বাংলাদেশ   শুক্রবার, ৭ আগস্ট ২০২৬  

শিরোনাম

চট্টগ্রাম বাকলিয়ায় ৪৫০ একর খাস জমি দখল করে হাউজিং ব্যবসা

‘সৎসঙ্গ বিহার হাউজিং সোসাইটি’ নামে গড়ে উঠেছে বিশাল এক আবাসন

চট্টগ্রাম ব্যুরো :    |    ০২:২৭ পিএম, ২০২৫-০৮-২৪

চট্টগ্রাম বাকলিয়ায় ৪৫০ একর খাস জমি দখল করে হাউজিং ব্যবসা

চট্টগ্রামের বাকলিয়ায় কল্পলোক আবাসিকের সঙ্গে লাগানো বিপুল পরিমাণ সরকারি খাস জমিতে গড়ে উঠেছে ‘সৎসঙ্গ বিহার হাউজিং সোসাইটি’ নামে বিশাল এক আবাসন। সেখানে হিন্দু সম্প্রদায় ছাড়া অন্য কোনো ধর্মের আবাসন নেই। এলাকার প্রায় ৪৫০ একর সরকারি খাস জমি সম্পূর্ণ অবৈধভাবে দখল করে এই আবাসন গড়ে তোলা হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। অন্তত পাঁচ হাজারের মতো প্লট করা হয়েছে। এর মধ্যে অন্তত এক হাজার প্লটে আবাসন গড়ে তোলা হয়েছে। যেখানে হিন্দু সম্প্রদায়ের সরকারি প্রশাসনিক কর্মকর্তা থেকে শুরু করে সাংবাদিকের আবাসনও রয়েছে। যাদের প্রভাবে সম্পূর্ণ অবৈধভাবে দেওয়া হয়েছে বিদ্যুৎ ও পানি সংযোগ।  

৪৫০ একর খাস জমি দখল করে ‘সৎসঙ্গ বিহার হাউজিং সোসাইটি’
স্থানীয়রা জানান, শুরুর দিকে এই আবাসনের জমি কাঠাপ্রতি চার-পাঁচ লাখ টাকায় বিক্রি হলেও পরবর্তী সময়ে ১০-১৫ লাখ এবং বর্তমানে ২০ লাখ টাকায় বিক্রি করা হচ্ছে। এগুলো শুধু  স্ট্যাম্পমূলে চুক্তিতে বিক্রি হচ্ছে। আর জমি বিক্রির টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন সৎসঙ্গ বিহার হাউজিং সোসাইটির সভাপতি কৃষ্ণাশীষ দাশ ও সাধারণ সম্পাদক আশিষ চৌধুরী। 
আর এই সিন্ডিকেটের ভয়ে স্থানীয়দের কেউ এ নিয়ে মুখ খোলার সাহস পায় না। এমনকি এসব জমি উদ্ধারে সাহস করছে না খোদ চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসনও। জেলা প্রশাসন থেকে এসব জমি পরিদর্শন কার্যক্রম অব্যাহত রাখা হলেও উচ্ছেদ কার্যক্রম চালানোর কোনো নজির নেই বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।  
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, সৎসঙ্গ বিহার হাউজিং সোসাইটি ভবন নির্মাণের মাটি পরীক্ষা, অনুমতি না নিয়ে স্থাপনা তৈরি করায় বেশ কয়েকটি সংস্থার তোপের মুখে পড়েছিল। কিন্তু সোসাইটির সভাপতি ও সদস্যরা একজোট হয়ে তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকারের আমলা ও মন্ত্রীদের ম্যানেজ করে টিকিয়ে রেখেছেন। এমনকি এখনো তারা সরকারের বিভিন্ন দফতরে জায়গার বন্দোবস্ত, ভবন নির্মাণের অনুমতিসহ নানা সরকারি কাজের জন্য বিভিন্ন কর্মকর্তা ও দালালদের ঘুষ দিচ্ছেন। 
তৎকালীন সরকারের আমলে বিশেষ কায়দায় বিদ্যুৎ সংযোগ নেওয়া হয়েছিল। সেখানে সুমন দাশ নামে এক ব্যক্তির প্লট রয়েছে। যিনি তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ফটোগ্রাফার ছিলেন। তাছাড়া ঢাকা-চট্টগ্রামে কর্মরত অনেক সাংবাদিকের প্লটও রয়েছে এই আবাসনে।  

