শিরোনাম
মোঃ জহির উদ্দিন, কক্সবাজার : | ০৬:১৯ পিএম, ২০২৬-০২-১০
কক্সবাজারে সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন আয়োজনের লক্ষ্যে সেনাবাহিনী সম্পূর্ণ প্রস্তুত রয়েছে। নির্বাচনকে ঘিরে কোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি যেন সৃষ্টি না হয়, সে লক্ষ্যে রোহিঙ্গা ক্যাম্পসহ পুরো এলাকায় বাড়তি নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১১টায় কক্সবাজার সাংস্কৃতিক কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত যৌথবাহিনীর প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানানো হয়। রামু ক্যান্টনমেন্টের ১০ পদাতিক ডিভিশনের লেফটেন্যান্ট কর্নেল তানভীর আহমেদ বলেন, দক্ষিণ চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার অঞ্চলে পর্যাপ্ত সংখ্যক সেনাসদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। প্রতিটি ভোটকেন্দ্রের জন্য অস্থায়ী ক্যাম্প স্থাপন করা হয়েছে এবং ঝুঁকির মাত্রা বিবেচনা করে ডেপ্লয়মেন্ট প্ল্যান প্রস্তুত ও বাস্তবায়ন করা হয়েছে। তিনি বলেন, আমরা শুধু ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্র নয়, সব কেন্দ্রকেই সমান গুরুত্ব দিচ্ছি যেন কোনো দুর্ঘটনা বা অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটলে অল্প সময়ের মধ্যে দ্রুত সেখানে পৌঁছানো যায়। এজন্য একাধিকবার রিহার্সালও সম্পন্ন করা হয়েছে। নির্বাচন চলাকালে কোনো পরিস্থিতি সৃষ্টি হলে আমরা দ্রুত ও কার্যকরভাবে প্রতিক্রিয়া জানাতে পারব। লেফটেন্যান্ট কর্নেল তানভীর আরও জানান, অতীতের যেকোনো নির্বাচনের তুলনায় এবার সেনা মোতায়েনের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি করা হয়েছে। সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে রোহিঙ্গা ক্যাম্পের নিরাপত্তা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে ক্যাম্পগুলোতে অতিরিক্ত টহল জোরদার করা হয়েছে। স্থাপন করা হয়েছে চেকপয়েন্ট, ফেন্সিংয়ের ব্যবস্থা করা হয়েছে এবং ক্ষতিগ্রস্ত অংশের মেরামতও সম্পন্ন হয়েছে। ক্যাম্পের আশপাশে সার্বক্ষণিক নজরদারিতে রয়েছে সেনাবাহিনীসহ এপিবিএন ও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। তিনি বলেন, সেনাবাহিনী ও অন্যান্য বাহিনীর সম্মিলিত প্রচেষ্টায় আমরা একটি সুন্দর, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন উপহার দিতে পারব। রোহিঙ্গারা যেন কোনোভাবেই নির্বাচন প্রক্রিয়াকে ব্যাহত করতে না পারে, সে বিষয়ে আমরা সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছি। সংবাদ সম্মেলনে লেফটেন্যান্ট কর্ণেল সুপতা জানান, গত ৩ থেকে ৯ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত দক্ষিণ চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার অঞ্চলে সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সমন্বয়ে মোট ৪৬টি যৌথ অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। এসব অভিযানে চিহ্নিত শীর্ষ সন্ত্রাসী, মাদক কারবারি, ডাকাত দলের সদস্য, কিশোর গ্যাং, চোরাকারবারি ও বিভিন্ন মামলার আসামিসহ মোট ৫৯ জন অপরাধী এবং ১১৪৯ জন রোহিঙ্গাকে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি বলেন, অভিযানে ৬টি অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র, ১৪ রাউন্ড গোলাবারুদ, ১১৪টি দেশীয় ধারালো অস্ত্র, ৮ হাজার ৪৫০ পিস ইয়াবা, ২ হাজর ৩১১ লিটার দেশীয় মদ, ৪৯ লিটার বিয়ারসহ বিভিন্ন নাশকতা সৃষ্টিকারী সামগ্রী উদ্ধার করা হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃতদের প্রয়োজনীয় জিজ্ঞাসাবাদ শেষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। প্রেস ব্রিফিংয়ে উপস্থিত ছিলেন, র্যাব-১৫ এর সিনিয়র এএসপি মো. ফারুক, বিজিবি রামু সেক্টরের মেজর নাজমুস সাকিব, জি-২ (ইন্ট) মেজর ওমর ফারুক এবং কক্সবাজার সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আহমেদ পেয়ার।
নিজস্ব প্রতিবেদক : রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। আগামী ১৩ আগস্ট মনোনয়নপত্র দাখিলের ...বিস্তারিত
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : চট্টগ্রামের কিশোরী সুপর্বা সুধা বিশ্বাস। ১৩ বছর বয়সী অষ্টম শ্রেণির এই শিক্ষার্থীর ঝুলিতে ইতোমধ্...বিস্তারিত
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : বাংলাদেশ এডিটরস্ ফোরাম গভীর উদ্বেগের সঙ্গে লক্ষ্য করছে যে, সম্প্রতি চট্টগ্রামের একটি দৈনিক পত্রি...বিস্তারিত
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : নোবিপ্রবি প্রতিনিধি : জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি ও শহীদদের স্মরণে বাংলাদেশ ইসলাম...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : বিয়ের প্রতিশ্রুতিতে শারীরিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে শুধু পুরুষের শাস্তির বিধান কেন অবৈধ নয়, তা জানতে ...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : জুলাই গণঅভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলাগুলোর বিচার অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে এগোচ্...বিস্তারিত
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৯ - © 2026 Dainik Amader Bangla | Developed By Muktodhara Technology Limited