শিরোনাম
নিজস্ব প্রতিবেদক | ০৫:৪৬ পিএম, ২০২৫-১২-২৩
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) শ্রমিক সংগঠনের খুলনা বিভাগীয় আহ্বায়ক মোতালেব শিকদার গুলিবিদ্ধ হওয়ার ঘটনায় আলোচিত সেই নারী তনিমা তন্বীকে আটক করেছে মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ (ডিবি)। সোমবার (২২ ডিসেম্বর) রাতে মহানগরীর টুটপাড়া এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়। খুলনা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের পরিদর্শক (ওসি) তৈমুর ইসলাম তন্বীকে আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সোনাডাঙ্গা সার্জিক্যাল সংলগ্ন আল আকসা মসজিদ রোডের ‘মুক্তা হাউজের’ নিচতলায় ভাড়া বাসায় তন্বীর কক্ষে গুলিবিদ্ধ হন মোতালেব শিকদার। ঘটনার পর স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান। পুলিশ জানায়, ঘটনার তদন্তে নেমে ওই কক্ষ থেকে মাদক সেবনের বিভিন্ন সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়েছে। ঠিক কী কারণে মোতালেব শিকদার সেখানে গিয়েছিলেন এবং কার গুলিতে তিনি আহত হয়েছেন, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।
এনসিপি নেতা গুলিবিদ্ধ, সেই তন্বীসহ ৮ জনকে আসামি করে মামলা
খুলনায় জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) শ্রমিক সংগঠনের খুলনা বিভাগীয় আহ্বায়ক মোতালেব শিকদারকে গুলির ঘটনায় মোসা. তনিমা তন্বীসহ অজ্ঞাত ৭/৮ জনকে অজ্ঞাত আসামি করে মামলা দায়ের করা হয়েছে। মঙ্গলবার (২৩ ডিসেম্বর) দুপুরে আহত মোতালেব শিকদারের স্ত্রী রহিমা আক্তার ফাহিমা বাদী হয়ে এই মামলা করেন। খুলনার সোনাডাঙ্গা মডেল থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, মোতালেবকে গুলির ঘটনায় তন্বীসহ ৮৮ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করা হয়েছে। মোতালেবের স্ত্রী বাদী হয়ে এই মামলা দায়ের করেছেন। তন্বীকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে, আরও জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। এছাড়া তন্বী অসুস্থ বোধ করায় আজ বিকেলে তাকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-কমিশনার মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম বলেন, এনসিপি নেতা মোতালেবের ওপর গুলিবর্ষণের ঘটনার পর থেকে আমরা মাঠে কাজ করছি। এ ঘটনায় ওই বাড়ির বরাদ্দ থাকা তন্বীকে আমরা আইনের আওতায় এনেছি। জিজ্ঞাসাবাদ করেছি।
তিনি বলেন, ঘটনার আগের রাতে ৩ জন সেখানে ছিল। ঘটনার দিন ভোরে ৭/৮ জন সন্ত্রাসী এসে মোতালেবকে জিম্মি করে। তাকে মারধর করে, হাত-পা বাঁধে এবং তার কাছ থেকে টাকা দাবি করে। এটা আমরা জানতে পেরেছি। বাদীর দেওয়া তথ্যমতে, সন্ত্রাসীরা মোতালেবের কাছে বলে তোমার কাছে ১০ হাজার পিস ইয়াবা আছে এবং তাকে ভয় দেখানোর জন্য তারা গুলি করে। গুলির পর ঘটনাস্থল ত্যাগ করে। পরে মোতালেবের সঙ্গে আরিফ নামে এক ব্যক্তি ছিল তাকে হাসপাতালে নিয়ে যায়। যেসব সন্ত্রাসীরা গুলি করেছে এবং যারা তার কাছে টাকা চেয়েছিল, স্বল্প সময়ের মধ্যে আমরা তাদের গ্রেপ্তার করবো।
নিজস্ব প্রতিবেদক : সিলেট প্রতিনিধি : সিলেটের হযরত শাহজালাল (রহ.) মাজারের দানবাক্সের টাকা গণনা শেষে চতুর্থ দফায় পাওয়া গ...বিস্তারিত
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি: দেশব্যাপী ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযানের অংশ হিসেবে পরিষ্কার-পরিচ...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : বৃষ্টিপাত বেড়ে নদ-নদীর পানি সতর্কসীমায় পৌঁছালে দেশের পাঁচ জেলার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হতে পারে। শনি...বিস্তারিত
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : রাজশাহী প্রতিনিধি : পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ের ১১টি ট্রেন ইজারা দেওয়া হচ্ছে। ইতোমধ্যে চারটি ট্রেনের দর...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : পুলিশের একাংশের পুরোনো ও অচল যানবাহন, পুলিশের অবস্থান নজরদারিতে অপরাধীদের ড্রোনের ব্যবহার এবং মে...বিস্তারিত
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি : প্রথমদিন থেকেই বিরোধীদল প্রতিমুহূর্তে সরকারি দলকে অসহযোগিতা করার কারণেই ...বিস্তারিত
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৯ - © 2026 Dainik Amader Bangla | Developed By Muktodhara Technology Limited