শিরোনাম
আমাদের বাংলা ডেস্ক : | ০৪:৫২ পিএম, ২০২৫-১১-২০
সরিষাবাড়ী (জামালপুর) প্রতিনিধি :
জামালপুরের সরিষাবাড়ীতে নি¤œ আয়ের দরিদ্র মানুষের মাঝে স্বল্পমূল্যের টিসিবির ট্রাকের পেছনে দীর্ঘ লাইন দেখা গিয়েছে। এসময় পণ্যের তুলনায় ক্রেতার সংখ্যা বেশি হওয়ায় সারিতে দাঁড়িয়ে থেকেও পণ্য না পেয়ে খালি হাতে ফেরত যেতে হয়েছে অনেককে। প্রতিটি ট্রাকে ৫০০ জনের জন্য পণ্য ছিল। তবে অধিকাংশ জায়গাতেই ২ গুন বেশি মানুষ উপস্থিত ছিলেন।
জানা যায়, এ উপজেলায় ১২ হাজার ৪০৫ জন টিসিবির কার্ডধারী উপকারভোগী রয়েছে। এছাড়াও ১৮ টি ডিলারের মাধ্যমে বিভিন্ন পয়েন্টে ৫শ টি প্যাকেজ বিক্রি করা হয়। সব মিলিয়ে এ উপজেলায় ২১ হাজার ৪ শত ৫ জন মানুষ টিসিবি পণ্য পায়। উপজেলার জগন্নাথগঞ্জ ঘাট এলাকায় দেখা যায়, টিসিবির ট্রাক দেখেই শত শত মানুষ এসে লাইনে দাড়াচ্ছে। ট্রাক এসে দাড়ানোর সাথে সাথে মুহুর্তেই শেষ হচ্ছে পণ্য। দীর্ঘ সময় লাইনে দাড়িয়ে পণ্য না পেয়ে হতাশ হয়ে খালি হাতে ফিরতে হচ্ছে অধিকাংশ মানুষকে। চাহিদার তুলনায় পণ্য একে বারেই কম থাকায় অনেকেই পণ্য পাচ্ছে না বলে জানিয়েছে ডিলাররা।
পণ্য না পাওয়া আনোয়ার হোসেন, মোফাজ্জল হোসেন, হোসনেআরা বেওয়া সহ অনেকেই ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, কাজ বাদ দিয়ে অনেকক্ষন লাইনে দাড়িয়ে থেকেও মাল পাইলাম না। ট্রাক আসার পর পণ্য কেনার জন্য হুড়োহুড়ি পড়ে যায়। এই অবস্থায় দূর্বল ও বয়স্ক মানুষেরা এই পরিস্থিতিতে পণ্য কেনার জন্য ট্রাক পর্যন্ত পৌছাতেই পারে না। যদিও ট্রাকের কাছাকাছি যাওয়া যায় তখন শুনি পণ্য নেই। এতে সাধারণ মানুষের মধ্যে তৈরি হয়েছে ক্ষোভ ও হতাশা।
তবে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক স্থানীয়রা বলেন, প্রতিটি ট্রাকে ৫০০ জনের জন্য প্যাকেজ দেয়ার কথা থাকলেও ট্রাকে আড়াইশো থেকে ৩শ জনের প্যাকেজ নিয়ে আসে। ২০/৩০ মিনিট দেয়ার পরই বলে যে মাল নাই। এতে করে বাকি মাল গুলো তারা বাহিরে বিক্রি করে দেয়। ৩০ মিনিটের মধ্যে কিভাবে ৫শ মানুষকে পন্য দেয়া সম্ভব। তাই অধিকাংশ মানুষই পণ্য না পেয়ে খালি হাতে বাড়ি যাচ্ছে।
লাইনে দাড়ানো ৭০ বছরের বৃদ্ধা জমিরন বেওয়া বলেন, অনেক কষ্টে লাইনে দাঁড়ায়ে ট্রাকের সামনে গেলেও মাল দিলো না। বলে নাই শেষ। এতো করে অনুরোধ করলাম হাত-পা ধরলাম তাও দিলো না। মহিলা মানুষ হইয়াও এত ভিড় ঠেইলা ধাক্কাধাক্কির মধ্যে দাঁড়াইয়া থাকলাম। কিন্তু কিছুই পাইলাম না। আমাদের গরিবদের দেখার কেও নেই।
টিসিবি ডিলার রেদওয়ান আহমেদ সুমন বলেন, অল্প বরাদ্দকৃত পন্য বিক্রি করতে গিয়ে আমাদের মানুষের জনরোষের মুখে পড়তে হচ্ছে, গালাগালিও শুনতে হয়। চাহিদার তুলনায় সরবরাহ অপ্রতুল হওয়ার কারনে ট্রাক দাড়ানোর পর মূর্তেই শেষ হয়ে যায় পণ্য। এ অবস্থায় বরাদ্ধ বাড়াতে পারলে আরও বেশি মানুষ পণ্য পাবে। ভোক্তাদের চাহিদার কারনে বরাদ্ধ বাড়ানোর দাবী জানাচ্ছি।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ মোহছেন উদ্দিন জানান, টিসিবির কার্ডধারীদের ছাড়াও যাতে সাধারণ মানুষ টিসিবি পণ্য পায় সে লক্ষ্যে ৫০০টি করে প্যাকেজ ১৮টি ডিলারের মাধ্যমে ট্রাক যোগে বিভিন্ন জায়গায় বিক্রি করা হচ্ছে।
নিজস্ব প্রতিবেদক : বিএনপির নতুন মন্ত্রিসভার সদস্য হিসেবে চট্টগ্রাম বিভাগ থেকে সর্বোচ্চ ১২ জনকে নেওয়া হয়েছে। এর মধ্য...বিস্তারিত
রাঙ্গামাটি প্রতিনিধি : : মনোনয়ন নয়, জনগণের ভোটে ঠিক হোক পার্বত্য জেলা পরিষদের নেতৃত্ব। এমন দাবি এখন তিন পার্বত্য জেলায় ক্রম...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১৭ ও বগুড়া-৬ এই দুই আসন থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে উভয় আসনেই জয়লা...বিস্তারিত
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : আনোয়ারায় ঋণের চাপ সহ্য করতে না পেরে এক যুবক বিষপান করে আত্মহত্যা করেছেন। শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) উপ...বিস্তারিত
রাঙ্গামাটি প্রতিনিধি : : ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রাঙামাটির একমাত্র সংসদীয় আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা সাতজন প্রার্থী...বিস্তারিত
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : ফটিকছড়ি প্রতিনিধি : চট্টগ্রাম-২ (ফটিকছড়ি) আসনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ী বাংলাদেশ জাতীয়...বিস্তারিত
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৯ - © 2026 Dainik Amader Bangla | Developed By Muktodhara Technology Limited