শিরোনাম
নিজস্ব প্রতিবেদক | ০৫:৫২ পিএম, ২০২৬-০২-০৮
বেসরকারি প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তি অনুমোদনের ক্ষেত্রে কোনো ধরনের আর্থিক লেনদেন বা অনৈতিক যোগাযোগের সুযোগ নেই বলে দাবি করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তির আবেদন যাচাই ও মূল্যায়ন পুরোপুরি স্বয়ংক্রিয় সফটওয়্যার, সংশ্লিষ্ট দপ্তরের অনলাইন তথ্যভাণ্ডার এবং প্রয়োজনে সরেজমিনে যাচাইয়ের মাধ্যমে বস্তুনিষ্ঠতা ও স্বচ্ছতার সঙ্গে সম্পন্ন করা হচ্ছে বলেও জানানো হয়েছে। রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা খালিদ মাহমুদের সই করা এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব কথা বলা হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের (স্কুল ও কলেজ) জনবলকাঠামো ও এমপিও নীতিমালা–২০২৫ অনুযায়ী এমপিওভুক্তির জন্য প্রাপ্ত আবেদনগুলোর মূল্যায়ন কার্যক্রম চলছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে এমপিওভুক্তির জন্য মোট ৩ হাজার ৬১৫টি আবেদন জমা পড়েছে। এসব আবেদনের মধ্যে মধ্যে নিম্নমাধ্যমিক পর্যায়ের ৮৫৯টি, মাধ্যমিক পর্যায়ের ১ হাজার ১৭০টি, উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের ৬৮৭টি, স্নাতক (পাস) পর্যায়ের ৪৪০টি, স্নাতক (সম্মান) পর্যায়ের ৪১৪টি এবং স্নাতকোত্তর পর্যায়ের ৪৫টি প্রতিষ্ঠান অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, নীতিমালায় নির্ধারিত মাপকাঠির ভিত্তিতে আবেদনগুলো মূল্যায়ন করা হচ্ছে। এক্ষেত্রে এমপিওভুক্তির যোগ্যতা, আঞ্চলিক সাম্যসহ বিভিন্ন আনুষঙ্গিক বিষয় বিবেচনায় নিয়ে অগ্রাধিকার নির্ধারণ করা হচ্ছে। স্বয়ংক্রিয় সফটওয়্যারের মাধ্যমে নির্ধারিত মানদণ্ড অনুযায়ী গ্রেডিংয়ের ভিত্তিতে প্রাথমিকভাবে প্রথম পর্যায়ে বিভিন্ন ক্যাটাগরির ১ হাজার ৭১৯টি প্রতিষ্ঠানের আবেদন বিবেচনাযোগ্য হিসেবে প্রতীয়মান হয়েছে। এদের এমপিওভুক্তির সম্ভাব্য আর্থিক সংশ্লেষ নিরূপণ করে সংশ্লিষ্ট সংখ্যক প্রতিষ্ঠানের বিষয়ে অর্থ বিভাগ, অর্থ মন্ত্রণালয়ের সম্মতি চেয়ে পত্র পাঠানো হয়েছে বলে জানানো হয়। তবে প্রথম পর্যায়ে বিবেচনাযোগ্য প্রতিষ্ঠানের সম্ভাব্য সংখ্যা নির্ধারণ করা হলেও সুনির্দিষ্ট প্রতিষ্ঠানভিত্তিক বিস্তারিত যাচাই কার্যক্রম এখনও চলমান রয়েছে। এ ক্ষেত্রে আবেদনের সঙ্গে দাখিল করা প্রমাণকগুলো ভূমি মন্ত্রণালয়, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড এবং জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সংরক্ষিত তথ্য ও অনলাইন ডাটাবেজের সঙ্গে মিলিয়ে যাচাই করা হচ্ছে। প্রয়োজনে সরেজমিনেও তথ্য যাচাই করা হবে। সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের (স্কুল ও কলেজ) জনবলকাঠামো ও এমপিও নীতিমালা–২০২৫’ অনুযায়ী প্রস্তুত, স্বয়ংক্রিয় সফটওয়্যারের মাধ্যমে মূল্যায়ন এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর অনলাইন তথ্য ও মাঠপর্যায়ের যাচাইয়ের মাধ্যমে বস্তুনিষ্ঠতা ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করে এমপিওভুক্তির চূড়ান্ত তালিকা প্রস্তুত করা হবে। এ বিষয়ে বিভ্রান্তিকর ও অসত্য তথ্য বা সংবাদ প্রচার না করার আহ্বান জানিয়ে শিক্ষা ব্যবস্থাপনার এই গুরুত্বপূর্ণ কাজটি সম্পাদনে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগকে সহায়তা করার জন্য সবার প্রতি বিশেষ অনুরোধ জানানো হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, এমপিও অনুমোদনের ক্ষেত্রে কোনো ধরনের আর্থিক লেনদেনের সুযোগ নেই। এমপিও অনুমোদনের বিষয়ে অনৈতিক আর্থিক লেনদেন বা ব্যক্তিগত যোগাযোগের চেষ্টা না করার জন্য সংশ্লিষ্ট সবাইকে অনুরোধ জানানো হয়েছে। কোনো ব্যক্তি, গোষ্ঠী বা প্রতিনিধি এ ধরনের যোগাযোগের চেষ্টা করলে অথবা এমপিওসংক্রান্ত কোনো অভিযোগ বা তথ্য থাকলে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগকে হোয়াটসঅ্যাপ নম্বর (+৮৮০১৩৩৯-৭৭৪৫২৮)–এ ক্ষুদে বার্তার মাধ্যমে জানানোর আহ্বান জানানো হয়েছে।
