শিরোনাম
মিজানুর রহমান চৌধুরী | ০৯:২২ পিএম, ২০২৪-১১-২৩
পদবী লোভী লুটেরা দালালদের এ মুহুর্তে থামিয়ে দিতে হবে। আন্দোলনে অংশ গ্রহণ করেনি এরকম পদলোভী লুটেরা চক্রের নেতা-পাতিনেতাদের রাজধানী থেকে তৃণমূল পর্যন্ত অস্থির তৎপরতা চালাচ্ছে। ইতিমধ্যে এরা সফল হয়েছে। আওয়ামী ফ্যাসিবাদের সাথে সখ্যতা সৃষ্টিকারীরা এ ক্ষেত্রে দারুণভাবে প্রশাসনিক চিহ্নিত দুর্নীতিবাজদের সহযোগিতা নিয়ে সরকারী বিভিন্ন পদ পদবী দখল করেছে। এমন উদাহরণ হচ্ছে একেক জন একাধিক পদ-পদবীও নিয়েছে। ফ্যাসীবাদের দোসর সিন্ডিকেট এর পোয়াবারো অবস্থা। এরা আওয়ামী সাংবাদিকদের নিরাপত্তা দিচেছ, আওয়ামী সন্ত্রাসীদেরও নিরাপত্তা দিচ্ছে । অবৈধ লুটেরা মাফিয়াদের সম্পদ ও ব্যবসা-বাণিজ্য পাহাড়া দিচ্ছে। তাদের অসমাপ্ত ব্যবসা ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের ধারাবাহিক পরিচালনা করে যাচ্ছে । দুর্নীতিবাজ প্রশাসন ও পুলিশের চিহ্নিতকরা সার্বিক সহযোগিতা দিয়ে যাচ্ছে।
গত ১৫ বছর ধরে বিএনপি নেতৃত্বের কারনে জনমনে হতাশা বিরাজ করেছিল। তাদের বক্তব্য বিবৃতি ও আন্দোলনে জনমনে কোন উদ্দীপনা-উৎসাহ সৃষ্টি হয়নি বরং দারুনভাবে হতাশা বিরাজ করেছিল। বিএনপির মহাসচিবসহ অনেকেই মাঠে উঠে বাচ্চার মতো কেঁদে কেঁদে বক্তব্য দিতো। জামাতের অবস্থা ছিল আরো করুন তারা জয়বাংলা দিয়ে অনেক নেতাকর্মী আওয়ামীলীগ ও অঙ্গসংগঠণসমূহে যোগদান করে বিভিন্ন ব্যবসা বাণিজ্যসহ নানা অপকর্মে জড়িত হয়ে গিয়েছিল। এমনকি পদ পদবীসহ নানা অবৈধ সিন্ডিকেট জড়িত হয়ে নানা অপকর্ম করেছে। বর্তমানে জামাত বিএনপি লোকজন যারা অতীত আওয়ামীলীগের সাথে মিলেমিশে নিজেদের আয়-রোজগার ও অর্থনৈতিক জীবনধারা সঠিক পরিচালনা করেছিল তারা বর্তমানেও একই কায়দায় ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে পদ-পদবী ও নানা ধরনের আওয়ামী কায়দায় লুটপাট চালিয়ে যাচ্ছে। তাদের বিরুদ্ধে কেউ কিছু বলছে না। দেশের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে, প্রেসক্লাব, চেম্বার ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলো প্রায় একই কায়দায় দখল বেদখল চলছে। এসব দেখে দেশপ্রেমিক ছাত্রজনতা ও সাধারণ জনমনে হতাশা ও প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে। অনেক ক্ষেত্রে ব্যপক প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। অনেকে মন্তব্য করছে যে, বিএনপি জামাতের আকৃতজ্ঞতা ও কাপুরুষতা অতীতের মতো দেখা যাচ্ছে। বিগত দিনে তারা ১৫ আগস্ট বিপ্লবের মৃত্যুদণ্ড দেয়ার সময় ও জামাত নেতাদের ফাঁসি দেয়ার সময় এবং বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীকে ফাঁসি দেয়ার সময় বিএনপির নেতৃত্ব অদৃশ্য কারণে নিরবতা অবলম্বন করেছে। নানা ভাবে সরকারের সাথে আপোষ করে জনগণের কাছে প্রশ্নবোধক তৎপরতা চালিয়েছে। আরো নানামুখী জুলুমের সময় বর্তমান রাজনৈতিক দলসমূহের নিরবতা ছিলো মারাত্মক রহস্যময়। ত্যাগী ও বিপ্লবী জনতার দাবি হচ্ছে অবিলম্বে বিপ্লবী সরকার গঠন করতে হবে। শহীদদের রক্ত বৃথা যেতে পারে না, বৃথা যেতে দেয়া যাবে না। প্রধান উপদেষ্টা, সেনা প্রধানসহ সকলের উচিত রাজনৈতিক টাউটদের কোন কথা যেন পাত্তা দেয়া না হয়। স্মরণ ও উল্লেখ্য যে, বিএনপি আন্দোলন ছেড়ে পালিয়ে গিয়েছিলো, অনেকে আওয়ামীলীগের দালালী করতো। দিশেহারা দেশবাসীকে ছাত্রজনতা বিপ্লব করে মুক্তি দিয়েছে। বিএনপি জামাত ও আওয়ামী সিন্ডিকেটকে ক্ষমতায় আনার জন্য নয়। দেশবাসী ইতিমধ্যে মনে করছে আওয়ামীলীগ ও বিএনপির রাজনীতি একই জিনিস। অতীতেও তারা বিপ্লবীদের রক্ত ও লাশের সাথে বেঈমানীর রাজনীতি করেছে। মাফিয়াদের অনুগত ও দাসত্বের মাধ্যমে রাজনীতি কর্মসূচি পালন করছে। বিভিন্ন সিন্ডিকেট গ্রুপের অর্থে পরিচালিত হচ্ছে রাজনীতি। বিপ্লবী জনতার কঠিন ও কঠোর দাবি হচ্ছে ফ্যাসিবাদের দোসরদের সাথে সখ্যতা করে কারো বাংলাদেশে রাজনীতি করার সুযোগ দেয়া হবে না। সুতরাং সাধু সাবধান।
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের বাকি তিন সপ্তাহেরও কম সময়। গতকাল বৃহস্পতিবার শুরু হয়েছে আনুষ্ঠানি...বিস্তারিত
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : ১৬ জানুয়ারি ২০২৬ প্রথম আলো একযোগে একটি সম্পাদকীয় ও একটি সংবাদ প্রকাশ করেছে, যা আমাদের সমাজে ক্ষুদ্...বিস্তারিত
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : দ্বিতীয়ত, বহিঃশক্তির ষড়যন্ত্র ও অভ্যন্তরীণ অস্থিরতা মোকাবিলা। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, পতিত স্বৈরা...বিস্তারিত
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : দীর্ঘ রাজনৈতিক অস্থিরতা পেরিয়ে সম্প্রতি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হয়েছে। কি...বিস্তারিত
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : অন্তর্বর্তী সরকার তৈরি পোশাকশিল্পের এফওসি (ফ্রি অফ কস্ট তথা বিনামূল্যে কাপড় ও অ্যাকসেসরিজ আমদানি...বিস্তারিত
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : অজুহাত দেখিয়ে বাজার নিয়ন্ত্রণ করে সীমাহীন টাকা হাতিয়ে নেওয়ার ইতিহাস অনেক পুরোনো এ দেশে। মাঝেমধ্য...বিস্তারিত
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৯ - © 2026 Dainik Amader Bangla | Developed By Muktodhara Technology Limited