শিরোনাম
স্পোর্টস ডেস্ক : | ০৭:১৪ পিএম, ২০২৪-০৫-১৮
২০১৩ সালের পর আইসিসি ইভেন্টের কোন শিরোপা জিততে পারেনি ভারত। শিরোপা খড়া কাটাতে ভারতকে চাপ সামলানোর পথ খুঁজে বের হবে বলে মনে করেন পাকিস্তানের সাবেক অধিনায়ক মিসবাহ উল হক।তার মতে আইসিসি ইভেন্টে দুর্দান্ত পারফরমেন্সের পরও ভারতের শিরোপা জিততে না পারার কারণ চাপ সামলাতে না পারা। শিরোপা জিততে চাপকে জয় করতে হবে টিম ইন্ডিয়াকে।
১৯৮৩ সালে প্রথমবারের মত আইসিসি ইভেন্টে প্রথম শিরোপা জয় করে ভারত। ওয়েস্ট ইন্ডিজকে হারিয়ে ওয়ানডে বিশ^কাপের শিরোপা জিতেছিলো তারা। এরপর ২০০৭ সালে অনুষ্ঠিত প্রথম টি-টোয়েন্টি বিশ^কাপে বাজিমাত করে ভারত। ফাইনালে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বি পাকিস্তানকে হারিয়ে ট্রফি জিতে নেয় টিম ইন্ডিয়া।
এরপর ২০১১ সালে দ্বিতীয়বারের মত ওয়ানডে বিশ^কাপে চ্যাম্পিয়ন হয় ভারত। ২০১৩ সালে মহেন্দ্র সিং ধোনির নেতৃত্বে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির পর আর আইসিসির কোন শিরোপাই জিততে পারেনি ভারত। দু’বার আইসিসি টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে উঠেও শিরোপার দেখা পায়নি তারা। এমনকি ২০২৩ সালে ঘরের মাঠে অনুষ্ঠিত বিশ^কাপে টানা ১০ ম্যাচ জিতে ফাইনালে উঠলেও, অস্ট্রেলিয়ার কাছে অসহায় আত্মসমর্পন করে রোহিত-কোহলিরা।
আইসিসি ইভেন্টে দুর্দান্ত পারফরমেন্সের পরও ভারতের শিরোপা জিততে না পারার কারন হিসেবে চাপকে বড় করে দেখছেন মিসবাহ। তার মতে, এশিয়ার দলগুলোর উপর অনেক বেশি প্রত্যাশা থাকার কারনে চাপের মুখে পড়ে যায় দলগুলো।
স্টার স্পোর্টসের প্রেস রুমের শো’তে মিসবাহ বলেন, ‘ভারত, পাকিস্তানসহ এশিয়ার অন্যান্য দেশে বিশাল জনসংখ্যা এবং অনেক বেশি প্রত্যাশার কারণে চাপের মুখে পড়ে যায় দলগুলো। এত বেশি চাপ থাকে যে, যা পারফরমেন্সের উপর প্রভাব ফেলে। গত কয়েকটি ইভেন্টে চাপের সাথে লড়াই করতে হয়েছে ভারতকে। এজন্য সাফল্য নিয়ে টুর্নামেন্ট শেষ করতে পারেনি ভারত।’
মিসবাহ জানান, আইসিসি ইভেন্টে নকআউট ম্যাচে চাপ সামলানোর পথ খুঁজে বের করতে হবে ভারতকে। তিনি বলেন, ‘অস্ট্রেলিয়ার জন্য এটি বড় সমস্যা নয়, কিন্তু পাকিস্তান এবং ভারতের জন্য এ ধরনের চাপের মধ্যে খেলা বড় চ্যালেঞ্জিং। ভবিষ্যতে কিভাবে এমন চাপ সামলাবে দলগুলো, সেটিই দেখার বিষয়। বিশেষভাবে, ভারতের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ এটি। আইসিসি ইভেন্টে সফল হতে চাইলে চাপ সামলানোর পথ খুঁজে বের করতে হবে করে ভারতকে।’
শক্তিশালী বোলিং ও ব্যাটিং লাইন-আপের জন্য আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ^কাপে ভারতকে এগিয়ে রাখছেন মিসবাহ। তিনি বলেন, ‘এখনকার ভারতের দলটি সম্পূর্ণ ভিন্ন। তাদের শক্তিশালী বোলিং লাইনআপ আছে। ব্যাটিং সবসময়ই শক্তিশালী ছিল। বোলিংয়ে উন্নতির কারনে দ্রুত তাদের খেলার মান বেড়েছে। বুমরাহ-সামি-সিরাজদের মত পেসার এবং হার্ডিক পান্ডিয়ার মত অলরাউন্ডার থাকার কারনে ভারতীয় ক্রিকেটের মান অনেক বেশি বেড়েছে। চাপ সামলানোর ক্ষমতাও বৃদ্ধি পেয়েছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘বেশি-বেশি ক্রিকেট খেলার কারনে তাদের আত্মবিশ্বাস বেড়েছে। তাদের সমস্যায় ফেলতে প্রতিপক্ষকে অনেক চেষ্টা করতে হবে, যা কঠিন কাজ। উদাহরণস্বরূপ, অস্ট্রেলিয়ার দিকে তাকালে দেখা যায় দৃঢ় মানসিকতার কারনে তারা যেকোন বাধা অতিক্রম করে। বড় ম্যাচে যেকোন চাপ সামলাতে পারে তারা।’
স্পোর্টস ডেস্ক : : চেন্নাইয়ে আগে ব্যাটিং করে এই আসরে নিজেদের সর্বোচ্চ সংগ্রহ করে কানাডা। ৪ উইকেটে তারা করেছিল ১৭৩ রা...বিস্তারিত
স্পোর্টস ডেস্ক : : আসন্ন রমজানে মুসলিম ফুটবলারদের জন্য আবারও বিশেষ উদ্যোগ নিচ্ছে ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগ কর্তৃপক্ষ। ফু...বিস্তারিত
স্পোর্টস ডেস্ক : : বাংলাদেশ সরকারের যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন মো. আমিনুল হক। নত...বিস্তারিত
স্পোর্টস ডেস্ক : : দল কঠিন সময় পার করলেও অভিজ্ঞদের ওপর আস্থা রাখছেন পাকিস্তানের স্পিনার উসমান তারিক। নামিবিয়ার বিপক...বিস্তারিত
স্পোর্টস ডেস্ক : : টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ চলাকালেই আইপিএলে কোচিংয়ের প্রস্তাব পেলেন ভারতীয় দলের হেড কোচ গৌতম গম্ভীর। র...বিস্তারিত
স্পোর্টস ডেস্ক : : জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে হারের পরই অস্ট্রেলিয়ার সুপার এইট নিয়ে শঙ্কা দেখা দেয়। গতকাল শ্রীলঙ্কার কাছে ...বিস্তারিত
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৯ - © 2026 Dainik Amader Bangla | Developed By Muktodhara Technology Limited