মাদ্রাসা এমপিওভুক্তির আবেদন স্থগিত, নতুন তারিখ পরে জানাবে সরকার
বেসরকারি কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তির জন্য নির্ধারিত অনলাইন আবেদন কার্যক্রম আপাতত স্থগিত করা হয়েছে। সফটওয়্যার নির্ভুলভাবে প্রস্তুতের কাজ এখনো সম্পন্ন না হওয়ায় নির্ধারিত সময়ে অনলাইনে আবেদন গ্রহণ করা সম্ভব হচ্ছে না বলে জানিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগ। রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বেসরকারি কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা, ২০২৬ (ভোকেশনাল, ব্যবসায় ব্যবস্থাপনা টেকনোলজি- বিএমটি ও ডিপ্লোমা) এবং বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (মাদ্রাসা) জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা, ২০২৬-এর আলোকে ২০২৫–২৬ অর্থবছরে কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে এমপিওভুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়। সেই লক্ষ্যে গত ২ ফেব্রুয়ারি প্রকাশিত গণবিজ্ঞপ্তির আলোকে ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ পর্যন্ত অনলাইনে আবেদন গ্রহণের সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছিল। তবে, আবেদন গ্রহণের জন্য প্রয়োজনীয় সফটওয়্যার প্রস্তুত না হওয়ায় ওই সময়ে অনলাইনে আবেদন নেওয়া যাচ্ছে না। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের নতুন পরীক্ষা কাঠামো প্রকাশ বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, সফটওয়্যার প্রস্তুতির কাজ শেষ হলে শিগগিরই নতুন বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে অনলাইনে আবেদন গ্রহণের পরবর্তী তারিখ জানানো হবে। বিজ্ঞপ্তির অনুলিপি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ, কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর, মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর, বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড, বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড, ব্যানবেইসসহ সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসক ও জেলা শিক্ষা কর্মকর্তাদের কাছেও পাঠানো হয়েছে।
নিজস্ব প্রতিবেদক : রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। আগামী ১৩ আগস্ট মনোনয়নপত্র দাখিলের ...বিস্তারিত
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : চট্টগ্রামের কিশোরী সুপর্বা সুধা বিশ্বাস। ১৩ বছর বয়সী অষ্টম শ্রেণির এই শিক্ষার্থীর ঝুলিতে ইতোমধ্...বিস্তারিত
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : বাংলাদেশ এডিটরস্ ফোরাম গভীর উদ্বেগের সঙ্গে লক্ষ্য করছে যে, সম্প্রতি চট্টগ্রামের একটি দৈনিক পত্রি...বিস্তারিত
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : নোবিপ্রবি প্রতিনিধি : জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি ও শহীদদের স্মরণে বাংলাদেশ ইসলাম...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : বিয়ের প্রতিশ্রুতিতে শারীরিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে শুধু পুরুষের শাস্তির বিধান কেন অবৈধ নয়, তা জানতে ...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : জুলাই গণঅভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলাগুলোর বিচার অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে এগোচ্...বিস্তারিত
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৯ - © 2026 Dainik Amader Bangla | Developed By Muktodhara Technology Limited