শিরোনাম
নিজস্ব প্রতিবেদক | ০৫:০৯ পিএম, ২০২৬-০১-১৯
শিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. চৌধুরী রফিকুল আবরার (সিআর আবরার) বলেছেন, পড়াশোনা যদি কেবল নিজের স্বার্থ রক্ষা করে, তাহলে পড়াশোনা অব্যবহৃত থেকে যাবে। ডিগ্রি আমাদের সুযোগ তৈরি করে দেয়, কিন্তু শিক্ষা আমাদের দায়িত্বশীল করে। বিশ্ববিদ্যালয়ে তোমরা কী অর্জন করেছ তা নয়, এই অর্জন দিয়ে তুমি কী করবে—সেটাই গুরুত্বপূর্ণ। সোমবার (১৯ জানুয়ারি) সকালে নগরের টাইগারপাসের একটি কনভেনশন সেন্টারে চিটাগং ইন্ডিপেন্ডেন্ট ইউনিভার্সিটির (সিআইইউ) তৃতীয় সমাবর্তন অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। শিক্ষা উপদেষ্টা বলেন, তোমরা নতুন জীবনে প্রবেশ করেছ, সেখানে নানান রকমের সিদ্ধান্ত নিতে হবে। সিদ্ধান্ত গ্রহণ যেন সুবিবেচনাপূর্ণ হয়, তার জন্য সময় নাও। যুক্তিযুক্ত হও এবং ন্যায্যতা বজায় রাখো। একজন সামান্য কর্মীকে যদি চাকরি থেকে বরখাস্ত করতে হয়, তাতেও এই বিষয়গুলো বিবেচনায় রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কেবল প্রতিষ্ঠানের স্বার্থ নয়, সেই ব্যক্তির স্বার্থ এবং সুবিচারও নিশ্চিত করতে হবে। তিনি আরও বলেন, আমরা বড় ধরনের একটি উত্তরণের পথে রয়েছি। কাজেই আমাদের বিবেচনায় রাখতে হবে কোনটা ন্যায়, কোনটা অন্যায়। কোন পথে আমরা যাব? অতীতের যে ব্যবস্থা আমাদের সমস্যা ও বিপর্যয়ের মুখে ফেলে দিয়েছে, আমরা কি সেই ব্যবস্থায় ফিরে যাব, নাকি নতুন একটি ব্যবস্থার দিকে যাব? শুধু ব্যক্তি আকাঙ্ক্ষা পূরণে ভাবনা না করে বৃহত্তর সামাজিক দায়িত্বকেও বিবেচনায় নিতে হবে। ন্যায়নীতি, প্রতিষ্ঠা, সহনশীলতা, সহমর্মিতা এবং বৈচিত্র্যতা ধারণ ও সম্মান করা অপরিহার্য। ব্যক্তি অর্জন দিয়ে জীবনের অর্জন মাপা যায় না, বরং বৃহত্তর সমাজে আমরা কী দিচ্ছি—সেটাই বড় মাপকাঠি। সমাবর্তন বক্তা হিসেবে বক্তব্য দেন ব্র্যাকের চেয়ারম্যান, পাওয়ার অ্যান্ড পার্টিসিপেশন রিসার্চ সেন্টারের (পিপিআরসি) নির্বাহী সভাপতি ও সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা ড. হোসেন জিল্লুর রহমান। তিনি বলেন, স্নাতক ডিগ্রি কোনো পুরস্কার নয়, বরং এটি একটি প্রতিশ্রুতি—যার মাধ্যমে নতুন দরজা ও সম্ভাবনার পথ খুলে যায়। তবে শুধু ডিগ্রি অর্জন করলেই সেই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়িত হয় না; বাস্তব অভিজ্ঞতা ও দক্ষতার সমন্বয়ই শিক্ষার্থীদের এগিয়ে নেবে। তিনি আরও বলেন, বর্তমান বিশ্ব হার্ড স্কিল ও সফট স্কিলের সমন্বয়ে পরিচালিত। তাই শিক্ষার্থীদের শুধু শিক্ষিত নয়, দক্ষ মানুষ হিসেবেও নিজেদের গড়ে তুলতে হবে। দক্ষতার ক্ষেত্র প্রতিনিয়ত পরিবর্তিত হচ্ছে। নিজের যোগ্যতা ও আগ্রহ চিহ্নিত করে প্রস্তুত থাকাই ভবিষ্যৎ সাফল্যের চাবিকাঠি। অনিশ্চয়তাকে গ্রহণ করো, কারণ এটি ভয় পাওয়ার বিষয় নয়; বরং প্রস্তুত থাকা, সুযোগ শনাক্ত করা এবং ব্যর্থতার পর নতুন করে শুরু করার শক্তি অর্জনের নামই অনিশ্চয়তা গ্রহণ। অনিশ্চয়তাকে গ্রহণ করার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, জীবনে সক্রিয় ও উদ্যোগী হওয়াই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা। প্রত্যেককেই ঠিক করতে হবে—তিনি নিজের জীবনের চালক হবেন, নাকি কেবল একজন যাত্রী। উচ্চাকাঙ্ক্ষা থাকতে হবে, তবে তা যেন সংকীর্ণ বা স্বার্থপর না হয়ে সমাজ, দেশ ও প্রকৃতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হয়। অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন সিআইইউর উপাচার্য অধ্যাপক ড. মীর মোহাম্মদ নুরুল আবসার। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন সিআইইউ ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান লুৎফে এম আইয়ুব, প্রতিষ্ঠাতা ট্রাস্ট ইএসটিসিডির চেয়ারম্যান মোহাম্মদ জাকারিয়া খান এবং ইউজিসির সদস্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন।
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : চট্টগ্রামের কিশোরী সুপর্বা সুধা বিশ্বাস। ১৩ বছর বয়সী অষ্টম শ্রেণির এই শিক্ষার্থীর ঝুলিতে ইতোমধ্...বিস্তারিত
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : বাংলাদেশ এডিটরস্ ফোরাম গভীর উদ্বেগের সঙ্গে লক্ষ্য করছে যে, সম্প্রতি চট্টগ্রামের একটি দৈনিক পত্রি...বিস্তারিত
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : নোবিপ্রবি প্রতিনিধি : জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি ও শহীদদের স্মরণে বাংলাদেশ ইসলাম...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : বিয়ের প্রতিশ্রুতিতে শারীরিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে শুধু পুরুষের শাস্তির বিধান কেন অবৈধ নয়, তা জানতে ...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : জুলাই গণঅভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলাগুলোর বিচার অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে এগোচ্...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ মো. নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘শিক্ষা প্রতি...বিস্তারিত
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৯ - © 2026 Dainik Amader Bangla | Developed By Muktodhara Technology Limited