানের পতাকা, ১৮ আগস্টে ভারতের! মুর্শিদাবাদের সেই অবিশ্বাস্য ৩ দিনের ইতিহাস!

আমাদের বাংলা ডেস্ক :    |    ১১:০৭ পিএম, ২০২৬-০৮-১৮

১৫ আগস্টে পাকিস্তানের পতাকা, ১৮ আগস্টে ভারতের! মুর্শিদাবাদের সেই অবিশ্বাস্য ৩ দিনের ইতিহাস!

১৯৪৭ সালের ১৫ আগস্ট। সারা ভারত যখন স্বাধীনতার আনন্দে মেতে উঠেছে, তখন মুর্শিদাবাদের মানুষের কাছে সেই দিনটি ছিল আনন্দের পাশাপাশি গভীর অনিশ্চয়তারও দিন। কারণ, স্বাধীনতার মুহূর্তে মুর্শিদাবাদ শেষ পর্যন্ত ভারতবর্ষের অংশ হবে, নাকি নবগঠিত পাকিস্তানের—এই প্রশ্নের উত্তর তখনও সাধারণ মানুষের কাছে স্পষ্ট ছিল না। বাংলার সীমানা কোথায় টানা হবে, কোন জেলা ভারতের অংশ হবে আর কোন জেলা চলে যাবে পূর্ব পাকিস্তানে, সেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত তখনও প্রকাশ্যে আসেনি। ফলে ১৫ আগস্ট ভারতের স্বাধীনতার দিন হলেও মুর্শিদাবাদের মানুষের কাছে নিজেদের ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বেগ কাটেনি।

এর পেছনে ছিল দেশভাগের সেই জটিল সীমারেখা নির্ধারণের প্রক্রিয়া। ব্রিটিশ সরকার বাংলা ও পাঞ্জাবকে ভাগ করার জন্য Boundary Commission গঠন করেছিল এবং বাংলার সীমা নির্ধারণের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল স্যার সিরিল র‍্যাডক্লিফের নেতৃত্বাধীন কমিশনকে। র‍্যাডক্লিফের নেতৃত্বে তৈরি হওয়া সীমান্ত-রায় ১২ আগস্ট ১৯৪৭ তারিখে স্বাক্ষরিত হলেও তা স্বাধীনতার আগে সাধারণ মানুষের সামনে প্রকাশ করা হয়নি। সরকারি ভাবে সেই সিদ্ধান্ত প্রকাশিত হয় ১৭ আগস্ট। ফলে ১৪ ও ১৫ আগস্টের সেই ঐতিহাসিক মুহূর্তে বহু সীমান্তবর্তী অঞ্চলের মানুষ কার্যত জানতেন না, স্বাধীনতার পর তাঁদের জেলা কোন দেশের অন্তর্ভুক্ত হতে চলেছে।

মুর্শিদাবাদকে ঘিরে এই অনিশ্চয়তা আরও তীব্র ছিল। জেলার জনসংখ্যার সংখ্যাগরিষ্ঠ অংশ ছিল মুসলমান। ফলে মুসলিম লীগের একটি অংশের মধ্যে স্বাভাবিকভাবেই আশা ছিল যে মুর্শিদাবাদ পূর্ব পাকিস্তানের অন্তর্ভুক্ত হবে। অন্যদিকে ভারতপন্থী রাজনৈতিক শক্তিগুলিও মুর্শিদাবাদকে ভারতের মধ্যে রাখার পক্ষে সক্রিয় ছিল। দেশভাগের আগের কয়েক মাসে মুর্শিদাবাদের রাজনৈতিক পরিস্থিতি তাই অত্যন্ত জটিল হয়ে উঠেছিল। মুসলিম লীগের নেতা সৈয়দ কাজেম আলি মির্জা মুর্শিদাবাদকে পাকিস্তানের অন্তর্ভুক্ত করার পক্ষে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছিলেন। আবার নবাব ওয়াসিফ আলি মির্জার মতো ব্যক্তিত্ব সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও হিন্দু-মুসলিম ঐক্য বজায় রাখার চেষ্টা করেছিলেন। অর্থাৎ সেই সময় মুর্শিদাবাদের মুসলিম সমাজও কোনোভাবেই একরঙা ছিল না।

১৫ আগস্টের সকালে পরিস্থিতি আরও নাটকীয় হয়ে ওঠে। মুর্শিদাবাদ পাকিস্তানের অংশ—এই ধারণার ভিত্তিতে জেলার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে পাকিস্তানের পতাকা উত্তোলন করা হয় বলে পরবর্তী ঐতিহাসিক বিবরণ ও সংবাদ-রিপোর্টে উল্লেখ রয়েছে। বহরমপুরের Circuit House ও প্রশাসনিক ভবন, জিয়াগঞ্জের পুলিশ স্টেশন এবং মহারানি কাশীশ্বরী গার্লস স্কুলে পাকিস্তানের পতাকা উত্তোলনের কথাও বিভিন্ন সূত্রে পাওয়া যায়। অর্থাৎ একই সময়ে যখন দিল্লি, কলকাতা এবং ভারতের বিভিন্ন শহরে তেরঙ্গা উড়ছে, তখন মুর্শিদাবাদের আকাশে দেখা যাচ্ছে পাকিস্তানের পতাকা। স্বাধীনতার আনন্দের মাঝেও মানুষের মনে তখন একটাই প্রশ্ন—মুর্শিদাবাদ আসলে কোন দেশের?