শুধু তাই নয়, তৎকালীন সরকারের আমলে বিশেষ কায়দায় বিদ্যুৎ সংযোগ নেওয়া হয়েছিল। সেখানে সুমন দাশ নামে এক ব্যক্তির প্লট রয়েছে। যিনি তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ফটোগ্রাফার ছিলেন। তাছাড়া ঢাকা-চট্টগ্রামে কর্মরত অনেক সাংবাদিকের প্লটও রয়েছে এই আবাসনে।  
সৎসঙ্গ বিহার হাউজিং সোসাইটি সিডিএতে কোনো আবেদন করেনি। তাই তারা কী করেছে, না করেছে, আমরা অবগত নই। আর ওখানে জায়গার মালিকানা নিয়ে যদি সমস্যা থাকে, তবে ভবন নির্মাণের আবেদন কোন যুক্তিতে করবে? আগে মালিকানা ঠিক করার পর পুনরায় তারা সয়েল টেস্ট বা স্থাপনা কী নির্মাণ করতে পারবে, তা পরে সিদ্ধান্তে আসা যাবে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক ফরিদা খানম বলেন, সৎসঙ্গ বিহার হাউজিং সোসাইটি নামে যে এলাকা গড়ে তোলা হয়েছে, তা খাস জায়গার উপরে নির্মিত। সৎসঙ্গ বিহার, চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসন বরাবর বন্দোবস্তের জন্য আবেদন করেছিল। সৎসঙ্গ বিহার হাউজিং সোসাইটির নামে ব্যক্তি মালিকানাধীন জায়গা আছে মর্মে এ পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট কাগজপত্র পর্যালোচনায় প্রতীয়মান হয়নি। সংশ্লিষ্ট ভূমি অফিস থেকে প্রতিবেদন পাওয়া গেলে পরবর্তী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সুতরাং, সরকারি খাস জায়গার উপর অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ করা হলে জেলা প্রশাসনের পক্ষ হতে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। 
চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (সিডিএ) উপ-প্রধান নগর পরিকল্পনাবিদ এবং চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন মাস্টারপ্ল্যান প্রকল্পের (২০২০-২০৪১) পরিচালক মো. আবু ঈসা আনছারী বলেন, ‘সৎসঙ্গ বিহার হাউজিং সোসাইটি সিডিএতে কোনো আবেদন করেনি। তাই তারা কী করেছে, না করেছে, আমরা অবগত নই। আর ওখানে জায়গার মালিকানা নিয়ে যদি সমস্যা থাকে, তবে ভবন নির্মাণের আবেদন কোন যুক্তিতে করবে? আগে মালিকানা ঠিক করার পর পুনরায় তারা সয়েল টেস্ট বা স্থাপনা কী নির্মাণ করতে পারবে, তা পরে সিদ্ধান্তে আসা যাবে।’ 
আবু ঈসা আনছারী বলেন, হাউজিং সোসাইটি ঘিরে কর্ণফুলী নদীর তীরে আমাদের রাস্তার কাজ চলমান আছে। রাস্তাটা হওয়ার পর অ্যাকশন প্ল্যানের রিপোর্ট পাওয়া যাবে। আইনসম্মতভাবে যদি তারা ভবন নির্মাণ না করে তাহলে তো হবে না। যেকোনো সময় আমাদের উচ্ছেদ অভিযান চলতে পারে।  

