শিরোনাম
শফকত সাদিয়া আহমেদ | ১২:৩৪ পিএম, ২০২৬-০৬-২৫
খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি :
ছাত্রীকে যৌন হয়রানির অভিযোগে অভিযুক্ত খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের এগ্রোটেকনোলজি ডিসিপ্লিনের অধ্যাপক মো. রেজাউল ইসলামের স্থায়ী বহিষ্কারের দাবিতে গণস্বাক্ষর কর্মসূচি শুরু করেছেন শিক্ষার্থীরা।
২৪ জুন, দুপুর থেকে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে এ কর্মসূচি শুরু করেন এগ্রোটেকনোলজি ডিসিপ্লিনের শিক্ষার্থীরা।তারা জানান, বৃহস্পতিবার বিকাল পর্যন্ত গণস্বাক্ষর কর্মসূচি চলবে। পরে সংগৃহীত স্বাক্ষর বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে জমা দিয়ে অভিযুক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানানো হবে।
মঙ্গলবার (১৬ জুন) দুপুরে এগ্রোটেকনোলজি ডিসিপ্লিনের শিক্ষার্থীরা ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর পক্ষে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মেসেজ দিয়ে উত্যক্ত করা মেসজসম্বলিত প্রমাণপত্রসহ যৌন হয়রানি ও নিপীড়ন নিরোধ কেন্দ্রে লিখিত অভিযোগ করেন।
বুধবার (১৭ জুন) বিকালে অভিযোগটি তদন্তের জন্য যৌন হয়রানি ও নিপীড়ন নিরোধ কেন্দ্রের ৭ সদস্যের কমিটি কাজ শুরু করেছে।
অভিযোগে ভুক্তভোগী উল্লেখ করেন, শুরুতে ওই শিক্ষক তাঁর সঙ্গে ভালো আচরণ করলেও ধীরে ধীরে মেসেঞ্জারে ও হোয়াটসঅ্যাপে নানা ধরনের কুরুচিপূর্ণ ও অস্বস্তিকর বার্তা পাঠাতে শুরু করেন। একই ডিসিপ্লিনের আরেক ছাত্রী অভিযুক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে অতীতে মৌখিক ও মানসিক হেনস্থার অভিযোগ তুলে বলেন, প্রায় এক যুগ আগে যখন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এতটা জনপ্রিয় ছিল না, তখনও ক্লাসের সবার সামনে কিংবা গভীর রাতে ফোন ও মেসেজে ছাত্রীদের (বিশেষ করে বিবাহিত ছাত্রীদের) নানা ধরনের আপত্তিকর ও অস্বস্তিকর প্রশ্ন করতেন এই শিক্ষক।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে প্রফেসর মো: রেজাউল ইসলাম দাবি করেন, তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা এসব অভিযোগ ভিত্তিহীন ও ষড়যন্ত্রমূলক। তিনি বলেন, “গত ফেব্রুয়ারিতে আমার মোবাইল ফোনটি চুরি হয়ে যায়। এরপর থেকে আমি আমার ফেসবুক ও হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাকাউন্ট ডিলিট করে দিয়েছি। এই বিষয়ে থানায় জিডি করা হলেও এখনো ফোনটি উদ্ধার হয়নি। ডিসিপ্লিনের প্রধান হিসেবে আমি অনেক উন্নয়নমূলক কাজ করেছি এবং শিক্ষার্থীদের কিছু নিয়মের বাইরে যেতে বাধা দিয়েছি। মূলত ঈর্ষা ও শত্রুতা থেকেই আমার বিরুদ্ধে এমন অপপ্রচার চালাচ্ছে একটি মহল।”
বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের হাদী চত্বরে এ সাধারণ শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ সমাবেশে করেন। শিক্ষার্থীরা বলেন, সত্য ঘটনা এড়ানোর জন্য তিনি মোবাইল হারানোর কথা বলেন যা নিন্দনীয়। বিক্ষোভে দল বেঁধে ছাত্রীরা কুশপুত্তলিকায় জুতা নিক্ষেপ করেন। পরে সেটি আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেওয়া হয়।
ঘটনার পর বিষয়টি বিশ্ববিদ্যালয়জুড়ে আলোচনার সৃষ্টি করে। এর পরিপ্রেক্ষিতে প্রশাসন প্রথমে অধ্যাপক রেজাউল ইসলামকে এগ্রোটেকনোলজি ডিসিপ্লিনের প্রধানের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেয়।
এদিকে তদন্ত চলাকালে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন পৃথক আদেশে অভিযুক্ত শিক্ষককে সাময়িকভাবে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দিয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর পরবর্তী প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।
নিজস্ব প্রতিবেদক : রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। আগামী ১৩ আগস্ট মনোনয়নপত্র দাখিলের ...বিস্তারিত
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : চট্টগ্রামের কিশোরী সুপর্বা সুধা বিশ্বাস। ১৩ বছর বয়সী অষ্টম শ্রেণির এই শিক্ষার্থীর ঝুলিতে ইতোমধ্...বিস্তারিত
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : বাংলাদেশ এডিটরস্ ফোরাম গভীর উদ্বেগের সঙ্গে লক্ষ্য করছে যে, সম্প্রতি চট্টগ্রামের একটি দৈনিক পত্রি...বিস্তারিত
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : নোবিপ্রবি প্রতিনিধি : জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি ও শহীদদের স্মরণে বাংলাদেশ ইসলাম...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : বিয়ের প্রতিশ্রুতিতে শারীরিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে শুধু পুরুষের শাস্তির বিধান কেন অবৈধ নয়, তা জানতে ...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : জুলাই গণঅভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলাগুলোর বিচার অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে এগোচ্...বিস্তারিত
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৯ - © 2026 Dainik Amader Bangla | Developed By Muktodhara Technology Limited