এই পরিস্থিতির একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হল, ঘটনাটিকে শুধুমাত্র “র‍্যাডক্লিফের ভুল” বলে ব্যাখ্যা করা ঠিক নয়। প্রচলিত অনেক লেখায় বলা হয়, র‍্যাডক্লিফ নাকি প্রথমে ভুল করে মুর্শিদাবাদকে পাকিস্তানের হাতে দিয়ে দিয়েছিলেন এবং পরে সেই ভুল সংশোধন করে ভারতকে দিয়েছিলেন। কিন্তু ইতিহাসের নথিপত্র এবং পরবর্তী গবেষণা বলছে, বিষয়টি এত সরল ছিল না। আসল সমস্যা ছিল সীমান্ত-রায় প্রকাশের সময় এবং সেই রায় সম্পর্কে প্রশাসনিক ও জনসাধারণের মধ্যে তৈরি হওয়া অনিশ্চয়তা। র‍্যাডক্লিফ অ্যাওয়ার্ড ১২ আগস্ট স্বাক্ষরিত হলেও স্বাধীনতার আগে তা প্রকাশ করা হয়নি। ১৭ আগস্ট সরকারি ভাবে রায় প্রকাশিত হওয়ার পরই মুর্শিদাবাদের প্রকৃত অবস্থান পরিষ্কার হয়ে যায়।

র‍্যাডক্লিফ অ্যাওয়ার্ডে বাংলার সীমা নির্ধারণের সময় জেলা ও থানার সীমানা, যোগাযোগ ব্যবস্থা, ভৌগোলিক বাস্তবতা এবং অন্যান্য বিষয় বিবেচনা করা হয়েছিল। মুর্শিদাবাদের ক্ষেত্রে নির্ধারিত সীমারেখা শেষ পর্যন্ত জেলাটিকে পশ্চিমবঙ্গের অন্তর্ভুক্ত করে। অর্থাৎ ১৭ আগস্ট যখন সরকারি সিদ্ধান্ত প্রকাশিত হল, তখন পরিষ্কার হয়ে গেল—মুর্শিদাবাদ পূর্ব পাকিস্তানের অংশ নয়, এটি ভারতের পশ্চিমবঙ্গের অংশ।

আর এখানেই আসে ১৮ আগস্ট ১৯৪৭-এর ঐতিহাসিক দিনটি।

১৭ আগস্টের সরকারি ঘোষণার খবর মুর্শিদাবাদে পৌঁছানোর পর মানুষের মধ্যে যে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছিল, তার অবসান হতে শুরু করে। পরদিন, অর্থাৎ ১৮ আগস্ট, বহরমপুরের Barrack Square-এ ভারতীয় জাতীয় পতাকা উত্তোলনের উল্লেখ ঐতিহাসিক গবেষণায় পাওয়া যায়। প্রশাসনিক স্তরেও ভারতীয় শাসনব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার প্রক্রিয়া শুরু হয়। যে মাটিতে মাত্র কয়েক দিন আগে পাকিস্তানের পতাকা উঠেছিল, সেই মাটিতেই এবার উড়ল স্বাধীন ভারতের তেরঙ্গা।

ভাবলে ঘটনাটি সত্যিই অবিশ্বাস্য। ১৪ আগস্ট পাকিস্তানের স্বাধীনতা, ১৫ আগস্ট ভারতের স্বাধীনতা—আর সেই দুই দেশের মাঝখানে দাঁড়িয়ে মুর্শিদাবাদ তখনও যেন নিজের পরিচয়ের অপেক্ষায়। ১৫ আগস্ট সেখানে পাকিস্তানের পতাকা উঠল। ১৬ আগস্ট মানুষ অপেক্ষা করল। ১৭ আগস্ট প্রকাশিত হল সীমান্তের সরকারি সিদ্ধান্ত। আর ১৮ আগস্ট মুর্শিদাবাদে স্পষ্ট হয়ে গেল তার ভবিষ্যৎ—এই জেলা ভারতের অংশ।