Ctg_Sotsongo_Housing2
বিদ্যুৎ সংযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে বাকলিয়া বিপিডিবির বিক্রয় ও বিতরণ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মোহাম্মদ রিয়াজুল হক বলেন, সৎসঙ্গ হাউজিং সোসাইটিতে কীভাবে বিদ্যুৎ সংযোগ নেওয়া হয়েছে, তা আমি জানি না। হয়তো তৎকালীন সরকারের বিভিন্ন মহল থেকে চাপের ফলে বাধ্য হয়ে বিদ্যুৎ সংযোগ দিতে হয়েছে। তাছাড়া জমির কাগজপত্র ছাড়া অস্থায়ী কিছু মিটার দেওয়ার নিয়ম আছে, যার বিদ্যুৎ বিলের দাম হয় বেশি। তবে আমরা বর্তমানে ভূমি অফিসের সহকারী কমিশনারের প্রতিবেদন না পেলে কোনো মিটার বা বিদ্যুৎ সংযোগ দেই না। 
সিডিএর সূত্রমতে, বাকলিয়া কল্পলোক আবাসিকের পাশের বিশাল এই সরকারি ভূমি এক সময় কর্ণফুলী নদীর পেটে ছিল। কালের পরিক্রমায় চর জেগে, পলি পড়ে ভরাট হতে হতে জায়গাটি উঁচু হয়ে উঠে। তারপর সেখানে ধীরে ধীরে লোকচক্ষুর অন্তরালে নানা কায়দায় মাটি ফেলে ভরাট করা হয়।  
জায়গাটি সরকারি খাস খতিয়ানের, কিন্তু ধীরে ধীরে সেগুলো দখল করে প্রভাবশালীরা তৈরি করে নিয়েছিল প্লট, কোনো দফতরের কোনো ধরনের অনুমোদন ছাড়াই নির্মাণ করা হয়েছে অনেকগুলো বাড়ি। এসবের জন্য তৈরি করা হয়েছে একটি সমিতি। সমিতির নাম সৎসঙ্গ বিহার হাউজিং সোসাইটি। তবে সর্বাগ্রে সেখানে গড়ে তোলা হয়েছে সৎসঙ্গ বিহার মন্দির, যার নামে গড়ে তোলা হয়েছে এই হাউজিং সোসাইটি।  
এই সোসাইটিতে ইতোমধ্যে এক হাজারেরও বেশি প্লট বিক্রি হয়েছে। বিক্রি হওয়া প্লটে এরই মধ্যে গড়ে উঠেছে তিন থেকে পাঁচ তলা শতাধিক পাকা ভবন। বাকি সব একতলা ও সেমিপাকা ভবন। গড়ে তোলার প্রক্রিয়ায় রয়েছে অর্ধশতাধিক ভবনের কাজ। সেখানে প্রতিটি ঘরে দেওয়া হয়েছে বিদ্যুৎ সংযোগসহ সরকারি নানা পরিষেবা। এখানে প্লট রয়েছে সাবেক প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের ফটোগ্রাফারসহ, সিনিয়র সাংবাদিকেরও। তারা ঢাকা ও চট্টগ্রামে বিভিন্ন গণমাধ্যমে কাজ করছেন।
অবৈধভাবে নির্মিত হওয়া স্থাপনা প্রসঙ্গে জানতে কথা হয় একাধিক প্লট মালিকের সঙ্গে। এর মধ্যে প্লট মালিক প্রদীপ দাশ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতিতে চাকরি করেন। মুঠোফোনে খাস জায়গার উপর নির্মিত হওয়া ভবনের বিষয়ে কথা হলে তিনি বলেন, আমি এখন লাইনের কাজে ব্যস্ত আছি, আপনার সাথে পরে কথা বলবো। 
আমরা অনুমতির জন্য জেলা প্রশাসন এবং সিডিএতে আবেদন করেছি। আর আমার ভবনটি খাস জায়গায় করিনি। এটা ব্যক্তি মালিকানাধীন জায়গা। তবে আমি অনুমতির জন্য প্রসেসিং চালাচ্ছি।
প্লটের মালিক রাজিব দাশ চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনে চাকরি করেন। তার সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, ব্যস্ত আছি। প্লট মালিক তারেকেশ্বর দাশ একজন আয়কর কর্মকর্তা। তিনি বলেন, আমার কোনো ভবন নেই- বলেই ফোন কেটে দেন।  
প্লটের মালিক অনুপম দাশ হলেন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের একজন শিক্ষক। তিনি জায়গাগুলো অনুমোদন নেই স্বীকার করে বলেন, আমরা অনুমতির জন্য জেলা প্রশাসন এবং সিডিএতে আবেদন করেছি। আর আমার ভবনটি খাস জায়গায় করিনি। এটা ব্যক্তি মালিকানাধীন জায়গা। তবে আমি অনুমতির জন্য প্রসেসিং চালাচ্ছি। 
অকৃষি খাসজমি ব্যবস্থাপনা ও বন্দোবস্ত নীতিমালা, ১৯৯৫ এর ৩.০ (খ) অনুচ্ছেদের আলোকে ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে নির্ধারিত মূল্যের ১০% হারে হলে তার পরিমাণ দাঁড়ায় ১১ কোটি ৩২ লাখ ৮০ হাজার টাকা। কিন্তু সেই সেলামি মূল্যের কথা শুনে পিছু হটে সৎসঙ্গ বিহার।
