শিরোনাম
নিজস্ব প্রতিবেদক | ০৬:৫০ পিএম, ২০২৫-১১-২৯
নাটোর ও পাবনা জেলার তিনটি উপজেলায় অভিযান চালিয়ে ৭২ জনকে গ্রেপ্তার করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। এ সময় দেশি-বিদেশি অস্ত্র ও মাদকদ্রব্য উদ্ধার করা হয়। শনিবার (২৯ নভেম্বর) দুপুর দেড়টায় রাজশাহী রেঞ্জের ডিআইজি মোহাম্মদ শাহজাহান তার কনফারেন্স রুমে সংবাদ সম্মেলনে গ্রেপ্তার ও অস্ত্র উদ্ধার সম্পর্কে গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানান।
এর আগে শুক্রবার (২৮ নভেম্বর) গভীর রাত থেকে শনিবার (২৯ নভেম্বর) সকাল ১১টা পর্যন্ত নাটোরের নলডাঙ্গা, সিংড়া এবং পাবনার ঈশ্বরদীর বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালানো হয়। এতে অস্ত্র ও মাদকদ্রব্য উদ্ধার করা হয়।
অভিযানে দুইজন সর্বহারা, অস্ত্রধারীর সহযোগী, নিয়মিত মামলার ২১ আসামি, মাদক মামলার ৪ আসামি, ২১ জন গ্রেপ্তারি পরোয়ানাভুক্ত (জিআর/সিআর), দুইজন সাজা পরোয়ানাভুক্ত (জিআর/সিআর) এবং ২২ জন সন্দিগ্ধকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় ১৩টি দেশি অস্ত্র (ছোরা, হাসুয়া, চাপাতি) ও একটি বিদেশি অস্ত্র, এক কেজি ১০০ গ্রাম গাঁজা এবং ২০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। পুলিশ জানায়, অভিযানে আন্তঃজেলা ডাকাত দলের সদস্য নাটোরের শহিদুল ইসলামকে আগ্নেয়াস্ত্রসহ গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে ডাকাতি, চুরি ও অস্ত্র আইনে আটটি মামলা বিচারাধীন রয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়- আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে আয়োজনে সহায়তা করতে এবং যারা পরিবেশ বিঘ্ন করতে পারে তাদের নিবৃত্ত ও গ্রেপ্তারের লক্ষ্যে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। সর্বহারা সন্ত্রাসী, অবৈধ অস্ত্রধারী ও আইনশৃঙ্খলা বিঘ্নকারী গোষ্ঠীর সদস্যদের গ্রেপ্তার, অবৈধ অস্ত্র ও মাদকদ্রব্য উদ্ধার এবং গ্রেপ্তারি পরোয়ানা তামিলই ছিল অভিযানের মূল লক্ষ্য। এ অভিযানে রাজশাহী রেঞ্জের অতিরিক্ত ডিআইজি (প্রশাসন ও অর্থ)/(ক্রাইম ম্যানেজমেন্ট), এসপি (প্রশাসন ও অর্থ)/(ক্রাইম ম্যানেজমেন্ট), সংশ্লিষ্ট সব জেলার পুলিশ সুপার, সার্কেল অফিসার ও ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা মাঠপর্যায়ে নেতৃত্ব দেন। রেঞ্জ ডিআইজি সার্বিক তত্ত্বাবধান ও সমন্বয় করেন। অভিযানে জেলা পুলিশের পাশাপাশি আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন এবং রেঞ্জ রিজার্ভ ফোর্সের সদস্যরা অংশ নেন।
সংবাদ সম্মেলনে রাজশাহী রেঞ্জের পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। এ সময় আরও জানানো হয়- অভিযান পর্যায়ক্রমে রেঞ্জের সব জেলায় পরিচালনা করা হবে।
প্রসঙ্গত, গত ৯ নভেম্বর পদ্মা নদীর চারটি চরে অপারেশন ফাস্ট লাইট চালিয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ৬৭ জনকে গ্রেপ্তার করে। এই অভিযানে রাজশাহীর পদ্মার চর থেকে ১৪ জন, নাটোরের পদ্মার চর থেকে ২০ জন, পাবনার পদ্মার চর থেকে ২৪ জন এবং কুষ্টিয়ার পদ্মার চর থেকে ৯ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। এছাড়া সর্বশেষ গত ২০ নভেম্বর চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও নওগাঁ জেলার ছয়টি থানায় অপারেশন ফার্স্ট লাইট-২ বিশেষ অভিযান চালিয়ে ৬৪ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ অভিযানে পুলিশ অস্ত্র ও মাদকদ্রব্যও উদ্ধার করে।
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : চট্টগ্রামের কিশোরী সুপর্বা সুধা বিশ্বাস। ১৩ বছর বয়সী অষ্টম শ্রেণির এই শিক্ষার্থীর ঝুলিতে ইতোমধ্...বিস্তারিত
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : বাংলাদেশ এডিটরস্ ফোরাম গভীর উদ্বেগের সঙ্গে লক্ষ্য করছে যে, সম্প্রতি চট্টগ্রামের একটি দৈনিক পত্রি...বিস্তারিত
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : নোবিপ্রবি প্রতিনিধি : জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি ও শহীদদের স্মরণে বাংলাদেশ ইসলাম...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : বিয়ের প্রতিশ্রুতিতে শারীরিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে শুধু পুরুষের শাস্তির বিধান কেন অবৈধ নয়, তা জানতে ...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : জুলাই গণঅভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলাগুলোর বিচার অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে এগোচ্...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ মো. নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘শিক্ষা প্রতি...বিস্তারিত
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৯ - © 2026 Dainik Amader Bangla | Developed By Muktodhara Technology Limited