তবে ১৮ আগস্টকে ভারতের স্বাধীনতা দিবসের বিকল্প দিন হিসেবে দেখা উচিত নয়। ভারতের স্বাধীনতা দিবস ১৫ আগস্টই। কিন্তু মুর্শিদাবাদের ইতিহাসে ১৮ আগস্টের আলাদা তাৎপর্য রয়েছে। কারণ এই দিনটির সঙ্গে জড়িয়ে আছে ভারতভুক্তির সেই স্মৃতি, যখন একটি জেলার মানুষ কয়েক দিনের অনিশ্চয়তার পর নিশ্চিতভাবে জানতে পেরেছিলেন যে তাঁদের ভবিষ্যৎ ভারতের সঙ্গেই যুক্ত।

এই ঘটনাকে আরও আকর্ষণীয় করে তোলে মুর্শিদাবাদের ভৌগোলিক অবস্থান। একদিকে গঙ্গা-পদ্মার জলভূমি, অন্যদিকে রাজশাহী ও পূর্ব বাংলার সঙ্গে ঐতিহাসিক যোগাযোগ, আর তার মধ্যে বাংলার রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক ইতিহাসের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র মুর্শিদাবাদ। নবাবি বাংলার রাজধানী হিসেবে যে মুর্শিদাবাদ একসময় গোটা বাংলার রাজনীতির কেন্দ্র ছিল, ১৯৪৭-এর দেশভাগের সময় সেই মুর্শিদাবাদই আবার এক নতুন রাজনৈতিক সীমারেখার কেন্দ্রে চলে আসে।

আর এই ইতিহাসের মধ্যে আরও একটি বিষয় বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। ১৯৪৭-এর বাংলা ছিল সাম্প্রদায়িক উত্তেজনায় উত্তাল। কলকাতা, নোয়াখালি, বিহারসহ বিভিন্ন অঞ্চলে সাম্প্রদায়িক হিংসার ভয়াবহতা মানুষকে আতঙ্কিত করে তুলেছিল। মুর্শিদাবাদেও উত্তেজনা ছিল প্রবল। কিন্তু এই জেলার ক্ষেত্রে বড় আকারের সাম্প্রদায়িক সংঘর্ষ এড়ানো সম্ভব হয়েছিল বলে গবেষণায় উল্লেখ রয়েছে। বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক ব্যক্তিত্বের উদ্যোগ এবং হিন্দু-মুসলিম সম্প্রীতি বজায় রাখার প্রচেষ্টা এর পেছনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল।

তাই ১৮ আগস্টের ইতিহাসকে শুধুমাত্র “পাকিস্তানের পতাকা নামিয়ে ভারতের পতাকা তোলার” গল্প হিসেবে দেখলে এই ইতিহাসের গভীরতা অনেকটাই হারিয়ে যাবে। এটি আসলে পরিচয়, ভূগোল, রাজনীতি, প্রশাসন এবং মানুষের উদ্বেগ—সবকিছুর মিলিত ইতিহাস। এটি সেই সময়ের গল্প, যখন স্বাধীনতা এসে গিয়েছিল, কিন্তু মানুষের কাছে নিজের দেশের পরিচয় এখনও নিশ্চিত ছিল না।

ভাবুন, ১৫ আগস্টের সকাল। ভারত স্বাধীন হয়েছে। কিন্তু মুর্শিদাবাদের একজন সাধারণ মানুষ জানেন না তিনি আগামীকাল কোন দেশের নাগরিক হিসেবে জেগে উঠবেন। শহরের কোথাও পাকিস্তানের পতাকা উড়ছে। মানুষ অপেক্ষা করছে। রেডিওর খবর শুনছে। প্রশাসনের সিদ্ধান্তের দিকে তাকিয়ে আছে। তারপর ১৭ আগস্ট আসে সেই ঘোষণা—মুর্শিদাবাদ ভারতের অংশ। আর ১৮ আগস্ট সেই সিদ্ধান্তের প্রতীক হয়ে ওঠে তেরঙ্গা পতাকা।

এই কারণেই মুর্শিদাবাদের ইতিহাসে ১৮ আগস্ট একটি বিশেষ দিন। এটি ভারতের স্বাধীনতার আলাদা কোনো দিন নয়; বরং মুর্শিদাবাদের ভারতভুক্তির স্মরণীয় দিন। ১৫ আগস্ট যেখানে গোটা ভারতের স্বাধীনতার প্রতীক, সেখানে ১৮ আগস্ট মুর্শিদাবাদের মানুষের কাছে সেই অনিশ্চয়তার অবসানের স্মৃতি। আর ইতিহাসের সবচেয়ে আশ্চর্য প্রশ্নটি এখানেই—যে মুর্শিদাবাদ একসময় বাংলার নবাবদের রাজধানী ছিল, যে মুর্শিদাবাদ পলাশীর যুদ্ধের পর বাংলার ইতিহাসের মোড় ঘুরতে দেখেছিল, সেই মুর্শিদাবাদই ১৯৪৭ সালে আবার ইতিহাসের এক নতুন সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়েছিল। মাত্র কয়েক দিনের ব্যবধানে পতাকা বদলেছিল, প্রশাসনিক পরিচয় বদলানোর আশঙ্কা তৈরি হয়েছিল, আর শেষ পর্যন্ত সেই জেলা থেকে গেল ভারতের সঙ্গেই।

