শিরোনাম
নিজস্ব প্রতিবেদক | ০৫:২৩ পিএম, ২০২৬-০৫-২৬
মাত্র একদিন পরই পবিত্র ঈদুল আজহা। কোরবানির ঈদ মানেই নির্ধারিত হাটের বাইরেও এলাকায় এলাকায় গরু-ছাগলের হাট। এসব হাটে পশু কেনাবেচার পাশাপাশি এলাকার অলিতে-গলিতে বসে পশুখাদ্য ও আনুষঙ্গিক সামগ্রীর বাজার। ঈদ ঘিরে মৌসুমি এসব বাজার এখন জমে উঠেছে।
পশুর খাবারসহ আনুষঙ্গিক উপকরণ কিনতে পাড়া-মহল্লার অলিগলি, সড়কের পাশে ও খালি জায়গায় অস্থায়ী দোকান বসিয়ে খড়, কাঁচা ঘাস, ভুসি, খৈল, কাঁঠাল পাতা, খাটিয়া, দড়ি ও পানির গামলা বিক্রি করছেন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা। যাদের অধিকাংশ মৌসুমি ব্যবসায়ী।
রাজধানীর রামপুরা, মালিবাগ, বাড্ডা, খিলগাঁও ও মৌচাকসহ ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে দেখা গেছে, ট্রাকভর্তি সবুজ ঘাস ও খড় এনে রাস্তার পাশে বিক্রি করা হচ্ছে। কোথাও ছোট ভ্যানে, কোথাও আবার ফুটপাতেই সাজিয়ে রাখা হয়েছে পশুখাদ্য।
বাজার ঘুরে দেখা গেছে, বর্তমানে প্রতি আঁটি সবুজ ঘাস বিক্রি হচ্ছে ২৫ থেকে ৫০ টাকায়। মান ও পরিমাণ ভেদে খড়ের ছোট ছোট গাদা বিক্রি হচ্ছে ২৫ থেকে ৮০ টাকায়। অনেক জায়গায় কেজি হিসেবেও খড় বিক্রি হচ্ছে, যেখানে প্রতি কেজির দাম ২৫ থেকে ৪০ টাকা।
গরুর মোটাতাজাকরণ ও পুষ্টিকর খাদ্য হিসেবে ব্যবহৃত ভুসির দামও বেড়েছে। বর্তমানে প্রতি কেজি গমের ভুসি বিক্রি হচ্ছে ৪৫ থেকে ৬০ টাকায়। চালের কুঁড়া বা কুঁড়ার দাম কেজিপ্রতি ৩৫ থেকে ৫০ টাকা। এ ছাড়া, খৈল বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ৭০ থেকে ১০০ টাকায়।
পশুর প্রিয় খাবার হিসেবে পরিচিত কাঁঠাল পাতারও ব্যাপক চাহিদা দেখা গেছে। বিশেষ করে যারা ছাগল বা ভেড়া কিনছেন তারা কাঁঠাল পাতা কিনছেন। কাঁঠাল পাতার আঁটি বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ১২০ টাকায়।
শুধু খাবার নয়, পশু রাখার বিভিন্ন সরঞ্জামের চাহিদাও বেড়েছে। দড়ি এবং খাটিয়ার কদর বেড়েছে। গরু বাঁধার মোটা দড়ি বিক্রি হচ্ছে ১৫০ থেকে ৫০০ টাকায়, আর খাটিয়া আকারভেদে ২৫০ থেকে ৬০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এ ছাড়া, প্লাস্টিকের পানির গামলা আকারভেদে দাম পড়ছে ৩০০ থেকে ৮০০ টাকা পর্যন্ত।
এক সময়ের সবজি বিক্রেতা নূর আলম। সবজি বাদ দিয়ে পশু খাদ্য নিয়ে বসেছেন। আলাপকালে ঢাকা পোস্টকে বলেন, সকালে এক ট্রাক ঘাস এনেছি। দুপুরের মধ্যে অর্ধেক শেষ। মানুষ এখন গরু কিনেই খাবার সংগ্রহ করছে। যেহেতু কোরবানি তাই খাটিয়ারও ব্যাপক চাহিদা বেড়েছে।
অন্যদিকে ক্রেতাদের অভিযোগ, ঈদ সামনে এলেই এসব পণ্যের দাম বাড়িয়ে দেন ব্যবসায়ীরা। বিশেষ করে ঘাস ও খড়ের দাম কয়েক দিনের ব্যবধানে অনেক বেড়ে যায়। তবে বিক্রেতাদের দাবি, পরিবহন খরচ ও চাহিদা বাড়ায় দাম কিছুটা বেড়েছে।
দিনমজুর ইয়াসিন কাঁঠাল পাতা ও খড় নিয়ে বসেছেন হাজিপাড়া রাস্তার মোড়ে। তিনি বলেন, কোরবানির সময় দৈনিক কাজ কম থাকে। তাই পশুখাদ্য নিয়ে বসেছি। লাভও খারাপ না। ঈদের দিন মাংস কাটার কাজও করব।
কোরবানি উপলক্ষ্যে এবার ঢাকায় মোট ২৪টি অস্থায়ী পশুর হাট বসতে যাচ্ছে। এর মধ্যে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এলাকায় ১২টি এবং ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন এলাকায় বসেছে আরও ১২টি অস্থায়ী পশুর হাট। এ ছাড়া, গাবতলী (উত্তর) এবং সারুলিয়ায় (দক্ষিণ) দুটি স্থায়ী হাট রয়েছে, যেখানে বছরজুড়েই পশু বেচাকেনা হয়। স্থায়ী ও অস্থায়ী মিলিয়ে মোট ২৬টি স্পট থেকে রাজধানীবাসী এবার কোরবানির পশু কিনতে পারছে।
নিজস্ব প্রতিবেদক : জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে ফ্যাসিবাদের পতন ঘটলেও তরুণ প্রজন্মের রাষ্ট্র মেরামতের আকাঙ্ক্ষà¦...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : রাজধানীর মুগদা থানার সাইফুল হত্যা মামলায় তথ্য গোপন করে নিম্ন আদালতের একই আদেশের বিপরীতে তিনবার à¦...বিস্তারিত
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : মোঃ মিজানুর রহমান, কুড়িগ্রাম :: সরকারি দাপ্তরিক কার্যক্রম পরিচালনার জন্য নির্ধারিত কুড়িগ্রাম জেà...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম বলেছেন, বাংলাদেশ ও কসোভোর মধ্যে অভিন্à¦...বিস্তারিত
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : মোঃ নাজিম উদ্দীন হাটহাজারী : ৩/১১/২০২৬ খ্রিস্টাব্দ (১৮ই কার্তিক) রোজ মঙ্গলবার বিকাল ৩টায় চট্টগ্রà...বিস্তারিত
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : নোবিপ্রবি প্রতিনিধি : নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (নোবিপ্রবি) ম্যানেজমেন্ট ইনফর...বিস্তারিত
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৯ - © 2026 Dainik Amader Bangla | Developed By Muktodhara Technology Limited