শিরোনাম
আমাদের বাংলা ডেস্ক : | ০৩:২৬ পিএম, ২০২৬-০৫-১০
দেশে প্রতিবছর গড়ে প্রায় ১০০ এমএমসিএফ গ্যাস উত্তোলন কমছে। এই ঘাটতি মেটাতে সরকার এলএনজি আমদানির ওপর নির্ভরশীল হচ্ছে। দেশের শিল্প খাত ও কর্মসংস্থান রক্ষায় সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ এই জ্বালানি সংকট সমাধানে নেতিবাচক চিন্তার বদলে সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব নিয়ে সরকার ও ব্যবসায়ীদের যৌথভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন বাংলাদেশ চেম্বার অব ইন্ডাস্ট্রিজের (বিসিআই) সভাপতি আনোয়ার-উল আলম চৌধুরী (পারভেজ)। শনিবার (৯ মে) রাজধানীর মতিঝিলে বিসিআই আয়োজিত ‘বাংলাদেশের জ্বালানি খাতের ভবিষ্যৎ: নিরাপত্তা, টেকসই ব্যবস্থা ও বিনিয়োগ সম্ভাবনা’ শীর্ষক এক গোলটেবিল আলোচনায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। আনোয়ার-উল আলম চৌধুরী বলেন, আমাদের দেশীয় শিল্প গড়ে উঠেছিল তুলনামূলক সস্তা গ্যাস, জ্বালানি ও শ্রমের ওপর ভিত্তি করে। কিন্তু ২০২২ সালের পর থেকে আমরা আর সস্তা জ্বালানির সুবিধা পাচ্ছি না। বর্তমান সংকট উত্তরণের উপায় সম্পর্কে তিনি বলেন, কীভাবে এই সংকট থেকে বের হওয়া যায়, সেদিকে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। সরকার আমাদের বাইরের কেউ নয়। আমরা যেমন চাই না আমাদের শিল্পকারখানা বন্ধ হয়ে যাক এবং কর্মসংস্থান কমুক, সরকারও তা চায় না। তাই কীভাবে এই সমস্যা থেকে উত্তরণ সম্ভব এবং ভবিষ্যৎ আরও সুরক্ষিত করা যায়, তার নির্দিষ্ট প্রস্তাব দিয়ে সরকারকে বোঝাতে হবে, যাতে সরকারও বিষয়গুলো ইতিবাচকভাবে গ্রহণ করে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ ড. হোসেন জিল্লুর রহমান এই ধরনের সময়োপযোগী আয়োজনের জন্য বিসিআইকে ধন্যবাদ জানান। তিনি বলেন, জ্বালানি সংকট সমাধানে আমাদের কিছু উদ্ভাবনী (ইনোভেটিভ) আইডিয়া নিয়ে আসতে হবে। আলোচনায় ল্যান্ড-বেজড এফএসআরইউ-এর কথা এসেছে। আমাদের এখন জ্বালানি সাশ্রয়ী যন্ত্রপাতি ব্যবহারে উদ্যোগী হতে হবে এবং নিজস্ব জ্বালানি নিরাপত্তার দিকে এগোতে হবে। এক্ষেত্রে সৌরবিদ্যুৎ (সোলার) একটি ভালো সমাধান হতে পারে। সমন্বয়হীনতার কথা উল্লেখ করে ড. হোসেন জিল্লুর রহমান বলেন, জ্বালানি বিষয়ে সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্বের (পিপিপি) ভিত্তিতে একটি মনিটরিং সেল গঠন করা দরকার। বর্তমানে আমাদের কাজের মধ্যে সমন্বয়ের অভাব রয়েছে। আমি মনে করি, ব্যবসায়ী ও সরকার একসঙ্গে কাজ করলে জ্বালানি সমস্যার টেকসই সমাধান সম্ভব। অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন- বাংলাদেশ জ্বালানি ও বিদ্যুৎ গবেষণা কাউন্সিলের সদস্য সচিব ড. মো. রফিকুল ইসলাম, সরকারের সাবেক সিনিয়র সচিব ও গ্রিনটেক ফাউন্ডেশন বাংলাদেশের উপদেষ্টা সিদ্দিক জোবায়ের, বিআইপিপিএ-এর সভাপতি ডেভিড হাসানাত, বিসিএমইএ-এর সভাপতি মঈনুল ইসলাম স্বপন, বিজিএমইএ-এর সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট ইনামুল হক খান এবং বিএসআরইএ-এর সভাপতি মোস্তফা আল মাহমুদ প্রমুখ। সভায় সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা অংশ নেন। বিসিআইয়ের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট প্রীতি চক্রবর্তীর ধন্যবাদ জ্ঞাপনের মধ্য দিয়ে সভার সমাপ্তি হয়।
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : ব্যয় কমানোর লক্ষ্যে নতুন গাড়ি কেনা, সরকারি কর্মকর্তাদের গাড়ি ঋণ বিতরণ, থোক বরাদ্দ থেকে ব্যয় বন্ধসহ...বিস্তারিত
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে সৌহার্দ্য, পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও আস্থার পরিবেশ ...বিস্তারিত
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : সঞ্চয়পত্রের মেয়াদ শেষ হওয়ার পর ছয় বছরের মধ্যে আসল টাকা বা মুনাফা দাবি না করলে তা তামাদি (Time-barred) হিসেব...বিস্তারিত
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : বুধবার রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে রাজউক ও রিহ্যাবের উচ্চ পর্যায়ের মতবিনিময়সভা হ...বিস্তারিত
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : স্থানীয় বাজারে তেজাবি সোনা-রুপার (পাকা সোনা) দাম কমার পরিপ্রেক্ষিতে দেশের বাজারে সোনা- রুপার দাম ...বিস্তারিত
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : ডাইরেক্ট লিস্টিংয়ের মাধ্যমে দ্রুত সময়ের মধ্যে পু্ঁজিবাজারে নতুন কোম্পানি তালিকাভূক্ত করা হবে ব...বিস্তারিত
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৯ - © 2026 Dainik Amader Bangla | Developed By Muktodhara Technology Limited