শিরোনাম
নিজস্ব প্রতিবেদক | ০৬:১২ পিএম, ২০২৫-১২-২১
ঢাকা বিভাগীয় সড়ক পরিবহন ঠিকাদার নিয়োগে অনিয়ম, দুর্নীতি ও স্বেচ্ছাচারিতার অভিযোগে খাদ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (ডিজি) মো. আবুল হাসনাত হুমায়ূন কবীর, ঢাকা বিভাগের আঞ্চলিক খাদ্য নিয়ন্ত্রক সুরাইয়া খাতুনসহ সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) অভিযোগ করা হয়েছে।
গত ৯ ডিসেম্বর সেগুনবাগিচায় দুদকের প্রধান কার্যালয়ে এ অভিযোগ জমা দেন আইন ও মানবাধিকার সুরক্ষা ফাউন্ডেশনের প্রধান উপদেষ্টা সুফি সাগর শামস।
অভিযোগে বলা হয়েছে, খাদ্য অধিদপ্তরের পরিবহন কাজের একটি সিন্ডিকেট দীর্ঘদিন ধরে নিয়ন্ত্রণ করছে রেনু শিপিং সার্ভিস লিমিটেড। প্রতিষ্ঠানটির মালিক পরশ চন্দ্র সাবেক খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদারের ব্যবসায়িক অংশীদার ও কথিত আত্মীয় হিসেবে পরিচিত।
অভিযোগ ও অনুসন্ধানে উঠে এসেছে, ফ্যাসিস্ট সরকারের সময়ে রেনু শিপিংয়ের প্রভাব ব্যবহার করে মনিরুজ্জামান খাদ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (সংগ্রহ) পদে নিয়োগ পান। অভিযোগ রয়েছে, দায়িত্বকালে তিনি ব্যাপক দুর্নীতির মাধ্যমে অবৈধ সম্পদের মালিক হয়েছেন। দেশে ও বিদেশে তার ফ্ল্যাট ও প্লট রয়েছে বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।
বর্তমানে তিনি নিজেকে বিএনপির ত্যাগী নেতা হিসেবে পরিচয় দিলেও অভিযোগে বলা হয়েছে, বিগত ১৬ বছর তিনি রাজশাহী বিভাগে দায়িত্ব পালনকালে তৎকালীন ক্ষমতাসীনদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করেছেন। সে সময় সাবেক খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদারের সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠতা গড়ে ওঠে এবং সেই সূত্রেই রেনু শিপিংয়ের সঙ্গে সম্পর্ক আরও দৃঢ় হয়।
অভিযোগে বলা হয়, ঢাকায় বদলির পর তিনি রেনু শিপিংকে সুবিধা দিয়ে খাদ্য অধিদপ্তরে একচেটিয়া প্রভাব প্রতিষ্ঠায় সহায়তা করেন। এর ফলে অন্যান্য ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান কাজ পেতে বঞ্চিত হচ্ছে।
ঢাকা বিভাগীয় সড়ক পরিবহন ঠিকাদার নিয়োগে প্রায় ৩০ কোটি টাকার ঘুষ লেনদেন হয়েছে বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়। খাদ্য অধিদপ্তরে নিবন্ধিত ৮১৯টি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান থাকলেও ব্যক্তিস্বার্থে মাত্র ৩০০টি প্রতিষ্ঠানকে অর্থের বিনিময়ে নিয়োগ দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়।
প্রতিটি প্রতিষ্ঠান থেকে ৫ থেকে ৭ লাখ টাকা করে ঘুষ আদায়ের অভিযোগ আনা হয়েছে। এ ক্ষেত্রে আঞ্চলিক খাদ্য নিয়ন্ত্রক সুরাইয়া খাতুনের ঘনিষ্ঠ কয়েকজন প্রভাবশালী ঠিকাদার ঘুষ আদায়ে মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করেন বলেও অভিযোগে বলা হয়েছে।
অভিযোগ অনুযায়ী, গত ২২ সেপ্টেম্বর দরপত্র আহ্বান করা হলে ৮১৯টি প্রতিষ্ঠান দরপত্র ক্রয় করে। পরে ভালো দর নির্ধারণের প্রলোভন দেখিয়ে অনেক ঠিকাদারের আর্থিক ও কারিগরি নথি জিম্মায় নেওয়া হয়। যারা ঘুষ দিতে অস্বীকৃতি জানান, তাদের নথি আটকে রাখা হয় এবং দরপত্র থেকে বাদ দেওয়া হয়।
অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, প্রায় ৪৬৭টি দরপত্রে ‘ক্রস মার্ক’ ও অতিরিক্ত দর দেখা গেছে। অন্যদিকে নির্বাচিত ৩০০ থেকে ৩৫০টি প্রতিষ্ঠানের দরপত্রে একই কলম, একই হস্তাক্ষর ও একই লেখনীর ধরন পাওয়া গেছে, যা পূর্বনির্ধারিত দর নির্ধারণের ইঙ্গিত দেয়।
গত ২৪ অক্টোবর চিটাগাং রোডের একটি কমিউনিটি সেন্টারে ঠিকাদারদের ডেকে এনে নথিতে জোরপূর্বক স্বাক্ষর নেওয়ার অভিযোগও করা হয়েছে। যারা স্বাক্ষর দিতে রাজি হননি, তাদের ভয়ভীতি দেখিয়ে বের করে দেওয়া হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ রয়েছে।
একাধিক ঠিকাদার মহাপরিচালকের কাছে লিখিত অভিযোগ করলেও কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগকারীরা দাবি করেন।
এ বিষয়ে খাদ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. আবুল হাসনাত হুমায়ূন কবীর সাংবাদিকদের বলেন, “আমি দুদক সচিবের সঙ্গে কথা বলেছি। আমার বিষয়ে তদন্ত করার জন্য অনুরোধ জানিয়েছি।”
নিজস্ব প্রতিবেদক : রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। আগামী ১৩ আগস্ট মনোনয়নপত্র দাখিলের ...বিস্তারিত
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : চট্টগ্রামের কিশোরী সুপর্বা সুধা বিশ্বাস। ১৩ বছর বয়সী অষ্টম শ্রেণির এই শিক্ষার্থীর ঝুলিতে ইতোমধ্...বিস্তারিত
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : বাংলাদেশ এডিটরস্ ফোরাম গভীর উদ্বেগের সঙ্গে লক্ষ্য করছে যে, সম্প্রতি চট্টগ্রামের একটি দৈনিক পত্রি...বিস্তারিত
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : নোবিপ্রবি প্রতিনিধি : জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি ও শহীদদের স্মরণে বাংলাদেশ ইসলাম...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : বিয়ের প্রতিশ্রুতিতে শারীরিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে শুধু পুরুষের শাস্তির বিধান কেন অবৈধ নয়, তা জানতে ...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : জুলাই গণঅভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলাগুলোর বিচার অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে এগোচ্...বিস্তারিত
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৯ - © 2026 Dainik Amader Bangla | Developed By Muktodhara Technology Limited