রিটেলেড নিউজ

ইসলামী ব্যাংকের গ্রাহক ফোরামের সমাবেশ অনুষ্ঠিত

ইসলামী ব্যাংকের গ্রাহক ফোরামের সমাবেশ অনুষ্ঠিত

নিজস্ব প্রতিবেদক :: : ইসলামী ব্যাংককে ঘিরে অস্থিরতা কোনোভাবেই কমছে না। গত রোববার আবারও ইসলামী ব্যাংকের প্রধান কার্যাল...বিস্তারিত


কুড়িগ্রাম সীমান্তে ২২ বিজিবির বিশেষ অভিযান: ৮ লাখ ৫১ হাজার টাকার ভারতীয় গবাদিপশু, গাঁজা ও চোরাচালানী মালামাল আটক

কুড়িগ্রাম সীমান্তে ২২ বিজিবির বিশেষ অভিযান: ৮ লাখ ৫১ হাজার টাকার ভারতীয় গবাদিপশু, গাঁজা ও চোরাচালানী মালামাল আটক

আমাদের বাংলা ডেস্ক : : কুড়িগ্রাম  জেলা প্রতিনিধি : কুড়িগ্রাম ব্যাটালিয়ন (২২ বিজিবি) সীমান্ত এলাকায় পরিচালিত বিশেষ ...বিস্তারিত


বিসিবি সভাপতি নির্বাচিত হলেন তামিম ইকবাল

বিসিবি সভাপতি নির্বাচিত হলেন তামিম ইকবাল

নিজস্ব প্রতিবেদক : অ্যাডহক কমিটির সভাপতি হিসেবে দুই মাস দায়িত্ব পালনের পর এবার বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের নির্বাচিত স...বিস্তারিত


চট্টগ্রামে আবাসিক হোটেলে মিলল স্বামী-স্ত্রীর মরদেহ

চট্টগ্রামে আবাসিক হোটেলে মিলল স্বামী-স্ত্রীর মরদেহ

চট্টগ্রাম ব্যুরো : : চট্টগ্রাম নগরের ফয়’স লেক চিড়িয়াখানার প্রবেশমুখে অবস্থিত একটি আবাসিক হোটেল থেকে মোহাম্মদ রিপন ও...বিস্তারিত


তামাক: রাজস্বের আড়ালে লুকানো মৃত্যুর বাণিজ্য

তামাক: রাজস্বের আড়ালে লুকানো মৃত্যুর বাণিজ্য

আবদুল্লাহ মজুমদার : : ধোঁয়ার কুণ্ডলীর ভেতরে মানুষ খুঁজে পায় সাময়িক প্রশান্তি, কেউ খুঁজে পায় অভ্যাস, আর কেউ ক্লান্ত জীবনে...বিস্তারিত


চামড়ার বাজার: সংকট, সিন্ডিকেট ও সম্ভাবনার সমীকরণ

চামড়ার বাজার: সংকট, সিন্ডিকেট ও সম্ভাবনার সমীকরণ

আবদুল্লাহ মজুমদার : : ঈদের সকাল গড়িয়ে দুপুর নামতেই দেশের অলিগলি, গ্রামের উঠোন আর শহরের মোড়ে মোড়ে জমতে থাকে কোরবানির পশুর...বিস্তারিত



সর্বপঠিত খবর

দশম শ্রেণির ছাত্রীকে গণধর্ষণ করে ভিডিও ধারণ, গ্রেফতার ২

দশম শ্রেণির ছাত্রীকে গণধর্ষণ করে ভিডিও ধারণ, গ্রেফতার ২

নোয়াখালী প্রতিনিধি : : নোয়াখালীর বেগমগঞ্জের দশম শ্রেণির এক স্কুলছাত্রী (১৭) গণধর্ষণের শিকার হয়েছে। এ ঘটনায় সম্পৃক্তার অ...বিস্তারিত


সৌদি আরবে  গাড়ির নির্দিষ্ট গতি  অমান্য করলে  ২ হাজার রিয়াল জরিমানা 

সৌদি আরবে  গাড়ির নির্দিষ্ট গতি  অমান্য করলে  ২ হাজার রিয়াল জরিমানা 

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : : সৌদি ট্রাফিক কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে যে, স্পীড লিমিট এর চাইতে অধিক গতিতে যানবাহন চালানো ব্যক্তিদের উপ...বিস্তারিত



সর্বশেষ খবর