শিরোনাম
নিজস্ব প্রতিবেদক | ১২:১৭ পিএম, ২০২৬-০৫-১৭
ঈদুল আজহা উপলক্ষে ফেনীতে কোরবানির জন্য ৯০ হাজার ৪৫২টি পশু প্রস্তুত করা হয়েছে। এবার জেলায় চাহিদার তুলনায় ৭ হাজার ৯২৭টি পশু বেশি রয়েছে। ঈদকে সামনে রেখে ইতোমধ্যে পশুর পরিচর্যা নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন পাঁচ হাজারের বেশি খামারি।
জেলা প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, এবার কোরবানির জন্য জেলার ছয়টি উপজেলায় গবাদিপশুর চাহিদা রয়েছে ৮২ হাজার ৫২৫টি। এর মধ্যে ৯০ হাজার ৪৫২টি পশু প্রস্তুত করা হয়েছে, যা চাহিদার তুলনায় ৭ হাজার ৯২৭টি বেশি। এর মধ্যে জেলায় গরু রয়েছে ৭১ হাজার ৫৬৯টি, ছাগল ১৩ হাজার ২২৯টি, মহিষ ১ হাজার ৭৩৫টি এবং ভেড়া ৩ হাজার ৯১৯টি। গবাদিপশুর সংখ্যায় উপজেলাভিত্তিক তথ্যে এগিয়ে রয়েছে ছাগলনাইয়া উপজেলা। এ উপজেলায় পশুর সংখ্যা ২৪ হাজার ৩৬০টি। এরপর রয়েছে ফেনী সদর উপজেলা, যেখানে গবাদিপশু রয়েছে ২২ হাজার ৪১৫টি। এ ছাড়া সোনাগাজী উপজেলায় রয়েছে ১৮ হাজার ৩৭৫টি, দাগনভূঞা উপজেলায় ৮ হাজার ৮৭৫টি, পরশুরাম উপজেলায় ৮ হাজার ৩৭৮টি এবং ফুলগাজী উপজেলায় ৮ হাজার ৪৯টি পশু। সংশ্লিষ্ট সূত্রের তথ্যমতে, জেলার ৬ উপজেলায় এবার স্থায়ী ও অস্থায়ী মিলিয়ে ১২৯টি পশুর হাট বসছে। এর মধ্যে অস্থায়ী হাট ১১৪টি এবং স্থায়ী হাট ১৫টি। অস্থায়ী হাটের মধ্যে ফেনী সদর ও পৌরসভায় ৪২টি, ছাগলনাইয়া উপজেলা ও পৌরসভায় ১৫টি, ফুলগাজী উপজেলায় ৭টি, পরশুরাম উপজেলায় ৮টি, দাগনভূঞা উপজেলা ও পৌরসভায় ১৯টি এবং সোনাগাজী উপজেলায় ২১টি পশুর হাট ইজারা দেওয়া হয়েছে। এদিকে জেলা প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর থেকে ৩৭টি মেডিকেল টিম গঠন করা হয়েছে। জেলার ৫ হাজার ৪০৭টি খামারে এখন চলছে শেষ মুহূর্তের পরিচর্যা ও বিক্রির প্রস্তুতি। খামারিরা সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত গরুর পরিচর্যায় ব্যস্ত সময় পার করছেন। এবার ভালো লাভের আশাবাদী তারা। হাসিনা এগ্রোর স্বত্বাধিকারী আরাফাত খান ৬০ থেকে ৭০টি গরু লালন-পালন করেন। এবার ভালো লাভের আশাবাদী তিনি। প্রতিটি ছোট থেকে বড় গরুর পেছনে খরচ বেড়েছে বলে জানান তিনি। তিনি বলেন, এ বছর খাদ্যের দাম বাড়ায় প্রতিটি গরুর পেছনে খরচ বেড়েছে। ছোট গরুর পেছনে প্রায় ২০ হাজার টাকা এবং বড় গরুর পেছনে ৪০ হাজার টাকা পর্যন্ত অতিরিক্ত খরচ হচ্ছে। প্রান্তিক পর্যায়ের খামারিরা বলছেন, ঈদের জন্য পর্যাপ্ত পশু মজুদ রয়েছে। কিন্তু ঈদ ঘনিয়ে এলে বাজারে ভারতীয় পশু ঢুকতে শুরু করে। এতে পশুর দাম কমে যায় এবং খামারিদের ক্ষতির মুখে পড়তে হয়। ভারতীয় পশুর অনুপ্রবেশ ঠেকানো গেলে প্রান্তিক খামারিরা ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা পাবেন বলে মনে করছেন তারা। ফেনী-৪ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল এমএম জিল্লুর রহমান বলেন, কোরবানির পশুর অবৈধ অনুপ্রবেশ ও চামড়া পাচাররোধে সীমান্ত এলাকায় পাহারা জোরদার করা হবে। জেলা প্রশাসক মনিরা হক বলেন, আসন্ন ঈদুল আজহার কোরবানির পশুর হাট কোনোভাবেই সড়ক-মহাসড়কের ওপর বসানো যাবে না। এ ছাড়া বিভিন্ন স্থান থেকে আসা পশু বিক্রেতাদের নিরাপত্তার পর্যাপ্ত ব্যবস্থা নিতে হবে। বাজারে জাল টাকা ব্যবহার রোধে তফসিলভুক্ত ব্যাংকগুলোর সহযোগিতায় পর্যাপ্ত মেশিন রাখা হবে।
নিজস্ব প্রতিবেদক : সিলেট প্রতিনিধি : সিলেটের হযরত শাহজালাল (রহ.) মাজারের দানবাক্সের টাকা গণনা শেষে চতুর্থ দফায় পাওয়া গ...বিস্তারিত
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি: দেশব্যাপী ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযানের অংশ হিসেবে পরিষ্কার-পরিচ...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : বৃষ্টিপাত বেড়ে নদ-নদীর পানি সতর্কসীমায় পৌঁছালে দেশের পাঁচ জেলার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হতে পারে। শনি...বিস্তারিত
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : রাজশাহী প্রতিনিধি : পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ের ১১টি ট্রেন ইজারা দেওয়া হচ্ছে। ইতোমধ্যে চারটি ট্রেনের দর...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : পুলিশের একাংশের পুরোনো ও অচল যানবাহন, পুলিশের অবস্থান নজরদারিতে অপরাধীদের ড্রোনের ব্যবহার এবং মে...বিস্তারিত
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি : প্রথমদিন থেকেই বিরোধীদল প্রতিমুহূর্তে সরকারি দলকে অসহযোগিতা করার কারণেই ...বিস্তারিত
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৯ - © 2026 Dainik Amader Bangla | Developed By Muktodhara Technology Limited