জেলা প্রশাসন সূত্র জানায়, ২০১৬ সালের ১ সেপ্টেম্বর মন্দিরের জন্য আবেদন করেন সৎসঙ্গ বিহারের তৎকালীন সভাপতি। এরপর পর্যালোচনা করে ২০১৭ সালের ১৯ জানুয়ারি জেলা প্রশাসক মো. সামসুল আরেফিন স্বাক্ষরিত একটি প্রস্তাবিত পত্রে মৌজা রেটসহ ওই জায়গার মূল্যের তালিকার ফর্দ ভূমি মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব বরাবর প্রেরণ করেন।  
সেই পত্র থেকে জানা যায়, সৎসঙ্গ বিহার, চট্টগ্রাম এর অনুকূলে বাকলিয়া (বন্দর) মৌজার বি.এস ৪৭০৬ দাগের ৫ একর জমির প্রস্তাব করা হয়েছে। কানুনগো কর্তৃক সেলামি মূল্য নির্ধারণসংক্রান্ত প্রতিবেদন পর্যালোচনায় দেখা যায়, বাকলিয়া (বন্দর) মৌজায় ০.০১ একর (১ শতক) নাল জমির গড় মূল্য সাত লাখ ৫৫ হাজার ২০০ টাকা। সেই হিসাবে প্রস্তাবিত ৫ একর নাল জমির গড় মূল্য হয় ৩৭ কোটি ৭৬ লাখ টাকা। প্রস্তাবিত জমি সিটি করপোরেশনের অন্তর্ভুক্ত হওয়ায় নীতিমালা অনুসারে ৩ গুণ হারে সেলামি মূল্য হবে ১১৩ কোটি ২৮ লাখ টাকা। 
অকৃষি খাসজমি ব্যবস্থাপনা ও বন্দোবস্ত নীতিমালা, ১৯৯৫ এর ৩.০ (খ) অনুচ্ছেদের আলোকে ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে নির্ধারিত মূল্যের ১০% হারে হলে তার পরিমাণ দাঁড়ায় ১১ কোটি ৩২ লাখ ৮০ হাজার টাকা। কিন্তু সেই সেলামি মূল্যের কথা শুনে পিছু হটে সৎসঙ্গ বিহার। পরবর্তী সময়ে ২০১৭ সালের ২২ জানুয়ারি অকৃষি খাস জমি দীর্ঘমেয়াদি পাঁচ একর বন্দোবস্ত প্রদানের জন্য আবেদন করে সৎসঙ্গ বিহার। 
আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে তৎকালীন জেলা প্রশাসক মন্ত্রণালয়ে আবেদনটি পাঠালে ২০২০ সালের ১ মার্চ ভূমি মন্ত্রণালয়ের খাস জমি-১ অধিশাখার উপ-সচিব ইশরাত জাহান স্বাক্ষরিত এক আদেশে পাঁচ একরের পরিবর্তে চার একর অকৃষি খাসজমি বন্দোবস্ত প্রস্তাব পাঠাতে বলেন। সেই সঙ্গে  প্রস্তাবিত জমির মামলাসংক্রান্ত প্রত্যয়ন, প্রস্তাবিত জমির বর্তমান বাজারমূল্য অনুযায়ী মূল্য নির্ধারণ করে প্রেরণ এবং সিটি করপোরেশনের ছাড়পত্র/অনাপত্তি প্রেরণ করতে বলা হয়। কিন্তু জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে এখনও ভূমি অফিস থেকে এসব কাগজের কপি না আসায় বন্দোবস্তের বিষয়টি ধামাচাপা থাকে। পরবর্তী সময়ে তারা বিহার বা সোসাইটির জন্য কোনো আবেদন না করে নিজেদের মত স্থাপনা নির্মাণ করেন। 
সরেজমিন পরিদর্শনে দেখা যায়, প্রস্তাবিত জমির চতুর্পাশে প্রায় ছয় ফুট উচ্চতাবিশিষ্ট সীমানা প্রাচীর (পাকা দেয়াল) দিয়ে আবেদনকারী প্রতিষ্ঠান তথা সৎসঙ্গ বিহার ভোগ দখলে আছে। সেই সঙ্গে প্লটবাণিজ্য চালিয়ে যাচ্ছে সৎসঙ্গ বিহার হাউজিং সোসাইটি। এই বিহার ঘিরে ১ থেকে ৬ নম্বর সড়কে এক হাজারেরও বেশি আবাসন গড়ে তোলা হয়েছে।  
এসব বিষয়ে কথা হয় সৎসঙ্গ বিহার হাউজিং সোসাইটির সাধারণ সম্পাদক আশিষ চৌধুরীর সাথে। প্রশ্নের উত্তরে হাউজিং সোসাইটির অনুমোদন না থাকার কথা স্বীকার করে তিনি বলেন, আপনি এসব বিষয়ে আমার সঙ্গে কথা না বলে সভাপতি কৃষ্ণের সঙ্গে কথা বলেন। 
পরে সৎসঙ্গ বিহার হাউজিং সোসাইটির সভাপতি কৃষ্ণাশীষ দাশের সঙ্গে কথা হয়। সাংবাদিক পরিচয় পেয়ে তিনি বলেন, আমি এখন ব্যস্ত আছি। ফোনে এত কিছু বলতে পারব না। আপনার সঙ্গে অফিসে এসে আমি সরাসরি কথা বলব। এ কথা বলে সংযোগ কেটে দেন তিনি। 

