শিরোনাম
আমাদের বাংলা ডেস্ক : | ০৭:০২ পিএম, ২০২৬-০৬-০৩
নড়াইল প্রতিনিধি :
নড়াইল সদর উপজেলায় স্বামীর লাশ নিয়ে গ্রামের বাড়িতে ফেরার পথে ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন এক গৃহবধূ ও অ্যাম্বুলেন্স চালক। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও পাঁচজন।
নিহত গৃহবধূর স্বামী কয়েক ঘণ্টা আগেই রাজধানীর একটি হাসপাতালে মারা যান। স্বামীর লাশ নিয়ে বাড়ি ফেরার সময় এই হৃদয়বিদারক দুর্ঘটনা ঘটে।
বুধবার (৩ জুন) সকাল ৯টার দিকে ঢাকা-নড়াইল মহাসড়কের নড়াইল সদর উপজেলার পূর্ব বালিয়াডাঙ্গা এলাকার বাদশার গ্যারেজসংলগ্ন স্থানে একটি অ্যাম্বুলেন্স ও লোকাল বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন যশোরের পুলেরহাট এলাকার মৃত ইসমাইল হোসেনের স্ত্রী জাহানারা বেগম (৫৫) এবং লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি উপজেলার পূর্ব চর কলাকোপা গ্রামের আব্দুল হাসিমের ছেলে অ্যাম্বুলেন্স চালক আকবর হোসেন (২৯)।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পুলিশ স্টাফ কলেজে কর্মরত উপপরিদর্শক (এসআই) তাহের হোসেনের বাবা ইসমাইল হোসেন বুধবার ভোররাতে রাজধানীর রাজারবাগ পুলিশ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।
পরে তার লাশ একটি অ্যাম্বুলেন্সে করে গ্রামের বাড়ি যশোরে নেওয়া হচ্ছিল।
অ্যাম্বুলেন্সে নিহতের স্ত্রী জাহানারা বেগম, ছেলে এসআই তাহের হোসেন এবং পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা ছিলেন।
পথিমধ্যে নড়াইল সদর উপজেলার পূর্ব বালিয়াডাঙ্গা এলাকায় পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা যশোর-ভাটিয়াপাড়া রুটের একটি লোকাল বাসের সঙ্গে অ্যাম্বুলেন্সটির মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষের তীব্রতায় মরদেহবাহী অ্যাম্বুলেন্সটি দুমড়ে-মুচড়ে যায়।
ঘটনাস্থলেই জাহানারা বেগম নিহত হন। গুরুতর আহত অবস্থায় অ্যাম্বুলেন্স চালক আকবর হোসেনকে নড়াইল সদর হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
দুর্ঘটনায় আহত হয়েছেন এসআই তাহের হোসেন, সেলিম, মিন্টু, তানভীর এবং বাসের এক যাত্রী সায়েরা। প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে তাদের উন্নত চিকিৎসার জন্য যশোর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
অ্যাম্বুলেন্সে থাকা আনোয়ার কবির লিটন জানান, তাদের বন্ধু এসআই তাহের হোসেনের বাবার লাশ নিয়ে যশোরে যাচ্ছিলেন তারা।
নড়াইলে পৌঁছানোর পর দ্রুতগতির একটি লোকাল বাস ওভারটেক করতে গিয়ে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে অ্যাম্বুলেন্সটির সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে।
তিনি দাবি করেন, সড়কের অবস্থা খারাপ থাকায় অ্যাম্বুলেন্সটি ধীরগতিতে চলছিল এবং চালক দুর্ঘটনা এড়ানোর সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছিলেন।
নড়াইল সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) অজয় কুমার কুন্ডু জানান, অ্যাম্বুলেন্স ও লোকাল বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে ঘটনাস্থলেই এক নারী নিহত হন।
পরে হাসপাতালে নেওয়ার পর অ্যাম্বুলেন্স চালকের মৃত্যু হয়। দুর্ঘটনায় আরও পাঁচজন আহত হয়েছেন।
তিনি আরও জানান, দুর্ঘটনার সঙ্গে জড়িত বাসটি জব্দ করা হয়েছে। পলাতক চালককে আটক করতে পুলিশ অভিযান চালাচ্ছে। এ ঘটনায় পরবর্তী আইনগত কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
একই পরিবারের শোকের মধ্যেই ঘটে যাওয়া এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা এলাকায় গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
নিজস্ব প্রতিবেদক : সিলেট প্রতিনিধি : সিলেটের হযরত শাহজালাল (রহ.) মাজারের দানবাক্সের টাকা গণনা শেষে চতুর্থ দফায় পাওয়া গ...বিস্তারিত
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি: দেশব্যাপী ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযানের অংশ হিসেবে পরিষ্কার-পরিচ...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : বৃষ্টিপাত বেড়ে নদ-নদীর পানি সতর্কসীমায় পৌঁছালে দেশের পাঁচ জেলার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হতে পারে। শনি...বিস্তারিত
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : রাজশাহী প্রতিনিধি : পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ের ১১টি ট্রেন ইজারা দেওয়া হচ্ছে। ইতোমধ্যে চারটি ট্রেনের দর...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : পুলিশের একাংশের পুরোনো ও অচল যানবাহন, পুলিশের অবস্থান নজরদারিতে অপরাধীদের ড্রোনের ব্যবহার এবং মে...বিস্তারিত
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি : প্রথমদিন থেকেই বিরোধীদল প্রতিমুহূর্তে সরকারি দলকে অসহযোগিতা করার কারণেই ...বিস্তারিত
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৯ - © 2026 Dainik Amader Bangla | Developed By Muktodhara Technology Limited