শিরোনাম
নিজস্ব প্রতিবেদক | ০৬:৪৮ পিএম, ২০২৬-০২-০৫
যত দ্রুত সম্ভব অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব হস্তান্তর করবে বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম। তিনি বলেন, নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের নিয়ে গঠিত পরবর্তী সরকারে বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের কোনো ভূমিকা থাকবে না। নির্বাচনের পরপরই নির্বাচিত সংসদ সদস্যরা শপথ গ্রহণের পর তাদের প্রতিনিধির কাছে দায়িত্ব হস্তান্তর করা হবে। প্রক্রিয়াটি যত দ্রুত সম্ভব সম্পন্ন করা হবে বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, সবচেয়ে দ্রুততম সময়ের মধ্যে দায়িত্ব হস্তান্তর (হ্যান্ডওভার) হবে। এমপিরা শপথ নেওয়ার পর সংখ্যাগরিষ্ঠ দলের নেতাকে নতুন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণের জন্য আমন্ত্রণ জানানো হবে। এই পুরো প্রক্রিয়াটি তিন দিনের মধ্যেই সম্পন্ন হতে পারে। অর্থাৎ ১৫ বা ১৬ ফেব্রুয়ারির মধ্যেই তা হতে পারে। আমার মনে হয় না এটি ১৭ বা ১৮ ফেব্রুয়ারির বেশি সময় নেবে। প্রেস সচিব বলেন, বাংলাদেশে আগে নাটক করে যেসব বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড (এক্সট্রা জুডিশিয়াল কিলিং) ঘটানো হতো, এখন তেমন একটি ঘটনাও ঘটছে না। যারা অতীতে এসব কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত ছিলেন, তাদের জবাবদিহিতার আওতায় আনা হচ্ছে এবং বিচারের সম্মুখীন করা হচ্ছে। আমাদের বড় একটি দায়িত্ব হলো নির্বাচনের জন্য দেশকে প্রস্তুত করা। রাষ্ট্রব্যবস্থাকে একটি ভালো সংস্কারের জায়গায় নিয়ে যাওয়ার জন্য ‘জুলাই চার্টার’ তৈরি করা হয়েছে। জুলাই চার্টার এখন গণভোটে (রেফারেন্ডাম) এসেছে। আমরা আশা করি, বাংলাদেশের জনগণ আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে এর ফলাফল জানাবে। তিনি বলেন, বাংলাদেশের রাজনীতি ও সংস্কৃতি আগে দুই-তিনজন লোকের হাতে কুক্ষিগত ছিল। সেখানে এখন একটি বড় পরিবর্তন এসেছে। আমাদের মেয়াদ যখন শেষ হয়ে আসবে, অর্থাৎ সরকার ছাড়ার আগ মুহূর্তে উপদেষ্টারা তাদের সম্পদের হিসাব প্রকাশ করবেন। তিনি আরও বলেন, এটি খুবই আনন্দের বিষয় যে, এখন পর্যন্ত আমরা বড় কোনো সহিংসতা দেখিনি। অত্যন্ত উৎসবমুখর পরিবেশে নির্বাচনী প্রচারণা চলছে। পুরো বাংলাদেশে নির্বাচনের আমেজ পরিলক্ষিত হচ্ছে। বড় রাজনৈতিক দলগুলো অত্যন্ত পরিণত (ম্যাচিউরড) আচরণ করছে। তাদের নেতারা সারা দেশে জনসভা ও ভাষণ দিচ্ছেন। আপনারা দেখছেন লাখ লাখ মানুষ এই ভালো নির্বাচনের জন্য মুখিয়ে আছে। আমরা আশা করি, একটি সুষ্ঠু ও সুন্দর নির্বাচন দেখতে পারব। নির্বাচনী সহিংসতার পরিসংখ্যান তুলে ধরে তিনি বলেন, আমরা পুলিশের কাছ থেকে তথ্য নিয়েছি। তাদের দেওয়া তথ্যানুযায়ী, ২০১৪ সালের নির্বাচনে ১১৫ জন, ২০১৮ সালের নির্বাচনে ২২ জন এবং ২০২৪ সালের বিতর্কিত নির্বাচনে ৬ জন মারা গিয়েছিলেন। অন্যান্য নির্বাচনী সহিংসতার তুলনায় এবার পরিবেশ যথেষ্ট শান্তিপূর্ণ। আমাদের হিসাব অনুযায়ী, এ বছর এখন পর্যন্ত নির্বাচনী সহিংসতায় ৫ জন মারা গেছেন।
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : চট্টগ্রামের কিশোরী সুপর্বা সুধা বিশ্বাস। ১৩ বছর বয়সী অষ্টম শ্রেণির এই শিক্ষার্থীর ঝুলিতে ইতোমধ্...বিস্তারিত
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : বাংলাদেশ এডিটরস্ ফোরাম গভীর উদ্বেগের সঙ্গে লক্ষ্য করছে যে, সম্প্রতি চট্টগ্রামের একটি দৈনিক পত্রি...বিস্তারিত
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : নোবিপ্রবি প্রতিনিধি : জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি ও শহীদদের স্মরণে বাংলাদেশ ইসলাম...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : বিয়ের প্রতিশ্রুতিতে শারীরিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে শুধু পুরুষের শাস্তির বিধান কেন অবৈধ নয়, তা জানতে ...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : জুলাই গণঅভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলাগুলোর বিচার অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে এগোচ্...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ মো. নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘শিক্ষা প্রতি...বিস্তারিত
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৯ - © 2026 Dainik Amader Bangla | Developed By Muktodhara Technology Limited