শিরোনাম
চট্টগ্রাম সংবাদদাতা | ০২:১৫ পিএম, ২০২৫-১১-০২
ভোর থেকেই নতুন ব্রিজ এলাকায় শুরু হয় গাড়ির চাপ। অফিসগামী কর্মজীবী মানুষ, স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থী, কাজ শেষে বাড়ি ফেরা মানুষ, আর কক্সবাজার কিংবা বান্দরবানগামী পর্যটকদের ভিড়ে দিনভর ব্যস্ত থাকে এই রুট।
যত্রতত্র গাড়ি পার্কিং, সড়কের জায়গা দখল করে দোকান বসানো এবং গোল চত্বর দখল করায় যানজট লেগেই থাকতো। এ ছাড়া ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা দুর্বল হওয়ায় সামান্য চাপেই সৃষ্টি হতো দীর্ঘস্থায়ী জট। সম্প্রতি ট্রাফিক পুলিশের সহায়তাকারী হিসেবে কাজ করছে সাবেক শিক্ষার্থীরা। তাদের কঠোর পরিশ্রম ও নিয়মিত তদারকির ফলে নতুন ব্রিজে এখন আগের সেই যানজট নেই। দক্ষিণ চট্টগ্রামের মানুষ বাড়ি ফিরছে স্বাচ্ছন্দ্যে। পর্যটকদের নেই আর নতুন ব্রিজের ভয়ানক যানজটের চিন্তা।
রোববার (২ নভেম্বর) সকাল ৯টা। নতুন ব্রিজ গোল চত্বরের পাশে হাতে প্লাস্টিকের লাঠি, মুখে বাঁশি বাজিয়ে ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ করছেন দুই তরুণ। তাদের হাতের ইশারাতেই চলছে চারপাশের গাড়ি। কোনও গাড়ি প্রধান সড়কে দাঁড়িয়ে যাত্রী উঠাতেই এগিয়ে গিয়ে তাদের কি যেন বুঝান তারা। এভাবেই সকাল থেকে রাত পর্যন্ত নতুন ব্রিজ এলাকায় ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা নিয়ন্ত্রণ করছেন সাবেক শিক্ষার্থীরা। যানজটমুক্ত করে নিরাপদে বাড়ি পৌঁছাতে ট্রাফিক পুলিশের সহায়তাকারী হিসেবে কাজ করছেন এই তরুণরা।
শুধু ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা নিয়ন্ত্রণই নয়, তারা ইতোমধ্যে চোর, ছিনতাইকারীদেরও পাকড়াও করেছেন। নগরের ব্যস্ততম এলাকা হওয়ায় এখানে প্রায় প্রতিদিন যাত্রী ও পথচারীদের মোবাইল থেকে শুরু করে কিছু না কিছু খোয়া যেত। বেশ কয়েকজন ছিনতাইকারীকে ধরে পুলিশে দিয়েছেন ট্রাফিক পুলিশকে সহায়তাকারী তরুণরা।
ctg-2দায়িত্বরত ট্রাফিক সহায়তাকারী আলমগীর ওয়াজেদ বাংলানিউজকে বলেন, প্রতিদিন পালা করে গোলচত্বর এলাকায় ট্রাফিক পুলিশের পাশাপাশি আমাদের একটি টিম দায়িত্ব পালন করে। সাপ্তাহিক ছুটির দিনে ঘরমুখো মানুষের ভিড় বেড়ে যায়। ফলে যানবাহনের চাপও বাড়ে। অনেকে নিয়ম না মেনে আগে যাওয়ার প্রতিযোগীতায় নামে, রাস্তার পাশে পার্কিং করে। এজন্য যানজট সৃষ্টি হয়।
তিনি আরও বলেন, আমরা প্রথমে যত্রতত্র পার্কিং দূর করেছি। অবৈধ সিএনজি স্টেশন মুক্ত করেছি। বাসগুলো নিয়ম নীতির তোয়াক্কা না করে প্রধান সড়কেই দাঁড়িয়ে থাকতো। যার কারণে যানজট লেগে থাকতো। এখন এসব করার সুযোগ নেই। আমরা প্রতিনিয়তই তদারকি করছি। অবৈধ কোনও বিষয়ে আমরা ছাড় দিচ্ছি না।
যাত্রী ও স্থানীয়রা বলেন, যত্রতত্র গাড়ি পার্কিং, সড়কের জায়গা দখল করে দোকান বসানো এবং গোল চত্বর দখল করায় যানজট লেগে থাকতো। এ ছাড়া ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা দুর্বল হওয়ায় সামান্য চাপেই সৃষ্টি হতো দীর্ঘস্থায়ী জট। এখন যানজট নেই বললেই চলে।
কক্সবাজারে ঘুরতে যাওয়া একদল যুবক বলেন, কক্সবাজার যেতে হলে আমাদের নতুন ব্রিজ পার হতে হয়। কিন্তু এখানে অনেক সময় ধরে আটকে থাকতে হতো। এতে ভ্রমণের আনন্দটাই মাটি হয়ে যেত। এখন যানজট নেই। কয়েক মিনিটেই নতুন ব্রিজ পার হয়েছি।
যাত্রীরা বলছেন, ট্রাফিক সহায়তাকারীদের এ কার্যক্রম যেন স্থায়ী হয়। কারণ এর আগেও ম্যাজিস্ট্রেট থেকে শুরু করে প্রশাসনের অনেকে কাজ করেছে। কিছুদিন যাওয়ার পর যে লাউ সেই কদু হয়ে যায়।
কর্ণফুলী উপজেলার শিকলবাহা এলাকার বাসিন্দা শামীমা আক্তার বলেন, আগে প্রতিদিন অফিসে যেতে দেরি হতো। যানজটের কারণে কর্মঘণ্টা নষ্ট হতো, মানসিক চাপও বাড়তো। এখন আলহামদুলিল্লাহ খুব দ্রুতই কর্মস্থলে যাতায়াত করতে পারছি।
মোঃ আরফান উদ্দীন : দূর থেকে দেখলে মনে হবে ছোট্ট কোনো ঝোপঝাড়ে ঢাকা পরিত্যক্ত বনভূমি। কাছে গেলেই চোখে পড়ে মরিচা ধরা গাড়...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : একদিকে কুমিল্লায় ছবি তুলতে বেরিয়ে নিখোঁজ ১৩ বছরের স্কুলছাত্রের মরদেহ উদ্ধার, অন্যদিকে খুলনায় ‘...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : ইঞ্জিন সংকটে চট্টগ্রাম থেকে দেশের বিভিন্ন গন্তব্যে পণ্যবাহী ট্রেন চলাচল অনেকটা কমে গেছে। একসময় চ...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : স্থানীয় সরকার নির্বাচনের সময়সূচি ঘোষণা নিয়ে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সঙ্গে সরকারের সমন্বয়হীনতার ...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : সিলেট প্রতিনিধি : সিলেটের হযরত শাহজালাল (রহ.) মাজারের দানবাক্সের টাকা গণনা শেষে চতুর্থ দফায় পাওয়া গ...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : ঋণের ‘উচ্চঝুঁকি’র দিকে ধাবিত হচ্ছে বাংলাদেশ। বিপুল পরিমাণ অভ্যন্তরীণ ও বৈদেশিক ঋণের সুদ পরিশ...বিস্তারিত
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৯ - © 2026 Dainik Amader Bangla | Developed By Muktodhara Technology Limited