শিরোনাম
আন্তর্জাতিক ডেস্ক : | ০৭:২৭ পিএম, ২০২১-০৪-১৭
পশ্চিমবঙ্গ থেকে রতন কান্তি দেবাশীষঃ
ভারতে গত চারদিন ধরে লাগাতার দৈনিক সংক্রমণ দু’লক্ষেরও অধিক। ঘাটতি ভ্যাকসিনের। আকাল লেগেছে অক্সিজেনেরও। হাসপাতালে অভাব শয্যার। সব মিলিয়ে করোনা পরিস্থিতি সামাল দিতে মোদি সরকার দিশাহারা। কীভাবে নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব সংক্রমণ? কোন পন্থায় রোখা যাবে মৃত্যু। নেই কোনও নির্দিষ্ট ওষুধ। হাতে কেবল ভ্যাকসিন। তাও উপযুক্ত পরিকল্পনার অভাবে রাজ্যে রাজ্যে নষ্ট হচ্ছে ডোজ।
উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, ভ্যাকসিনের অভাব নিয়ে সরব হওয়ায় কয়েকদিন আগে প্রধানমন্ত্রী বিরোধী দলের শাসনে চলা রাজ্যগুলির সমালোচনা করেছিলেন। অথচ বাস্তবে বিজেপি শাসিত অধিকাংশ রাজ্যেই ভ্যাকসিন নষ্ট হচ্ছে সবেচেয়ে বেশি। স্বাস্থ্যমন্ত্রকের তথ্য মোতাবেক, এখনও পর্যন্ত গোটা দেশে যত লোককে টিকা দেওয়া হয়েছে, গড়ে তার ৪ শতাংশ ডোজ নষ্ট হয়েছে। আর্থিক মূল্যে যা ৮৪ কোটি টাকা।
ভ্যাকসিন নষ্ট হওয়ার ক্ষেত্রে শীর্ষে রয়েছে তামিলনাড়ু। এখানে ১১.০৩ শতাংশ ডোজ নষ্ট হয়েছে। এরপরেই বিজেপি শাসিত হরিয়ানা। নষ্ট হয়েছে ১০.৫ শতাংশ ভ্যাকসিনের ডোজ। নরেন্দ্র মোদির ‘ডবল ইঞ্জিনে’র শাসনে চলা অসম, কর্ণাটক, মধ্যপ্রদেশ, ত্রিপুরা, উত্তরপ্রদেশ, উত্তরাখণ্ড তো বটেই, খোদ গুজরাতেও রোজ নষ্ট হচ্ছে ভ্যাকসিন। স্বাস্থ্যমন্ত্রকের তথ্য অনুযায়ী, কেন্দ্রশাসিত জম্মু-কাশ্মীরেও প্রতিদিন ডোজ নষ্ট হচ্ছে। ভ্যাকসিন নষ্ট হওয়া রুখতে রাজ্যগুলিকে উপযুক্ত পরিকল্পনার পরামর্শ দিয়েছে কেন্দ্র।
একইসঙ্গে ঘাটতি মেটাতে সম্পূর্ণ দেশীয় ভ্যাকসিন ‘কোভ্যাকসিনে’র উৎপাদন দ্রুত বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। প্রস্তুতকারক সংস্থা হায়দরাবাদের ভারত বায়োটেক লিমিটেডকে মোদি সরকার ৬৫ কোটি টাকা অনুদান দেবে বলে শুক্রবারই ঠিক হয়েছে। এই টাকায় ভারত বায়োটেক তার বেঙ্গালুরুর কেন্দ্রে ভ্যাকসিনের উৎপাদন বাড়াবে। সরকারে আর্থিক সহায়তায় সেপ্টেম্বরে প্রতি মাসে গড়ে ১০ কোটি কোভ্যাকসিনের ডোজ তৈরি করা হবে বলেই জানিয়েছে স্বাস্থ্যমন্ত্রক।
অন্যদিকে, রেমডেসিভিরের উৎপাদন বাড়ানো এবং ব্যবহারে কড়াকড়ি করছে কেন্দ্র। রেমডেসিভিরেই করোনা সারে, এমন প্রমাণ মেলেনি বলেই জানিয়ে দিয়েছেন গবেষকরা। এটি পরীক্ষামূলকভাবেই ব্যবহার করা হচ্ছে বলেই জানিয়েছেন করোনা সংক্রান্ত কেন্দ্রের উচ্চ পর্যায়ের কমিটির চেয়ারম্যান ডাঃ বিনোদকুমার পল। তবুও করোনার আচমকা উদ্ভূত পরিস্থিতিতে রেমডিসিভিরের উপরই জোর দিচ্ছে কেন্দ্র। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডাঃ হর্ষ বর্ধন এদিন বলেছেন, মাঝে আমরা এই অ্যান্টি-ভাইরাল ওষুধ তৈরি কমিয়ে দিয়েছিলাম। করোনার নির্দিষ্ট কোনও দাওয়াই নেই। তবুও রেমডেসিভিরেই আবার ভরসা রাখা হচ্ছে। তাই একদিকে এর উৎপাদন বাড়াতে জোর দেওয়া হয়েছে, অন্যদিকে কালোবাজারি আটকাতে রাজ্যগুলিকে সতর্ক করা হয়েছে। পাশাপাশি হাসপাতালের শয্যার অভাব মেটাতে কেন্দ্রীয় রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থার অধীন যেসব হাসপাতাল রয়েছে, সেগুলিকে তৈরি থাকতে বলা হয়েছে। এরই মধ্যে কেন্দ্রীয় তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী প্রকাশ জাভরেকর, কর্ণাটকের মুখ্যমন্ত্রী বি এস ইয়েদুরাপ্পা, শিরোমণি অকালি দলের এমপি হরসিমরত কউর বাদল, কংগ্রেস মুখপাত্র রণদীপ সিং সুরজেওয়াল কোভিড আক্রান্ত হয়েছেন।
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : কলকাতা প্রতিনিধি : কলকাতার প্রাণকেন্দ্র ফ্রি স্কুল স্ট্রিটের ঘটনার পর পুরো এলাকা এখনো থমথমে। চিক...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : বাংলাদেশকে একটি আঞ্চলিক এভিয়েশন হাবে রূপান্তরের লক্ষ্যে জাপানের সার্বিক সহযোগিতা চেয়েছে সরকার।...বিস্তারিত
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশের ‘খুব উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ’ রয়েছে বলে অভিমত ব্যক্...বিস্তারিত
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : শিলচর, ( আসাম) : কাজী নজরুল ইসলামের ৫০তম প্রয়াণ দিবস উপলক্ষে প্রতিবেশী রাস্ট্র ভারতের অসম রাজ্যের  ...বিস্তারিত
আন্তর্জাতিক ডেস্ক : : ভারতের মুম্বাইয়ের ছত্রপতি শিবাজি মহারাজ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে প্রায় ১১ কোটি রুপি মূল্যের ৬ দশ...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক বিশেষ দূত সার্জিও গর জানিয়েছে, বা...বিস্তারিত
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৯ - © 2026 Dainik Amader Bangla | Developed By Muktodhara Technology Limited