রিটেলেড নিউজ

জাতীয় নাট্যশালায় নজরুলপ্রেমীদের মিলনমেলা

জাতীয় নাট্যশালায় নজরুলপ্রেমীদের মিলনমেলা

নিজস্ব প্রতিবেদক : আব্দুল হালিম সরদার: জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ১২৭তম জন্মজয়ন্তী উপলক্ষে বাংলাদেশ শিল্পকলা এ...বিস্তারিত


বর্ণাঢ্য আয়োজনে ভালুকায় পল্লী চিকিৎসক সমিতির সম্মেলন অনুষ্ঠিত

বর্ণাঢ্য আয়োজনে ভালুকায় পল্লী চিকিৎসক সমিতির সম্মেলন অনুষ্ঠিত

নিজস্ব প্রতিবেদক : মাহমুদুর রহমান, ভালুকা প্রতিনিধি: বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ পল্লী চিকিৎসক সমিতি, ভালুক...বিস্তারিত


 যমুনা নদীতে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীন নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ)'র নাম ভাঙ্গিয়ে চাঁদা উত্তোলনের অভিযোগে বিভিন্ন দফতরে লিখিত অভিযোগ

যমুনা নদীতে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীন নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ)'র নাম ভাঙ্গিয়ে চাঁদা উত্তোলনের অভিযোগে বিভিন্ন দফতরে লিখিত অভিযোগ

এনামুল হক, সিরাজগঞ্জ ব্যুরো চীফ : : টাঙ্গাইল, সিরাজগঞ্জ ও মানিকগঞ্জ জেলার যমুনা নদীতে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীন নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইড...বিস্তারিত


মহাসড়কের যানজট নিরসনে জাগ্রত ট্রাফিক পুলিশ

মহাসড়কের যানজট নিরসনে জাগ্রত ট্রাফিক পুলিশ

নিজস্ব প্রতিবেদক : মাহমুদুর রহমান, ভালুকা প্রতিনিধি: ময়মনসিংহের ভালুকায় ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের গুরুত্বপূর্ণ অংশ ...বিস্তারিত


সিলেটের ডিসি সারওয়ার আলমকে প্রত্যাহার

সিলেটের ডিসি সারওয়ার আলমকে প্রত্যাহার

নিজস্ব প্রতিবেদক : সিলেটের জেলা প্রশাসক (ডিসি) ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. সারওয়ার আলমকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। রোববার (২...বিস্তারিত


সিডিএ চেয়ারম্যান হলেন বিএনপি নেতা ইঞ্জিনিয়ার বেলায়েত হোসেন

সিডিএ চেয়ারম্যান হলেন বিএনপি নেতা ইঞ্জিনিয়ার বেলায়েত হোসেন

চট্টগ্রাম ব্যুরো : : চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (সিডিএ) চেয়ারম্যান পদে নিয়োগ পেয়েছেন ইঞ্জিনিয়ার বেলায়েত হোসেনকে। ব...বিস্তারিত



সর্বপঠিত খবর

দশম শ্রেণির ছাত্রীকে গণধর্ষণ করে ভিডিও ধারণ, গ্রেফতার ২

দশম শ্রেণির ছাত্রীকে গণধর্ষণ করে ভিডিও ধারণ, গ্রেফতার ২

নোয়াখালী প্রতিনিধি : : নোয়াখালীর বেগমগঞ্জের দশম শ্রেণির এক স্কুলছাত্রী (১৭) গণধর্ষণের শিকার হয়েছে। এ ঘটনায় সম্পৃক্তার অ...বিস্তারিত


সৌদি আরবে  গাড়ির নির্দিষ্ট গতি  অমান্য করলে  ২ হাজার রিয়াল জরিমানা 

সৌদি আরবে  গাড়ির নির্দিষ্ট গতি  অমান্য করলে  ২ হাজার রিয়াল জরিমানা 

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : : সৌদি ট্রাফিক কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে যে, স্পীড লিমিট এর চাইতে অধিক গতিতে যানবাহন চালানো ব্যক্তিদের উপ...বিস্তারিত



সর্বশেষ খবর