শিরোনাম
নিজস্ব প্রতিবেদক | ১১:৪৮ পিএম, ২০২৬-০৫-০৯
গাজীপুরের কাপাসিয়ায় একই পরিবারের পাঁচজনকে গলা কেটে হত্যার ঘটনায় ঘাতক ফোরকান মিয়াকে (৪০) প্রধান আসামি করে মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলায় আরও ৩-৪ জনকে অজ্ঞাত আসামি করা হয়েছে।
শনিবার (৯ মে) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে হত্যাকাণ্ডের শিকার শারমিন খানমের বাবা মো. সাহাদৎ মোল্লা বাদী হয়ে কাপাসিয়া থানায় মামলাটি দায়ের করেন।
শুক্রবার (৮ মে) রাতে কাপাসিয়া উপজেলার রাউতকোনা এলাকার ভাড়া বাসায় ওই হত্যাকাণ্ড ঘটে।
পরে পুলিশ দুপুরে পাঁচজনের লাশ উদ্ধার করে মর্গে পাঠায়।
হত্যাকাণ্ডের শিকার পাঁচজন হলেন, গোপালগঞ্জ সদর থানার মেরী গোপীনাথপুর এলাকার মো. ফোরকান মিয়ার স্ত্রী শারমিন খানম (৩৫), তার তিন মেয়ে মিম খানম (১৪), উম্মে হাবিবা ওরফে মারিয়া (৮) ও ফারিয়া (২) এবং শ্যালক রসুল মিয়া (১৮)।
পুলিশ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, প্রায় ১৬ বছর আগে গোপালগঞ্জ সদর থানার মেরী গোপীনাথপুর এলাকার আতিয়ার রহমান মোল্লার ছেলে ফোরকানের সঙ্গে একই থানার পাইককান্দি এলাকার মো. সাহাদৎ মোল্লার মেয়ে শারমিনের বিয়ে হয়। তাদের তিন কন্যাসন্তান রয়েছে।
তারা পরিবারসহ কাপাসিয়ার রাউতকোনা এলাকায় মনির হোসেনের বাসায় ভাড়া থাকতেন। ফোরকান প্রাইভেটকার চালাতেন।
শুক্রবার রাতে খাবারের সঙ্গে ফোরকান তার শ্যালক, স্ত্রী ও সন্তানদের চেতনানাশক খাওয়ান। এক পর্যায়ে গভীর রাতে জানালার গ্রিলের সঙ্গে তার স্ত্রীর হাত-মুখ বেঁধে ধারালো অস্ত্র দিয়ে গলা কেটে ও কুপিয়ে হত্যা করেন। পরে ঘুমিয়ে থাকা তিন মেয়ে ও শ্যালককেও গলা কেটে ও কুপিয়ে হত্যা করেন ফোরকান। পরে লাশের ওপর ফোরকান একটি ‘অভিযোগপত্র’ লিখে রেখে রাতেই পালিয়ে যান। সকালে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায় এবং পাঁচজনের লাশ উদ্ধার করে গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।
‘অভিযোগপত্রে’ ফোরকান দাবি করেন, তার স্ত্রী শারমিন খানম কয়েকজন ছেলের সঙ্গে পরকীয়া সম্পর্কে জড়িত। এছাড়া তার স্ত্রী এবং শ্বশুরবাড়ির লোকজন তার কাছ থেকে ১০ লাখ টাকা নিয়ে তাদের নামে জমি ক্রয় করে আত্মসাৎ করেছেন। এক পর্যায়ে গত ৩ মে সন্ধ্যায় তার স্ত্রী ও শ্বশুরবাড়ির লোকজন মিলে হাত ও পা রশি দিয়ে বেঁধে ফোরকানকে মারধর করেন।
গোপালগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বরাবর এ অভিযোগপত্রে তার কোনো স্বাক্ষর নেই। তবে গোপালগঞ্জ সদর থানায় এ ধরনের কোনো অভিযোগ কেউ করেননি বলে জানা গেছে।
কাপাসিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহিনুর আলম জানান, ফোরকানকে আসামি করে শারমিন খানম ও রসুল মিয়ার বাবা মো. সাহাদৎ মোল্লা বাদী হয়ে কাপাসিয়া থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। এ মামলায় আরও ৩-৪ জনকে অজ্ঞাত আসামি করা হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে। এছাড়া ঘাতককে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : সিরাজগঞ্জ ব্যুরো চীফ : সিরাজগঞ্জ জেলার কামারখন্দ উপজেলার হালুয়া কান্দি মফিজ উদ্দিন তালুকদার স্ম...বিস্তারিত
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : সিরাজগঞ্জ ব্যুরো চীফঃ বিগত সতেরো বছরে ফ্যাসিষ্ট আওয়ামী লীগ সরকারের সকল রক্ত চক্ষুকে উপেক্ষা করে ...বিস্তারিত
মাহাদী বিন সুলতান, রাঙ্গামাটি: : সারাদেশের ন্যায় 'নৌযান শুমারি-২০২৬' সফলভাবে বাস্তবায়নের লক্ষ্যে রাঙামাটিতে অংশীজনদের নিয়...বিস্তারিত
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি : জুলাই ২০২৪-এর গণঅভ্যুত্থানে আত্মোৎসর্গকারী শহীদদের স্মৃতির প্রতি গভ...বিস্তারিত
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি : ৫ আগস্ট ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস’ উপলক্ষে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সরকারি ...বিস্তারিত
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি : জুলাই ২০২৪-এর গণঅভ্যুত্থানে আত্মোৎসর্গকারী শহীদদের স্মৃতির প্রতি গভ...বিস্তারিত
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৯ - © 2026 Dainik Amader Bangla | Developed By Muktodhara Technology Limited